Shuru
Apke Nagar Ki App…
কালীগঞ্জ বাজারকে অত্যন্ত সুন্দর হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কালীগঞ্জের ৮০ ব্লকেরও উল্লেখ রয়েছে।
Sandeep Hazra
কালীগঞ্জ বাজারকে অত্যন্ত সুন্দর হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কালীগঞ্জের ৮০ ব্লকেরও উল্লেখ রয়েছে।
More news from Nadia and nearby areas
- উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জীর হাত ধরে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে নাম লেখানোর পর এবার চাপড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক জেবের শেখও একই পথে হেঁটেছেন। মহুয়া মৈত্রের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জেবের শেখের এই যোগদানকে বিজেপির দিকে তার যাত্রার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জী বহু তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। এই ধারাবাহিক ঘটনায় চাপড়ার বিধায়কের এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কৃষ্ণনগরের সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র এই বিষয়ে কী বলেছেন, এমন প্রশ্ন উঠলেও, মূল খবরে এই প্রসঙ্গে তার কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।1
- পলাশীর যুদ্ধের ২৬৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার লালবাগের একটি সেমিনার হলে ‘কালো পলাশী দিবস’ পালন করা হয়েছে। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সংস্কৃতিকর্মী এবং ছাত্রছাত্রীরা। আলোচনায় বক্তারা পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন যে, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত এই যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। বক্তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিল্পী অমিতাভ লাহিড়ীর সরাসরি চিত্রাঙ্কন, যেখানে তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে কেন্দ্র করে একটি চিত্র অঙ্কন করেন। এটি উপস্থিত দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এছাড়াও, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ভারতের সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঠ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি, পলাশীর যুদ্ধ ও তৎকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যা ঘুরে দেখে বহু দর্শক ইতিহাসের নানা অজানা দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। আয়োজকদের মতে, ইতিহাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং তার শিক্ষা বর্তমান সমাজে প্রয়োগ করাই এই ধরনের অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। দিনভর আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এই বিশেষ 'কালো পলাশী দিবস' অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।1
- মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা-শিশু সহ তিনজন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসক দেখিয়ে রাতে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে আরও এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রথমে মারা যান মা আহিরুন বিবি। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁর ছেলে আমানুল্লাহ মির্জার মৃত্যু হয়। পরিবারের মেয়ে আসমা আক্তারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ভয়াবহ ঘটনায় পরিবারের আরও একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই মর্মান্তিক কান্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- প্রতিবছরের মতো এই বছরও পবিত্র দশহরা তিথিতে গুপ্তিপাড়ায় গঙ্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পবিত্র গঙ্গাপূজা গুপ্তিপাড়ার খেয়াঘাট এলাকায় আয়োজিত হয়।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলা কৃষ্ণপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বুধবার সকাল থেকে ব্যাপক হকার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) এবং পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল রেলওয়ের জমি ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট এবং দখলদারি সরানো। অভিযান চলাকালীন বুলডোজার ব্যবহার করে একাধিক অস্থায়ী ও অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং স্টেশন চত্বরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরপিএফ ও স্থানীয় থানার পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। যদিও এই অভিযানের ফলে কিছু হকার ও ব্যবসায়ীর মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়, তবুও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, ভবিষ্যতেও রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত রাখতে এবং অবৈধ নির্মাণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।1
- পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপির অন্দরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যেখানে দলের কর্মীরাই এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। কর্মীদের অভিযোগ, মণ্ডল সভাপতি একজন তোলাবাজ। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা অবিলম্বে ওই মণ্ডল সভাপতিকে দল থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন।1
- বোলপুর-শান্তিনিকেতনে এক সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, তাঁর সই নকল করে একটি বিলাসবহুল রিসর্ট বেদখল করা হয়েছে। এই ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম জড়িয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর বোলপুরের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দিকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই ঘটনা ঘটে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন, যেখানে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও মারধর করা হয়। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস জানান, ট্যাক্স সংক্রান্ত কাজের সূত্র ধরে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অপূর্বের পরামর্শে তাঁরা দু'জনে শান্তিনিকেতনের সায়রবিথী পার্কের পশ্চিম দিকে প্রায় ১৮ কাঠা জমি কেনেন ২০১৭-১৮ সালে। এর মধ্যে ১১ কাঠা জমি চিকিৎসকের নামে এবং বাকি সাত কাঠা অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের নামে ছিল। পরবর্তীতে, ২০২১-২২ সালে এই জমিতে ১৭টি ঘর ও সুইমিং পুলসহ 'আয়াস রিসর্ট' তৈরি করা হয়। রিসর্ট নির্মাণ ও জমি কিনতে চিকিৎসক মোট ৩ কোটি ৬১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন, যা নগদ, চেক এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সব্যসাচী মণ্ডল, নীলকান্ত মণ্ডল এবং সুভাষ দত্ত ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। রিসর্ট উদ্বোধনের কিছুকাল পরই চিকিৎসক জানতে পারেন, তাঁর সই নকল করে পুরো সম্পত্তি অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং সব্যসাচী মণ্ডল নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, নিজের সম্পত্তি দাবি করতে গেলে সব্যসাচী মণ্ডলের লোকজন তাঁর উপর চড়াও হয়ে মারধর করে এবং তাঁকে বহুবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডল এবং তৎকালীন বীরভূম জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম করে তাঁকে দিনের পর দিন ভয় দেখানো হয়, যার ফলে তিনি অভিযোগ জানাতে পারেননি। এমনকি, সেই সময় পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলেও তিনি দাবি করেন। বর্তমানে 'আয়াস' রিসর্টটি সব্যসাচী মণ্ডলের স্ত্রী লাবণী সাহা ও অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের মা ঊষারানি মুখোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে। চিকিৎসকের বাবা হৃদয়রতন দাস জানান, তাঁর সহজ-সরল ছেলেকে বড় চক্রান্ত করে ঠকানো হয়েছে এবং তাঁদের সর্বস্বান্ত করে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস সম্প্রতি বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বন্দেশ, শান্তিনিকেতন থানার ওসি এবং বোলপুর ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আশাবাদী যে রাজ্যে পালাবদল হওয়ায় নতুন সরকারের অধীনে তিনি সঠিক বিচার পাবেন। জেলাশাসক ধবল জৈন এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।1