ভোট প্রচারে গিয়ে হামলার অভিযোগ, আহত ৪ বিজেপি কর্মী; পাল্টা অস্বীকার তৃণমূলের** ** ভোট প্রচারে বেরিয়ে বাধার মুখে পড়ে মারধরের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুললেন বিজেপি কর্মীরা। ঘটনায় আহত হন ৪ বিজেপি কর্মী। অভিযোগের তির তৃণমূলের পঞ্চায়েত ও বুথ সভাপতির বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। জানা যায়, আজ দুপুর ১২টা নাগাদ গোসাঁইরহাট অঞ্চলের গরুহাঁটি ২১৩ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী Sabitri Barman-এর সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছিলেন কয়েকজন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই কিছু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক তাঁদের উপর চড়াও হন। বিজেপির দাবি, ওই বুথের বুথ সভাপতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ, হামলায় ৪ বিজেপি কর্মী আহত হন। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য শীতলকুচি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। অন্যদিকে, গোসাঁইরহাট অঞ্চল সভাপতি Pabitra Barman অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি এবং আটক ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী নন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ভোট প্রচারে গিয়ে হামলার অভিযোগ, আহত ৪ বিজেপি কর্মী; পাল্টা অস্বীকার তৃণমূলের** ** ভোট প্রচারে বেরিয়ে বাধার মুখে পড়ে মারধরের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুললেন বিজেপি কর্মীরা। ঘটনায় আহত হন ৪ বিজেপি কর্মী। অভিযোগের তির তৃণমূলের পঞ্চায়েত ও বুথ সভাপতির বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। জানা যায়, আজ দুপুর ১২টা নাগাদ গোসাঁইরহাট অঞ্চলের গরুহাঁটি ২১৩ নম্বর বুথে বিজেপি প্রার্থী Sabitri Barman-এর সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছিলেন কয়েকজন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই কিছু তৃণমূল কর্মী-সমর্থক তাঁদের উপর চড়াও হন। বিজেপির দাবি, ওই বুথের বুথ সভাপতি ও গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ, হামলায় ৪ বিজেপি কর্মী আহত হন। পরে তাঁদের চিকিৎসার জন্য শীতলকুচি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। অন্যদিকে, গোসাঁইরহাট অঞ্চল সভাপতি Pabitra Barman অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি এবং আটক ব্যক্তি তৃণমূল কর্মী নন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
- ভোটের মুখে বিজেপিতে ভাঙন! শুকারুরকুটিতে ১০ পরিবার তৃণমূলে।1
- উত্তরবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নিজেদের সংগঠনকে মজবুত করতে তৃণমূল কংগ্রেস এবার ভিনরাজ্যের নেতৃত্বকেও কাজে লাগাতে চাইছে। বিশেষ করে আসাম সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত মিলকে হাতিয়ার করছে দল। আসামের তৃণমূল নেতারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। চা-বাগান এলাকা, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সভা, পথসভা ও ছোট ছোট জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর কৌশল নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তৃণমূল একদিকে যেমন বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে চাইছে, তেমনই অন্যদিকে নিজেদের সংগঠনের দুর্বলতাও কাটিয়ে উঠতে চাইছে। কারণ আলিপুরদুয়ার জেলায় এখনও তৃণমূলের সংগঠন ততটা শক্তিশালী নয় যতটা দক্ষিণবঙ্গে দেখা যায়। অন্যদিকে বিরোধীরা এই কৌশলকে “বহিরাগত নির্ভরতা” বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, স্থানীয় নেতৃত্বে ভরসা না থাকায় তৃণমূলকে বাইরে থেকে নেতাদের আনতে হচ্ছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলছে, এটি দলের সর্বভারতীয় সম্প্রসারণেরই অংশ এবং অভিজ্ঞ নেতাদের ব্যবহার করে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, আলিপুরদুয়ারে আসামের তৃণমূল নেতাদের সক্রিয়তা আগামী নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে এটুকু স্পষ্ট—ভোটের লড়াই যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন কৌশলে মাঠ গরম রাখতে মরিয়া হয়ে উঠছে রাজনৈতিক দলগুলি।1
- Post by Kinkar roy Journalist4
- বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই কোচবিহারের ভেটাগুড়িতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সোমবার বিকেলে ৬/১৫৮ নম্বর বুথের পঞ্চায়েত সদস্য বিপ্লব বর্মন বিজেপি ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তবে এই যোগদানের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত নাটকীয় এবং চাঞ্চল্যকর। বিপ্লব বর্মনের অভিযোগ, রবিবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীরা তাঁর বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে রীতিমতো প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তাঁর দাবি, সেই সময় চরম ভয়-ভীতি দেখিয়ে এবং জোরাজুরি করে তাঁর হাতে বিজেপির পতাকা ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। জোরপূর্বক করানো সেই দলবদলের রেশ কাটতে না কাটতেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পালটা জবাব দিলেন তিনি। সোমবার বিকেলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি তৃণমূলে ছিলেন এবং তৃণমূলের সঙ্গেই থাকবেন।1
- তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ-র গ্রেফতারি আশঙ্কা নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। তিনি দাবি করেন, “উনাকে অনেক আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” এই মন্তব্য ঘিরে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।1
- মেখলিগঞ্জের বোর্ডিং মাঠে তৃণমূল প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারী-র সমর্থনে বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রধান বক্তা ছিলেন উদয়ন গুহ। কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দেগে তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের দিন গোলমালের আশঙ্কায় কিছু তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। তাঁর দাবি, একটি ইংরেজি পত্রিকায় তাঁর ও পরেশ অধিকারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন তাঁদের আটকে রাখতে পারে। তিনি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, তাঁদের চিন্তা না করে বিজেপির চক্রান্ত রুখতে তৃণমূলকে ভোট দিতে হবে। এদিকে পরেশ অধিকারী বলেন, ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু তৃণমূল ভয় পায় না। জনসভায় প্রায় ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।1
- নির্বাচনে আর মাত্র তিন দিন বাকি। তার আগেই জোরকদমে প্রচারে নেমেছে সব রাজনৈতিক দল। জয়ের লক্ষ্যে চলছে লাগাতার জনসংযোগ, মিছিল ও রোড শো। এই আবহে মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের শিকারপুর থেকে নয়ারহাট পর্যন্ত রোড শো করলেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মন । এদিন হুডখোলা গাড়িতে রোড শো করে সাধারণ মানুষের মন জয় করার চেষ্টা করেন তিনি। রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে বহু মানুষ প্রার্থীকে অভিবাদন জানান। কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহও ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটের শেষ মুহূর্তে এই রোড শো ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। কংগ্রেস প্রার্থীর দাবি, সাধারণ মানুষের সাড়া তাঁকে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী করে তুলছে।1
- উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ -এর এক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এমন একটি উক্তি উল্লেখ করেন, যা মূলত স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর -এর বলে পরিচিত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সেই উক্তিটি তিনি যুক্ত করেন বিশিষ্ট দার্শনিক ও সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ -এর নামে। এই ‘বাণী বিভ্রাট’ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছে, ইতিহাস ও মহান ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা না থাকায় এমন ভুল হচ্ছে। অন্যদিকে শাসকদল এই ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুভাষচন্দ্র বসু এবং স্বামী বিবেকানন্দ—উভয়েই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, কিন্তু তাঁদের চিন্তাধারা ও বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই তাঁদের উক্তি গুলিয়ে ফেলা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, বরং তা ইতিহাসের প্রতি অবহেলারও ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারের উত্তাপে অনেক সময় নেতারা আবেগের বশে ভুল বক্তব্য দিয়ে ফেলেন। তবে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা উচিত বলেই মত তাঁদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের বিশিষ্ট নেতাদের উক্তি নিয়ে এমন বিভ্রান্তি আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না।1
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়-এর সমর্থনে সোমবার হলদিবাড়ি শহরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি বাস স্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে। শোভাযাত্রায় বিপুল সংখ্যক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দলীয় পতাকা, স্লোগান ও প্রচারে মুখরিত হয়ে ওঠে শহর। ব্যাপক জনসমাগম হয়েছে বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। তাঁদের দাবি, সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলবে এবং মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপির জয়ের পথ আরও সুগম করবে।1