পাঁচ বছর আগে পাণ্ডুয়া থানার অন্তর্গত বোস পাড়া এলাকায় গৃহবধূ নাজরানা খাতুনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় স্বামী মহম্মদ রাজাকে দোষী সাব্যস্ত করে কড়া সাজা শোনাল চুঁচুড়া আদালত। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত একাধিক ধারায় শাস্তির নির্দেশ দিয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ (বধূ নির্যাতন) ধারায় অভিযুক্তকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনা (ধারা ৩০৬) মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি পণপ্রথা বিরোধী আইনে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেল ভোগ করতে হবে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মুসলিম রীতি মেনে বিয়ে হয় নাজরানা খাতুনের সঙ্গে মহম্মদ রাজার। অভিযোগ, বিয়ের সময় পণের দাবি না থাকলেও বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই শুরু হয় টাকা ও উপহারের দাবিতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। মৃতার পরিবারের দাবি, সামর্থ্যের বাইরে গিয়েও একাধিকবার অর্থ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অত্যাচার থামেনি। ২০২১ সালের ২৭ জুন নাজরানাকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর মৃতার বাবা পাণ্ডুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬৭/২১ নম্বর মামলা রুজু করে পুলিশ। তদন্ত শেষে চার্জশিট পেশ করা হয় আদালতে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এদিন সাজা ঘোষণা করে। রায়ের পর মৃতার পরিবার জানায়, তারা আইনের উপর আস্থা রেখেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল এবং অবশেষে ন্যায়বিচার পেয়েছে। আইনজীবী মহলের মতে, এই রায় পণপ্রথা ও গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে। এ বিষয়ে চুঁচুড়া আদালতের সরকারী পিপি রনেশ চন্দ্র ধর জানান সরকারি পিপি শঙ্কর গাঙ্গুলি জানান
পাঁচ বছর আগে পাণ্ডুয়া থানার অন্তর্গত বোস পাড়া এলাকায় গৃহবধূ নাজরানা খাতুনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় স্বামী মহম্মদ রাজাকে দোষী সাব্যস্ত করে কড়া সাজা শোনাল চুঁচুড়া আদালত। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত একাধিক ধারায় শাস্তির নির্দেশ দিয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ (বধূ নির্যাতন) ধারায় অভিযুক্তকে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাবাসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনা (ধারা ৩০৬) মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি পণপ্রথা বিরোধী আইনে ২ বছরের কারাদণ্ড ও ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের জেল ভোগ করতে হবে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মুসলিম রীতি মেনে বিয়ে হয় নাজরানা খাতুনের সঙ্গে মহম্মদ রাজার। অভিযোগ, বিয়ের সময় পণের দাবি না থাকলেও বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই শুরু হয় টাকা ও উপহারের দাবিতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন। মৃতার পরিবারের দাবি, সামর্থ্যের বাইরে গিয়েও একাধিকবার অর্থ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অত্যাচার থামেনি। ২০২১ সালের ২৭ জুন নাজরানাকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর মৃতার বাবা পাণ্ডুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬৭/২১ নম্বর মামলা রুজু করে পুলিশ। তদন্ত শেষে চার্জশিট পেশ করা হয় আদালতে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে এদিন সাজা ঘোষণা করে। রায়ের পর মৃতার পরিবার জানায়, তারা আইনের উপর আস্থা রেখেই লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল এবং অবশেষে ন্যায়বিচার পেয়েছে। আইনজীবী মহলের মতে, এই রায় পণপ্রথা ও গার্হস্থ্য হিংসার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে। এ বিষয়ে চুঁচুড়া আদালতের সরকারী পিপি রনেশ চন্দ্র ধর জানান সরকারি পিপি শঙ্কর গাঙ্গুলি জানান
- Post by News Arambagh Town1
- New Future আমাদের জীবনের এই ধারাবাহিকতার সিস্টেম সুন্দরভাবে দেখুন এই গণিতের হিসাবে।1
- রাজ্য সড়কের দুই ধারে নামানো রয়েছে ইমারতী দ্রব্য। আর সেই ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিচ্ছে সাধারণ মানুষের রাস্তা চলাচলের। যে বা যারা এই ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসা করছেন তাদেরকে এলাকার মানুষ অনেক বার ধরে জানানোর পরেও একইভাবে মেন রাস্তার ওপরে পড়ে থাকছে ইমারতি দ্রব্য, তাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের খুব অসুবিধা হচ্ছে। কখনো কখনো বড় সড় দুর্ঘটনা ঘটে গেলে তার দায় কে নেবে? প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের দিকে? ঘটনাটি গোঘাট থানার অন্তর্গত মামুদপুর বাসস্ট্যান্ডের।1
- পৌরসভার দেওয়া নিয়ে জল খেতে নিষেধ করার জন্য রীতিমতো মাইকিং করে প্রচার করছে পৌরসভা কিন্তু এমন চিত্র কেন। জানা যায় পৌরসভার ১৩ এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের পানীয় জলের দূষিত হয়ে যাওয়ার কারণে সেই জল পান করে অসুস্থ হয়েছে অনেকেই। আগামীকাল পানীয় জলের রিজারভার ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করা হবে।তাই আগামীকাল পানীয় জল পান করতে নিষেধ করা হচ্ছে।1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- সরকারি ভাবে অনুদান মেলেনি, বিদ্যালয়ে নিয়োগ হয়নি পর্যাপ্ত শিক্ষক -শিক্ষিকা, ক্লাসে রুমে নেই পর্যাপ্ত বেঞ্চ, নব নির্মিত দ্বিতল স্কুল ভবনে জানালা দরজা তৈরিতে সরকারি সহযোগিতা না মিললেও গ্রামের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তায় কিছু অভাব পূরণ হয়েছে। বিদ্যালয়ে পরিচালন সমিতির সভাপতি খোদ শাসক দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েতের সদস্যা। তবে বিদ্যালয়ের উন্নতি সাধনে মেলেনি সহযোগিতা ।এবার সেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পাঁচজন মনিষীর আবক্ষ মূর্তি উন্মোচনে এগিয়ে এলেন প্রাক্তন ছাত্র ও অভিভাবকরা। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার খুকুড়দহ চক্রের পাঁচগেছিয়া -ll প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি বসানো হলো বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি সুভাষ, ক্ষুদিরাম, বিবেকানন্দ এই পাঁচ মনিষীর আবক্ষ মূর্তি।খরচ প্রায় এক লক্ষ টাকা, সমস্ত খরচ বহন করেছে ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, অভিভাবক সহ গ্রামের স্বহৃদ ব্যক্তিরা।1
- দেশ রাজ্যে উন্নয়নের জোয়ার। তারই মাঝে ঘাটালের এই গ্রামে নেই পানীয় জল। স্বাভাবিকভাবেই তীব্র ক্ষভে গ্রামের মানুষজন। মাঠ থেকে কৃষিকাজে ব্যবহৃত সেচের জল এনে খেতে হচ্ছে গ্রামের মানুষজনকে। ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে ফুঁসছে, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দড়ি টানাটানি। তবে পানীয় জলের ব্যবস্থা করতে এখনো কেউ আগিয়ে আসেনি। ঘাটাল মহকুমা চন্দ্রকোনা দু'নম্বর ব্লকের বান্দিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোতাখালি গ্রামের এমনি ছবি। ভোতাখালী গ্রামের ব্রাহ্মণকোলা পাড়ায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ঘরের বসবাস। সরকারি উদ্যোগে গ্রামে সজল ধারা প্রকল্পের মাধ্যমে পাইপ লাইন দিয়ে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যেত, হঠাৎ করে দুই মাস আগে পাম্প বিকল হয়ে যাওয়ায় বন্ধ পানীয় জলের জোগান। দরিদ্র কৃষি প্রধান এলাকার মানুষজন এর ফলে পড়েছে চরম পানীয় জলের সমস্যা। এলাকার মানুষের দাবি তাদের অর্থ নেই তাই পাম্প মেরামত করতে পারেনি তারা। গ্রামের জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অগত্যা দীর্ঘদিন ধরে সরু মেঠো পথের আল ধরে কৃষিকাজে ব্যবহৃত মাঠের জল এনে পান করতে হচ্ছে তাদের। ঘটনায় শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভে গ্রামের বাসিন্দারা । তবে ঘটনায় রাজনৈতিক দায় ঠেলাঠেলি শুরু হলেও এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা জেলা তৃনমূলের নেতা প্রসুন ঘোষ অবশ্য স্বীকার করেছেন ঘটনার কথা। তিনি বলেন স্থানীয়ভাবে তাদের জানানো হয়নি বিষয়টি । সংবাদ মাধ্যমের কাছ থেকেই তারা এই বিষয়টি জানলেন গ্রামের মানুষের সাথে কথা বলে দ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হবে, তাঁরা আশ্বাস। এখন দেখার কবে গ্রামের মানুষগুলোর পানীয়জলের ট্যাপে জল আসে।1
- Post by News Arambagh Town1