Shuru
Apke Nagar Ki App…
বেথুয়াডহরী বন দফতরের কর্মীরা সম্প্রতি পলাশী এলাকা থেকে একটি বিষধর গোখরো সাপ উদ্ধার করেছেন।
Nabendu Bhattacharya
বেথুয়াডহরী বন দফতরের কর্মীরা সম্প্রতি পলাশী এলাকা থেকে একটি বিষধর গোখরো সাপ উদ্ধার করেছেন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- বেথুয়াডহরী বন দফতরের কর্মীরা সম্প্রতি পলাশী এলাকা থেকে একটি বিষধর গোখরো সাপ উদ্ধার করেছেন।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগরের ম্যাক (MAC) সংগঠনের সদস্যরা হিমাচল প্রদেশের ৬০৬৯ মিটার উচ্চতার মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় করে এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছেন। গত ২৩শে জুন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে দলনেতা, ৬৫ বছর বয়সী এভারেস্ট জয়ী বসন্ত সিংহ রায়ের নেতৃত্বে বিশ্বনাথ সাহা, পার্থসারথি লাইক এবং প্রশান্ত সিংহ এই কঠিন শৃঙ্গে আরোহণ করেন। এই অভিযানের যাত্রা শুরু হয়েছিল গত ৬ই জুন, কৃষ্ণনগর থেকে। হাওড়া ও চন্ডিগড় হয়ে দলটি মানালি পৌঁছায়, সেখান থেকে হুন্ডার পর্যন্ত গাড়িতে এবং এরপর দুইদিন পায়ে হেঁটে বিয়াস কুন্ডু (বিপাশা নদীর উৎস) পৌঁছায়। হিমাচল প্রদেশের মানালি ও সোলাং ভ্যালি পেরিয়ে এই অভিযান শুরু হয়। জানা গেছে, মুকার বে শৃঙ্গটি ৬৫ বছর আগে আরোহণ করা হয়েছিল, যার পর আর সে অর্থে কোনো অভিযান হয়নি। কারণ এই শৃঙ্গে পৌঁছতে হলে প্রথমে শৃতিধর, দ্বিতীয়ত লাদাকি এবং তৃতীয়ত মানালি – এই তিনটি পর্বতশৃঙ্গ আরোহণ করতে হয়। ম্যাকের সদস্যরা সাফল্যের সাথে এই কঠিন, কষ্টকর ও ট্যাকনিক্যাল শৃঙ্গগুলি জয় করেছেন। অভিযানের সদস্য এবং নদীয়ার বামুনপুকুর হাই স্কুলের ভূগোল শিক্ষক, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা প্রশান্ত সিংহ জানান যে, মুকার বে শৃঙ্গের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড হিমবাহের ফাটল (ক্রেভাস) এবং বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে বরফ গলে পাথরের কর্নিস বেরিয়ে আসায় গত ৬০ বছরে শৃঙ্গটি এক ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। মানালি শৃঙ্গ অভিযান করতে তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে, প্রায় ২০০০ মিটার দড়ি ব্যবহার করে খাড়া কর্নিস ধরে বরফের ঢাল বেয়ে এবং আলগা পাথুরে অংশের মধ্যে দিয়ে রক ক্লাইমিং করে আরোহণ করতে হয়েছে। ভারী জুতোর তলায় লাগানো কাঁটার সাহায্যে আরোহণ করা কষ্টকর ছিল এবং আবহাওয়াও প্রতিকূল ছিল, যার ফলে সামিট ক্যাম্পে একটানা প্রায় ২৭ ঘণ্টা তাঁবুতে আটকে থাকতে হয়েছিল। তিনি জানান যে, তিনটি শৃঙ্গে বিদ্যালয়ের পতাকা তুলে ধরলেও চতুর্থ শৃঙ্গে (মুকার বে) পতাকা তোলা একরকম অধরা থেকে যায়। এই পর্বত শৃঙ্গ জয় করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। ৬০৬৯ মিটারের মুকার বে পর্বত শৃঙ্গ জয় নদীয়ার নবদ্বীপের এই শিক্ষকের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রশান্ত সিংহ এর আগেও মাউন্ট কালানাগ, মাউন্ট চ্যাঙাব্যাঙ, কারাকোরামের সাসের কাঙরি- ৪, নেপালের মাউন্ট মানাসলু, হিমাচলের মাউন্ট রামজাক, অরুণাচল প্রদেশের গোরিচেন শৃঙ্গ, হিমাচলের কোয়ারং ২ সহ একাধিক শৃঙ্গ অভিযান করেছেন, যা তাদের এই কঠিন অভিযানে সফল হতে সহায়ক হয়েছে।1
- অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রনামীর অর্থ লুট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যেখানে অনুদানের অর্থের কোনো সঠিক হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। এই বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হচ্ছে। অনুদানের অর্থ গায়েব হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা চর এলাকার সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। জানা গিয়েছে, গভীর রাতে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন তাঁরা। বিএসএফ জওয়ানরা তাঁদের আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, কাজের উদ্দেশ্যেই তাঁরা ভারতে এসেছিলেন এবং তাঁদের কাছে ভারতে প্রবেশের জন্য কোনও বৈধ নথি ছিল না। বর্তমানে ধৃতদের লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, পরবর্তীতে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।1
- আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানা সমাজ থেকে মাদকের অভিশাপ দূর করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখাতে এক অনন্য সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে। 'জীবনকে বলুন হ্যাঁ, মাদককে বলুন না' এবং 'নেশা মুক্ত ভারত অভিযান, বিকশিত ভারত কি পেহেচান' এই মূল মন্ত্র সামনে রেখে একটি বিশেষ জনসচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে ভরতপুর থানা চত্বর থেকে এই র্যালিটি শুরু হয়। ভরতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডলের নেতৃত্বে এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে থানার সমস্ত পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা অংশ নেন। ব্যানার হাতে পুলিশের সুশৃঙ্খল এই মিছিল ভরতপুরের বিভিন্ন প্রধান প্রধান রাস্তা ও এলাকা পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতার আলো ছড়িয়ে দেয় এবং পুনরায় থানা চত্বরে এসে শেষ হয়। এই প্রশংসনীয় ও মহৎ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল এলাকার যুবসমাজকে মাদকের মরণফাঁদ থেকে দূরে সরিয়ে একটি সুস্থ, সুন্দর ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।1
- গুপ্তিপাড়ার টেংরি পাড়া মোড় এলাকায় প্রতি বছরের মতো এই বছরও বহু প্রতীক্ষিত গ্রহরাজ পুজো উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসব জুন মাসের শেষ শনিবার উদযাপিত হয়।2
- বহরমপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দাবাদের সুড়সুড়ি মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বহরমপুর শহর তৃণমূলের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগান বাড়িতে শনিবার সকালে বুলডোজার অভিযান চালানো হয়। আদালতের নির্দেশে এই বাগান বাড়িটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অভিযোগ অনুযায়ী বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্র ছিল। জানা গেছে, এই পাঁচিল ঘেরা সুসজ্জিত বাগান বাড়িটি কোনো বিত্তশালী ব্যবসায়ী বা তারকার ছিল না, বরং পাপাই ঘোষই এটি তৈরি করিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, এই বাগান বাড়ি থেকে পাপাই ঘোষ এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতেন, এবং এখানে নানা অসামাজিক কার্যকলাপও চলত। পালাবদলের পর থেকেই পাপাই ঘোষ বেপাত্তা। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই বাগান বাড়িটি জবরদখল করা হয়েছে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হন। স্থানীয়দের সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই আদালত বুলডোজার অভিযানের নির্দেশ দেয়, যার ফলস্বরূপ শনিবার সকালে এই বাগান বাড়িটি সম্পূর্ণভাবে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।1
- শনিবার সকালে বহরমপুর শহরের সৈদাবাদ বাঙালপাড়া এলাকায় প্রশাসনের বুলডোজার অভিযানের জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, বহরমপুর টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি পাপাই ঘোষের একটি বাগানবাড়ি সরকারি পার্কের জমির উপর অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রশাসন উদ্যোগ নিয়ে ওই বাগানবাড়িটি ভেঙে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে সরকারি জমি দখল করে সেখানে বাগানবাড়ি তৈরি করা হয়েছিল। শনিবার সকালে প্রশাসনের উপস্থিতিতে বুলডোজার ব্যবহার করে পুরো কাঠামোটি ভেঙে ফেলা হয়। এদিকে, পাপাই ঘোষের মা দাবি করেছেন যে, প্রায় ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে এই জমিটি কেনা হয়েছিল। তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, একসময় যাঁরা তাঁদের পাশে ছিলেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে তাঁরাই তাঁদের বিরোধিতা করছেন। তাঁর কথায়, ওই বাগানবাড়িতে মনীন্দ্রনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এবং তাঁর পুত্রবধূ সুষমা ঘোষের জন্মদিন উপলক্ষে লাগানো ছবি ও অন্যান্য সাজসজ্জাও ছিল। অন্যদিকে, এলাকার অন্য বাসিন্দাদের একটি অংশ প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ ছিল, ওই বাগানবাড়িকে কেন্দ্র করে প্রায়শই বাইরের লোকজনের আনাগোনা লেগে থাকত। কেউ কেউ আরও দাবি করেছেন যে, সন্ধ্যার পর এলাকার মহিলাদের চলাচলে অসুবিধা হতো। এছাড়াও, নিয়মিত উচ্চ শব্দে ডিজে বাজানোর কারণে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল যুব নেতা পাপাই ঘোষের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।1