ভগবানগোলার মহিষাসথলি রেলগেটে ওভারব্রিজের পথে বড় পদক্ষেপ, প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা ঘিরে উচ্ছ্বাস নিজস্ব প্রতিনিধি, ভগবানগোলা: দীর্ঘদিনের যানজটের সমস্যার সমাধানে আশার আলো দেখছেন ভগবানগোলার মানুষ। মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলা-আখেরিগঞ্জ রুটের গুরুত্বপূর্ণ মহিষাসথলি রেলগেটে প্রস্তাবিত ওভারব্রিজ (উড়ালপুল) নির্মাণের লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভগবানগোলা-আখেরিগঞ্জ রুটটি জেলার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এই রাস্তায় হাজার হাজার যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি, মোটরসাইকেল, সাইকেল, টোটো এবং চার চাকার যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি রানীনগর, ডোমকল, জলঙ্গি এবং নদীয়া জেলার করিমপুর ব্লকের বহু মানুষ এই রুট ব্যবহার করেন। ফলে মহিষাসথলি রেলগেট বন্ধ থাকলেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের দাবি, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এই এলাকায় বিএসএফের যানবাহনের দ্রুত চলাচলের ক্ষেত্রেও এই যানজট বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই দীর্ঘদিন ধরেই রেলগেটের উপর একটি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি উঠছিল। বিজেপি নেতা তথা ভগবানগোলা বিধানসভার তিনবারের প্রার্থী মেহেবুব আলম জানান, এলাকার মানুষের স্বার্থে তিনি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি তুলে ধরেছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনের পর প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এদিন সমীক্ষার সময় ভগবানগোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা মেহেবুব আলম, সমাজসেবী অসিত পাণ্ডে, রমজান আলী, রেজওয়ানুল হক, অমর ঘোষ, হাসান আলী-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাকর্মী এবং বহু স্থানীয় বাসিন্দা। তবে উল্লেখ্য, ওভারব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রশাসনিক ও কারিগরি অনুমোদন, জমি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি রয়েছে। প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশাবাদী এলাকাবাসী।
ভগবানগোলার মহিষাসথলি রেলগেটে ওভারব্রিজের পথে বড় পদক্ষেপ, প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা ঘিরে উচ্ছ্বাস নিজস্ব প্রতিনিধি, ভগবানগোলা: দীর্ঘদিনের যানজটের সমস্যার সমাধানে আশার আলো দেখছেন ভগবানগোলার মানুষ। মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলা-আখেরিগঞ্জ রুটের গুরুত্বপূর্ণ মহিষাসথলি রেলগেটে প্রস্তাবিত ওভারব্রিজ (উড়ালপুল) নির্মাণের লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভগবানগোলা-আখেরিগঞ্জ রুটটি জেলার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এই রাস্তায় হাজার হাজার যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি, মোটরসাইকেল, সাইকেল, টোটো এবং চার চাকার যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি রানীনগর, ডোমকল, জলঙ্গি এবং নদীয়া জেলার করিমপুর ব্লকের বহু মানুষ এই রুট ব্যবহার করেন। ফলে মহিষাসথলি রেলগেট বন্ধ থাকলেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের দাবি, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এই এলাকায় বিএসএফের যানবাহনের দ্রুত চলাচলের ক্ষেত্রেও এই যানজট বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই দীর্ঘদিন ধরেই রেলগেটের উপর একটি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি উঠছিল। বিজেপি নেতা তথা ভগবানগোলা বিধানসভার তিনবারের প্রার্থী মেহেবুব আলম জানান, এলাকার মানুষের স্বার্থে তিনি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি তুলে ধরেছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনের পর প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এদিন সমীক্ষার সময় ভগবানগোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা মেহেবুব আলম, সমাজসেবী অসিত পাণ্ডে, রমজান আলী, রেজওয়ানুল হক, অমর ঘোষ, হাসান আলী-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাকর্মী এবং বহু স্থানীয় বাসিন্দা। তবে উল্লেখ্য, ওভারব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রশাসনিক ও কারিগরি অনুমোদন, জমি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি রয়েছে। প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশাবাদী এলাকাবাসী।
- ভগবানগোলার মহিষাসথলি রেলগেটে ওভারব্রিজের পথে বড় পদক্ষেপ, প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা ঘিরে উচ্ছ্বাস নিজস্ব প্রতিনিধি, ভগবানগোলা: দীর্ঘদিনের যানজটের সমস্যার সমাধানে আশার আলো দেখছেন ভগবানগোলার মানুষ। মুর্শিদাবাদ জেলার ভগবানগোলা-আখেরিগঞ্জ রুটের গুরুত্বপূর্ণ মহিষাসথলি রেলগেটে প্রস্তাবিত ওভারব্রিজ (উড়ালপুল) নির্মাণের লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীর মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভগবানগোলা-আখেরিগঞ্জ রুটটি জেলার অন্যতম ব্যস্ত যোগাযোগপথ। প্রতিদিন এই রাস্তায় হাজার হাজার যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি, মোটরসাইকেল, সাইকেল, টোটো এবং চার চাকার যানবাহন চলাচল করে। পাশাপাশি রানীনগর, ডোমকল, জলঙ্গি এবং নদীয়া জেলার করিমপুর ব্লকের বহু মানুষ এই রুট ব্যবহার করেন। ফলে মহিষাসথলি রেলগেট বন্ধ থাকলেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়। স্থানীয়দের দাবি, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এই এলাকায় বিএসএফের যানবাহনের দ্রুত চলাচলের ক্ষেত্রেও এই যানজট বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই দীর্ঘদিন ধরেই রেলগেটের উপর একটি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি উঠছিল। বিজেপি নেতা তথা ভগবানগোলা বিধানসভার তিনবারের প্রার্থী মেহেবুব আলম জানান, এলাকার মানুষের স্বার্থে তিনি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবি তুলে ধরেছিলেন। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদনের পর প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এদিন সমীক্ষার সময় ভগবানগোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা মেহেবুব আলম, সমাজসেবী অসিত পাণ্ডে, রমজান আলী, রেজওয়ানুল হক, অমর ঘোষ, হাসান আলী-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাকর্মী এবং বহু স্থানীয় বাসিন্দা। তবে উল্লেখ্য, ওভারব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রশাসনিক ও কারিগরি অনুমোদন, জমি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি রয়েছে। প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় ভবিষ্যতে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে বলে আশাবাদী এলাকাবাসী।1
- লালগোলায় দেদার চলছে মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম! আতঙ্কে স্থানীয়রা। জনহিতকর নতুন সরকারের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশ মাটি মাফিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সীমান্ত শহর মুর্শিদাবাদের লালগোলার বুকে দেদার চালাচ্ছে দৌরাত্ম! আর তাতেই আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে স্থানীয়দের। প্রতিবাদ করলেই পাল্টা হুমকি আর সাশনী। সব মিলিয়ে সীমান্ত শহর লালগোলার বুকে চলতে থাকা মাটি মাফিদের দাপাদাপিতে স্থানীয়দের জীবন রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্থ বলেই অভিযোগ । সেক্ষেত্রে এলাকাবাসীরা জানান, স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার জানিয়েও কোনো কাজ হচ্ছেনা। এমনকি সরকারের দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত যে নির্দেশ রয়েছে যে কোনো রকমের মাফিয়া রাজ রুখবার জন্য তাতেও কর্ণপাত করছে না স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ,বলেই নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা।1
- বিকট শব্দে আর নয়! মডিফাইড সাইলেন্সারের বিরুদ্ধে হরিহরপাড়া পুলিশের কড়া অভিযান বিকট শব্দে আর নয়! মডিফাইড সাইলেন্সারের বিরুদ্ধে হরিহরপাড়া পুলিশের কড়া অভিযান হরিহরপাড়ায় মডিফাইড সাইলেন্সারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল পুলিশ। চাঁদপুর থেকে বহরমপুরগামী এক মোটরসাইকেল থেকে বিকট শব্দ বের হতে দেখে ধাওয়া করে রাকিব শেখ নামে এক যুবককে আটক করা হয়। পরে থানায় নিয়ে গিয়ে মডিফাইড সাইলেন্সার খুলে নিয়ম অনুযায়ী নতুন সাইলেন্সার লাগিয়ে বাইকটি ছেড়ে দেয় পুলিশ। শব্দদূষণ রোধে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।1
- ডোমকলের মধুরকুল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন সঞ্জনা খাতুন বিবি। ডোমকলের মধুরকুল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন সঞ্জনা খাতুন বিবি। তৎকালীন তৃণমূলের প্রধান সামসুজ্জোহা মন্ডল ইস্তফা দেওয়ার পর অনস্থায় প্রধান হন কংগ্রেসের সঞ্জনা। অনস্থায় ১১-০ ভোটে মধুরকুল পঞ্চায়েত দখল নিল কংগ্রেস। শুক্রবার ঐ প্রধান গঠন ঘিরে পুলিশের নিরাপত্তা শূণ্য। পুলিশের নিরাপত্তা ছাড়ায় প্রধান গঠন করে কংগ্রেস। উল্লেখ্য, ডোমকল ব্লকের মধুরকুল পঞ্চায়েতের মোট সদস্য সংখ্যা ১৬ জন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় তৃণমূলের ৮ টি কংগ্রেসের ৭ এবং সিপিআইএম একটি আসন দখল নেই। যেহেতু সেসময় বাম কংগ্রেস জোট থাকায় ৮ টি আসন ও তৃণমূলের ৮ টি আসন হওয়ায় প্রধান গঠনে ড্র হওয়ায় কংগ্রেসের একটি সদস্য তৃণমূলে যোগ দেই। যার ফলে প্রধান হন তৃণমূলের সামসুজ্জোহা মন্ডল ওরফে বাবা। তারপরেই বছর তিনেক পর রাজ্য থেকে তৃণমূলের পতন পর কংগ্রেস অনস্থা আনার প্রক্রিয়া শুরু করে। তার আগেই প্রধান পদ থেকে ইস্তফা দেন তৎকালীন তৃণমূলের প্রধান সামসুজ্জোহা মন্ডল ওরফে বাবু। অবশেষে অনস্থা এনে ১১-০ ভোটে প্রধান হয় কংগ্রেসের। কংগ্রেসের ৬ টি সদস্য ও বাকি তৃণমূলের ৫ সদস্যের সমর্থনে অবশেষে প্রধানের চেয়ার পান কংগ্রেস সদস্য। আর শুক্রবার সকাল থেকে কর্মীদের উচ্ছাস ছিলো পঞ্চায়েত চত্তরে। কিন্তু প্রধান গঠন হলেও কোনো পুলিশের নিরাপত্তা ছিলো না এদিন। প্রধান গঠন হবার পরেই ফুলের মালা পরিয়ে বরন করা হয়। হয় মিছিল ও। নবগঠিত প্রধান থেকে ব্লক সভাপতি কি বললেন শুনুন।1
- "আজ তোমার লোকেরাই হুঁকে পড়েছে, তুমি গিরগিটির মতো রং পালটাও"— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া আক্রমণ অধীর চৌধুরীর রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ফের তীব্র ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের বহু নেতা-কর্মী দল ছাড়ছেন বা অন্য রাজনৈতিক শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটেই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অধীর বলেন, "আজ তোমার লোকেরাই হুঁকে পড়েছে, তুমি গিরগিটির মতো রং পালটাও।" অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দলগুলিকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ায় একই নেতারা নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলাচ্ছেন। তাঁর দাবি, মানুষ রাজ্যের পরিবর্তন চেয়েছেন এবং সেই কারণেই তৃণমূলের সংগঠনের ভিত নড়ে গিয়েছে। বক্তৃতায় অধীর আরও বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন যাঁরা বিরোধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন, আজ তাঁদের অনেকেই নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। সেই কারণেই বিভিন্ন জায়গায় দলবদল এবং রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে বলে তাঁর দাবি। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, পরিস্থিতি বুঝে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করা মানুষের কাছে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলকে সামনে রেখে অধীরের বক্তব্যে উঠে আসে তৃণমূলের সাংগঠনিক সংকটের প্রসঙ্গও। তাঁর মতে, দলীয় কর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং তারই প্রতিফলন বিভিন্ন জেলায় দেখা যাচ্ছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ভিন্ন মত প্রকাশ করা হয়েছে এবং তারা দাবি করেছে, দল এখনও সুসংগঠিত রয়েছে। অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলি একে অপরকে আক্রমণ করে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে তৃণমূল শিবিরের দাবি, বিরোধীদের এই ধরনের মন্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তবের সঙ্গে তার মিল নেই। এখন দেখার বিষয়, অধীর চৌধুরীর এই মন্তব্যের জবাবে তৃণমূল নেতৃত্ব কী প্রতিক্রিয়া জানায় এবং আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে এই বিতর্ক কতটা প্রভাব ফেলে।1
- রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার বিধায় আখরুজ্জামান পরিদর্শনে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ: রঘুনাথগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত হলেও প্রশাসনিকভাবে লালগোলা থানার অধীনে থাকা রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ বছরের প্রথম বড় পদ্মা ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনের পর শুক্রবার সকাল থেকেই সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে দপ্তরের কর্মীরা পৌঁছে বোল্ডার ও অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে ভাঙন আটকানোর উদ্যোগ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অতীতে যে অংশে নদীর পাড় বাঁধানোর কাজ করা হয়েছিল, সেই অংশ এখনও অক্ষত রয়েছে। কিন্তু যে অংশে কোনও প্রতিরোধমূলক কাজ করা হয়নি, সেখানেই পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই অংশেও আগে থেকেই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এত বড় ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হতো। ভাঙনের জেরে একাধিক কৃষকের পাটক্ষেত পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বহু দিনের পরিশ্রমে ফলানো ফসল চোখের সামনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় হতাশ কৃষকরা। পাশাপাশি নদীর ধার ঘেঁষে থাকা বসতবাড়ির বাসিন্দারাও চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আগামী দিনে আরও কৃষিজমি ও বসতভিটে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে। এলাকাবাসীর দাবি, শুধু জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করলেই হবে না, দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। বর্তমানে এলাকায় সেচ দপ্তর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং ভাঙন রোধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।1
- বেলডাঙায় বড়ুয়ায় গ্যারেজে কাজ করার সময় ট্রাকে ভয়াবহ আগুন বেলডাঙায় বড়ুয়া পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় গ্যারেজে কাজ করার সময় ট্রাকে ভয়াবহ আগুন। অগ্নিকান্ডে আহত হন ট্রাক চালক ও এক শ্রমিক। জানা গিয়েছে শনিবার সকালে বড়ুয়া পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় গ্যারেজে দাঁড়িয়ে ছিল ট্রাকটি। সার বোঝাই ট্রাকটিকে কাজ করার সময় চাকা ফেটে যায়। কিছুক্ষনের মধ্যেই আগুন ধরে যায় ট্রাকটিকে। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে আগুন। চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একটি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসে। ট্রাক চালক ও এক গ্যারেজ কর্মী আহত হন এই ঘটনায়।1