Shuru
Apke Nagar Ki App…
নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংস দেবের ১৪৭ তম জন্মতিথিতে নিগমনগর এলাকায় শোভাযাত্রা নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংস দেবের ১৪৭ তম জন্মতিথিতে নিগমনগর এলাকায় শোভাযাত্রা
Uttorer Hawa উত্তরের হাওয়া
নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংস দেবের ১৪৭ তম জন্মতিথিতে নিগমনগর এলাকায় শোভাযাত্রা নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংস দেবের ১৪৭ তম জন্মতিথিতে নিগমনগর এলাকায় শোভাযাত্রা
More news from Coochbehar and nearby areas
- মাথাভাঙা মহকুমা আদালত চত্বরে নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা ,মাথাভাঙা মহকুমা আদালত চত্বরে নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। ধৃতের নাম আবেদ আলি।বাড়ি বড়ো গদাইখোড়া এলাকায়। তাঁর কাছ থেকে একাধিক সন্দেহজনক পরিচয়পত্র এবং ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি। বার অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই আবেদ নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে আদালত চত্বরে ঘোরাফেরা করছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার পর শুক্রবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কয়েক জন আইনজীবী। তাঁর পরিচয় নিয়ে অসঙ্গতি ধরা পড়তেই দৌড়ে পালিয়ে মাথাভাঙ্গা থানার ভেতরে প্রবেশ করে সেখান থেকে ধরে বার লাইব্রেরীতে তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এরপর তাঁকে মাথাভাঙা থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া ভিজিটিং কার্ডে তাঁকে ‘B.Sc, LL.B’ এবং কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও তাঁর কাছ থেকে একাধিক পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে। যদিও আবেদের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস ধরে তিনি আদালত চত্বরে ‘ল ক্লাস’ সংক্রান্ত কাজ করছিলেন। তাঁর বক্তব্য, ভুলবশত ভিজিটিং কার্ডে ‘B.Sc, LL.B’ এবং কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী লেখা হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে তাঁর বক্তব্য, তিনি অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।1
- রাখির বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, দিনহাটায় ABRSM-এর বিশেষ কর্মসূচি রাখির বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, দিনহাটায় ABRSM-এর বিশেষ কর্মসূচি1
- আবাস যোজনায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ, পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিতাই বিধানসভার অন্তর্গত বড়শোলমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১০ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য আবদুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে দিনহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন আবাস যোজনার উপভোক্তারা। অভিযোগকারীদের দাবি, খারিজা বাত্রিগাছ গ্রামের মোট ৪৫ জন আবাস যোজনার উপভোক্তার কাছ থেকে ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ওই টাকা কাটমানি হিসেবে নেওয়া হয়। উপভোক্তাদের দাবি, রাজ্যে পালাবদলের পর একাধিকবার পঞ্চায়েত সদস্য আবদুল কুদ্দুসের বাড়িতে গিয়ে তাঁরা তাঁদের টাকা ফেরত চান। কিন্তু অভিযোগ, তিনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। এরপরই বাধ্য হয়ে বৃহস্পতিবার দিনহাটা থানায় গিয়ে পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। যদিও অভিযোগের বিষয়ে পঞ্চায়েত সদস্য আবদুল কুদ্দুসের বক্তব্য এখনও জানা যায়নি।1
- *দুই গোষ্ঠীর কোন্দল চওড়াহাট বাজারে কাপড় ব্যবসায়ীদের! নিয়ম না মেনে দোকান বড় করার অভিযোগ। *দুই গোষ্ঠীর কোন্দল চওড়াহাট বাজারে কাপড় ব্যবসায়ীদের! নিয়ম না মেনে দোকান বড় করার অভিযোগ।1
- Post by Mansai News1
- জেলা সভাপতি নির্বাচন ঘিরে কোচবিহার কংগ্রেসে প্রকাশ্য গোষ্ঠী কোন্দল! মারধর, হামলার অভিযোগে উত্তপ্ত জেলা পার্টি অফিস কোচবিহার: জেলা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার প্রকাশ্যেই সামনে এল কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের অন্দরের তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা কংগ্রেস নেতা মীর মোশারফ হোসেনকে মারধর করে জেলা পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বর্তমান জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার কিছুক্ষণের জন্য তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কোচবিহার জেলা কংগ্রেস পার্টি অফিস চত্বরে। অভিযোগ, জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই পার্টি অফিসে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।০ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা মীর মোশারফ হোসেনের অভিযোগ, বর্তমান জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকারের অনুগামীরা তাঁকে মারধর করেন এবং পার্টি অফিস থেকে কার্যত বের করে দেন। এখানেই থেমে থাকেননি মীর মোশারফ হোসেন। তাঁর আরও বিস্ফোরক অভিযোগ, বিশ্বজিৎ সরকার বিজেপির লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছেন। তাঁর দাবি, পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দেওয়া হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলা কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার। পাল্টা তাঁর দাবি, বিরোধী গোষ্ঠীর লোকেরাই বিজেপি এবং তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসে জেলা সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচাল করার চেষ্টা করছে। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনকে ঘিরে অশান্তি তৈরি করে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। ফলে একই ঘটনার দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যায় আরও ঘনীভূত হয়েছে কোচবিহার জেলা কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল। একদিকে মারধর ও বহিরাগতদের নিয়ে হামলার অভিযোগ, অন্যদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের পাল্টা অভিযোগ—সব মিলিয়ে জেলা কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের লড়াইকে কেন্দ্র করে যখন পার্টি অফিসেই নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি ও বহিরাগতদের আনার অভিযোগ উঠছে, তখন প্রশ্ন উঠছে—কোচবিহার জেলা কংগ্রেস কি আদৌ নিজেদের ঘর সামলাতে পারছে? ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে জেলা সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রকাশ্য সংঘাত যে কোচবিহার কংগ্রেসের সাংগঠনিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে, তা বলাই বাহুল্য।1
- ন্যায্য মূল্যে বিক্রেতারা ভুসিমাল দ্রব্য বিক্রয় করছে কিনা এবং ক্রেতারা সঠিক মূল্যে মালপত্র পাচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে আজ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুরের গোবিন্দনগর (কালিবাজার) মার্কেটে সরজমিনে খতিয়ে দেখলেন মহকুমা প্রশাসন। সমস্ত ভুসিমাল সহ অন্যান্য দোকানে খতিয়ে দেখতে বিশেষ টিম উপস্থিত ছিলেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে পর্যবেক্ষণ।1
- নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংস দেবের ১৪৭ তম জন্মতিথিতে নিগমনগর এলাকায় শোভাযাত্রা নিগমানন্দ সরস্বতী পরমহংস দেবের ১৪৭ তম জন্মতিথিতে নিগমনগর এলাকায় শোভাযাত্রা1