মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে কুলুবাড়িতে জনজাতি যুবক আক্রান্তের অভিযোগ, দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে হুমকিরও অভিযোগ নিজস্ব প্রতিনিধি, কুলুবাড়ি: কুলুবাড়ি এলাকার সেকর নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে জনজাতি যুবক বিশু দেববর্মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ফোন সংক্রান্ত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা বলে অভিযোগ আহত বিশু দেববর্মার। অভিযোগ, মোবাইল ফোনের সমস্যা নিয়ে একসময় এলাকার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এরপরও সেকর নামে ওই যুবক বিভিন্ন অজুহাতে বিশু দেববর্মার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। বিশু দেববর্মার দাবি, গতকাল রাতে তাকে একা পেয়ে অভিযুক্ত যুবক তার উপর হামলা চালায়। দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় তিনি আহত হন বলেও অভিযোগ করেছেন বিশু। শুধু মারধর নয়, অভিযুক্ত যুবক তাকে বারবার পুলিশের ভয় দেখানোর পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ আহত যুবকের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশু দেববর্মা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সেকরের বক্তব্য এখনও জানা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।
মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে কুলুবাড়িতে জনজাতি যুবক আক্রান্তের অভিযোগ, দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে হুমকিরও অভিযোগ নিজস্ব প্রতিনিধি, কুলুবাড়ি: কুলুবাড়ি এলাকার সেকর নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে জনজাতি যুবক বিশু দেববর্মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ফোন সংক্রান্ত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা বলে অভিযোগ আহত বিশু দেববর্মার। অভিযোগ, মোবাইল ফোনের সমস্যা নিয়ে একসময় এলাকার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এরপরও সেকর নামে ওই যুবক বিভিন্ন অজুহাতে বিশু দেববর্মার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। বিশু দেববর্মার দাবি, গতকাল রাতে তাকে
একা পেয়ে অভিযুক্ত যুবক তার উপর হামলা চালায়। দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় তিনি আহত হন বলেও অভিযোগ করেছেন বিশু। শুধু মারধর নয়, অভিযুক্ত যুবক তাকে বারবার পুলিশের ভয় দেখানোর পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ আহত যুবকের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশু দেববর্মা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সেকরের বক্তব্য এখনও জানা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।
- সংবাদ প্রতিবেদন সংবাদ প্রকাশের দুই দিনের মধ্যেই উদ্যোগ, কৃষকদের জন্য রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণের আশ্বাস সোনামুড়া: দুই দিন আগে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর পরিদর্শন প্রতিমা ভূমিকের। সোনামুড়া রাঙ্গামাটিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা যায়, দীর্ঘ বহু বছর ধরে এলাকার প্রায় শতাধিক কৃষক ছোট নালার ওপর কাঠ ও বাঁশ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী পোল ব্যবহার করে যাতায়াত করে আসছিলেন। বর্ষাকালে এই যাতায়াত আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। কৃষকদের এই সমস্যার কথা সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তুলে ধরে সরকারের কাছে স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের আবেদন জানানো হয়েছিল। এরপর আজ এলাকায় পৌঁছে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমা ভূমিকা। কৃষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা বিবেচনা করে তিনি প্রায় ১০০ মিটার রাস্তা ও একটি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। এতে স্বাভাবিকভাবেই খুশি এলাকার কৃষকরা। কৃষকদের দাবি, স্থায়ী রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণ হলে কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন যাতায়াতের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। এখন দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষ।2
- ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ! ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!1
- ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।3
- মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। নিজস্ব প্রতিনিধি, ত্রিপুরা:উন্নয়নের ঢাকঢোল পেটানো ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের আমলে শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ, গত প্রায় ছয় মাস ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শিশু ও মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের অর্থ না পাওয়ায় কার্যত সংকটে পড়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।3
- 🔥 “Who are You?” — “আমি ভারতীয়!” 🇮🇳 “বিধানসভার অধিবেশনে CPIM বিধায়কদের থাকার কোনও অধিকার নেই”—কৃষিমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ঘিরেই উত্তপ্ত বিধানসভা। পাল্টা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর নিশানায় রতন লাল নাথ—“Who are You?” জবাবে রতন লাল নাথ—“আমি ভারতীয়।” 🇮🇳 এরপরই তীব্র বাদানুবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।1
- দিনদুপুরে খোয়াই বনকরে দুঃসাহসিক চুরি! সিসিটিভিতে ধরা পড়ল স্কুল পোশাক পরিহিত দুই কিশোরের কীর্তি! 🚨👇 ব্রেকিং নিউজ: খোয়াই বনকরে প্রকাশ্য দিবালোকে দোকানে বড়সড় চুরি। 🚨 নজর সিসিটিভিতে: চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজনের তালিকায় সরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের পোশাক পরিহিত দুই পড়ুয়া। 🎒 ব্যবসায়ী মহলে আতঙ্ক: খোয়াই বনকরের সুমিত চক্রবর্তীর দোকানে নগদ ৭ হাজার টাকা সাফ। 💸 আইনি পদক্ষেপ: সিসিটিভি ফুটেজ প্রমাণ হিসেবে নিয়ে থানায় রিপোর্ট করছেন দোকান মালিক। 📜 সিসিটিভিতে প্রমাণ: স্টেট ব্যাঙ্কের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল চুরির চাঞ্চল্যকর ফুটেজ। 🔍 আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্ন: খোয়াই স্টেট ব্যাঙ্ক শাখার ঠিক উল্টো দিকের দোকানেই দিনদুপুরে চুরি। 🛑1
- ⭕ আগরতলায় চুরি যাওয়া স্বর্ণের চেইন ও দামি সাইকেল উদ্ধার, গ্রেফতার দুই চোর ✍️ রাজধানী আগরতলায় পৃথক দুটি চুরির ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশ। একদিকে সংবাদপত্র সম্পাদক সুবল কুমার দে’র বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া পাঁচ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন উদ্ধার হয়েছে, অন্যদিকে বনমালীপুর এলাকা থেকে চুরি যাওয়া দুটি দামি বাইসাইকেল উদ্ধার করে এক সাইকেল চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরপর দুটি ঘটনায় পুলিশের তৎপরতায় চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধারে স্বস্তি ফিরেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।1
- মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে কুলুবাড়িতে জনজাতি যুবক আক্রান্তের অভিযোগ, দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে হুমকিরও অভিযোগ নিজস্ব প্রতিনিধি, কুলুবাড়ি: কুলুবাড়ি এলাকার সেকর নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে জনজাতি যুবক বিশু দেববর্মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল ফোন সংক্রান্ত একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা বলে অভিযোগ আহত বিশু দেববর্মার। অভিযোগ, মোবাইল ফোনের সমস্যা নিয়ে একসময় এলাকার কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এরপরও সেকর নামে ওই যুবক বিভিন্ন অজুহাতে বিশু দেববর্মার সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। বিশু দেববর্মার দাবি, গতকাল রাতে তাকে একা পেয়ে অভিযুক্ত যুবক তার উপর হামলা চালায়। দুজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় তিনি আহত হন বলেও অভিযোগ করেছেন বিশু। শুধু মারধর নয়, অভিযুক্ত যুবক তাকে বারবার পুলিশের ভয় দেখানোর পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ আহত যুবকের। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশু দেববর্মা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সেকরের বক্তব্য এখনও জানা যায়নি। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের তদন্তের দিকেই তাকিয়ে এলাকাবাসী।2