মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে উত্থাপিত একাধিক গুরুতর অভিযোগের পর বর্তমানে তাঁর গভীর হতাশা এক 'শান্তিদায়ক' দৃশ্যে পরিণত হয়েছে, যা 'কর্মফল'-এর কঠোর আঘাত হিসাবে দেখা হচ্ছে। তাঁর অতীত কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতিকে 'সুযোগ্য' বলে অভিহিত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে, সরাসরি লাইভ টিভিতে মধ্যমা প্রদর্শন করা, সংসদের ভিতরে অশালীন শব্দ ব্যবহার করা, অর্থের বিনিময়ে তাঁর সংসদীয় লগইন আইডি ভাগ করে নেওয়া এবং এমনকি একজনের পোষা প্রাণী চুরি করার চেষ্টা করা। এছাড়াও, তাঁকে সাধারণত 'নোংরা মুখের' অধিকারী হিসেবে দেখা গেছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, সংসদে দরিদ্রদের নিয়ে আলোচনা করার সময় তিনি তাঁর লুই ভুইতোঁ ব্যাগ লুকানোর চেষ্টা করেছিলেন। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের নারীদের উপর ঘটে যাওয়া সমস্ত নৃশংসতার বিষয়ে তিনি নীরব ছিলেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের পর তাঁর বর্তমান হতাশার দৃশ্যটি দেখে গভীর তৃপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে উত্থাপিত একাধিক গুরুতর অভিযোগের পর বর্তমানে তাঁর গভীর হতাশা এক 'শান্তিদায়ক' দৃশ্যে পরিণত হয়েছে, যা 'কর্মফল'-এর কঠোর আঘাত হিসাবে দেখা হচ্ছে। তাঁর অতীত কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতিকে 'সুযোগ্য' বলে অভিহিত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে, সরাসরি লাইভ টিভিতে মধ্যমা প্রদর্শন করা, সংসদের ভিতরে অশালীন শব্দ ব্যবহার করা, অর্থের বিনিময়ে তাঁর সংসদীয় লগইন আইডি ভাগ করে নেওয়া এবং এমনকি একজনের পোষা প্রাণী চুরি করার চেষ্টা করা। এছাড়াও, তাঁকে সাধারণত 'নোংরা মুখের' অধিকারী হিসেবে দেখা গেছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, সংসদে দরিদ্রদের নিয়ে আলোচনা করার সময় তিনি তাঁর লুই ভুইতোঁ ব্যাগ লুকানোর চেষ্টা করেছিলেন। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের নারীদের উপর ঘটে যাওয়া সমস্ত নৃশংসতার বিষয়ে তিনি নীরব ছিলেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের পর তাঁর বর্তমান হতাশার দৃশ্যটি দেখে গভীর তৃপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
- সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে 'ভালো তৃণমূল কংগ্রেস' শব্দবন্ধটি তুমুল আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। এই শব্দবন্ধের সঠিক ব্যাখ্যা কী, তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। এর পেছনের কারণ কি দলের অভ্যন্তরীণ সমীকরণ, নাকি বিরোধী শিবিরের কটাক্ষ—এই প্রশ্নটিই এখন প্রাসঙ্গিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা 'ভালো তৃণমূল' বলতে ঠিক কী বোঝাতে চাইছেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গি কী এবং সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া কেমন, সে বিষয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। এছাড়াও, আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে এই ধারণার প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে, তা নিয়েও চলছে আলোচনা। এই প্রেক্ষাপটে, 'ভালো তৃণমূল'-এর আসল সংজ্ঞা কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে জনগণের মতামতও আহ্বান করা হয়েছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের রামজীবনপুরে বিদ্যুৎ পরিষেবার নানা সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছে সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি। সোমবার সংগঠনটির রামজীবনপুর ইউনিটের পক্ষ থেকে WBSEDCL-এর রামজীবনপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সংগঠন অভিযোগ করেছে যে, কৃষি, গৃহস্থালি, শিল্প ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহে একাধিক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে, কিন্তু তার কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। এই স্মারকলিপিতে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা, স্মার্ট প্রিপেইড মিটার প্রত্যাহার, কৃষকদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ, অতিরিক্ত বিল সংশোধন এবং দ্রুত নতুন সংযোগ প্রদানের মতো মোট ২০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি জানিয়েছে যে, সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় এই দাবিগুলি পূরণে যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবে। এখন দেখার বিষয় হলো, বিদ্যুৎ দপ্তর এই দাবিগুলিকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে।2
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বড় একটি অংশ, বিশেষত ঘাটাল মহাকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতি বছর বর্ষা এলেই বন্যার আতঙ্কে থাকে। এই জল-যন্ত্রণার চিত্র দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে, কারণ শিলাবতী, দ্বারকেশ্বর, ঝুমি এবং রূপনারায়ণের মতো নদীগুলির জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, বর্ষা শুরু হতেই প্রশাসন বন্যার আগাম প্রস্তুতি নিতে তৎপর হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, এডিশনাল পুলিশ সুপার সন্দীপ সেন, ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট, এবং ঘাটাল ও দাসপুরের বিডিওসহ প্রশাসনের একাধিক কর্তা ব্যক্তি বানভাসি এলাকাগুলি পরিদর্শনে আসেন। যদিও বিগত সরকার ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান এর জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল, কিন্তু সেই কাজ অত্যন্ত শম্বুক গতিতে চলছিল। তবে, নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর এই মাস্টারপ্ল্যানের জন্য ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে বর্ষার মরসুম কাটলেই এই কাজে গতি বাড়ানো হবে।1
- হুগলি জেলার হরিপাল সরকারি ভূমি রেজিস্ট্রি অফিসের দপ্তরে ব্যাপক অপরিচ্ছন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। অফিসের সিঁড়িতে এবং চারিপাশে নোংরা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে, যা অফিসের সার্বিক পরিবেশকে অস্বাস্থ্যকর করে তুলেছে।1
- হাওড়ার টিকিয়াপাড়া রেললাইন সংলগ্ন বাইপাস রোডের ধারে রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা বসতিগুলি উচ্ছেদ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেলের এই অভিযানে অবৈধভাবে দখলকৃত এলাকার বসতিগুলি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।1
- ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বাজেট ঘোষণার পর রাজ্যের প্রথম বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে নব্য তৃণমূল শিবির প্রশ্ন তুলেছে। নব্য তৃণমূল শিবিরের মধ্যে এই নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে যে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বাজেট ঘোষণার পর আদৌ খুশি কিনা।1
- মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে উত্থাপিত একাধিক গুরুতর অভিযোগের পর বর্তমানে তাঁর গভীর হতাশা এক 'শান্তিদায়ক' দৃশ্যে পরিণত হয়েছে, যা 'কর্মফল'-এর কঠোর আঘাত হিসাবে দেখা হচ্ছে। তাঁর অতীত কর্মকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতিকে 'সুযোগ্য' বলে অভিহিত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে, সরাসরি লাইভ টিভিতে মধ্যমা প্রদর্শন করা, সংসদের ভিতরে অশালীন শব্দ ব্যবহার করা, অর্থের বিনিময়ে তাঁর সংসদীয় লগইন আইডি ভাগ করে নেওয়া এবং এমনকি একজনের পোষা প্রাণী চুরি করার চেষ্টা করা। এছাড়াও, তাঁকে সাধারণত 'নোংরা মুখের' অধিকারী হিসেবে দেখা গেছে। আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, সংসদে দরিদ্রদের নিয়ে আলোচনা করার সময় তিনি তাঁর লুই ভুইতোঁ ব্যাগ লুকানোর চেষ্টা করেছিলেন। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের নারীদের উপর ঘটে যাওয়া সমস্ত নৃশংসতার বিষয়ে তিনি নীরব ছিলেন বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। এসব অভিযোগের পর তাঁর বর্তমান হতাশার দৃশ্যটি দেখে গভীর তৃপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।1
- মেমারিতে এক গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।1