Shuru
Apke Nagar Ki App…
ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন মহলে জোর আলোচনা চলছে। ২০২৫ সালে তাঁর স্ত্রী নীতি দেবের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে এসেছিল, যা নিয়ে সেই সময় থেকেই নানা জল্পনা ছিল। তবে, তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে সম্পর্কিত কোনো সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য তথ্য এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বিষয়ে নানা ধরনের জল্পনা থাকলেও, কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো তথ্য যাচাই করে দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
Mani Kumar Tripura
ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বর্তমান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেবের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভিন্ন মহলে জোর আলোচনা চলছে। ২০২৫ সালে তাঁর স্ত্রী নীতি দেবের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে এসেছিল, যা নিয়ে সেই সময় থেকেই নানা জল্পনা ছিল। তবে, তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে সম্পর্কিত কোনো সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য তথ্য এখনো পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এই বিষয়ে নানা ধরনের জল্পনা থাকলেও, কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো তথ্য যাচাই করে দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- রবিবার ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে সাব্রুমের ঐতিহাসিক ভারত-বাংলা মৈত্রী সেতুর উপর ‘এফ’ কোম্পানি, ১১৪ ব্যাটালিয়ন বিএসএফ এক বিশেষ যোগচর্চা কর্মসূচির আয়োজন করে। সীমান্ত এলাকার এই গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিএসএফ জওয়ানরা অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন যোগাসন ও প্রণায়াম অনুশীলন করেন। অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ১১৪ ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট আর. এল. মিনা আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান যে, যোগব্যায়াম মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে অত্যন্ত কার্যকর এবং কঠোর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জওয়ানদের সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে নিয়মিত যোগচর্চার ভূমিকা অপরিহার্য। মিনা আরও উল্লেখ করেন যে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক মৈত্রী সেতুর উপর এই কর্মসূচির আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।1
- গতকাল সকাল ৭টায় সাব্রুমের দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতের সীং টিলায় সাব্রুম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশীষ মজুমদারের বসত ঘর, গাড়ি, বাইকসহ যাবতীয় আসবাবপত্র আগুনে ভস্মীভূত হয়ে যায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল ২০শে জুন বিকাল ৫টায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি পরিদর্শনে আসেন। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুব্রত দে, সহ-সভাপতি উপানন্দ দেববর্মা, কোষাধক্ষ্য বাসুদেব চক্রবর্তী, সাব্রুম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অজয় গণ চৌধুরী এবং কোষাধক্ষ্য মৃগাঙ্ক শেখর দে সহ আরও অনেকে।1
- সকল NEET পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরীক্ষায় বসার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে যে, 'যাই ঘটুক না কেন, আমি সবসময় আপনার সঙ্গে আছি এবং আপনাকে রক্ষা করতে থাকব'। যারা পুনরায় NEET পরীক্ষা দিচ্ছেন, তাদের প্রত্যেককে অসংখ্য শুভকামনা জানানো হয়েছে। একইসাথে সরকারের কাছে এই প্রত্যাশা রাখা হয়েছে যে, এইবার NEET পরীক্ষা যেন কোনো রকম ত্রুটি ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়। কারণ ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই প্রচুর মানসিক চাপ সহ্য করেছে; তাই এখন আর কোনো শিশুর আশা ভঙ্গ হওয়া উচিত নয়।1
- শনিবার বিকেলে সিপিআইএম নিদয়া অঞ্চল কমিটির উদ্যোগে ভবানীপুর বাজারে এক প্রতিবাদ মিছিল ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম সোনামুড়া মহকুমা সম্পাদক তথা বামপন্থী বিধায়ক শ্যামল চক্রবর্তী এবং মহকুমার সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য অধীর ভৌমিক। সভার সভাপতিত্ব করেন সুভাষ দেব। এই কর্মসূচির মূল কারণ হলো সাম্প্রতিক সময়ে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক বিভিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম অত্যধিক হারে বৃদ্ধি করা, যার ফলস্বরূপ নিত্যপ্রয়োজনীয় সমস্ত সামগ্রীর দাম হুহু করে বেড়ে যাচ্ছে। অভিযোগ করা হয় যে, এই রাজ্যের সরকার বা প্রশাসনের এই বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। এই পরিপ্রেক্ষিতেই বামপন্থী দল মাঠে নেমে মানুষকে জানানোর জন্য ধনপুর বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন বাণিজ্যিক স্থানগুলিতে প্রতিবাদে সরব হয়ে মিছিল ও সভা সংঘটিত করে চলেছে। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকার বহু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কর্মসূচিতে বামেরা সরব হয়েছে। দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাদের এই কর্মসূচিকে আশি শতাংশ মানুষ সমর্থন জানিয়েছে। দলীয় সূত্র আরও জানায় যে, আগামী দিনে বাকি যে সমস্ত বাণিজ্যিক এলাকাগুলি রয়েছে, প্রতিটিতেই তাদের এই জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে একদিকে সংগঠন শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সমর্থনও পাচ্ছে। সিপিআইএম এই ইস্যুটিকে অত্যন্ত বাস্তবমুখী বলে মনে করছে।1
- মেলাঘর থানা তাদের 'চিতা গতি' অভিযানের মাধ্যমে একটি চুরি হওয়া স্কুটি মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করে বড় সাফল্য অর্জন করেছে।1
- খোয়াই জেলা বিজেপিতে নতুন সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন সমীর দাস।1
- চিচিংছড়া-মনু রোডের জরাজীর্ণ ও খানাখন্দে ভরা অবস্থা বর্তমানে সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়ক কাদামাটি ও জলাবদ্ধতার এক মরণফাঁদে পরিণত হচ্ছে, যেখানে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রী, রোগী, চাকরিজীবী এবং সাধারণ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন। এই বেহাল দশা দেখে এলাকাবাসী চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত সড়কটি সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে: "এটা কি রাস্তা, নাকি মরণফাঁদ?"1
- “সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রবিবার সকালে সাব্রুম মহকুমা পর্যায়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। সকাল ৮টায় সাব্রুম রামঠাকুর সেবা মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক যোগপ্রেমী মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী এবং বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন। মহকুমা যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে এবং মহকুমা শাসকের কার্যালয় ও সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রমা পোদ্দার দে অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করেন। প্রাক্তন বিধায়ক শংকর রায়, ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক রতন দাস, যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের আধিকারিক জিমি দেববর্মা সহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন যোগাসন ও প্রাণায়াম অনুশীলন করেন। এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রাক্তন বিধায়ক শংকর রায় বলেন, নিয়মিত যোগচর্চা শরীর ও মনের সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, ভারপ্রাপ্ত মহকুমা শাসক রতন দাস যোগব্যায়ামের উপকারিতা তুলে ধরে সকলকে দৈনন্দিন জীবনে যোগচর্চা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান। এই কর্মসূচির মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি এবং সুস্থ বার্ধক্য গঠনের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। যোগ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই কার্যক্রম অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে।1