Shuru
Apke Nagar Ki App…
কৃষ্ণনগর স্টেশন সংলগ্ন ক্ষৌনীশ পার্কের মাঠে শুরু হয়েছে অষ্টাদশ দিবস ব্যাপী ভগবান শ্রী শ্রী বালক ব্রহ্মচারীর নাম যজ্ঞ ও সংকীর্তন অনুষ্ঠান। ১৮ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অসংখ্য ভক্তের সমাবেশে জমজমাট হয়ে উঠেছে অনুষ্ঠান মঞ্চ।
Jayanta Biswas
কৃষ্ণনগর স্টেশন সংলগ্ন ক্ষৌনীশ পার্কের মাঠে শুরু হয়েছে অষ্টাদশ দিবস ব্যাপী ভগবান শ্রী শ্রী বালক ব্রহ্মচারীর নাম যজ্ঞ ও সংকীর্তন অনুষ্ঠান। ১৮ দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে অসংখ্য ভক্তের সমাবেশে জমজমাট হয়ে উঠেছে অনুষ্ঠান মঞ্চ।
More news from Nadia and nearby areas
- অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রনামীর অর্থ লুট হওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যেখানে অনুদানের অর্থের কোনো সঠিক হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। এই বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হচ্ছে। অনুদানের অর্থ গায়েব হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন।1
- নদিয়ার নবদ্বীপ ব্লকের ফরেস্টডাঙা এলাকায় কৃষিজমি সংলগ্ন এলাকা থেকে দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি জেসিবি মেশিন এবং তিনটি ট্রাক্টর উদ্ধার করে। অভিযানের খবর পেয়ে শ্রমিক ও চালকেরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতি থানায় নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরেস্টডাঙা এলাকায় চাষের জমির পাশ থেকে বালি ও মাটি কেটে ট্রাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কৃষক রমেশ মাহাতো অভিযোগ করেছেন যে, প্রায় এক মাস ধরে প্রতিদিন সকাল ছয়-সাতটা থেকে বিকেল পর্যন্ত আট থেকে দশটি ট্রাক্টর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে গ্রামের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কৃষিজমির পাড় ভেঙে যাচ্ছে এবং জমিতে জল জমে ফসলেরও ক্ষতি হচ্ছে। আরেক কৃষক শিবশঙ্কর দেবনাথও একই অভিযোগ তুলেছেন, যা কৃষিকাজের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে এবং ভারী ট্রাক্টর চলাচলের কারণে গ্রামের রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে, মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দেওয়া প্রদীপ ঘোষ ও প্রতাপ ঘোষ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, ভূমি ও ভূমি সংস্কার (BLRO) দপ্তরের অনুমতি এবং সরকারি রয়্যালটি প্রদান করেই মাটি কাটা হচ্ছে। তাঁরা জানিয়েছেন যে, ২৩ জুন সরকারি রয়্যালটি জমা দেওয়ার পর ২৫ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চার দিনের জন্য BLRO দপ্তর থেকে তাঁদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, অতীতে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ একাংশ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং তখন তাঁদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। বর্তমানে সমস্ত সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করা হলেও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে তাঁদের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের একাংশ এই ব্যবসায়ীদের দাবির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের প্রশ্ন, যদি সরকারি অনুমতি নিয়েই কাজ হয়, তাহলে প্রায় এক মাস ধরে মাটি কাটার অভিযোগ কেন উঠছে? পুলিশ পৌঁছতেই শ্রমিক ও চালকেরা কেন পালিয়ে গেলেন? এবং উদ্ধার হওয়া জেসিবি ও ট্রাক্টর কেন পাশের পাটক্ষেতে রাখা হয়েছিল? এসব প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর ব্যবসায়ীরা দিতে পারেননি। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির অনুমতিপত্র, রয়্যালটির নথি এবং অন্যান্য কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে বেআইনি কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও, ফরেস্টডাঙার একাধিক অনিচ্ছুক বাসিন্দা দাবি করেছেন যে, ভোর থেকেই এলাকায় ট্রাক্টরের দাপাদাপি শুরু হয় এবং সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে। ভারী যান চলাচলের ফলে গ্রামের রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হলেও পরে সেই রাস্তা সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। তাঁদের অভিযোগ, আগে এক পক্ষ এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিল, এখন অন্য পক্ষ জড়িত, কিন্তু সাধারণ মানুষের সমস্যার কোনো পরিবর্তন হয়নি। অনেকে ভয় ও হুমকির আশঙ্কায় প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না। স্থানীয় সূত্রের আরও দাবি, বর্তমানে যাঁরা এই মাটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন বিজেপি-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এবং শুক্রবার ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক স্থানীয় বুথ সভাপতিকেও ব্যবসায়ীদের পক্ষ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে, যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সমগ্র ঘটনায় উদ্ধার হওয়া যন্ত্রপাতির নথিপত্র, অনুমতির বৈধতা এবং বাস্তবে কতদিন ধরে মাটি কাটার কাজ চলছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফরেস্টডাঙার বাসিন্দারা এখন তদন্তের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে আছেন।1
- আজ ভোর দুটো ২৫ নাগাদ ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মন্ডলপাড়া এলাকায় হঠাৎই কে বা কারা বোমাবাজি করেছে। বোমার আওয়াজ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা বাইরে বেরিয়ে এলেও কাউকে দেখতে পাননি, তবে এই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ এলাকাটিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে জগদ্দল বিধায়ক ডক্টর রাজেশ কুমার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি জানান যে এই ঘটনার নেপথ্যে যে বা যারাই থাকুক না কেন, তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে পুলিশকে সমস্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।2
- ভাতাড় থেকে দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের পর থানা চত্বরের মধ্যেই 'চোর চোর' স্লোগান তোলা হয়।1
- আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষে মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর থানা সমাজ থেকে মাদকের অভিশাপ দূর করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখাতে এক অনন্য সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে। 'জীবনকে বলুন হ্যাঁ, মাদককে বলুন না' এবং 'নেশা মুক্ত ভারত অভিযান, বিকশিত ভারত কি পেহেচান' এই মূল মন্ত্র সামনে রেখে একটি বিশেষ জনসচেতনতামূলক র্যালির আয়োজন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে ভরতপুর থানা চত্বর থেকে এই র্যালিটি শুরু হয়। ভরতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক ওসি বিশ্বজিৎ মন্ডলের নেতৃত্বে এবং মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচিতে থানার সমস্ত পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা অংশ নেন। ব্যানার হাতে পুলিশের সুশৃঙ্খল এই মিছিল ভরতপুরের বিভিন্ন প্রধান প্রধান রাস্তা ও এলাকা পরিক্রমা করে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতার আলো ছড়িয়ে দেয় এবং পুনরায় থানা চত্বরে এসে শেষ হয়। এই প্রশংসনীয় ও মহৎ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল এলাকার যুবসমাজকে মাদকের মরণফাঁদ থেকে দূরে সরিয়ে একটি সুস্থ, সুন্দর ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা।1
- পবিত্র ১০ মহরম উপলক্ষে বাবরি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজের শুভ সূচনা হয়েছে। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সকলের সহযোগিতা ও দোয়ায় কাজটি শুরু করা সম্ভব হয়েছে। দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।1
- টিটাগড়ে মহরম উপলক্ষে গাঙ্গুলী প্রেসের পাশে একটি মহল্লায় এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই আয়োজনে সমাজের গুণীজনদের সংবর্ধনা জানানো হয়, পাশাপাশি এলাকার শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং টিটাগড় অঞ্চলের স্কুলগুলির কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদেরও সম্মাননা দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও আবেগ চোখে পড়ার মতো ছিল।1
- ভাটপাড়া পৌরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মন্ডলপাড়া এলাকায় আজ ভোররাতে আনুমানিক ২টা ২৫ মিনিট নাগাদ পরপর দুটি বোমার শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। এই বোমার শব্দে স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘুম ভেঙে যায়। এই বোমাবাজি স্থানীয় বাসিন্দা মিতা মজুমদার নামের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে হয়েছে। কে বা কারা এই বোমা হামলা চালিয়েছে বা এর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এলাকাটি সাধারণত অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ বলে পরিচিত, আর সেই কারণেই এই ঘটনায় এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।2