Shuru
Apke Nagar Ki App…
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা-শিশু সহ তিনজন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসক দেখিয়ে রাতে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে আরও এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রথমে মারা যান মা আহিরুন বিবি। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁর ছেলে আমানুল্লাহ মির্জার মৃত্যু হয়। পরিবারের মেয়ে আসমা আক্তারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ভয়াবহ ঘটনায় পরিবারের আরও একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই মর্মান্তিক কান্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
Lalgola news
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা-শিশু সহ তিনজন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসক দেখিয়ে রাতে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে আরও এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রথমে মারা যান মা আহিরুন বিবি। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁর ছেলে আমানুল্লাহ মির্জার মৃত্যু হয়। পরিবারের মেয়ে আসমা আক্তারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ভয়াবহ ঘটনায় পরিবারের আরও একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই মর্মান্তিক কান্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা-শিশু সহ তিনজন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসক দেখিয়ে রাতে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে আরও এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রথমে মারা যান মা আহিরুন বিবি। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁর ছেলে আমানুল্লাহ মির্জার মৃত্যু হয়। পরিবারের মেয়ে আসমা আক্তারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ভয়াবহ ঘটনায় পরিবারের আরও একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই মর্মান্তিক কান্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।1
- পলাশীর যুদ্ধের ২৬৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার লালবাগের একটি সেমিনার হলে ‘কালো পলাশী দিবস’ পালন করা হয়েছে। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সংস্কৃতিকর্মী এবং ছাত্রছাত্রীরা। আলোচনায় বক্তারা পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন যে, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত এই যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। বক্তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিল্পী অমিতাভ লাহিড়ীর সরাসরি চিত্রাঙ্কন, যেখানে তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে কেন্দ্র করে একটি চিত্র অঙ্কন করেন। এটি উপস্থিত দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এছাড়াও, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ভারতের সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঠ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি, পলাশীর যুদ্ধ ও তৎকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যা ঘুরে দেখে বহু দর্শক ইতিহাসের নানা অজানা দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। আয়োজকদের মতে, ইতিহাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং তার শিক্ষা বর্তমান সমাজে প্রয়োগ করাই এই ধরনের অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। দিনভর আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এই বিশেষ 'কালো পলাশী দিবস' অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।1
- রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে বুধবার বীরভূম জেলার নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে নলহাটি BL&LRO-র কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে। সমিতির প্রতিনিধিরা পাথর শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী, পরিবহণ কর্মী ও শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের দাবি জানান। বর্তমানে নলহাটিতে মাত্র দুটি চেক গেটের মাধ্যমে DCR ও অন্যান্য সরকারি রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু পাথরবোঝাই গাড়ির সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দুটি চেক গেটে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যা দীর্ঘ যানজট এবং সময় নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর ফলে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সমিতি আরও দুটি নতুন চেক গেট স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, গেটের সংখ্যা বাড়লে গাড়ির চলাচল স্বাভাবিক হবে, যানজট কমবে এবং অধিক সংখ্যক গাড়ি দ্রুত যাতায়াত করতে পারবে, ফলে সরকারি রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং ব্যবসায়ীদের কাজও সহজ হবে। ডেপুটেশনে পাহাড় এলাকায় যাওয়ার প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাথরবোঝাই গাড়ি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। দ্রুত ওই রাস্তার সংস্কার ও উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছে, যা পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও নিরাপদ করবে এবং পাথর শিল্পের কার্যক্রম বজায় রাখবে। এছাড়াও ডেপুটেশনে বিভিন্ন রাস্তায় অবৈধভাবে চাঁদা তোলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যা গাড়িচালক ও ব্যবসায়ীদের সমস্যায় ফেলছে এবং যানজট ও পাথর পরিবহণে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সমিতি এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছে। এদিকে, গতকাল বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বীরভূম জেলার রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করায় নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান যে, বীরভূম তথা নলহাটির পাথর শিল্প রাজ্যের রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই বিষয়টি বিধানসভায় গুরুত্ব সহকারে উত্থাপিত হওয়ায় তারা খুশি। সমিতির দাবি, অতীতে রাজস্ব আদায় হলেও তার সম্পূর্ণ অংশ সরকারি কোষাগারে পৌঁছাত না বলে নানা অভিযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমানে পাথর শিল্প থেকে আদায় হওয়া সরকারি রাজস্ব যথাযথভাবে সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে, যা শিল্পের স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। ডেপুটেশন কর্মসূচিতে নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বিপ্লব ওঝা, চন্দ্রজিত গুপ্ত, রনজিৎ মণ্ডল, বৃন্দাবন ঘোষ, ছোটন মুখার্জি, ললিত ভট্ট, আমিরুল ইসলাম, সত্যেন্দ্র তিওয়ারি সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সমিতির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, তাদের উত্থাপিত দাবি ও সমস্যাগুলি প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবে, যা রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি পাথর শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষের কাজের পরিবেশ উন্নত করবে।1
- বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে ব্লকের সমস্ত অটোচালকরা বিক্ষোভে সামিল হন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন সকাল থেকেই হরিহরপাড়া ব্লকের বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রেখে চালকরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। অটোচালকদের অভিযোগ, বহরমপুর শহরে সাদা অটো নিষিদ্ধ করার ফলে বহু চালক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। তাঁরা দাবি করেন যে, দীর্ঘকাল ধরে বৈধ নথিপত্র নিয়ে অটো চালাচ্ছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, লোন করে কেনা গাড়ির কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চালকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের মূল দাবি হলো, হরিহরপাড়া থেকে বহরমপুর শহরে যে অটো গাড়িগুলো চলাচল করত, সেগুলোকে বহরমপুর শহরে ঢুকতে দিতে হবে। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হরিহরপাড়ার বিভিন্ন এলাকার অটোচালকরা তাঁদের গাড়ি নিয়ে কিষাণ মান্ডির মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। চালকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলা কৃষ্ণপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বুধবার সকাল থেকে ব্যাপক হকার উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) এবং পুলিশ প্রশাসন যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল রেলওয়ের জমি ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাট এবং দখলদারি সরানো। অভিযান চলাকালীন বুলডোজার ব্যবহার করে একাধিক অস্থায়ী ও অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং স্টেশন চত্বরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আরপিএফ ও স্থানীয় থানার পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। যদিও এই অভিযানের ফলে কিছু হকার ও ব্যবসায়ীর মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়, তবুও বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, ভবিষ্যতেও রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত রাখতে এবং অবৈধ নির্মাণ রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।1
- ফরাক্কার এনটিপিসি মোড়ে একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘ*টনা ঘটেছে। এই দুর্ঘ*টনায় একজন বাইক আরোহীর মৃ*ত্যু হয়েছে এবং অন্য একজন বাইক আরোহী গু*রু*তর আহ*ত হয়েছেন।1