Shuru
Apke Nagar Ki App…
গাছতলা এলাকায় রাস্তা ও জল নিকাশি নালার দাবিতে সরব বাসিন্দারা গোলেনাওহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের গাছতলা এলাকায় মৌলিক পরিষেবার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের অভিযোগ, বারবার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে জানানো সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত রাস্তা ও জল নিকাশি নালার কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। বাসিন্দাদের আরও দাবি, অনেক যোগ্য পরিবার এখনও বাংলা আবাস যোজনার ঘর পাননি। ফলে দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। এ বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পবিত্র বর্মন ও শরিফুল বিবির স্বামী জিয়ারুল মিয়া জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়া চলার কারণে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে নির্বাচন শেষ হলেই দ্রুত রাস্তা ও নিকাশি নালার কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশ্বাস দেন তারা।
SLK News সংবাদ মাধ্যম
গাছতলা এলাকায় রাস্তা ও জল নিকাশি নালার দাবিতে সরব বাসিন্দারা গোলেনাওহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের গাছতলা এলাকায় মৌলিক পরিষেবার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের অভিযোগ, বারবার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে জানানো সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত রাস্তা ও জল নিকাশি নালার কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। বাসিন্দাদের আরও দাবি, অনেক যোগ্য পরিবার এখনও বাংলা আবাস যোজনার ঘর পাননি। ফলে দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। এ বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পবিত্র বর্মন ও শরিফুল বিবির স্বামী জিয়ারুল মিয়া জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়া চলার কারণে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে নির্বাচন শেষ হলেই দ্রুত রাস্তা ও নিকাশি নালার কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশ্বাস দেন তারা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- গোলেনাওহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের গাছতলা এলাকায় মৌলিক পরিষেবার অভাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের অভিযোগ, বারবার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে জানানো সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত রাস্তা ও জল নিকাশি নালার কোনও ব্যবস্থা করা হয়নি। বাসিন্দাদের আরও দাবি, অনেক যোগ্য পরিবার এখনও বাংলা আবাস যোজনার ঘর পাননি। ফলে দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। এ বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য পবিত্র বর্মন ও শরিফুল বিবির স্বামী জিয়ারুল মিয়া জানান, নির্বাচন প্রক্রিয়া চলার কারণে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। তবে নির্বাচন শেষ হলেই দ্রুত রাস্তা ও নিকাশি নালার কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে আশ্বাস দেন তারা।1
- Post by Jakir Islam1
- রবিবার কোচবিহার-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র জনসভাকে ঘিরে ঘটে গেল এক অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়া ঘটনা। কোচবিহার পুলিশ লাইনের সামনে প্রধানমন্ত্রীর কনভয় যাওয়ার সময় আচমকাই এক যুবক কনভয়ের সামনে শুয়ে পড়ে, যা মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। জানা গিয়েছে, ওই যুবকের নাম অসীম সরকার। তার বাড়ি আলিপুরদুয়ার জেলার অন্তর্গত ফালাকাটা-র চুয়াখোলা এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশ দাবি করেছেন, যুবকটি নাকি প্রধানমন্ত্রীকে প্রণাম করার উদ্দেশ্যেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে এই যুক্তি অনেকের কাছেই প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে—এত কড়া নিরাপত্তার মধ্যেও কীভাবে একজন ব্যক্তি সরাসরি কনভয়ের সামনে পৌঁছে গেল? ঘটনার পরই তড়িঘড়ি নড়েচড়ে বসে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (SPG)। দ্রুত ওই যুবককে আটক করা হলেও, ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে—নিরাপত্তা বলয়ের ফাঁকফোকর স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সকলের সামনে। কয়েক মুহূর্তের এই ঘটনা বড়সড় বিপদের ইঙ্গিত বহন করছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। পুলিশ সূত্রে খবর, কনভয় যখন সভাস্থলের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আচমকা এই ঘটনা ঘটে। প্রশ্ন উঠছে, এত স্তরের নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ওই যুবক ব্যারিকেড ভেঙে বা এড়িয়ে এতটা কাছে পৌঁছে গেল? এটি কি শুধুই একজন ‘ভক্তের’ আবেগঘন আচরণ, নাকি এর আড়ালে রয়েছে নিরাপত্তার মারাত্মক গাফিলতি? ঘটনার পর এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কও দেখা যায়। অনেকেই মনে করছেন, যদি এই ঘটনাটি অন্য কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতো, তাহলে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারত। ফলে গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপরই প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। অসীম সরকারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। তার উদ্দেশ্য ও মানসিক অবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে প্রশাসন থেকে ‘কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি’ বলে জানানো হলেও, এই ধরনের নিরাপত্তা ভাঙনকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। সব মিলিয়ে, রবিবারের এই ঘটনা শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—বরং তা বড়সড় নিরাপত্তা ত্রুটির ইঙ্গিত দিচ্ছে। দেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো উচ্চপর্যায়ের নেতার নিরাপত্তায় এমন ফাঁক থেকে গেলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- হলদিবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি বৈকুণ্ঠ রায়ের নেতৃত্বে ২৫টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করলেন। এই যোগদান কর্মসূচিতে নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জ বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান, মেখলিগঞ্জ মণ্ডল ৩-এর সভাপতি পীযূষ কান্তি রায় সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। যোগদান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই যোগদানের ফলে এলাকায় দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং আসন্ন নির্বাচনে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।1
- *প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার সময় বিজেপির বুথ সভাপতিকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য।*1
- ক্ষীরপাই 🙏🌺বাগাল কালী মা খুবই ভালো লাগছে এই জায়গাটা এসে যেই বড়মা 🌺🙏 সবাই এসো এই জায়গাটাকে খুবই ভালো জায়গা1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মাথাভাঙ্গা ও শীতলকুচি কেন্দ্রে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থীরা এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র1