জলঙ্গীর দেবীপুরে নিজের বাবার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন নিজের মেয়ে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও অন্য মহিলার সঙ্গে বাবার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকার অভিযোগ তুলল খোদ নিজের মেয়ে। অভিযোগ উঠলো জলঙ্গী বিডিও অফিসের এক অস্থায়ী কর্মী রতন কুমার দাসের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করায় নিজের মেয়ে এবং শ্যালককে মারধরের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি। যদিও রতন কুমার দাসের দাবি,সাজানো ঘটনা। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার দেবীপুর এলাকার ঘটনা। সূত্র মারফত জানা গেছে,স্বামী,স্ত্রী হলেও রতন কুমার দাস তার স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমানে কোন সম্পর্ক নেই। দুজনেই চাকরি করেন। এবং আলাদা আলাদা থাকেন। দশ বছর ধরে তাদের ডিভোর্সের মামলা চলছে। এর মধ্যে গত বুধবার দশমীর রাতে রতন কুমার দাসের মেয়ে তানিসা দাস তার বাবার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি বাবার বাড়ির পাঁচিলের মধ্যে বাবাকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। তারপর সে প্রতিবাদ করেন এবং বাবার কাছে জানতে চান,ওই মহিলা এতো রাতে কিসের জন্য এসেছে,তার সাথে কিসের সম্পর্ক। এই কথা বলার পর রতন কুমার দাস তার মেয়েকে বলে কার অনুমতিতে বাড়ির মধ্যে এসেছিস এবং সেই সময় তাকে একের পর এক মারতে থাকে বলে অভিযোগ। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে তানিসা দাসের মামা প্রশান্ত কুমার রায় তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ। মারের চোটে প্রশান্তের চোখের কোনায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং রক্তপাত হতে থাকে। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গে দুজনকেই উদ্ধার করে সাগরপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। তারপর রতন কুমার দাসের স্ত্রী লিলি রায় দাস সাগরপাড়া থানায় স্বামী রতন কুমার দাস এবং সাভিয়া নামের এক মহিলার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সাভিয়া দেবীপুর পঞ্চায়েতের ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করেন জানান লিলি রায় দাস। তিনি জানান,আমাদের ডিভোর্সের মামলা চলছে। এর মধ্যে আমার স্বামী সাভিয়া নামের অন্য মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আমার মেয়ে তার বাবার কুকীর্তি দেখে ফেলায় তাকে এবং আমার কাকাতো ভাইকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুবিচার চাই। যদিও এই বিষয়ে রতন কুমার দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। কারো সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। ফালতু মিথ্যা অভিযোগ। পাশাপাশি আরেক অভিযুক্ত সাভিয়া তিনিও জানান,এইসবের আমি কিছুই জানি না। কেন এরকম করছে জানি না। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
জলঙ্গীর দেবীপুরে নিজের বাবার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন নিজের মেয়ে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও অন্য মহিলার সঙ্গে বাবার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকার অভিযোগ তুলল খোদ নিজের মেয়ে। অভিযোগ উঠলো জলঙ্গী বিডিও অফিসের এক অস্থায়ী কর্মী রতন কুমার দাসের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করায় নিজের মেয়ে এবং শ্যালককে মারধরের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি। যদিও রতন কুমার দাসের দাবি,সাজানো ঘটনা। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার দেবীপুর এলাকার ঘটনা। সূত্র মারফত জানা গেছে,স্বামী,স্ত্রী হলেও রতন কুমার দাস তার স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমানে কোন সম্পর্ক নেই। দুজনেই চাকরি করেন। এবং আলাদা আলাদা থাকেন। দশ বছর ধরে তাদের ডিভোর্সের মামলা চলছে। এর মধ্যে গত বুধবার দশমীর রাতে রতন কুমার দাসের মেয়ে তানিসা দাস তার বাবার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি বাবার বাড়ির পাঁচিলের মধ্যে বাবাকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। তারপর সে প্রতিবাদ করেন এবং বাবার কাছে জানতে চান,ওই মহিলা এতো রাতে কিসের জন্য এসেছে,তার সাথে কিসের সম্পর্ক। এই কথা বলার পর রতন কুমার দাস তার মেয়েকে বলে কার অনুমতিতে বাড়ির মধ্যে এসেছিস এবং সেই সময় তাকে একের পর এক মারতে থাকে বলে অভিযোগ। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে তানিসা দাসের মামা প্রশান্ত কুমার রায় তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ। মারের চোটে প্রশান্তের চোখের কোনায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং রক্তপাত হতে থাকে। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গে দুজনকেই উদ্ধার করে সাগরপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। তারপর রতন কুমার দাসের স্ত্রী লিলি রায় দাস সাগরপাড়া থানায় স্বামী রতন কুমার দাস এবং সাভিয়া নামের এক মহিলার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সাভিয়া দেবীপুর পঞ্চায়েতের ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করেন জানান লিলি রায় দাস। তিনি জানান,আমাদের ডিভোর্সের মামলা চলছে। এর মধ্যে আমার স্বামী সাভিয়া নামের অন্য মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আমার মেয়ে তার বাবার কুকীর্তি দেখে ফেলায় তাকে এবং আমার কাকাতো ভাইকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুবিচার চাই। যদিও এই বিষয়ে রতন কুমার দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। কারো সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। ফালতু মিথ্যা অভিযোগ। পাশাপাশি আরেক অভিযুক্ত সাভিয়া তিনিও জানান,এইসবের আমি কিছুই জানি না। কেন এরকম করছে জানি না। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
- জলঙ্গীর দেবীপুরে নিজের বাবার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন নিজের মেয়ে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও অন্য মহিলার সঙ্গে বাবার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকার অভিযোগ তুলল খোদ নিজের মেয়ে। অভিযোগ উঠলো জলঙ্গী বিডিও অফিসের এক অস্থায়ী কর্মী রতন কুমার দাসের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদ করায় নিজের মেয়ে এবং শ্যালককে মারধরের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি। যদিও রতন কুমার দাসের দাবি,সাজানো ঘটনা। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার দেবীপুর এলাকার ঘটনা। সূত্র মারফত জানা গেছে,স্বামী,স্ত্রী হলেও রতন কুমার দাস তার স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমানে কোন সম্পর্ক নেই। দুজনেই চাকরি করেন। এবং আলাদা আলাদা থাকেন। দশ বছর ধরে তাদের ডিভোর্সের মামলা চলছে। এর মধ্যে গত বুধবার দশমীর রাতে রতন কুমার দাসের মেয়ে তানিসা দাস তার বাবার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি বাবার বাড়ির পাঁচিলের মধ্যে বাবাকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান বলে দাবি করেন। তারপর সে প্রতিবাদ করেন এবং বাবার কাছে জানতে চান,ওই মহিলা এতো রাতে কিসের জন্য এসেছে,তার সাথে কিসের সম্পর্ক। এই কথা বলার পর রতন কুমার দাস তার মেয়েকে বলে কার অনুমতিতে বাড়ির মধ্যে এসেছিস এবং সেই সময় তাকে একের পর এক মারতে থাকে বলে অভিযোগ। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে তানিসা দাসের মামা প্রশান্ত কুমার রায় তাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ। মারের চোটে প্রশান্তের চোখের কোনায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং রক্তপাত হতে থাকে। ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গে দুজনকেই উদ্ধার করে সাগরপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান। তারপর রতন কুমার দাসের স্ত্রী লিলি রায় দাস সাগরপাড়া থানায় স্বামী রতন কুমার দাস এবং সাভিয়া নামের এক মহিলার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সাভিয়া দেবীপুর পঞ্চায়েতের ডেঙ্গু নিয়ে কাজ করেন জানান লিলি রায় দাস। তিনি জানান,আমাদের ডিভোর্সের মামলা চলছে। এর মধ্যে আমার স্বামী সাভিয়া নামের অন্য মহিলার সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। আমার মেয়ে তার বাবার কুকীর্তি দেখে ফেলায় তাকে এবং আমার কাকাতো ভাইকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুবিচার চাই। যদিও এই বিষয়ে রতন কুমার দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। কারো সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক নেই। ফালতু মিথ্যা অভিযোগ। পাশাপাশি আরেক অভিযুক্ত সাভিয়া তিনিও জানান,এইসবের আমি কিছুই জানি না। কেন এরকম করছে জানি না। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।1
- রাস্তার উপর বালি-পাথর ও পাঠকাঠির স্তূপ! পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে সরানো হল অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী রাস্তা কি জ্বালানি রাখার জায়গা? মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার ধনিরামপুর থেকে দেবীপুর যাওয়ার রাস্তার দু'ধারে বালি, পাথর, আখের অবশিষ্টাংশ ও প্রচুর পাঠকাঠি রাস্তার উপর রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে রাস্তার উপর রাখা ওই সমস্ত সামগ্রী সরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাস্তার উপর বালি-পাথর ও পাঠকাঠির স্তূপ! পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে সরানো হল অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী রাস্তা কি জ্বালানি রাখার জায়গা? মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার ধনিরামপুর থেকে দেবীপুর যাওয়ার রাস্তার দু'ধারে বালি, পাথর, আখের অবশিষ্টাংশ ও প্রচুর পাঠকাঠি রাস্তার উপর রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে রাস্তার উপর রাখা ওই সমস্ত সামগ্রী সরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।1
- রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের আগে জঙ্গিপুরে রক্তদান পুলিশের, রক্ত দিলেন ৪৬ পুলিশ কর্মী রাষ্ট্রীয় একতা দিবসের আগে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হল জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ৩১ অক্টোবর 'রাষ্ট্রীয় একতা দিবস'। শুধু রক্তদান শিবিরই নয় আরও বেশ কিছু কর্মসূচী নেওয়া হবে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। শনিবার জঙ্গিপুরে এসপি অফিসে হল রক্তদান শিবির। পুলিশ কর্মী, আধিকারিক থেকে সিভিক ভলান্টিয়াররা রক্ত দিলেন শিবিরে। রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে শিবির ঘুরে দেখেন জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সুরিন্দর সিং।1
- সাংবাদিকদের মুখোমুখি তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ,২৫ লক্ষ টাকা সরকারি সহায়তা সঠিক বলে মন্তব্য।1
- কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়। কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়। প্যান্ডেল অক্ষত রেখে, তার একাংশ কেটে প্রতিমা বার করা হয়। কোর্ট ও সিটের নির্দেশে, এই কার্যসম্পাদন করা হলো। সঙ্গে পদযাত্রায় ছিল কমিটির লোকজন, কালো ব্যাজ পরে মোমবাতি হাতে নিয়ে।....প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত সপ্তমীর দিনে এখানেই, পদপৃষ্ঠ হয়ে 19 জন দর্শনার্থী নিহত হয়, তার জন্য পূজা মন্ডপটি সিল করে দেয়া হয়েছিল, প্রশাসনের তরফে। সঙ্গে রইল প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার সংক্ষিপ্ত ভিডিও, যা সংগৃহীত। লেখনী ও ভিডিও-এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে নিউজ মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)1
- লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্গাপুজোর রেশ কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। আর সেই পুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ লক্ষ্মী সরা তৈরি করতে এখন দিনরাত এক করে কাজ করছেন নদিয়ার তাহেরপুরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। মাটির সরা তৈরি থেকে শুরু করে তার উপর দেবদেবীর ছবি আঁকা—পুরো কাজটাই তাঁদের হাতে। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু পরিবারের জীবন-জীবিকা। কিন্তু চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত শিল্পীর অভাবে এখন সব অর্ডার সামাল দেওয়াই তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তাহেরপুরের পালপাড়ায় লক্ষ্মী সরা তৈরির ইতিহাস কয়েক দশকের। দেশভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এসে বেশ কয়েকটি পরিবার এই এলাকায় বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে সেই পরিবারগুলির প্রায় ২৫টি পরিবার সরা তৈরি ও তার উপর ছবি আঁকাকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। পরিবারের বয়স্কদের হাত ধরে শেখা সেই কাজ আজও চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীরা। তাঁদের হাতের আঁচড়েই সাধারণ মাটির সরা হয়ে ওঠে পুজোর উপযোগী লক্ষ্মী সরা। এই কাজ শুধু লক্ষ্মীপুজোর মরশুমেই সীমাবদ্ধ নয়। সারা বছর ধরেই চলে সরা তৈরি ও ছবি আঁকার কাজ। বৈশাখ মাস থেকেই বিক্রি শুরু হয়। শিল্পীদের হিসেব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় দু’লক্ষ সরা তৈরি করেন তাঁরা। তাহেরপুরের পালপাড়ায় তৈরি এই সরা সরবরাহ করা হয় কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে স্থানীয় এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের বিস্তৃত বাজার। শিল্পীদের হাতে তৈরি সরাতেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। কোথাও একক লক্ষ্মীর ছবি, কোথাও লক্ষ্মী-নারায়ণ, আবার কোথাও তিন লক্ষ্মী কিংবা পাঁচ পুতুলের নকশা। পাশাপাশি তৈরি হয় দুর্গা সরা-ও। প্রতিটি সরায় রং ও তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় দেবদেবীর ছবি। মাটির উপকরণকে সাজিয়ে তোলার এই কাজে দরকার হয় অভিজ্ঞতা, ধৈর্য এবং নিখুঁত হাতের কাজ। বছরের পর বছর ধরে এই শিল্পীরা সেই দক্ষতাই ধরে রেখেছেন। এ বছর লক্ষ্মী সরার চাহিদাও ভালো বলে জানাচ্ছেন শিল্পীরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে গিয়েই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। এই পেশায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত কারিগর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কাজের চাপ বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়ছে না উৎপাদন। শিল্পীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে সরা তৈরির ঐতিহ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে। লক্ষ্মীপুজোর আগে যে সরা বাঙালির ঘরে ঘরে সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনার প্রতীক হয়ে ওঠে, সেই সরা তৈরির কারিগরদের নিজেদের সংসার চালাতে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়। তাঁদের হাতেই তৈরি হয় লক্ষ্মীর মুখ, তাঁদের তুলিতেই সেজে ওঠেন দেবী। অথচ সেই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলির ভবিষ্যৎ আজ নির্ভর করছে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় কতটা আগ্রহী হয়, আর বাংলার এই লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কতটা উদ্যোগ নেওয়া হয় তার উপর।1
- উৎসবের আবহের মাঝেই ভর সন্ধ্যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা! জখম একাধিক, শুরু উদ্ধার কাজ উৎসবের আবহের মধ্যেই ভর সন্ধ্যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা মুর্শিদাবাদের সদর মহকুমা বহরমপুরের অন্তর্গত হরিহরপাড়ায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বহরমপুরের দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বাইকের সঙ্গে যাত্রী বোঝায় টোটোর মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে ওই এলাকায় দ্রুত গতিতে আসা একটি টোটোর সঙ্গে বাইকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে টোটো ও বাইকের যাত্রীরা । বিকট আওয়াজ শুনে ঘটনার পরেই স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।1
- ভরতপুরে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে : আশঙ্কাজনক দুই শিশুসহ ৫ জন। ভরতপুরে দুটি বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে : আশঙ্কাজনক দুই শিশুসহ ৫ জন। ভরতপুরে কান্দি-সালার রাজ্য সড়কে দুই বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই শিশুসহ মারাত্মকভাবে জখম হলেন অন্তত ৫ জন। শনিবার আনুমানিক সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ভরতপুর থানার খাটানপাড়া সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দকুলুট গ্রাম থেকে ৩৫ বছর বয়সী দানিস সেখ ও তাঁর ভাই ৩০ বছরের ইন্তাজ সেখ নিজ নিজ সন্তানকে নিয়ে ভরতপুর থানার কাছের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে খাটানপাড়ার কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা ভরতপুর দিঘিরপাড়ার ২১ বছর বয়সী তরুণ রনি সেখের বাইকের সঙ্গে তাঁদের বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কার তীব্রতায় সকলেই রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। বিকট আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে দুই শিশুসহ চারজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সরাসরি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এবং শিশু দুটিকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়, তবে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ইন্তাজ সেখকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাইক দুটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং ঘটনার পেছনে বেপরোয়া গতি না অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।1