আসামের তৃণমূল নেতাদের আলিপুরদুয়ারে সক্রিয়তা নিছক রাজনৈতিক সফর নয়—এটি আসলে ভোটের বৈতরণী পার হওয়ার লক্ষ্যেই সাজানো এক নতুন কৌশল উত্তরবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নিজেদের সংগঠনকে মজবুত করতে তৃণমূল কংগ্রেস এবার ভিনরাজ্যের নেতৃত্বকেও কাজে লাগাতে চাইছে। বিশেষ করে আসাম সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত মিলকে হাতিয়ার করছে দল। আসামের তৃণমূল নেতারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। চা-বাগান এলাকা, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সভা, পথসভা ও ছোট ছোট জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর কৌশল নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তৃণমূল একদিকে যেমন বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে চাইছে, তেমনই অন্যদিকে নিজেদের সংগঠনের দুর্বলতাও কাটিয়ে উঠতে চাইছে। কারণ আলিপুরদুয়ার জেলায় এখনও তৃণমূলের সংগঠন ততটা শক্তিশালী নয় যতটা দক্ষিণবঙ্গে দেখা যায়। অন্যদিকে বিরোধীরা এই কৌশলকে “বহিরাগত নির্ভরতা” বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, স্থানীয় নেতৃত্বে ভরসা না থাকায় তৃণমূলকে বাইরে থেকে নেতাদের আনতে হচ্ছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলছে, এটি দলের সর্বভারতীয় সম্প্রসারণেরই অংশ এবং অভিজ্ঞ নেতাদের ব্যবহার করে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, আলিপুরদুয়ারে আসামের তৃণমূল নেতাদের সক্রিয়তা আগামী নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে এটুকু স্পষ্ট—ভোটের লড়াই যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন কৌশলে মাঠ গরম রাখতে মরিয়া হয়ে উঠছে রাজনৈতিক দলগুলি।
আসামের তৃণমূল নেতাদের আলিপুরদুয়ারে সক্রিয়তা নিছক রাজনৈতিক সফর নয়—এটি আসলে ভোটের বৈতরণী পার হওয়ার লক্ষ্যেই সাজানো এক নতুন কৌশল উত্তরবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নিজেদের সংগঠনকে মজবুত করতে তৃণমূল কংগ্রেস এবার ভিনরাজ্যের নেতৃত্বকেও কাজে লাগাতে চাইছে। বিশেষ করে আসাম সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত মিলকে হাতিয়ার করছে দল। আসামের তৃণমূল নেতারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। চা-বাগান এলাকা, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সভা, পথসভা ও ছোট ছোট জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর কৌশল নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তৃণমূল একদিকে যেমন বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে চাইছে, তেমনই অন্যদিকে নিজেদের সংগঠনের দুর্বলতাও কাটিয়ে উঠতে চাইছে। কারণ আলিপুরদুয়ার জেলায় এখনও তৃণমূলের সংগঠন ততটা শক্তিশালী নয় যতটা দক্ষিণবঙ্গে দেখা যায়। অন্যদিকে বিরোধীরা এই কৌশলকে “বহিরাগত নির্ভরতা” বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, স্থানীয় নেতৃত্বে ভরসা না থাকায় তৃণমূলকে বাইরে থেকে নেতাদের আনতে হচ্ছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলছে, এটি দলের সর্বভারতীয় সম্প্রসারণেরই অংশ এবং অভিজ্ঞ নেতাদের ব্যবহার করে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, আলিপুরদুয়ারে আসামের তৃণমূল নেতাদের সক্রিয়তা আগামী নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে এটুকু স্পষ্ট—ভোটের লড়াই যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন কৌশলে মাঠ গরম রাখতে মরিয়া হয়ে উঠছে রাজনৈতিক দলগুলি।
- উত্তরবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ জেলায় নিজেদের সংগঠনকে মজবুত করতে তৃণমূল কংগ্রেস এবার ভিনরাজ্যের নেতৃত্বকেও কাজে লাগাতে চাইছে। বিশেষ করে আসাম সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত মিলকে হাতিয়ার করছে দল। আসামের তৃণমূল নেতারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। চা-বাগান এলাকা, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল এবং সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে সভা, পথসভা ও ছোট ছোট জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছনোর কৌশল নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তৃণমূল একদিকে যেমন বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে চাইছে, তেমনই অন্যদিকে নিজেদের সংগঠনের দুর্বলতাও কাটিয়ে উঠতে চাইছে। কারণ আলিপুরদুয়ার জেলায় এখনও তৃণমূলের সংগঠন ততটা শক্তিশালী নয় যতটা দক্ষিণবঙ্গে দেখা যায়। অন্যদিকে বিরোধীরা এই কৌশলকে “বহিরাগত নির্ভরতা” বলে কটাক্ষ করেছে। তাদের দাবি, স্থানীয় নেতৃত্বে ভরসা না থাকায় তৃণমূলকে বাইরে থেকে নেতাদের আনতে হচ্ছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলছে, এটি দলের সর্বভারতীয় সম্প্রসারণেরই অংশ এবং অভিজ্ঞ নেতাদের ব্যবহার করে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, আলিপুরদুয়ারে আসামের তৃণমূল নেতাদের সক্রিয়তা আগামী নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে এটুকু স্পষ্ট—ভোটের লড়াই যত এগোচ্ছে, ততই নতুন নতুন কৌশলে মাঠ গরম রাখতে মরিয়া হয়ে উঠছে রাজনৈতিক দলগুলি।1
- *উদয়ন গুহরে গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রসঙ্গে পাল্টা সুর অজয় রায় “অনেক আগেই গ্রেফতার হওয়া উচিত ছিল”1
- বিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচনে বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ। সোমবার দুপুরে দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ দিনহাটার মহকুমা শাসক অর্থাৎ রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তৃণমূলের অভিযোগ, নির্বাচনের বিধি ভঙ্গ করে বিজেপি বিভিন্ন জায়গায় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নামে ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছে। ইতিমধ্যেই দিনহাটা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা ভিলেজ দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় হাতেনাতে তা ধরেছে বলে তৃণমূলের দাবি। কি করে নির্বাচনের আদর্শ আচরণ বিধি চলাকালীন এভাবে ফরম ফিলাপ করতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। পাশাপাশি এদিন মহাকুমা শাসক দপ্তরে এসে আধিকারিকদের সাথে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ আশঙ্কা প্রকাশ করেন বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই এরকম 800 জনের তালিকা তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন বলেও তিনি জানান। যার মধ্যে দিনহাটা ও মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থীর নাম রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, গোটা বিষয়টি দলের রাজ্য নেতৃত্ব দেখছে। ইতিমধ্যে হাইকোর্টে এ বিষয় নিয়ে মামলা করা হয়েছে দলের তরফ থেকেও বলে তিনি জানান। স্বাভাবিকভাবেই বিধানসভা নির্বাচনের দুদিন আগেই আবারও আর গরম দিনহাটার রাজনীতি।1
- 📍হরিহর দাসের সমর্থনে গোপালপুরে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- কূর্শারহাটে বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের রোড শোকে ঘিরে চড়ল রাজনৈতিক উত্তেজনা। কর্মসূচি চলাকালীন বিজেপি সমর্থকদের ‘জয় শ্রীরাম’ এবং তৃণমূল সমর্থকদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে এলাকা। দুই পক্ষের পাল্টা স্লোগান ঘিরে সাময়িকভাবে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ -এর এক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এমন একটি উক্তি উল্লেখ করেন, যা মূলত স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর -এর বলে পরিচিত। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, সেই উক্তিটি তিনি যুক্ত করেন বিশিষ্ট দার্শনিক ও সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দ -এর নামে। এই ‘বাণী বিভ্রাট’ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা কটাক্ষ করে বলছে, ইতিহাস ও মহান ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা না থাকায় এমন ভুল হচ্ছে। অন্যদিকে শাসকদল এই ঘটনাকে ‘সামান্য ভুল’ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুভাষচন্দ্র বসু এবং স্বামী বিবেকানন্দ—উভয়েই ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, কিন্তু তাঁদের চিন্তাধারা ও বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। তাই তাঁদের উক্তি গুলিয়ে ফেলা শুধু তথ্যগত ভুল নয়, বরং তা ইতিহাসের প্রতি অবহেলারও ইঙ্গিত দেয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারের উত্তাপে অনেক সময় নেতারা আবেগের বশে ভুল বক্তব্য দিয়ে ফেলেন। তবে জনসমক্ষে বক্তব্য রাখার সময় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আরও সতর্ক থাকা উচিত বলেই মত তাঁদের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, দেশের বিশিষ্ট নেতাদের উক্তি নিয়ে এমন বিভ্রান্তি আদৌ গ্রহণযোগ্য কি না।1
- গ্রেফতারি আশঙ্কা প্রকাশ উদয়ন গুহর! নিজের মুখেই জানালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1