ধূপগুড়িতে রাতের অন্ধকারে ছিঁড়ে ফেলা হলো তৃণমূল-সিপিআইএমের পতাকা, সিসিটিভি ঘিরে শোরগোল ধূপগুড়ি: ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত ধূপগুড়ি। ১১ নম্বর ওয়ার্ডে রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিআইএমের দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তায় পতাকাগুলি পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় কর্মীরা। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দু’টি সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে একের পর এক পতাকা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে দোষারোপের পালা।নেতা দেবদুলাল ঘোষ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "তৃণমূলের জয় নিশ্চিত জেনেই এই চক্রান্ত করা হচ্ছে। সব দলের পতাকাই সম্মানীয়, এমন কাজ মেনে নেওয়া যায় না।"পাল্টা জবাবে বিজেপি নেতা চন্দন দত্ত বলেন, "এবারের লড়াই জনতা বনাম শাসকের। এমন ঘৃণ্য কাজ করার প্রয়োজন আমাদের নেই। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে সিসিটিভি দেখে দোষীকে গ্রেপ্তার করা হোক।" ভোটের ঠিক আগে এমন ঘটনায় ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ প্রশাসন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বর্তমানে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ধূপগুড়িতে রাতের অন্ধকারে ছিঁড়ে ফেলা হলো তৃণমূল-সিপিআইএমের পতাকা, সিসিটিভি ঘিরে শোরগোল ধূপগুড়ি: ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত ধূপগুড়ি। ১১ নম্বর ওয়ার্ডে রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিআইএমের দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তায় পতাকাগুলি পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় কর্মীরা। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দু’টি সিসিটিভি ফুটেজ। সেখানে দেখা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে একের পর এক পতাকা ছিঁড়ে রাস্তায় ফেলে দিচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে দোষারোপের পালা।নেতা দেবদুলাল ঘোষ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, "তৃণমূলের জয় নিশ্চিত জেনেই এই চক্রান্ত করা হচ্ছে। সব দলের পতাকাই সম্মানীয়, এমন কাজ মেনে নেওয়া যায় না।"পাল্টা জবাবে বিজেপি নেতা চন্দন দত্ত বলেন, "এবারের লড়াই জনতা বনাম শাসকের। এমন ঘৃণ্য কাজ করার প্রয়োজন আমাদের নেই। প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে সিসিটিভি দেখে দোষীকে গ্রেপ্তার করা হোক।" ভোটের ঠিক আগে এমন ঘটনায় ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ প্রশাসন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বর্তমানে এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
- Post by Utpal Roy MNG1
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভার হলদিবাড়ি শহরের পুরনো বাসস্ট্যান্ডে বুধবার বিজেপির এক যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন Bapi Goswami, ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তাঁর উপস্থিতিতে হলদিবাড়ি শহর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী, হলদিবাড়ি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং অর্ঘ্য রায় প্রধানের সহধর্মিনী Purabi Ray Pradhan তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান বিজেপি নেতৃত্ব। এই যোগদানকে ঘিরে হলদিবাড়ির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।1
- রাজগঞ্জে যুবক খু*নে গ্রেপ্তার বাবা ও ভাই, ফরেনসিক তদন্তে চাঞ্চল্য #রাজগঞ্জ #জলপাইগুড়ি #খুন #গ্রেপ্তার #পারিবারিক_বিবাদ #ফরেনসিক_তদন্ত #ব্রেকিং_নিউজ #ক্রাইম_নিউজ #WestBengalNews #CrimeUpdate1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে শীতলকুচিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নজিরবিহীন কড়াকড়ি। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার মোতায়েন করা হয়েছে বুলেটপ্রুফ এমবিপিভি, যা বিশেষভাবে আনা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর থেকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতে শীতলকুচিতে ভোটকে কেন্দ্র করে একাধিক অশান্তির ঘটনার প্রেক্ষিতে এবার কোনওরকম ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এই অত্যাধুনিক সুরক্ষিত গাড়ি মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে।1
- কালচিনি বিধানসভায় অব্যাহত বিজেপির যোগদান কর্মসূচি। বুধবার বিধানসভার মাঝেরডাবরী চা বাগানে ৬৫ জন পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন।এদিন বিজেপি জেলা সম্পাদক অলোক মিত্রের উপস্থিতিতে এই যোগদান কর্মসূচি হয়। মূলত শ্রমিক মহল্লার মহিলা ও যুবকেরা এদিন বিজেপিতে যোগদান করেছে বলে জানান তিনি।1
- ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’ পরিচয়কে সামনে রেখে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই এই ইস্যুতে সরব হয়ে উঠেছে, আর তা ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ। মমতা ব্যানার্জী একাধিক জনসভা থেকে অভিযোগ তুলেছেন যে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে নাকি মাছ, মাংস ও ডিম খাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় এলে একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আলিপুরদুয়ারের এক সভায় তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মাছ-মাংস-ডিম খাবে না তো কি আমার মাথা খাবে?”—যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। অন্যদিকে, বিজেপি নেতৃত্ব এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। হেমন্ত বিশ্ব শর্মা পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন, অসমে বিজেপি সরকার থাকা সত্ত্বেও কেউ কি মাছ খাওয়া বন্ধ করেছে? তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অসমে এসে বাস্তব পরিস্থিতি দেখে যাওয়ার আমন্ত্রণও জানান। বিজেপির অন্যান্য নেতারাও এই ইস্যুকে হাতিয়ার করেছেন। স্মৃতি ইরানি প্রচারে এসে ‘ইলিশ মাছ’ নিয়ে মন্তব্য করে জানান, তিনি নিজে বেছে খাওয়াতেও প্রস্তুত। আবার ব্যারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী পয়লা বৈশাখে মাছ হাতে প্রচারে নেমে বার্তা দেন—বাঙালির মাছ-ভাত সংস্কৃতিতে কোনও হস্তক্ষেপ হবে না। একইভাবে বিধাননগরের প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও কাতলা মাছ হাতে প্রচার করে দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে বরং মাছের প্রাপ্যতা বাড়বে। সব মিলিয়ে, খাদ্যাভ্যাসের মতো একটি দৈনন্দিন বিষয় এবারের নির্বাচনে সাংস্কৃতিক পরিচয় ও রাজনৈতিক প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। ‘মাছ’ এখন শুধু খাদ্য নয়, বরং ভোটের ময়দানে প্রতীকী অস্ত্র—যার মাধ্যমে বাঙালির আবেগকে ছুঁতে চাইছে সব পক্ষই।1
- মিষ্টির প্যাকেটে ভোট রাজনীতি! রাজগঞ্জে তৃণমূল বনাম বিজেপি সংঘাত চরমে #Rajganj #PoilaBoishakh #PoliticalClash #TMCvsBJP #AmitShah #ElectionBuzz #WestBengalPolitics #SweetPolitics #Vote2026 #BreakingNews1
- দিনহাটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সভায় উপচে পড়া ভিড়। সেই জনসমাগম দেখে কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন গুহ বলেন, “এই ধরনের ভিড় সাধারণত ব্রিগেডে দেখা যায়।” তাঁর মতে, মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিই আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের শক্তির বড় বার্তা।1
- ⭕BJP ক্ষমতায় আসার পর থানার সামনে শুধু জিপ থাকবে না থাকবে হলুদ রঙের বুলডোজার 'গোপালপুরে সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন সুকান্ত মজুমদার1