মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামশেরগঞ্জ থানা বাইরের রাজ্যের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বেআইনিভাবে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে সামিম আক্তার (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত সামশেরগঞ্জ ব্লকের তিন পাকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব দেবীদাসপুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে বাইরের বিভিন্ন রাজ্যের পরিচয়পত্র ও নথিপত্র ব্যবহার করে বেআইনিভাবে আধার কার্ড তৈরি করছিল। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পূর্ব দেবীদাসপুর এলাকায় সামিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ আধার কার্ড তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, একাধিক ভুয়ো পরিচয়পত্র এবং আধার সংক্রান্ত কাজের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে যে, এই চক্রের পিছনে একটি বৃহত্তর জাল নথি তৈরির আন্তর্জাতিক বা আন্তঃরাজ্য চক্র সক্রিয় রয়েছে। উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামগুলি খতিয়ে দেখে এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে।
মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামশেরগঞ্জ থানা বাইরের রাজ্যের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বেআইনিভাবে আধার কার্ড তৈরির অভিযোগে সামিম আক্তার (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃত সামশেরগঞ্জ ব্লকের তিন পাকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব দেবীদাসপুর এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে বাইরের বিভিন্ন রাজ্যের পরিচয়পত্র ও নথিপত্র ব্যবহার করে বেআইনিভাবে আধার কার্ড তৈরি করছিল। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পর সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পূর্ব দেবীদাসপুর এলাকায় সামিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ আধার কার্ড তৈরির কাজে ব্যবহৃত একটি ল্যাপটপ, একাধিক ভুয়ো পরিচয়পত্র এবং আধার সংক্রান্ত কাজের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে। প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে যে, এই চক্রের পিছনে একটি বৃহত্তর জাল নথি তৈরির আন্তর্জাতিক বা আন্তঃরাজ্য চক্র সক্রিয় রয়েছে। উদ্ধার হওয়া সরঞ্জামগুলি খতিয়ে দেখে এই চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে।
- মালদহের পারলালপুর ঘাটে গঙ্গা নদীর উপর একটি যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে চারজন যাত্রী মারা গেছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ধুলিয়ান থেকে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিল। গন্তব্যে পৌঁছনোর ঠিক আগে, ঘাটে নামার মুহূর্তে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল ঝড়বৃষ্টি ও মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। ঠিক সেই সময়েই একটি বজ্রপাত সরাসরি নৌকার উপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের আঘাতে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী লুটিয়ে পড়েন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। স্থানীয় লোকজন ও অন্য যাত্রীরা তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকরা ওই চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকাটি ঘাটে ভিড়তেই আকাশের অবস্থা হঠাৎ পাল্টে যায়, দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয় এবং তারপরই একের পর এক বজ্রপাত হতে থাকে, যার একটি সরাসরি নৌকায় আঘাত হানলে চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা নতুন না হওয়ায় বর্ষাকালে গঙ্গার ঘাটগুলিতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়বৃষ্টির সময় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হবে। জেলা প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।1
- রাজ্য সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে আশাকর্মীদের বেতন ৫ হাজার টাকা বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বাঁকুড়ার আশাকর্মীরা মঙ্গলবার আনন্দ উদযাপন করেছেন। বাঁকুড়া ১ নম্বর ব্লকের পুয়াবাগান এলাকায় তাঁরা মিষ্টিমুখ করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আশাকর্মীদের মতে, এই বেতন বৃদ্ধি তাঁদের কাজের প্রতি যথাযথ সম্মান দিয়েছে। তাঁরা এও আশা প্রকাশ করেছেন যে, ভবিষ্যতেও সরকার তাঁদের পাশে থাকবে এবং তাঁদের সমর্থন জুগিয়ে যাবে।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা-১ ব্লকে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র ভগবানগোলা-১ এরিয়া কমিটি মঙ্গলবার বিডিও মনোতোষ নস্করের কাছে জনস্বার্থমূলক বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিকে সামনে রেখে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। এই স্মারকলিপিতে মোট দশটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলির মধ্যে ছিল এসআইআর-এর পর বাদ পড়া বৈধ ভোটারদের দ্রুত ভোটার তালিকায় পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা, ট্রাইবুনালে আবেদনকারী ভোটারদের শুনানির ব্যবস্থা ব্লক অফিসে করা, পুনর্বাসন ছাড়া রেলের জমি, গঙ্গা-পদ্মার ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও হকারদের উচ্ছেদ না করা, স্মার্ট মিটার স্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং বিদ্যুতের ইউনিট মূল্য কমানো। এছাড়াও ব্লকের ভাঙাচোরা রাস্তা দ্রুত সংস্কার, অসমাপ্ত রাস্তার কাজ শেষ করা, জলাজমি ও পুকুর ভরাট রোধ, সরকারি কৃষিজমি দখলমুক্ত করা, পাট্টাপ্রাপকদের তালিকা প্রকাশ, ‘আমার পাড়া আমার সমাধান’ প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত এবং পঞ্চায়েত সমিতিতে নির্বাচিত বিরোধী জনপ্রতিনিধিদের যথাযথ মর্যাদা দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। সিপিআই(এম) নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সাধারণ মানুষের স্বার্থে উত্থাপিত এই দাবিগুলির দ্রুত সমাধান প্রয়োজন। অন্যদিকে, ভগবানগোলা-১ ব্লকের বিডিও মনোতোষ নস্কর স্মারকলিপি গ্রহণ করে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।1
- দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসনে সম্প্রতি একটি বড়সড় রদবদল করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা ও পুলিশ ইউনিটে কর্মরত একাধিক সাব-ইন্সপেক্টরকে (SI) নতুন দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রানুযায়ী, এই বদলি সম্পূর্ণরূপে প্রশাসনিক স্বার্থে করা হয়েছে। বদলির তালিকা অনুযায়ী, কুশমন্ডি থানা থেকে SI প্রীতম সিংকে পতিরাম থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কুমারগঞ্জ থানার ওসি অনন্ত মণ্ডলকে বদলি করে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, SI কাজী দুলাল মাসুদকে ফেটাই সেল থেকে অন্যত্র এবং SI তাপস কুমার ঘোষকে অন্য ইউনিটে বদলি করা হয়েছে। এমটিও থেকে SI রঞ্জিত দাসকে হিলি আইসিবিতে এবং হিলি আইসিবি থেকে SI জয়ন্ত মণ্ডলকে এটিওতে পাঠানো হয়েছে। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। SI ধ্রুব বর্মনকে লাইন থেকে ডিআইবিতে বদলি করা হয়েছে। হিলি থানা থেকে SI সুদীপ দাস ও ওসি পিসিবিসি থেকে SI রিনা রবি দাসকে কুমারগঞ্জ থানায় পাঠানো হয়েছে। গঙ্গারামপুর থানা থেকে SI রোহিত ভগতকে মনিটরিং সেলে, ডিএপি থেকে SI দেবাশিস রায়কে এবং বালুরঘাট ট্রাফিকের SI অমল কুমার সিংহকে গঙ্গারামপুর ট্রাফিকে বদলি করা হয়েছে। বংশীহারী থানা থেকে SI বাসুদেব ঘোষকে ডিআইবিতে এবং হিলি থানা থেকে SI শরৎ দাসকে কুশমন্ডি থানায় পাঠানো হয়েছে। বালুরঘাট থানা থেকে SI জাহাঙ্গির আলমকে হরিরামপুর থানায় ও SI মঙ্গল হেমব্রমকে বংশীহারী থানায় বদলি করা হয়েছে। ডিআইবি থেকে SI প্রদীপ্ত দাসকে বালুরঘাট থানায় এবং তপন থানা থেকে SI ওবায়দুল হককে গঙ্গারামপুর থানায় বদলি করা হয়েছে। লাইন থেকে SI চন্দন কুমার সিদ্ধান্তকে ডিইবিতে এবং SI শারদীয় কুণ্ডুকে তপন থানায় পাঠানো হয়েছে। হরিরামপুর থানা থেকে SI সিদ্ধার্থ সরকারকে বালুরঘাট থানায় এবং লাইন থেকে SI অসীম রায়কে কুমারগঞ্জ থানায় বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যুৎ বর্মনকে টেলিকম বিভাগে পাঠানো হয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও রুটিন বদলি প্রক্রিয়ার অংশ।1
- বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।1
- ঝড়-বৃষ্টির মাঝেই ধুলিয়ান-পারলালপুর গঙ্গাঘাটে এক মর্মান্তিক ঘটনায় নৌকা থেকে নামার মুহূর্তে আকস্মিক বজ্রপাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারান। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় অন্তত ১৫ জন গুরুতর জখম হয়েছেন, যার ফলে সমগ্র ধুলিয়ান ও পারলালপুর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় ও প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, মালদার পারলালপুর ঘাটে একটি নৌকা এসে পৌঁছানোর পর যাত্রীরা যখন নামতে শুরু করেছিলেন, ঠিক তখনই আকাশ চিরে তীব্র বজ্রপাত হয়। বজ্রাঘাতের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, আসাদুল্লাহ শেখ, আনসার শেখ, একরামুল শেখ এবং কোচি শেখ ঘটনাস্থলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। হুড়োহুড়ি ও বজ্রাঘাতের ধাক্কায় নৌকায় থাকা এবং ঘাটে উপস্থিত আরও বেশ কিছু মানুষ আহত হন। ঘটনার পরপরই স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের তৎপরতায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে অনুপনগর ব্লক হাসপাতাল এবং জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। স্বজন হারানোর বেদনায় এবং এই আকস্মিক ঘটনায় হাসপাতাল চত্বর ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় কান্নার রোল পড়েছে। খবর পেয়ে সাংসদ, বিধায়ক এবং পুলিশ প্রশাসন হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছেন।1
- মালদহের পারলালপুর ঘাটে গঙ্গা নদীতে যাত্রীবাহী নৌকায় বজ্রপাতে মঙ্গলবার বিকেলে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, যাতে চারজন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন এবং আরও অনেকে আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুলিয়ান থেকে পারলালপুর ঘাটের উদ্দেশে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি আসছিল। ঘাটে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পরেই আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায় এবং প্রবল ঝড়বৃষ্টির সাথে মুহুর্মুহু বজ্রপাত শুরু হয়। ঠিক সেই সময়েই একটি বজ্রপাত সরাসরি নৌকার উপর আঘাত হানে। বজ্রপাতের কারণে ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রী লুটিয়ে পড়েন, যাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী ছিলেন। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন ও অন্যান্য যাত্রীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু চিকিৎসকরা ওই চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন কারণ তাদের অবস্থা ছিল অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। আহত অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নৌকাটি ঘাটে ভিড়তেই আবহাওয়া হঠাৎ খারাপ হয়ে যায় এবং বজ্রপাত শুরু হলে যাত্রীরা ছোটাছুটি শুরু করেন, কিন্তু যারা সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কতা থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা, তাও তদন্ত করে দেখা হবে। জেলা প্রশাসন মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। এই এলাকায় বর্ষাকালে বজ্রপাতের ঘটনা নতুন নয়, যা গঙ্গার ঘাটগুলিতে যাতায়াতকারী যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়বৃষ্টির সময় নৌকা চলাচল বন্ধ রাখার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।1
- কলকাতার তারাতলায় একটি গোডাউন ভেঙে পড়েছে। এই ঘটনায় এখনও বহু মানুষ গোডাউনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন।1