Shuru
Apke Nagar Ki App…
বেথুয়াডহরীতে স্বর্ণ শিল্পী সমিতির স্থানীয় শাখা তাদের মাসিক সম্মেলনের আয়োজন করে, যেখানে একটি রক্তদান শিবিরেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই রক্তদান শিবিরটি বেথুয়াডহরি লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত হয়।
Nabendu Bhattacharya
বেথুয়াডহরীতে স্বর্ণ শিল্পী সমিতির স্থানীয় শাখা তাদের মাসিক সম্মেলনের আয়োজন করে, যেখানে একটি রক্তদান শিবিরেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই রক্তদান শিবিরটি বেথুয়াডহরি লাইব্রেরীতে অনুষ্ঠিত হয়।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মঙ্গলবার গভীর রাতে নবদ্বীপ গৌরাঙ্গ সেতু রোড সংলগ্ন কেশবজী গৌড়ীয় মঠের কাছে গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা উদ্ধার করেছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এই ঘটনায় একটি লরি এবং একটি স্করপিও গাড়ি আটক করা হয়েছে এবং মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উড়িষ্যা থেকে এরাজ্যে গাঁজা পাচারের ছক ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গৌরাঙ্গ সেতু রোড এলাকায় নজরদারি শুরু করার পর একটি সন্দেহভাজন লরি এবং তার সঙ্গে থাকা একটি স্করপিও গাড়িকে আটক করা হয়। লরিতে তল্লাশি চালিয়ে শতাধিক তুষের বস্তার আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা গাঁজার প্যাকেট পাওয়া যায়, যেগুলি উদ্ধার করে ওজন করলে প্রায় ১৩৫ কেজি নিষিদ্ধ গাঁজা পাওয়া যায়। তদন্তে প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার চালানটি উড়িষ্যা থেকে নদীয়ার উপর দিয়ে মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লরিটিকে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে স্করপিও গাড়িটি এসকর্ট হিসেবে সামনে-পেছনে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে প্রাথমিক অনুমান। ঘটনাস্থল থেকে লরিতে থাকা তিনজন এবং স্করপিওতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার ধৃতদের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের মধ্যে নদীয়ার থানারপাড়া এলাকার মিঠুন খান, শাহাদাত মণ্ডল, মনোহর বিশ্বাস ও মানারুল শেখ রয়েছেন। এছাড়া, মুর্শিদাবাদ জেলার নওদা থানা এলাকার আমির, সোহেল খান, রাহুল মণ্ডল ও শোয়েব মণ্ডলের নামও ধৃতদের তালিকায় রয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনার খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। তদন্তকারী আধিকারিকরা এই মাদক পাচারচক্রের মূল হোতাদের খুঁজছেন এবং এর সাথে কোনও আন্তঃরাজ্য মাদকচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।1
- এখন সগুনা বাজারে সরকার অনুমোদিত 'প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় জন ঔষধি কেন্দ্র' চালু হয়েছে। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রয়োজনীয় সমস্ত জীবনদায়ী ওষুধ বাজার মূল্যের তুলনায় ৫০% থেকে ৯০% পর্যন্ত কম দামে সংগ্রহ করতে পারবেন, যা তাদের জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে। এখানে ২০০০-র বেশি গুণমানসম্পন্ন ওষুধ এবং ৩০০-র বেশি উন্নতমানের অস্ত্রোপচারের সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে। নিশ্চিত করা হয়েছে যে প্রতিটি ওষুধই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা সার্টিফাইড এবং উচ্চমানের ল্যাবরেটরি দ্বারা পরীক্ষিত।1
- বৃহস্পতিবার ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের বিচারক ঋষি কুশারী ভগবানগোলা থানার রমনাপাড়া এলাকার বহুল আলোচিত বাবর আলী শুটআউট মামলার রায় ও সাজা ঘোষণা করেছেন। আদালত গোলাব সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মিঠু সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট সকালে রমনাপাড়ায় নিজের বাড়ির সামনে দাঁত ব্রাশ করার সময় বাবর আলীকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। মাথায় গুলি লাগলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল উদ্ধার করে এবং এই ঘটনা গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। তৎকালীন ভগবানগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবাশীষ ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করে, যার দায়িত্বে ছিলেন এসআই মাধব পান। তদন্তের ভিত্তিতে গোলাব সেখ ও মিঠু সেখকে গ্রেফতার করা হয়, তবে মামলার আরও এক অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে। সরকারি পক্ষের আইনজীবী কুনাল কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর আদালতের এই রায়ে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। তিনি আরও জানান যে, পরিবারকে বিশেষ সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাস্তা সংক্রান্ত আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় গোলাব সেখ তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, বাবর আলী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত আলী ও তাঁর সহকারী আইনজীবীরা রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, মামলায় মোট ৯ জন আসামি ছিলেন, যার মধ্যে ৭ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আসামিপক্ষের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই রায় হয়েছে। তাঁরা নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশাবাদী। এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় এবং রায় প্রকাশের পর ভগবানগোলা ও রমনাপাড়া এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- শিবদাসপুর থানার পুলিশ নৈহাটি যুব তৃণমূল নেতা অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে, যিনি তোলাবাজি, ধর্ষণ, গুন্ডাগিরি এবং অন্যের জমি-পুকুর ভয় দেখিয়ে দখল করার মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাকে নিয়ে জগদ্দল বিধানসভার মামুদপুর অঞ্চলে পুনর্নির্মাণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছে। অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় নৈহাটি পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান অশোক চট্টোপাধ্যায়ের পুত্র। পুলিশ মূলত তাকে সেই সমস্ত পুকুর ও জমিতে ঘুরিয়ে এনেছে যা তিনি ভয় দেখিয়ে দখল করেছেন বলে অভিযোগ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অভিযোগ হলো, এই মামুদপুর অঞ্চলে যেখানে একটি ফিল্ম সিটি তৈরি হওয়ার কথা ছিল, সেই জায়গার পুকুরে অবৈধভাবে মাছ চাষ করে তিনি কোটি কোটি টাকা ব্যবসা করেছেন। অভিযুক্তকে সেই এলাকাতেও নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পুনর্নির্মাণের জন্য। অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে গত ১২ জুন ২০২৬ তারিখে নৈহাটি থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর ২২ জুন শিবদাসপুর থানার পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং এই পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন করে।3
- বুধবার কল্যাণীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরচর এলাকার ওয়ার্ড অফিস খুলতেই সেখানে থরে থরে খালি বিয়ারের বোতল, গুচ্ছ গুচ্ছ আধার কার্ড, বিভিন্ন সরকারি নথি সহ কন্ডোমের প্যাকেট পাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা হঠাৎই ওয়ার্ড অফিসে ঢুকে পড়ে এই আপত্তিকর দৃশ্য দেখে। টেবিলের ওপর খালি বিয়ারের বোতলগুলি সাজানো ছিল এবং ঘরের কোণে কন্ডোমের প্যাকেটও ইতস্তত ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া, সেখানে প্রচুর আধার কার্ড এবং অন্যান্য সরকারি নথিও পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকাবাসী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্যামল দাসকে ধিক্কার জানায় এবং তাঁর গায়ে ডিম ছুঁড়ে মারে। বিপুল সংখ্যক মানুষ ওয়ার্ড অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কল্যাণী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি সামাল দেয়।4
- পূর্ব বর্ধমানের কালনায় বিজেপির অন্দরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে, যেখানে দলের কর্মীরাই এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। কর্মীদের অভিযোগ, মণ্ডল সভাপতি একজন তোলাবাজ। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা অবিলম্বে ওই মণ্ডল সভাপতিকে দল থেকে বহিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন।1
- পলাশীর যুদ্ধের ২৬৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার লালবাগের একটি সেমিনার হলে ‘কালো পলাশী দিবস’ পালন করা হয়েছে। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সংস্কৃতিকর্মী এবং ছাত্রছাত্রীরা। আলোচনায় বক্তারা পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন যে, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত এই যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। বক্তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিল্পী অমিতাভ লাহিড়ীর সরাসরি চিত্রাঙ্কন, যেখানে তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে কেন্দ্র করে একটি চিত্র অঙ্কন করেন। এটি উপস্থিত দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এছাড়াও, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ভারতের সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঠ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি, পলাশীর যুদ্ধ ও তৎকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যা ঘুরে দেখে বহু দর্শক ইতিহাসের নানা অজানা দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। আয়োজকদের মতে, ইতিহাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং তার শিক্ষা বর্তমান সমাজে প্রয়োগ করাই এই ধরনের অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। দিনভর আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এই বিশেষ 'কালো পলাশী দিবস' অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।1
- গয়েশপুর অঞ্চলে একসময় তৃণমূলের ত্রাস হিসেবে পরিচিত প্রাক্তন টাউন সভাপতি মিন্টু দে-কে তৃণমূলের যুব অফিসে বসে থাকতে দেখে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ জনতা তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখায়, চর-থাপ্পড় মারা হয়, মারধর করে তার গেঞ্জি খুলে নেওয়া হয় এবং শুরু হয় 'ডিম থেরাপি'। মিন্টু দে-র বিরুদ্ধে মানুষকে ভয় দেখানো, মারধর করা এবং সরকারি জমি বিক্রি করে লোক বসানোর মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি গয়েশপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মরণ দে-র ভাই। এই ঘটনায় তৃণমূলের নেপাল নামে আরেকজনকেও সাধারণ মানুষ মারধর করে, তবে সে কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাঁচেন। অন্যদিকে, গতকাল রাতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর টুম্পার বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার প্রায় ৫০-৬০ জন লোক। পম্পার অভিযোগ, জনতা বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায়, জানালার কাঁচ ভেঙে দেয় এবং বাইরে রাখা মোটর বাইকও ভাঙচুর করে। সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও সেগুলিও ভেঙে ফেলা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বিক্ষোভকারীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।1