জেলায় বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা , ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট , পরিস্থিতি মোকাবিলায় কলেজ পড়ুয়াদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতা শিবির জেলায় বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা। ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট রয়েছে। একদিকে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা। অন্যদিকে ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট মোকাবিলায় রক্তদাতার সংখ্যা বাড়ানোর দরকার। স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির নিয়মিত হলে জেলার ব্লাড ব্যাংকে রক্তের সংকট অনেকটাই কমবে। স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিষয়ে সচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার বাড়ানোর পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শিবির আয়োজনের উদ্যোগ জরুরি।কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মঙ্গলবার মালদা কলেজে অনুষ্ঠিত হল থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতা শিবির। পাশাপাশি ওই সচেতনতা শিবিরে রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণে বক্তব্য রাখা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মালদা কলেজের অধ্যক্ষ ড. মানস কুমার বৈদ্য, মালদা মেডিক্যাল কলেজ ব্লাড সেন্টারের প্রাক্তন চিকিৎসক সুশান্ত ব্যানার্জি, সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্সের লেকচারার তথা রক্তদান আন্দোলনের সমাজকর্মী অনিল কুমার সাহা, মালদা ব্লাড সেন্টারের কাউন্সিলার মালবিকা ঘোষ, মালদা কলেজের টি সি এস- এর পীযূষ কান্তি সাহা, মালদা কলেজ এন এস এস ইউনিট টু এর প্রোগ্রাম অফিসার আরাত্রিকা রায়, এন এস এস ইউনিট থ্রির প্রোগ্রাম অফিসার ড. শান্তনু গুপ্ত সহ অন্যান্যরাও। দেবাশিস ঘোষের রিপোর্ট।
জেলায় বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা , ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট , পরিস্থিতি মোকাবিলায় কলেজ পড়ুয়াদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতা শিবির জেলায় বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা। ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট রয়েছে। একদিকে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা। অন্যদিকে ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট মোকাবিলায় রক্তদাতার সংখ্যা বাড়ানোর দরকার। স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির নিয়মিত হলে জেলার ব্লাড ব্যাংকে রক্তের সংকট অনেকটাই কমবে। স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিষয়ে সচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার বাড়ানোর পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শিবির আয়োজনের উদ্যোগ জরুরি।কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মঙ্গলবার মালদা কলেজে অনুষ্ঠিত হল থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতা শিবির। পাশাপাশি ওই সচেতনতা শিবিরে রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণে বক্তব্য রাখা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মালদা কলেজের অধ্যক্ষ ড. মানস কুমার বৈদ্য, মালদা মেডিক্যাল কলেজ ব্লাড সেন্টারের প্রাক্তন চিকিৎসক সুশান্ত ব্যানার্জি, সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্সের লেকচারার তথা রক্তদান আন্দোলনের সমাজকর্মী অনিল কুমার সাহা, মালদা ব্লাড সেন্টারের কাউন্সিলার মালবিকা ঘোষ, মালদা কলেজের টি সি এস- এর পীযূষ কান্তি সাহা, মালদা কলেজ এন এস এস ইউনিট টু এর প্রোগ্রাম অফিসার আরাত্রিকা রায়, এন এস এস ইউনিট থ্রির প্রোগ্রাম অফিসার ড. শান্তনু গুপ্ত সহ অন্যান্যরাও। দেবাশিস ঘোষের রিপোর্ট।
- জেলায় বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা , ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট , পরিস্থিতি মোকাবিলায় কলেজ পড়ুয়াদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতা শিবির জেলায় বাড়ছে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা। ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট রয়েছে। একদিকে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা। অন্যদিকে ব্লাড ব্যাংকেও রক্তের সংকট মোকাবিলায় রক্তদাতার সংখ্যা বাড়ানোর দরকার। স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির নিয়মিত হলে জেলার ব্লাড ব্যাংকে রক্তের সংকট অনেকটাই কমবে। স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিষয়ে সচেতনতারও প্রয়োজন রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার বাড়ানোর পাশাপাশি স্বেচ্ছায় রক্তদানের বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে শিবির আয়োজনের উদ্যোগ জরুরি।কলেজ পড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে মঙ্গলবার মালদা কলেজে অনুষ্ঠিত হল থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতা শিবির। পাশাপাশি ওই সচেতনতা শিবিরে রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণে বক্তব্য রাখা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মালদা কলেজের অধ্যক্ষ ড. মানস কুমার বৈদ্য, মালদা মেডিক্যাল কলেজ ব্লাড সেন্টারের প্রাক্তন চিকিৎসক সুশান্ত ব্যানার্জি, সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্সের লেকচারার তথা রক্তদান আন্দোলনের সমাজকর্মী অনিল কুমার সাহা, মালদা ব্লাড সেন্টারের কাউন্সিলার মালবিকা ঘোষ, মালদা কলেজের টি সি এস- এর পীযূষ কান্তি সাহা, মালদা কলেজ এন এস এস ইউনিট টু এর প্রোগ্রাম অফিসার আরাত্রিকা রায়, এন এস এস ইউনিট থ্রির প্রোগ্রাম অফিসার ড. শান্তনু গুপ্ত সহ অন্যান্যরাও। দেবাশিস ঘোষের রিপোর্ট।1
- রায়গঞ্জের সুরেন্দ্রনাথ কলেজে 'খেলো ইন্ডিয়া ডায়ালগ' নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন জাতীয় ক্রীড়া দিবসে 'খেলো ইন্ডিয়া ডায়ালগ' কর্মসূচি উপলক্ষে রায়গঞ্জ সুরেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন হল। মাই ভারতের উদ্যোগে দেশজুড়ে ১৫০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই অনুষ্ঠান হবে। প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল বক্তব্যের পর যুব সংবাদ পর্ব হবে। ২০৩৬ অলিম্পিককে লক্ষ্য করে তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিভা অন্বেষণই মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে।1
- মাদক কারবারিদের হাত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে কালিয়াগঞ্জ থানায় স্মারকলিপি দিল যুব কংগ্রেস মাদক কারবারিদের হাত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে কালিয়াগঞ্জ থানায় স্মারকলিপি দিল যুব কংগ্রেস। মঙ্গলবার, দুপুরে তালতলা কংগ্রেস কার্যালয় থেকে মিছিলের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়। জেলা যুব কংগ্রেসের কার্যকরি সভাপতি সৌম্য দত্ত, ব্লক যুব সভাপতি গিরিধারী প্রামানিক এবং যপেন দেবশর্মা, জাহাঙ্গীর আলম সহ অনেকেই এই ডেপুটেশন অংশগ্রহণ করেছিল। কালিয়াগঞ্জ থানা গেটের বাহিরে মিছিল শেষ করে প্রতীকী বিক্ষোভ অবস্থানে সামিল হয় যুব কংগ্রেস। মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়ার আহ্বান সামনে রেখে সোচ্চার হয় যুব কংগ্রেস।1
- এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কালভার্ট তৈরির পরও মেলেনি রাস্তার সঙ্গে সংযোগ। কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট না করায় তৈরি হয়েছে গভীর গর্ত। কাদা ও জমা জল পেরিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত কালভার্ট কার্যত অব্যবহারের মুখে। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশলপুর গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছরখানেক আগে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ, নির্মাণের পর কালভার্টের দু’পাশে প্রয়োজনীয় মাটি ফেলে রাস্তার সঙ্গে সমতল করা হয়নি। রাস্তার তুলনায় কালভার্টটি উঁচু হওয়ায় দুই প্রান্তে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখানে জল-কাদা জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কালভার্ট তৈরি হলেও সংযোগপথের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ায় সাইকেল, মোটরবাইক তো দূরের কথা, সাধারণ পথচারীদেরও চলাচলে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কালভার্ট এড়িয়ে জলাশয়ের ধার দিয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করছেন তাঁরা। বাসিন্দা এনামুল হক ও রফিকুল ইসলামের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে তিন-চারটি গ্রামের মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন। কবরস্থান ও শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে মাঠের ফসল আনা-নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ কালভার্ট নির্মাণের পরও সংযোগপথ তৈরি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমার বদলে বেড়েছে। বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কালভার্ট নির্মাণের পর রাস্তার সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা হল না কেন? প্রায় এক বছর ধরে কেনই বা পড়ে রয়েছে এই অসম্পূর্ণ কাজ? সরকারি অর্থ খরচ করে এমন পরিকাঠামো তৈরি করে তা ব্যবহারযোগ্য না করে রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। দ্রুত কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট করে রাস্তার সঙ্গে সমতল সংযোগ তৈরি এবং কাঁচা অংশ পাকা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, শুধু কালভার্ট বানালেই হবে না, সেটিকে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করাও প্রশাসনের দায়িত্ব।1
- সুতির মানিকপুরে জঙ্গিপুর জুট মিল পরিদর্শনে মন্ত্রী অর্জুন সিং, আশায় বুক বাঁধছেন শ্রমিকরা। মুর্শিদাবাদের সুতির মানিকপুরে জঙ্গিপুর জুট মিল পরিদর্শন করলেন রাজ্যের পরিবহন ও শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী অর্জুন সিং। মঙ্গলবার মন্ত্রীর এই পরিদর্শনকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা দেখা যায়।দীর্ঘদিন ধরে জুট মিলের বিভিন্ন সমস্যা, শ্রমিকদের বেহাল পরিস্থিতি এবং মিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে মন্ত্রীর পরিদর্শনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।1
- নলহাটি থানায় চালু হল সাইবার হেল্প ডেস্ক............,...... নলহাটি থানায় চালু হল সাইবার হেল্প ডেস্ক নলহাটি থানায় চালু হল সাইবার হেল্প ডেস্ক..............,............1
- বজ্রপাতে জমিতেই মৃত্যু কৃষকের,এলাকা জুড়ে শোকের আবহ সকলের কাছে। পাটের জমি থেকে জল দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে জমির মধ্যেই মর্মান্তিক মৃত্যু তরুণ চাষীর।মৃতের নাম শাহিনুর শেখ। এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদে লালবাগ মহকুমার এলাকায়। জানা যায়, এক বন্ধুর সঙ্গে পাট জাক দিতে জলে নেমে বৃষ্টি শুরু হলে সেখান থেকে উঠে বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করছিল সে। সেই সময় আচমকা বজ্রপাতের কবলে পড়ে বিকট শব্দে জমিতে লুটিয়ে পড়ে শাহিনুর। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আনলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।1
- এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কালভার্ট তৈরির পরও মেলেনি রাস্তার সঙ্গে সংযোগ। কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট না করায় তৈরি হয়েছে গভীর গর্ত। কাদা ও জমা জল পেরিয়ে বিপজ্জনকভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত কালভার্ট কার্যত অব্যবহারের মুখে। ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের কুশলপুর গ্রামের। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় বছরখানেক আগে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে কালভার্টটি নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ, নির্মাণের পর কালভার্টের দু’পাশে প্রয়োজনীয় মাটি ফেলে রাস্তার সঙ্গে সমতল করা হয়নি। রাস্তার তুলনায় কালভার্টটি উঁচু হওয়ায় দুই প্রান্তে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেখানে জল-কাদা জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কালভার্ট তৈরি হলেও সংযোগপথের কাজ অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ায় সাইকেল, মোটরবাইক তো দূরের কথা, সাধারণ পথচারীদেরও চলাচলে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে কালভার্ট এড়িয়ে জলাশয়ের ধার দিয়ে ঘুরপথে যাতায়াত করছেন তাঁরা। বাসিন্দা এনামুল হক ও রফিকুল ইসলামের দাবি, এই রাস্তা দিয়ে তিন-চারটি গ্রামের মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন। কবরস্থান ও শ্মশানে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে মাঠের ফসল আনা-নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই রাস্তাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ কালভার্ট নির্মাণের পরও সংযোগপথ তৈরি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমার বদলে বেড়েছে। বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কালভার্ট নির্মাণের পর রাস্তার সঙ্গে সংযোগ তৈরি করা হল না কেন? প্রায় এক বছর ধরে কেনই বা পড়ে রয়েছে এই অসম্পূর্ণ কাজ? সরকারি অর্থ খরচ করে এমন পরিকাঠামো তৈরি করে তা ব্যবহারযোগ্য না করে রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। দ্রুত কালভার্টের দু’পাশে মাটি ভরাট করে রাস্তার সঙ্গে সমতল সংযোগ তৈরি এবং কাঁচা অংশ পাকা করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, শুধু কালভার্ট বানালেই হবে না, সেটিকে মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করাও প্রশাসনের দায়িত্ব।1