logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

8 hrs ago
user_Md Azimuddin
Md Azimuddin
Bagda, 24 Parganas North•
8 hrs ago

More news from Nadia and nearby areas
  • কলকাতা যাদবপুরের বাসিন্দা দেবু পাল, বয়স ষাটের কাছাকাছি। তিনি শপথ নিয়েছেন সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আড়াই লক্ষ গাছ লাগাবেন। সেই লক্ষ্যে অবিচল দেবু বাবু চলেছেন কলকাতা থেকে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে কৃষ্ণনগর হয়ে উত্তরবঙ্গের পথে।
    1
    কলকাতা যাদবপুরের বাসিন্দা দেবু পাল, বয়স ষাটের কাছাকাছি। তিনি শপথ নিয়েছেন সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আড়াই লক্ষ গাছ লাগাবেন। সেই লক্ষ্যে অবিচল দেবু বাবু চলেছেন কলকাতা থেকে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে কৃষ্ণনগর হয়ে উত্তরবঙ্গের পথে।
    user_Jayanta Biswas
    Jayanta Biswas
    সাংবাদিক Krishnagar - I, Nadia•
    6 hrs ago
  • স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদবোধন হলো বলাগড় বিধানসভার বাকুলিয়া ধোবা পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এর ক্ষেত পুর এলাকায়
    1
    স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদবোধন  হলো
বলাগড় বিধানসভার
বাকুলিয়া  ধোবা পাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এর 
ক্ষেত পুর এলাকায়
    user_Journalist  Chiranjib  Chatterjee
    Journalist Chiranjib Chatterjee
    সাংবাদিক Balagarh, Hooghly•
    11 hrs ago
  • *“মঙ্গল প্রদীপে আলোকিত নবদ্বীপ! শুরু হলো ২৬তম নবদ্বীপ বইমেলা, বইপ্রেমীদের ভিড়ে জমজমাট মিলন সমিতির মাঠ”* বইপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস ও সাংস্কৃতিক আবহে শুরু হলো ২৬তম নবদ্বীপ বইমেলা। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে বইমেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অধ্যাপক দেবাশীষ ভৌমিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবদ্বীপ রামকৃষ্ণ মিশন-এর সম্পাদক স্বামী অমরেশ্বরানন্দ মহারাজ, বইমেলা কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার বসুসহ বহু সাহিত্যপ্রেমী ও পাঠক। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বইমেলা কমিটির প্রকাশনা উন্মোচন করেন সভাপতি প্রবীর কুমার বসু। এরপর নবদ্বীপ মিলন সমিতির মাঠে নির্মিত ভূপেন হাজারিকা নামাঙ্কিত মঞ্চে নবদ্বীপ বকুলতলা প্রাক্তন ছাত্র সম্মেলনীর ছাত্রছাত্রীদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় উদ্বোধনী সংগীত। পরে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অধ্যাপক দেবাশীষ ভৌমিক। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, বইমেলা শুধু বই কেনাবেচার স্থান নয়, এটি সংস্কৃতি ও চিন্তার আদান-প্রদানের এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। তিনি উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর উদ্যোগেই কলকাতায় প্রথম বইমেলার সূচনা হয়েছিল বলে জানা যায়। নবদ্বীপের এই বইমেলাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বইপ্রেমী মানুষদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছে। আগামী কয়েকদিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে জমে উঠবে বইমেলার আসর।
    1
    *“মঙ্গল প্রদীপে আলোকিত নবদ্বীপ! শুরু হলো ২৬তম নবদ্বীপ বইমেলা, বইপ্রেমীদের ভিড়ে জমজমাট মিলন সমিতির মাঠ”*
বইপ্রেমীদের উচ্ছ্বাস ও সাংস্কৃতিক আবহে শুরু হলো ২৬তম নবদ্বীপ বইমেলা। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে বইমেলার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও অধ্যাপক দেবাশীষ ভৌমিক।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নবদ্বীপ রামকৃষ্ণ মিশন-এর সম্পাদক স্বামী অমরেশ্বরানন্দ মহারাজ, বইমেলা কমিটির সভাপতি প্রবীর কুমার বসুসহ বহু সাহিত্যপ্রেমী ও পাঠক। অনুষ্ঠানের শুরুতেই বইমেলা কমিটির প্রকাশনা উন্মোচন করেন সভাপতি প্রবীর কুমার বসু।
এরপর নবদ্বীপ মিলন সমিতির মাঠে নির্মিত ভূপেন হাজারিকা নামাঙ্কিত মঞ্চে নবদ্বীপ বকুলতলা প্রাক্তন ছাত্র সম্মেলনীর ছাত্রছাত্রীদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় উদ্বোধনী সংগীত। পরে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অধ্যাপক দেবাশীষ ভৌমিক।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, বইমেলা শুধু বই কেনাবেচার স্থান নয়, এটি সংস্কৃতি ও চিন্তার আদান-প্রদানের এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। তিনি উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর উদ্যোগেই কলকাতায় প্রথম বইমেলার সূচনা হয়েছিল বলে জানা যায়।
নবদ্বীপের এই বইমেলাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বইপ্রেমী মানুষদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছে। আগামী কয়েকদিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা ও বই প্রকাশের মধ্য দিয়ে জমে উঠবে বইমেলার আসর।
    user_Gopal Biswas
    Gopal Biswas
    Newsagent নবদ্বীপ, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    48 min ago
  • উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ। ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা। মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর। এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ। আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।
    1
    উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি—মতুয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান। প্রতি বছর এখানেই অনুষ্ঠিত হয় মতুয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বারুণী মেলা। সেই মহা উৎসবের আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। আর তাই এখন থেকেই রাত জেগে চলছে প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের কাজ।
ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি চত্বর যেন ধীরে ধীরে সাজছে এক নতুন রূপে। আলো, রঙ, সাজসজ্জা—সবকিছু মিলিয়ে যেন তৈরি হচ্ছে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ। কর্মীরা দিন-রাত পরিশ্রম করে মেলা প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তুলছেন, যাতে দূরদূরান্ত থেকে আসা লক্ষাধিক ভক্তের জন্য তৈরি থাকে সুন্দর ও নিরাপদ ব্যবস্থা।
মেলার মূল আকর্ষণ শুধু ধর্মীয় আচার নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের আদর্শকে সামনে রেখে প্রতি বছর এই বারুণী মেলায় জড়ো হন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ভক্তরা। ভক্তদের কীর্তন, নামসংকীর্তন এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা ঠাকুরনগর।
এদিকে মেলা উপলক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় উদ্যোগেও নেওয়া হচ্ছে একাধিক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পানীয় জল, স্বাস্থ্য পরিষেবা—সবকিছু নিয়েই চলছে পরিকল্পনা। যাতে লক্ষ লক্ষ মানুষের এই ধর্মীয় সমাবেশ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
রাত যত গভীর হচ্ছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। আলোয় ঝলমল করে উঠছে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি। কর্মীদের একটাই লক্ষ্য—বারুণী মেলার দিন যেন প্রতিটি ভক্ত এখানে এসে অনুভব করতে পারেন ভক্তি, ঐতিহ্য আর মিলনের এক অপূর্ব পরিবেশ।
আর তাই এখন ঠাকুরনগরে একটাই প্রতীক্ষা—কবে শুরু হবে সেই বহু প্রতীক্ষিত বারুণী মেলা, যেখানে আবারও মিলিত হবেন হাজার হাজার মতুয়া ভক্ত, আর ভরে উঠবে ঠাকুরবাড়ির আঙিনা ভক্তির সুরে।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • আমি এখানে কয়েকটি রাস্তার ফটো দিয়েছি সেখান থেকে একটি রাস্তা হল বাগানের ভিতর বাড়ি একটু রাস্তা থেকে একটু দূরে বাড়ি এই রাস্তাটির সমস্যা হল পানির সময় এখানে এই রাস্তাটিতে যাওয়া আসার বিশাল একটি সমস্যা হয়। মানে পানি জমে থাকে এখানে যাওয়া আসার বিশাল অসুবিধে আর আর কটি ফটো দিয়েছে কে এখানে এই রাস্তার জন্য পিছনে আরো কয়েকটি বাড়ি ছিল তারাই রাস্তার জন্য উঠে গিয়েছে। এখানে আর থাকে না তারা এখন আমরাই আছি সবচেয়ে রাস্তার একটু কাছেই আছি কিন্তু এখান থেকে পানির সময় আবার ঘর থেকে বের হতে পারি না এইজন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আবেদনটি জানাচ্ছি কে এর আগে আমাদের মেম্বারের সাথেও কথা বলেছি এই বিষয়ে কে এমন এমন সমস্যা তারা এতে কোন গুরুত্বই আমাদের দেয়নি এই জন্য আমি আজকে ফেসবুক দেখতে দেখতে এই অ্যাপটি পেয়েছি এখান থেকে বলছে কে আমি সাহায্য নাকি পাব আমার অভিযোগ যেন মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত যায় আমাদের এই রাস্তাটা তৈরি করার একটি ব্যবস্থা আপনারা নিন
    1
    আমি এখানে কয়েকটি রাস্তার ফটো দিয়েছি সেখান থেকে একটি রাস্তা হল বাগানের ভিতর বাড়ি একটু রাস্তা থেকে একটু দূরে বাড়ি এই রাস্তাটির সমস্যা হল পানির সময় এখানে এই রাস্তাটিতে যাওয়া আসার বিশাল একটি সমস্যা হয়। মানে পানি জমে থাকে এখানে যাওয়া আসার বিশাল অসুবিধে আর আর কটি ফটো দিয়েছে কে এখানে এই রাস্তার জন্য পিছনে আরো কয়েকটি বাড়ি ছিল তারাই রাস্তার জন্য উঠে গিয়েছে। এখানে আর থাকে না তারা এখন আমরাই আছি সবচেয়ে রাস্তার একটু কাছেই আছি কিন্তু এখান থেকে পানির সময় আবার ঘর থেকে বের হতে পারি না এইজন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই আবেদনটি জানাচ্ছি কে এর আগে আমাদের মেম্বারের সাথেও কথা বলেছি এই বিষয়ে কে এমন এমন সমস্যা তারা এতে কোন গুরুত্বই আমাদের দেয়নি এই জন্য আমি আজকে ফেসবুক দেখতে দেখতে এই অ্যাপটি পেয়েছি এখান থেকে বলছে কে আমি সাহায্য নাকি পাব আমার অভিযোগ যেন মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত যায় আমাদের এই রাস্তাটা তৈরি করার একটি ব্যবস্থা আপনারা নিন
    user_Abul Kalam
    Abul Kalam
    Farmer বাদুড়িয়া, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    9 hrs ago
  • আজ বসিরহাট উত্তরের, বসিরহাট ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ইফতার মজলিশ এর মুহুর্তে।
    1
    আজ বসিরহাট উত্তরের, বসিরহাট ২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ইফতার মজলিশ এর মুহুর্তে।
    user_Network bangla
    Network bangla
    বসিরহাট ২, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
  • আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তরজা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। এই আবহেই বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দন ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি পরিকল্পিতভাবে রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। মানুষের উন্নয়নের বদলে বিভাজনের রাজনীতি করে ভোটের ফায়দা তোলার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলায় একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু হয়েছে। গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র উন্নয়নের কাজ হয়েছে। কিন্তু বিজেপি সেই উন্নয়নের কথা না বলে শুধুমাত্র মিথ্যা প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।” চন্দন ঘোষের দাবি, হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে মানুষের পাশে থাকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনেও সাধারণ মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে বলে তিনি আশাবাদী। এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, অন্যদিকে বিজেপিও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করছে। ফলে আগামী দিনে এই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। এখন দেখার বিষয়, ভোটের ময়দানে শেষ পর্যন্ত মানুষের রায় কোন দিকে যায়।
    1
    আগামী বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তরজা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের রাজনীতি। এই আবহেই বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে সরব হলেন হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব।
কুমড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি চন্দন ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বিজেপিকে নিশানা করে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি পরিকল্পিতভাবে রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে। মানুষের উন্নয়নের বদলে বিভাজনের রাজনীতি করে ভোটের ফায়দা তোলার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলায় একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু হয়েছে। গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্র উন্নয়নের কাজ হয়েছে। কিন্তু বিজেপি সেই উন্নয়নের কথা না বলে শুধুমাত্র মিথ্যা প্রচার করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।”
চন্দন ঘোষের দাবি, হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রেও তৃণমূল কংগ্রেস সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে মানুষের পাশে থাকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনেও সাধারণ মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবে বলে তিনি আশাবাদী।
এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, অন্যদিকে বিজেপিও বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করছে। ফলে আগামী দিনে এই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এখন দেখার বিষয়, ভোটের ময়দানে শেষ পর্যন্ত মানুষের রায় কোন দিকে যায়।
    user_Biswaji Bala
    Biswaji Bala
    Reporter হাবরা 1, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • গ্যাস সিলিন্ডার অমিল।ভক্তদের পাত পেড়ে ভোগপ্রসাদ আর খাওয়ানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে আগামী সোমবার থেকে ভক্তদের জন্য প্রসাদ বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটী বড়ো মা ট্রাষ্টি বোর্ড। শুক্রবারই শেষ ভোগপ্রসাদ খাওয়ানো হয়। এদিন বড়ো মা কমিটির সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, যে পরিমাণে ভোগ রান্না হয় তাতে মাসে কুড়ি থেকে পঁচিশটা বানিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। গ্যাস সরবরাহকারিরা পাঁচটার বেশি দিতে পারবে না। ফলে বাধ্য হয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোমবার থেকে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হবে। শুধুমাত্র অমাবস্যায় মাকে ভোগ নিবেদন করা হবে। পুনরায় গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হলে ভোগপ্রসাদ চালু হয়ে যাবে।
    3
    গ্যাস সিলিন্ডার অমিল।ভক্তদের পাত পেড়ে ভোগপ্রসাদ আর খাওয়ানো সম্ভব নয়। বাধ্য হয়ে আগামী সোমবার থেকে ভক্তদের জন্য প্রসাদ  বিতরণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটী বড়ো মা ট্রাষ্টি বোর্ড। শুক্রবারই শেষ ভোগপ্রসাদ খাওয়ানো হয়।    এদিন বড়ো মা কমিটির সভাপতি তাপস ভট্টাচার্য বলেন, যে পরিমাণে ভোগ রান্না হয় তাতে মাসে কুড়ি থেকে পঁচিশটা বানিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার লাগে। গ্যাস সরবরাহকারিরা পাঁচটার বেশি দিতে পারবে না। ফলে বাধ্য হয়ে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে সোমবার থেকে ভক্তদের মধ্যে ভোগপ্রসাদ বিতরণ বন্ধ রাখা হবে। শুধুমাত্র অমাবস্যায় মাকে ভোগ নিবেদন করা হবে। পুনরায় গ্যাস পরিষেবা স্বাভাবিক হলে  ভোগপ্রসাদ চালু হয়ে যাবে।
    user_Sampa Dam Pal
    Sampa Dam Pal
    Journalist Barrackpur - I, 24 Parganas North•
    8 hrs ago
  • Post by Mejbahal Molla
    1
    Post by Mejbahal Molla
    user_Mejbahal Molla
    Mejbahal Molla
    নাকাশিপাড়া, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.