মালদহের পারলালপুর ঘাটে গঙ্গা নদীর উপর একটি যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে চারজন যাত্রী মারা গেছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ধুলিয়ান থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিল। গন্তব্যে পৌঁছনোর ঠিক আগে, ঘাটে নামার মুহূর্তে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল ঝড়বৃষ্টি ও মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। ঠিক সেই সময়েই একটি বজ্রপাত সরাসরি নৌকার উপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী লুটিয়ে পড়েন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। স্থানীয় লোকজন ও অন্য যাত্রীরা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকরা ওই চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকাটি ঘাটে ভিড়তেই আকাশের অবস্থা হঠাৎ পাল্টে যায়, দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয় এবং তারপরই একের পর এক বজ্রপাত হতে থাকে, যার একটি সরাসরি নৌকায় আঘাত হানলে চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা নতুন না হওয়ায় বর্ষাকালে গঙ্গার ঘাটগুলিতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়বৃষ্টির সময় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। জেলা প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
মালদহের পারলালপুর ঘাটে গঙ্গা নদীর উপর একটি যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে চারজন যাত্রী মারা গেছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ধুলিয়ান থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিল। গন্তব্যে পৌঁছনোর ঠিক আগে, ঘাটে নামার মুহূর্তে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল ঝড়বৃষ্টি ও মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। ঠিক সেই সময়েই একটি বজ্রপাত সরাসরি নৌকার উপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী লুটিয়ে পড়েন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। স্থানীয় লোকজন ও অন্য যাত্রীরা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকরা ওই চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকাটি ঘাটে ভিড়তেই আকাশের অবস্থা হঠাৎ পাল্টে যায়, দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয় এবং তারপরই একের পর এক বজ্রপাত হতে থাকে, যার একটি সরাসরি নৌকায় আঘাত হানলে চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা নতুন না হওয়ায় বর্ষাকালে গঙ্গার ঘাটগুলিতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়বৃষ্টির সময় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। জেলা প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
- রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আশাকর্মীদের বেতন ৫ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বাঁকুড়ার আশাকর্মীরা মঙ্গলবার আনন্দ উদযাপন করেছেন। বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের পুয়াবাগান এলাকায় তাঁরা মিষ্টিমুখ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আশাকর্মীদের মতে, এই বেতন বৃদ্ধি তাঁদের কাজের প্রতি যথাযথ সম্মান দিয়েছে। তাঁরা এও আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতেও সরকার তাঁদের পাশে থাকবে এবং তাঁদের সমর্থন জুগিয়ে যাবে।1
- মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামশেরগঞ্জ থানা বাইরের রাজ্যের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বেআইনিভাবে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে সামিম আক্তার (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত সামশেরগঞ্জ ব্লকের তিন পাকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব দেবীদাসপুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে বাইরের বিভিন্ন রাজ্যের পরিচয়পত্র ও নথিপত্র ব্যবহার করে বেআইনিভাবে আধার কার্ড তৈরি করছিল। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পূর্ব দেবীদাসপুর এলাকায় সামিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ আধার কার্ড তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, একাধিক ভুয়ো পরিচয়পত্র এবং আধার সংক্রান্ত কাজের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে যে, এই চক্রের পিছনে একটি বৃহত্তর জাল নথি তৈরির আন্তর্জাতিক বা আন্তঃরাজ্য চক্র সক্রিয় রয়েছে। উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামগুলি খতিয়ে দেখে এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে।1
- আজ ২৩ জুন, মহান দেশপ্রেমিক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আত্মবলিদান দিবস হেমতাবাদ ২ নম্বর মণ্ডল কার্যালয়ে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা নাগাদ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ড. মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদনের মাধ্যমে সূচনা হয়। কার্যকর্তাদের সামনে তাঁর জীবনাদর্শ, দেশপ্রেম এবং পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টিতে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান তুলে ধরা হয়। এই অনুষ্ঠানের মাঝেই হেমতাবাদবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত একটি দাবি পূরণের খবর ঘোষণা করা হয়। গত ২২ জুন বিজেপির বাজেট সভায় হেমতাবাদে একটি দমকল কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, যা এলাকার মানুষের জন্য একটি বড় সুসংবাদ। এই ঘোষণার পর উৎসুক জনতার মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়, যা আনন্দের আবহ তৈরি করে।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা-১ ব্লকের টিকলিচর গ্রামে সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর সার্ভে ঘিরে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, যেসব পরিবার অতীতে একাধিকবার সরকারি আবাসনের সুবিধা পেয়েছে কিংবা যাদের ইতিমধ্যেই পাকা বাড়ি রয়েছে, তাদের বাড়িতেই পুনরায় সার্ভে করা হচ্ছে। অথচ প্রকৃত কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী বহু দরিদ্র ও প্রাপ্য পরিবারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হনুমন্তনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা সার্ভের কাজে এলেও পুরো প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হচ্ছে। এই অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি তাকিবুল্লা শেখের দিকে, কারণ গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি তাঁর উপস্থিতিতেই ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী বাড়ি নির্বাচন করে সার্ভে করানো হচ্ছে। যদিও তাকিবুল্লা শেখ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অস্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে যাদের পাকা বাড়ি বা ইট-গাঁথা স্থায়ী বাসস্থান আছে, তারা নতুন আবাসন প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। এই প্রেক্ষাপটে টিকলিচরের বর্তমান সার্ভে প্রক্রিয়া নিয়ে বহু বাসিন্দা প্রশ্ন তুলছেন। এই পরিস্থিতিতে গ্রামবাসীরা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে পুনরায় সার্ভে করে প্রকৃত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি মানা না হলে, তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার পাশাপাশি বিডিও অফিস ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।1
- বিধানসভায় একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে 'সুরাবরদির নাম তো থাকবে না', এবং প্রশ্ন তুলেছেন যে 'নাম থাকবে কেন?'1
- বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।1
- মালদহের পারলালপুর ঘাটে গঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে মঙ্গলবার বিকেলে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, যাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুলিয়ান থেকে পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি আসছিল। ঘাটে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল ঝড়বৃষ্টির সাথে মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। ঠিক সেই সময়েই একটি বজ্রপাত সরাসরি নৌকার উপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের কারণে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী লুটিয়ে পড়েন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন ও অন্যান্য যাত্রীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকরা ওই চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন কারণ তাদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আহত অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকাটি ঘাটে ভিড়তেই আবহাওয়া হঠাৎ খারাপ হয়ে যায় এবং বজ্রপাত শুরু হলে যাত্রীরা ছোটাছুটি শুরু করেন, কিন্তু যারা সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা, তাও তদন্ত করে দেখা হবে। জেলা প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। এই এলাকায় বর্ষাকালে বজ্রপাতের ঘটনা নতুন নয়, যা গঙ্গার ঘাটগুলিতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়বৃষ্টির সময় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।1
- দীর্ঘ বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সোমবার হরিশ্চন্দ্রপুরের ঘোড়াগাড়ি স্ট্যান্ডে গাজোল বিধানসভার শালাই ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর বুথের উস্তোর মৌজায় সর্বসাধারণের জন্য এনআরজিএস পুকুর খননের কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কাজের জন্য ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫০৯ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শালাই ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুভাষিনী মুর্মু, পঞ্চায়েত নিতাই সরকার, বিশিষ্ট সমাজসেবী মনোতোষ মন্ডল, পরিমল রায় এবং বরুন চন্দ্র সরকার সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।1
- ঝড়-বৃষ্টির মাঝেই ধুলিয়ান-পারলালপুর গঙ্গাঘাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় নৌকা থেকে নামার মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারান। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় অন্তত ১৫ জন গুরুতর জখম হয়েছেন, যার ফলে সমগ্র ধুলিয়ান ও পারলালপুর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ও প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, মালদার পারলালপুর ঘাটে একটি নৌকা এসে পৌঁছানোর পর যাত্রীরা যখন নামতে শুরু করেছিলেন, ঠিক তখনই আকাশ চিরে তীব্র বজ্রপাত হয়। বজ্রাঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আসাদুল্লাহ শেখ, আনসার শেখ, একরামুল শেখ এবং কোচি শেখ ঘটনাস্থলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হুড়োহুড়ি ও বজ্রাঘাতের ধাক্কায় নৌকায় থাকা এবং ঘাটে উপস্থিত আরও বেশ কিছু মানুষ আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে অনুপনগর ব্লক হাসপাতাল এবং জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্বজন হারানোর বেদনায় এবং এই আকস্মিক ঘটনায় হাসপাতাল চত্বর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় কান্নার রোল পড়েছে। খবর পেয়ে সাংসদ, বিধায়ক এবং পুলিশ প্রশাসন হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছেন।1