মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব! গ্যাস সংকটের আশঙ্কায় প্রথমে আতঙ্ক, পরে প্রশাসনের তৎপরতায় স্বস্তি মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গোটা দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে উদ্বেগ। তারই প্রভাব পড়তে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘরেও। এলপিজি গ্যাস পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আশঙ্কা—কোথাও আবার গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে বলেও গুঞ্জন শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রথম দিকে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই দ্রুত গ্যাস বুকিং করতে শুরু করেন, কেউ কেউ আবার বাড়তি সিলিন্ডার মজুত করার কথাও ভাবতে থাকেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে বিভিন্ন এলাকায়। তবে সেই আতঙ্ক কাটাতে দ্রুত সক্রিয় হয় প্রশাসন। কোথাও যাতে কৃত্রিমভাবে গ্যাসের সংকট তৈরি না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারি শুরু করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ সকালে আচমকাই উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের আঙ্গ্রাইল এলাকায় একটি এইচপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পরিদর্শনে যান গাইঘাটা থানার আইসি শুভাশিস দত্ত। ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পৌঁছে তিনি গ্যাসের বর্তমান মজুত, স্টক রেজিস্টার, কম্পিউটার রেকর্ড এবং গোডাউনের অবস্থা খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত খোঁজখবর নেন তিনি। আইসি শুভাশিস দত্ত ডিলারদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন, যাতে কোনওভাবেই গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটে এবং সাধারণ মানুষ সময়মতো সিলিন্ডার পেয়ে যান। কৃত্রিম সংকট তৈরি করার কোনও চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্বস্তি পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, এই ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন চলতে থাকলে গ্যাস নিয়ে অযথা আতঙ্ক বা কৃত্রিম সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে। সাধারণ মানুষের আশা, প্রশাসনের এই নজরদারি অব্যাহত থাকলে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং রান্নাঘরের চুলাও জ্বলতে থাকবে নিরবচ্ছিন্নভাবেই।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব! গ্যাস সংকটের আশঙ্কায় প্রথমে আতঙ্ক, পরে প্রশাসনের তৎপরতায় স্বস্তি মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গোটা দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে উদ্বেগ। তারই প্রভাব পড়তে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘরেও। এলপিজি গ্যাস পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আশঙ্কা—কোথাও আবার গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে বলেও গুঞ্জন শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রথম দিকে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই দ্রুত গ্যাস বুকিং করতে শুরু করেন, কেউ কেউ আবার বাড়তি সিলিন্ডার মজুত করার কথাও ভাবতে থাকেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে বিভিন্ন এলাকায়। তবে সেই আতঙ্ক কাটাতে দ্রুত সক্রিয় হয় প্রশাসন। কোথাও যাতে কৃত্রিমভাবে গ্যাসের সংকট তৈরি না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারি শুরু করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ সকালে আচমকাই উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের আঙ্গ্রাইল এলাকায় একটি এইচপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পরিদর্শনে যান গাইঘাটা থানার আইসি শুভাশিস দত্ত। ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পৌঁছে তিনি গ্যাসের বর্তমান মজুত, স্টক রেজিস্টার, কম্পিউটার রেকর্ড এবং গোডাউনের অবস্থা খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত খোঁজখবর নেন তিনি। আইসি শুভাশিস দত্ত ডিলারদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন, যাতে কোনওভাবেই গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটে এবং সাধারণ মানুষ সময়মতো সিলিন্ডার পেয়ে যান। কৃত্রিম সংকট তৈরি করার কোনও চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্বস্তি পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, এই ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন চলতে থাকলে গ্যাস নিয়ে অযথা আতঙ্ক বা কৃত্রিম সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে। সাধারণ মানুষের আশা, প্রশাসনের এই নজরদারি অব্যাহত থাকলে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং রান্নাঘরের চুলাও জ্বলতে থাকবে নিরবচ্ছিন্নভাবেই।
- যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গ্যাস সরবরাহে দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়া এলাকায় বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র দুটি করে গ্যাসের গাড়ি পৌঁছচ্ছে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। যেসব পরিবারের রান্নার গ্যাস শেষ হয়ে গেছে, তারা সকাল থেকেই স্থানীয় গ্যাস গোডাউনের সামনে এসে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। অনেকেই বুকিং করার পরেও সময়মতো গ্যাস পাচ্ছেন না। অভিযোগ, বুকিং করার পরেও ৭ থেকে ৮ দিনের আগে গ্যাস সিলিন্ডার মিলছে না। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে সকাল থেকেই গ্যাস গোডাউনের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন গ্রাহকেরা। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্যাস পাওয়ার আশায়। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষের এই ভোগান্তি কিছুটা হলেও কমে। এই সমস্যার নিয়ে অনেকটাই চিন্তিত আছেন গ্যাস সাপ্লাইকরি কর্মচারীরা।3
- ১৬ মার্চ রানাঘাট নজরুল মঞ্চে উপস্থাপিত হবে "নেতাজী দ্য আনটোল্ড স্টোরি "1
- #Amrabangalee #election #election2026 #politics #political1
- হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশের উদ্যোগে সচেতনতামুলক অভিযান চললো বিভিন্ন ফেরী ঘাটে পরিদর্শনে যান পুলিশ প্রশাসন এর আধিকারিকরা যুদ্ধ তো বিদেশে কি এমন ঘটনা ঘটলো জলপথে এদেশে? কোন কোন বিষয়ে সতর্ক করলো পুলিশ প্রশাসন? ঘাট মালিক,ফেরী চালক,মাঝি দের কি বলা হলো? জানতে থাকুন, জানাতে থাকুন1
- হিঙ্গলগঞ্জ,,,,1
- #driver4mr1
- মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গোটা দেশজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ পড়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে উদ্বেগ। তারই প্রভাব পড়তে শুরু করে গৃহস্থের রান্নাঘরেও। এলপিজি গ্যাস পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আশঙ্কা—কোথাও আবার গ্যাসের কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে বলেও গুঞ্জন শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রথম দিকে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই দ্রুত গ্যাস বুকিং করতে শুরু করেন, কেউ কেউ আবার বাড়তি সিলিন্ডার মজুত করার কথাও ভাবতে থাকেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে বিভিন্ন এলাকায়। তবে সেই আতঙ্ক কাটাতে দ্রুত সক্রিয় হয় প্রশাসন। কোথাও যাতে কৃত্রিমভাবে গ্যাসের সংকট তৈরি না হয়, সেদিকে কড়া নজরদারি শুরু করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ সকালে আচমকাই উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের আঙ্গ্রাইল এলাকায় একটি এইচপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পরিদর্শনে যান গাইঘাটা থানার আইসি শুভাশিস দত্ত। ডিস্ট্রিবিউটরের অফিসে পৌঁছে তিনি গ্যাসের বর্তমান মজুত, স্টক রেজিস্টার, কম্পিউটার রেকর্ড এবং গোডাউনের অবস্থা খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহের পুরো প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত খোঁজখবর নেন তিনি। আইসি শুভাশিস দত্ত ডিলারদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন, যাতে কোনওভাবেই গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন না ঘটে এবং সাধারণ মানুষ সময়মতো সিলিন্ডার পেয়ে যান। কৃত্রিম সংকট তৈরি করার কোনও চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্বস্তি পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, এই ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন চলতে থাকলে গ্যাস নিয়ে অযথা আতঙ্ক বা কৃত্রিম সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যাবে। সাধারণ মানুষের আশা, প্রশাসনের এই নজরদারি অব্যাহত থাকলে এলপিজি গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং রান্নাঘরের চুলাও জ্বলতে থাকবে নিরবচ্ছিন্নভাবেই।1
- The new Full dome 3D Digital film #kolkatanewstimes #trending #viral Reporting By Rupsa Debnath1
- বিগ ব্রেকিং গ্যাসের ভোগান্তি এড়াতে চালু করা হলো হোয়াটসঅ্যাপ বুকিং লাইন সবাইকেই শেয়ার করে জানিয়ে দিন1