Shuru
Apke Nagar Ki App…
এই রাস্তা টা পারায় 20 বছর থেকে খারাপ লোকজন চলা ফেরা খুব ডিস্টার্ব হয় আর এই গ্রামের মানুষ অনেক জানিয়েছে ভিডিও অফিস অঞ্চল অফিস প্রধান পঞ্চায়েত সবাইকে জানানো হয়েছে কিন্তূ কোনো ভাবে বলে জে ঠিক হবে খালি বলে এইবার না পরের বার তাহলে এমন করে যদি চলে তো কেমন করে আমরা চলা ফেরা করবো তাই সরকারের কাছে আমাদের আই মিনতি জে যত তারা তারই পরে এটা কেনো ঠিক হয় সরকারের যদি ইচ্ছা হয় তাহলে যেনো আই রাস্তাটার কোনো ব্যবস্থা করে আমি 1টা সাধারণ মানুষ হিসাবে বলছি
Nishikanta das
এই রাস্তা টা পারায় 20 বছর থেকে খারাপ লোকজন চলা ফেরা খুব ডিস্টার্ব হয় আর এই গ্রামের মানুষ অনেক জানিয়েছে ভিডিও অফিস অঞ্চল অফিস প্রধান পঞ্চায়েত সবাইকে জানানো হয়েছে কিন্তূ কোনো ভাবে বলে জে ঠিক হবে খালি বলে এইবার না পরের বার তাহলে এমন করে যদি চলে তো কেমন করে আমরা চলা ফেরা করবো তাই সরকারের কাছে আমাদের আই মিনতি জে যত তারা তারই পরে এটা কেনো ঠিক হয় সরকারের যদি ইচ্ছা হয় তাহলে যেনো আই রাস্তাটার কোনো ব্যবস্থা করে আমি 1টা সাধারণ মানুষ হিসাবে বলছি
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ভেটাগুড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে দলবদল, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ ১জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও ৩ পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী সহ একাধিক নেতা1
- বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে দিনহাটায় এলেন রাজ্যের বিশেষ অবজারভার সুব্রত গুপ্ত এবং পুলিশ অবজারভার এন কে মিশ্রা। বুধবার তারা দিনহাটা থানায় এসে পৌঁছন। এদিন তারা দিনহাটা থানায় এসে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক প্রশান্ত দেবনাথ ও আইসি বুধাদিত্য রায়ের সাথে বৈঠক করেন। যাতে বিধানসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় সে ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের কর্তাদের সাথে আলোচনা করেন। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুব্রত গুপ্ত বলেন, বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়ন করা হবে সে বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয় বলে তিনি জানান। এদিন একদিকে পুলিশ প্রশাসনে আধিকারিকদের সাথে কথা বলেন তারা। পাশাপাশি দিনহাটা মহকুমা শাসক দপ্তরে এসে মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকদের সাথেও কথা বলতে দেখা যায় তাদের।1
- *কোচবিহার জেলার বিভিন্ন সংবেদনশীল ও অতীতে হিংসাপ্রবণ বুথ এলাকায় ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়াতে উদ্যোগ নিল জেলা প্রশাসন।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে শীতলকুচিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন কড়াকড়ি। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মোতায়েন করা হয়েছে বুলেটপ্রুফ এমবিপিভি, যা বিশেষভাবে আনা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর থেকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতে শীতলকুচিতে ভোটকে কেন্দ্র করে একাধিক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে এবার কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই অত্যাধুনিক সুরক্ষিত গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে।1
- সিতাই বিধানসভার ভেটাগুড়ি ২ নং অঞ্চলের বিজেপি প্রার্থী আশুতোষ বর্মা ও সিতাই কনভেনার দীপক কুমার রায় হাত ধরে তিনজন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। গৌতম সেন, উদয় বর্মন, রবীন্দ্র পাল, সমিতি বিমল দে তিনজন পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী।1
- ধুপগুড়ি শহরের বুকে রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা ছিড়ে ফেলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা দেখা দিলো। অভিযোগ, বুধবার গভীর রাতে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি ধুপগুড়ি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯৬ নম্বর বুথ এলাকায় গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা ছিড়ে ফেলার পাশাপাশি বামেদের দলীয় পতাকা খুলে ফেলে। ঘটনা সিসি ফুটেজে পরিষ্কার দেখা যায় , কোন এক ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা গুলি খুলে ছিড়ে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছে। বাদ যায়নি বামেদের লাল পতাকা। বামেদের লাল পতাকা গুলিও খুলে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই ধুপগুড়ি প্রশাসনকে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবদুলাল ঘোষ বলেন। দেবদুলাল ঘোষ আরো বলেন, একটি দলের রাজনৈতিক পতাকা বাদ দিয়ে মূলত তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা গুলিকে চিহ্নিত করে খুঁলে ছিড়ে ফেলে দেওয়ার পাশাপাশি বামেদের লাল পতাকাও খুঁলে ফেলে দেয়। এলাকায় রাজনৈতিক অশান্তি বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই কাজ কোন রাজনৈতিক দল করেছে। বিষয়টি তারা নির্বাচন কমিশনে জানানোর পাশাপাশি ধুপগুড়ি থানাতেও জানিয়েছেন বলে তিনি জানান।1
- তুফানগঞ্জ ২ ব্লকের শালবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বয়স্ক ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট গ্রহণকে ঘিরে চরম বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মিলন বর্মনের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অযাচিত হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বাড়ি বাড়ি ভোট গ্রহণের সময় শুধুমাত্র প্রিসাইডিং অফিসার, নির্দিষ্ট ভোটকর্মী, অনুমোদিত পোলিং এজেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট ভোটার ছাড়া অন্য কারও উপস্থিত থাকার কোনও অনুমতি নেই। অথচ সেই নিয়মকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মিলন বর্মন ভোটকর্মীদের গাড়ির পিছন পিছন ঘুরে বেড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রিসাইডিং অফিসার ও ভোটকর্মীরা যখন বয়স্ক ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোট নিচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় প্রতিটি এলাকায় তাদের অনুসরণ করেন তিনি। বিজেপির দাবি, এটি শুধু অনৈতিক নয়, সরাসরি ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কলঙ্কিত করার সামিল। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয় বিজেপি শিবির। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, “এভাবে যদি শাসকদলের নেতারা ভোট প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?” তারা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট জবাব না মিললেও রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ভোটের মুখে এই ধরনের অভিযোগ নতুন করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। এখন সব নজর নির্বাচন কমিশনের দিকে—এই স্পষ্ট বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কমিশন কতটা কড়া পদক্ষেপ নেয়, সেটাই দেখার।1
- নববর্ষে রঙের উৎসব, কোচবিহার শহীদ বাগে চিত্র প্রদর্শনীতে ভিড়।1
- *দিনহাটা মহকুমার গীতালদহ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধারলা নদীর ওপারে অবস্থিত জারিধল্লা ও দারিবাস এলাকায় হোম ভোটিংয়ের জন্য পোলিং কর্মীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF)-এর নিরাপত্তায় রওনা দিলেন।1