Shuru
Apke Nagar Ki App…
পবিত্র ১০ মহরম উপলক্ষে বাবরি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজের শুভ সূচনা হয়েছে। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকলের সহযোগিতা ও দোয়ায় কাজটি শুরু করা সম্ভব হয়েছে। দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
Maminul Islam
পবিত্র ১০ মহরম উপলক্ষে বাবরি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজের শুভ সূচনা হয়েছে। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকলের সহযোগিতা ও দোয়ায় কাজটি শুরু করা সম্ভব হয়েছে। দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পবিত্র ১০ মহরম উপলক্ষে বাবরি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজের শুভ সূচনা হয়েছে। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকলের সহযোগিতা ও দোয়ায় কাজটি শুরু করা সম্ভব হয়েছে। দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা চর এলাকার সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। জানা গিয়েছে, গভীর রাতে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। বিএসএফ জওয়ানরা তাঁদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, কাজের উদ্দেশ্যেই তাঁরা ভারতে এসেছিলেন এবং তাঁদের কাছে ভারতে প্রবেশের জন্য কোনও বৈধ নথি ছিল না। বর্তমানে ধৃতদের লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, পরবর্তীতে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।1
- বহরমপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দাবাদের সুড়সুড়ি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বহরমপুর শহর তৃণমূলের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগান বাড়িতে শনিবার সকালে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। আদালতের নির্দেশে এই বাগান বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল। জানা গেছে, এই পাঁচিল ঘেরা সুসজ্জিত বাগান বাড়িটি কোনো বিত্তশালী ব্যবসায়ী বা তারকার ছিল না, বরং পাপাই ঘোষই এটি তৈরি করিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, এই বাগান বাড়ি থেকে পাপাই ঘোষ এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতেন, এবং এখানে নানা অসামাজিক কার্যকলাপও চলত। পালাবদলের পর থেকেই পাপাই ঘোষ বেপাত্তা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই বাগান বাড়িটি জবরদখল করা হয়েছে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন। স্থানীয়দের সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত বুলডোজার অভিযানের নির্দেশ দেয়, যার ফলস্বরূপ শনিবার সকালে এই বাগান বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার জনপথ (PWD) রাস্তার দু'পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারি উচ্ছেদে প্রশাসন কড়া অবস্থান নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, PWD রাস্তার দুই ধারে থাকা সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ও দখলদারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজেদের উদ্যোগে সরিয়ে ফেলতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে এই অপসারণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ নির্মাণ অপসারণ করা না হলে, আইন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের দাবি, রাস্তার দু'পাশে বেআইনি নির্মাণের কারণে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাস্তা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নমূলক কাজে বাধা তৈরি হতে পারে। এই কারণেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সকলকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, পরবর্তীতে কোনও অবৈধ নির্মাণ বা দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানা সমাজ থেকে মাদকের অভিশাপ দূর করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখাতে এক অনন্য সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে। 'জীবনকে বলুন হ্যাঁ, মাদককে বলুন না' এবং 'নেশা মুক্ত ভারত অভিযান, বিকশিত ভারত কি পেহেচান' এই মূল মন্ত্র সামনে রেখে একটি বিশেষ জনসচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে ভরতপুর থানা চত্বর থেকে এই র্যালিটি শুরু হয়। ভরতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডলের নেতৃত্বে এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে থানার সমস্ত পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা অংশ নেন। ব্যানার হাতে পুলিশের সুশৃঙ্খল এই মিছিল ভরতপুরের বিভিন্ন প্রধান প্রধান রাস্তা ও এলাকা পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতার আলো ছড়িয়ে দেয় এবং পুনরায় থানা চত্বরে এসে শেষ হয়। এই প্রশংসনীয় ও মহৎ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল এলাকার যুবসমাজকে মাদকের মরণফাঁদ থেকে দূরে সরিয়ে একটি সুস্থ, সুন্দর ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।1
- মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর মহকুমার সুতি এলাকায় সামান্য কিছু টাকার জন্য এক গুণধর ছেলে তার বাবাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে খুন করেছে। মৃত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম আজাদ। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, অভিযুক্ত ছেলে আনিকুল শেখের সাথে তার বাবা আবুল কালাম আজাদের টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিবাদ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিবাদের জেরেই আনিকুল সুপরিকল্পিতভাবে তার বাবাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় এবং অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করে। এদিনের সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ খবর অনুসারে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে আনিকুল শেখ পলাতক রয়েছে। তাকে খুঁজে বের করার জন্য চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ম্যাক (MAC) সংগঠনের সদস্যরা হিমাচল প্রদেশের ৬০৬৯ মিটার উচ্চতার মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় করে এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছেন। গত ২৩শে জুন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে দলনেতা, ৬৫ বছর বয়সী এভারেস্ট জয়ী বসন্ত সিংহ রায়ের নেতৃত্বে বিশ্বনাথ সাহা, পার্থসারথি লাইক এবং প্রশান্ত সিংহ এই কঠিন শৃঙ্গে আরোহণ করেন। এই অভিযানের যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ৬ই জুন, কৃষ্ণনগর থেকে। হাওড়া ও চন্ডিগড় হয়ে দলটি মানালি পৌঁছায়, সেখান থেকে হুন্ডার পর্যন্ত গাড়িতে এবং এরপর দুইদিন পায়ে হেঁটে বিয়াস কুন্ডু (বিপাশা নদীর উৎস) পৌঁছায়। হিমাচল প্রদেশের মানালি ও সোলাং ভ্যালি পেরিয়ে এই অভিযান শুরু হয়। জানা গেছে, মুকার বে শৃঙ্গটি ৬৫ বছর আগে আরোহণ করা হয়েছিল, যার পর আর সে অর্থে কোনো অভিযান হয়নি। কারণ এই শৃঙ্গে পৌঁছতে হলে প্রথমে শৃতিধর, দ্বিতীয়ত লাদাকি এবং তৃতীয়ত মানালি – এই তিনটি পর্বতশৃঙ্গ আরোহণ করতে হয়। ম্যাকের সদস্যরা সাফল্যের সাথে এই কঠিন, কষ্টকর ও ট্যাকনিক্যাল শৃঙ্গগুলি জয় করেছেন। অভিযানের সদস্য এবং নদীয়ার বামুনপুকুর হাই স্কুলের ভূগোল শিক্ষক, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা প্রশান্ত সিংহ জানান যে, মুকার বে শৃঙ্গের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড হিমবাহের ফাটল (ক্রেভাস) এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে পাথরের কর্নিস বেরিয়ে আসায় গত ৬০ বছরে শৃঙ্গটি এক ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। মানালি শৃঙ্গ অভিযান করতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে, প্রায় ২০০০ মিটার দড়ি ব্যবহার করে খাড়া কর্নিস ধরে বরফের ঢাল বেয়ে এবং আলগা পাথুরে অংশের মধ্যে দিয়ে রক ক্লাইমিং করে আরোহণ করতে হয়েছে। ভারী জুতোর তলায় লাগানো কাঁটার সাহায্যে আরোহণ করা কষ্টকর ছিল এবং আবহাওয়াও প্রতিকূল ছিল, যার ফলে সামিট ক্যাম্পে একটানা প্রায় ২৭ ঘণ্টা তাঁবুতে আটকে থাকতে হয়েছিল। তিনি জানান যে, তিনটি শৃঙ্গে বিদ্যালয়ের পতাকা তুলে ধরলেও চতুর্থ শৃঙ্গে (মুকার বে) পতাকা তোলা একরকম অধরা থেকে যায়। এই পর্বত শৃঙ্গ জয় করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ৬০৬৯ মিটারের মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় নদীয়ার নবদ্বীপের এই শিক্ষকের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রশান্ত সিংহ এর আগেও মাউন্ট কালানাগ, মাউন্ট চ্যাঙাব্যাঙ, কারাকোরামের সাসের কাঙরি- ৪, নেপালের মাউন্ট মানাসলু, হিমাচলের মাউন্ট রামজাক, অরুণাচল প্রদেশের গোরিচেন শৃঙ্গ, হিমাচলের কোয়ারং ২ সহ একাধিক শৃঙ্গ অভিযান করেছেন, যা তাদের এই কঠিন অভিযানে সফল হতে সহায়ক হয়েছে।1
- ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহরম, যা ইসলামের চারটি পবিত্রতম মাসের অন্যতম। এই মাস মুসলিম সমাজে আত্মসংযম, ইবাদত, ত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার শিক্ষা নিয়ে আসে। বিশেষভাবে, ১০ মহরম অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিনটি ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয়, যখন কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীরা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতা, ন্যায়বিচার ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রতি বছরের মতো এ বছরও মুর্শিদাবাদ শহরে ঐতিহ্যবাহী মহরমের জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাক পরে এই শোক মিছিলে অংশ নেন। জুলুসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া এবং দুলদুল ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোক, মাতম ও ধর্মীয় আবেগে গোটা পরিবেশ মুখরিত হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এবারের জুলুসে প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে অংশগ্রহণকারীরা অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং জঞ্জির মাতম থেকে বিরত ছিলেন। সম্পূর্ণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। জুলুসটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অতিক্রম করে ঐতিহ্যবাহী কারবালা প্রান্তরে গিয়ে শেষ হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, মহরম কেবল শোকের মাস নয়, বরং সত্য, ন্যায়, মানবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তাঁরা মনে করেন, ইমাম হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পথে অটল থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই তাঁরা প্রতিবছর এই পবিত্র দিনটি পালন করে আসছেন।1