ঝড়-বৃষ্টির মাঝেই ধুলিয়ান-পারলালপুর গঙ্গাঘাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় নৌকা থেকে নামার মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারান। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় অন্তত ১৫ জন গুরুতর জখম হয়েছেন, যার ফলে সমগ্র ধুলিয়ান ও পারলালপুর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ও প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, মালদার পারলালপুর ঘাটে একটি নৌকা এসে পৌঁছানোর পর যাত্রীরা যখন নামতে শুরু করেছিলেন, ঠিক তখনই আকাশ চিরে তীব্র বজ্রপাত হয়। বজ্রাঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আসাদুল্লাহ শেখ, আনসার শেখ, একরামুল শেখ এবং কোচি শেখ ঘটনাস্থলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হুড়োহুড়ি ও বজ্রাঘাতের ধাক্কায় নৌকায় থাকা এবং ঘাটে উপস্থিত আরও বেশ কিছু মানুষ আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে অনুপনগর ব্লক হাসপাতাল এবং জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্বজন হারানোর বেদনায় এবং এই আকস্মিক ঘটনায় হাসপাতাল চত্বর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় কান্নার রোল পড়েছে। খবর পেয়ে সাংসদ, বিধায়ক এবং পুলিশ প্রশাসন হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছেন।
ঝড়-বৃষ্টির মাঝেই ধুলিয়ান-পারলালপুর গঙ্গাঘাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় নৌকা থেকে নামার মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারান। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় অন্তত ১৫ জন গুরুতর জখম হয়েছেন, যার ফলে সমগ্র ধুলিয়ান ও পারলালপুর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ও প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, মালদার পারলালপুর ঘাটে একটি নৌকা এসে পৌঁছানোর পর যাত্রীরা যখন নামতে শুরু করেছিলেন, ঠিক তখনই আকাশ চিরে তীব্র বজ্রপাত হয়। বজ্রাঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আসাদুল্লাহ শেখ, আনসার শেখ, একরামুল শেখ এবং কোচি শেখ ঘটনাস্থলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হুড়োহুড়ি ও বজ্রাঘাতের ধাক্কায় নৌকায় থাকা এবং ঘাটে উপস্থিত আরও বেশ কিছু মানুষ আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে অনুপনগর ব্লক হাসপাতাল এবং জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্বজন হারানোর বেদনায় এবং এই আকস্মিক ঘটনায় হাসপাতাল চত্বর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় কান্নার রোল পড়েছে। খবর পেয়ে সাংসদ, বিধায়ক এবং পুলিশ প্রশাসন হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছেন।
- মালদহের পারলালপুর ঘাটে গঙ্গা নদীর উপর একটি যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে চারজন যাত্রী মারা গেছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ধুলিয়ান থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিল। গন্তব্যে পৌঁছনোর ঠিক আগে, ঘাটে নামার মুহূর্তে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল ঝড়বৃষ্টি ও মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। ঠিক সেই সময়েই একটি বজ্রপাত সরাসরি নৌকার উপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী লুটিয়ে পড়েন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। স্থানীয় লোকজন ও অন্য যাত্রীরা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকরা ওই চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকাটি ঘাটে ভিড়তেই আকাশের অবস্থা হঠাৎ পাল্টে যায়, দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয় এবং তারপরই একের পর এক বজ্রপাত হতে থাকে, যার একটি সরাসরি নৌকায় আঘাত হানলে চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা নতুন না হওয়ায় বর্ষাকালে গঙ্গার ঘাটগুলিতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়বৃষ্টির সময় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। জেলা প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।1
- রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আশাকর্মীদের বেতন ৫ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বাঁকুড়ার আশাকর্মীরা মঙ্গলবার আনন্দ উদযাপন করেছেন। বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের পুয়াবাগান এলাকায় তাঁরা মিষ্টিমুখ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আশাকর্মীদের মতে, এই বেতন বৃদ্ধি তাঁদের কাজের প্রতি যথাযথ সম্মান দিয়েছে। তাঁরা এও আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতেও সরকার তাঁদের পাশে থাকবে এবং তাঁদের সমর্থন জুগিয়ে যাবে।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা-১ ব্লকে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র ভগবানগোলা-১ এরিয়া কমিটি মঙ্গলবার বিডিও মনোতোষ নস্করের কাছে জনস্বার্থমূলক বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিকে সামনে রেখে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। এই স্মারকলিপিতে মোট দশটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলির মধ্যে ছিল এসআইআর-এর পর বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের দ্রুত ভোটার তালিকায় পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা, ট্রাইবুনালে আবেদনকারী ভোটারদের শুনানির ব্যবস্থা ব্লক অফিসে করা, পুনর্বাসন ছাড়া রেলের জমি, গঙ্গা-পদ্মার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও হকারদের উচ্ছেদ না করা, স্মার্ট মিটার স্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য কমানো। এছাড়াও ব্লকের ভাঙাচোরা রাস্তা দ্রুত সংস্কার, অসমাপ্ত রাস্তার কাজ শেষ করা, জলাজমি ও পুকুর ভরাট রোধ, সরকারি কৃষিজমি দখলমুক্ত করা, পাট্টাপ্রাপকদের তালিকা প্রকাশ, ‘আমার পাড়া আমার সমাধান’ প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে নির্বাচিত বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। সিপিআই(এম) নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে উত্থাপিত এই দাবিগুলির দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। অন্যদিকে, ভগবানগোলা-১ ব্লকের বিডিও মনোতোষ নস্কর স্মারকলিপি গ্রহণ করে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।1
- বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।1
- মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে ব্লকের সমস্ত অটোচালকরা বিক্ষোভে সামিল হন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন সকাল থেকেই হরিহরপাড়া ব্লকের বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রেখে চালকরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। অটোচালকদের অভিযোগ, বহরমপুর শহরে সাদা অটো নিষিদ্ধ করার ফলে বহু চালক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। তাঁরা দাবি করেন যে, দীর্ঘকাল ধরে বৈধ নথিপত্র নিয়ে অটো চালাচ্ছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, লোন করে কেনা গাড়ির কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চালকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের মূল দাবি হলো, হরিহরপাড়া থেকে বহরমপুর শহরে যে অটো গাড়িগুলো চলাচল করত, সেগুলোকে বহরমপুর শহরে ঢুকতে দিতে হবে। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হরিহরপাড়ার বিভিন্ন এলাকার অটোচালকরা তাঁদের গাড়ি নিয়ে কিষাণ মান্ডির মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। চালকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।1
- গত তিন মাস ধরে একজন মহিলা বিছানাগত অবস্থায় রয়েছেন এবং এই সময়ের মধ্যে তাঁকে তিনটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, এই রোগটি প্রধানত মহিলাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে, তাই সকল মহিলাকে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।1
- ঝড়-বৃষ্টির মাঝেই ধুলিয়ান-পারলালপুর গঙ্গাঘাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় নৌকা থেকে নামার মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারান। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় অন্তত ১৫ জন গুরুতর জখম হয়েছেন, যার ফলে সমগ্র ধুলিয়ান ও পারলালপুর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ও প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, মালদার পারলালপুর ঘাটে একটি নৌকা এসে পৌঁছানোর পর যাত্রীরা যখন নামতে শুরু করেছিলেন, ঠিক তখনই আকাশ চিরে তীব্র বজ্রপাত হয়। বজ্রাঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আসাদুল্লাহ শেখ, আনসার শেখ, একরামুল শেখ এবং কোচি শেখ ঘটনাস্থলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হুড়োহুড়ি ও বজ্রাঘাতের ধাক্কায় নৌকায় থাকা এবং ঘাটে উপস্থিত আরও বেশ কিছু মানুষ আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে অনুপনগর ব্লক হাসপাতাল এবং জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্বজন হারানোর বেদনায় এবং এই আকস্মিক ঘটনায় হাসপাতাল চত্বর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় কান্নার রোল পড়েছে। খবর পেয়ে সাংসদ, বিধায়ক এবং পুলিশ প্রশাসন হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছেন।1
- মালদহের পারলালপুর ঘাটে গঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে মঙ্গলবার বিকেলে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, যাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুলিয়ান থেকে পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি আসছিল। ঘাটে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল ঝড়বৃষ্টির সাথে মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। ঠিক সেই সময়েই একটি বজ্রপাত সরাসরি নৌকার উপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের কারণে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী লুটিয়ে পড়েন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন ও অন্যান্য যাত্রীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকরা ওই চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন কারণ তাদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আহত অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকাটি ঘাটে ভিড়তেই আবহাওয়া হঠাৎ খারাপ হয়ে যায় এবং বজ্রপাত শুরু হলে যাত্রীরা ছোটাছুটি শুরু করেন, কিন্তু যারা সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা, তাও তদন্ত করে দেখা হবে। জেলা প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। এই এলাকায় বর্ষাকালে বজ্রপাতের ঘটনা নতুন নয়, যা গঙ্গার ঘাটগুলিতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়বৃষ্টির সময় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।1
- দীর্ঘ বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুরের ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ডে গাজোল বিধানসভার শালাই ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর বুথের উস্তোর মৌজায় সর্বসাধারণের জন্য এনআরজিএস পুকুর খননের কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কাজের জন্য ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫০৯ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শালাই ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুভাষিনী মুর্মু, পঞ্চায়েত নিতাই সরকার, বিশিষ্ট সমাজসেবী মনোতোষ মন্ডল, পরিমল রায় এবং বরুন চন্দ্র সরকার সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।1