logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

বৃহস্পতিবার ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের বিচারক ঋষি কুশারী ভগবানগোলা থানার রমনাপাড়া এলাকার বহুল আলোচিত বাবর আলী শুটআউট মামলার রায় ও সাজা ঘোষণা করেছেন। আদালত গোলাব সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মিঠু সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট সকালে রমনাপাড়ায় নিজের বাড়ির সামনে দাঁত ব্রাশ করার সময় বাবর আলীকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। মাথায় গুলি লাগলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল উদ্ধার করে এবং এই ঘটনা গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। তৎকালীন ভগবানগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবাশীষ ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করে, যার দায়িত্বে ছিলেন এসআই মাধব পান। তদন্তের ভিত্তিতে গোলাব সেখ ও মিঠু সেখকে গ্রেফতার করা হয়, তবে মামলার আরও এক অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে। সরকারি পক্ষের আইনজীবী কুনাল কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর আদালতের এই রায়ে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। তিনি আরও জানান যে, পরিবারকে বিশেষ সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাস্তা সংক্রান্ত আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় গোলাব সেখ তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, বাবর আলী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত আলী ও তাঁর সহকারী আইনজীবীরা রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, মামলায় মোট ৯ জন আসামি ছিলেন, যার মধ্যে ৭ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আসামিপক্ষের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই রায় হয়েছে। তাঁরা নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশাবাদী। এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় এবং রায় প্রকাশের পর ভগবানগোলা ও রমনাপাড়া এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

3 hrs ago
user_সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
ভগবানগোলা ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
3 hrs ago

বৃহস্পতিবার ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের বিচারক ঋষি কুশারী ভগবানগোলা থানার রমনাপাড়া এলাকার বহুল আলোচিত বাবর আলী শুটআউট মামলার রায় ও সাজা ঘোষণা করেছেন। আদালত গোলাব সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মিঠু সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট সকালে রমনাপাড়ায় নিজের বাড়ির সামনে দাঁত ব্রাশ করার সময় বাবর আলীকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। মাথায় গুলি লাগলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল উদ্ধার করে এবং এই ঘটনা গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। তৎকালীন ভগবানগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবাশীষ ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করে, যার দায়িত্বে ছিলেন এসআই মাধব পান। তদন্তের ভিত্তিতে গোলাব সেখ ও মিঠু সেখকে গ্রেফতার করা হয়, তবে মামলার আরও এক অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে। সরকারি পক্ষের আইনজীবী কুনাল কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর আদালতের এই রায়ে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। তিনি আরও জানান যে, পরিবারকে বিশেষ সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাস্তা সংক্রান্ত আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় গোলাব সেখ তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, বাবর আলী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত আলী ও তাঁর সহকারী আইনজীবীরা রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, মামলায় মোট ৯ জন আসামি ছিলেন, যার মধ্যে ৭ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আসামিপক্ষের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই রায় হয়েছে। তাঁরা নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশাবাদী। এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় এবং রায় প্রকাশের পর ভগবানগোলা ও রমনাপাড়া এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • বৃহস্পতিবার ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের বিচারক ঋষি কুশারী ভগবানগোলা থানার রমনাপাড়া এলাকার বহুল আলোচিত বাবর আলী শুটআউট মামলার রায় ও সাজা ঘোষণা করেছেন। আদালত গোলাব সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মিঠু সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট সকালে রমনাপাড়ায় নিজের বাড়ির সামনে দাঁত ব্রাশ করার সময় বাবর আলীকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। মাথায় গুলি লাগলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল উদ্ধার করে এবং এই ঘটনা গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। তৎকালীন ভগবানগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবাশীষ ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করে, যার দায়িত্বে ছিলেন এসআই মাধব পান। তদন্তের ভিত্তিতে গোলাব সেখ ও মিঠু সেখকে গ্রেফতার করা হয়, তবে মামলার আরও এক অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে। সরকারি পক্ষের আইনজীবী কুনাল কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর আদালতের এই রায়ে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। তিনি আরও জানান যে, পরিবারকে বিশেষ সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাস্তা সংক্রান্ত আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় গোলাব সেখ তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, বাবর আলী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত আলী ও তাঁর সহকারী আইনজীবীরা রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, মামলায় মোট ৯ জন আসামি ছিলেন, যার মধ্যে ৭ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আসামিপক্ষের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই রায় হয়েছে। তাঁরা নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশাবাদী। এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় এবং রায় প্রকাশের পর ভগবানগোলা ও রমনাপাড়া এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
    1
    বৃহস্পতিবার ফাস্ট ট্র্যাক আদালতের বিচারক ঋষি কুশারী ভগবানগোলা থানার রমনাপাড়া এলাকার বহুল আলোচিত বাবর আলী শুটআউট মামলার রায় ও সাজা ঘোষণা করেছেন। আদালত গোলাব সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও মিঠু সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ আগস্ট সকালে রমনাপাড়ায় নিজের বাড়ির সামনে দাঁত ব্রাশ করার সময় বাবর আলীকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। মাথায় গুলি লাগলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল উদ্ধার করে এবং এই ঘটনা গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। তৎকালীন ভগবানগোলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দেবাশীষ ঘোষের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করে, যার দায়িত্বে ছিলেন এসআই মাধব পান। তদন্তের ভিত্তিতে গোলাব সেখ ও মিঠু সেখকে গ্রেফতার করা হয়, তবে মামলার আরও এক অভিযুক্ত এখনো পলাতক রয়েছে।

সরকারি পক্ষের আইনজীবী কুনাল কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর আদালতের এই রায়ে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। তিনি আরও জানান যে, পরিবারকে বিশেষ সরকারি সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, রাস্তা সংক্রান্ত আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় গোলাব সেখ তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন এবং তাঁর প্রভাব-প্রতিপত্তির কারণে এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ, বাবর আলী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ায় তাঁকে টার্গেট করা হয়েছিল।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী শওকত আলী ও তাঁর সহকারী আইনজীবীরা রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানান, মামলায় মোট ৯ জন আসামি ছিলেন, যার মধ্যে ৭ জন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আসামিপক্ষের দাবি, রাজনৈতিক কারণেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই রায় হয়েছে। তাঁরা নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং সেখানে ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশাবাদী। এই বহুল আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় এবং রায় প্রকাশের পর ভগবানগোলা ও রমনাপাড়া এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
    user_সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
    সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
    ভগবানগোলা ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    3 hrs ago
  • মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা-শিশু সহ তিনজন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসক দেখিয়ে রাতে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে আরও এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রথমে মারা যান মা আহিরুন বিবি। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁর ছেলে আমানুল্লাহ মির্জার মৃত্যু হয়। পরিবারের মেয়ে আসমা আক্তারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ভয়াবহ ঘটনায় পরিবারের আরও একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই মর্মান্তিক কান্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
    1
    মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের মা-শিশু সহ তিনজন নিহত হয়েছেন। চিকিৎসক দেখিয়ে রাতে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে আরও এক শিশু আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রথমে মারা যান মা আহিরুন বিবি। এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁর ছেলে আমানুল্লাহ মির্জার মৃত্যু হয়। পরিবারের মেয়ে আসমা আক্তারকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ভয়াবহ ঘটনায় পরিবারের আরও একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই মর্মান্তিক কান্ডে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
    user_Lalgola news
    Lalgola news
    Newsagent লালগোলা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    19 hrs ago
  • Post by Udit Hazra
    1
    Post by Udit Hazra
    user_Udit Hazra
    Udit Hazra
    হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
  • মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার অন্তর্গত খয়রামারি এলাকায় মিনারুল শেখের প্রায় সাড়ে তিন বিঘা পুকুরে রাতের অন্ধকারে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নষ্ট করে দেওয়ার এক হৃদয়বিদারক ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে, যার ফলে সকালে পুকুরে গিয়ে তিনি দেখতে পান হাজার হাজার মাছ ভেসে উঠেছে এবং তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই মাছ চাষের জন্য মিনারুল শেখ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন এবং মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে তা শোধ করার পরিকল্পনা ছিল তার। দুষ্কৃতীদের এই নাশকতার কারণে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের, যা তাকে ঋণের কিস্তি শোধ করা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিনারুল জানিয়েছেন যে অনেক কষ্ট করে লোন নিয়ে মাছ চাষ করেছিলেন এবং এখন সব শেষ হয়ে যাওয়ায় ঋণ কীভাবে শোধ করবেন তা বুঝতে পারছেন না। তিনি সরকারের কাছেও আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছে। ক্ষতিগ্রস্ত মিনারুল শেখ সাগরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এলাকাবাসীর জোর দাবি, দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত এই চাষীকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।
    1
    মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার অন্তর্গত খয়রামারি এলাকায় মিনারুল শেখের প্রায় সাড়ে তিন বিঘা পুকুরে রাতের অন্ধকারে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নষ্ট করে দেওয়ার এক হৃদয়বিদারক ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে, যার ফলে সকালে পুকুরে গিয়ে তিনি দেখতে পান হাজার হাজার মাছ ভেসে উঠেছে এবং তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই মাছ চাষের জন্য মিনারুল শেখ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন এবং মাছ বিক্রির টাকা দিয়ে তা শোধ করার পরিকল্পনা ছিল তার। দুষ্কৃতীদের এই নাশকতার কারণে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের, যা তাকে ঋণের কিস্তি শোধ করা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলেছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিনারুল জানিয়েছেন যে অনেক কষ্ট করে লোন নিয়ে মাছ চাষ করেছিলেন এবং এখন সব শেষ হয়ে যাওয়ায় ঋণ কীভাবে শোধ করবেন তা বুঝতে পারছেন না। তিনি সরকারের কাছেও আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছে। ক্ষতিগ্রস্ত মিনারুল শেখ সাগরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। এলাকাবাসীর জোর দাবি, দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত এই চাষীকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।
    user_রাসেল শাহ
    রাসেল শাহ
    জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
  • ভেনেজুয়েলায় পরপর দুই দফায় ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে।
    1
    ভেনেজুয়েলায় পরপর দুই দফায় ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছে।
    user_MAIDUL ISLAM
    MAIDUL ISLAM
    সুতি ২, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
  • বীরভূমের নলহাটি থানার অন্তর্গত পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বিক্রম সিনহার মানবিক উদ্যোগে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে। তার অনুপ্রেরণায় গঠিত “বিক্রম সিনহা ফ্যান ক্লাব”-এর পক্ষ থেকে এলাকার অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলির হাতে ত্রিপল তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, বিদেশে কর্মরত থাকলেও বিক্রম সিনহা সবসময় তার গ্রামের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে, বুধবার পাইকপাড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কানিওর, ভাটপাড়া, আটগ্রামসহ একাধিক গ্রামে এই ত্রিপল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ফ্যান ক্লাবের সদস্যরা প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দুস্থ পরিবারগুলোর হাতে সরাসরি ত্রিপল তুলে দেন, যা বর্ষার সময় তাদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে বলে জানানো হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরনের সামাজিক কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার এবং আপদে-বিপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
    1
    বীরভূমের নলহাটি থানার অন্তর্গত পাইকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় কর্মরত বিক্রম সিনহার মানবিক উদ্যোগে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে। তার অনুপ্রেরণায় গঠিত “বিক্রম সিনহা ফ্যান ক্লাব”-এর পক্ষ থেকে এলাকার অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলির হাতে ত্রিপল তুলে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, বিদেশে কর্মরত থাকলেও বিক্রম সিনহা সবসময় তার গ্রামের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকার মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে, বুধবার পাইকপাড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কানিওর, ভাটপাড়া, আটগ্রামসহ একাধিক গ্রামে এই ত্রিপল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ফ্যান ক্লাবের সদস্যরা প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দুস্থ পরিবারগুলোর হাতে সরাসরি ত্রিপল তুলে দেন, যা বর্ষার সময় তাদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে বলে জানানো হয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরনের সামাজিক কাজ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার এবং আপদে-বিপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
    user_NEWS TIME 24x7
    NEWS TIME 24x7
    Local News Reporter নলহাটি 1, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • সাধারণ মানুষের একাধিক জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর ভরতপুর এরিয়া কমিটি ভরতপুরে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল ও সভার আয়োজন করেছে। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে এই সুবিশাল মিছিল কান্দি-সালার রাজ্য সড়ক ধরে ভরতপুর-১ ব্লক অফিসের সামনে এসে সমবেত হয়। সেখানে দলের নেতৃবৃন্দ একটি সভা করেন এবং পরবর্তীতে একটি ১৩ দফা দাবিপত্র নিয়ে বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেন। এই কর্মসূচিতে সিপিআইএম ভরতপুর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সেরিফুল ইসলাম, দলের অন্যতম নেতা গোলাম মওলা, সজীব কুমার সাহা, কাঞ্চন গোস্বামী, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিজিয়া সুলতানা, মোজাম্মেল হক, কানাই মন্ডল, গোলাম আম্বিয়া, শিব শংকর পাল সহ ব্লক ও অঞ্চল স্তরের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দাওয়া শেরপার অনুপস্থিতিতে, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৈয়দ মাহবুব রহমানের হাতে দলের পক্ষ থেকে একটি ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই দাবিপত্র তুলে দেয় এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে। দাবিসনদে অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থবাহী দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, স্মার্ট মিটার বাতিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানো, সারের কালোবাজারি বন্ধ, লোহাদহ ঘাটের ব্রিজ তৈরি, রাস্তা ও নিকাশি নালা সংস্কার, আবাস যোজনায় দুর্নীতির শাস্তি, রামজি মিশনের কাজ শুরু করা, ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা কুইন্টাল করা, আবর্জনা ফেলার গাড়ির সঠিক ব্যবহার, কলেজে স্থাপন এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা।
    1
    সাধারণ মানুষের একাধিক জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর ভরতপুর এরিয়া কমিটি ভরতপুরে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল ও সভার আয়োজন করেছে। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে এই সুবিশাল মিছিল কান্দি-সালার রাজ্য সড়ক ধরে ভরতপুর-১ ব্লক অফিসের সামনে এসে সমবেত হয়। সেখানে দলের নেতৃবৃন্দ একটি সভা করেন এবং পরবর্তীতে একটি ১৩ দফা দাবিপত্র নিয়ে বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেন।

এই কর্মসূচিতে সিপিআইএম ভরতপুর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সেরিফুল ইসলাম, দলের অন্যতম নেতা গোলাম মওলা, সজীব কুমার সাহা, কাঞ্চন গোস্বামী, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিজিয়া সুলতানা, মোজাম্মেল হক, কানাই মন্ডল, গোলাম আম্বিয়া, শিব শংকর পাল সহ ব্লক ও অঞ্চল স্তরের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দাওয়া শেরপার অনুপস্থিতিতে, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৈয়দ মাহবুব রহমানের হাতে দলের পক্ষ থেকে একটি ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই দাবিপত্র তুলে দেয় এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে।

দাবিসনদে অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থবাহী দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, স্মার্ট মিটার বাতিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানো, সারের কালোবাজারি বন্ধ, লোহাদহ ঘাটের ব্রিজ তৈরি, রাস্তা ও নিকাশি নালা সংস্কার, আবাস যোজনায় দুর্নীতির শাস্তি, রামজি মিশনের কাজ শুরু করা, ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা কুইন্টাল করা, আবর্জনা ফেলার গাড়ির সঠিক ব্যবহার, কলেজে স্থাপন এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা।
    user_রাঢ় বাংলা
    রাঢ় বাংলা
    Reporter ভরতপুর ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    22 hrs ago
  • পলাশীর যুদ্ধের ২৬৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার লালবাগের একটি সেমিনার হলে ‘কালো পলাশী দিবস’ পালন করা হয়েছে। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সংস্কৃতিকর্মী এবং ছাত্রছাত্রীরা। আলোচনায় বক্তারা পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন যে, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত এই যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। বক্তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিল্পী অমিতাভ লাহিড়ীর সরাসরি চিত্রাঙ্কন, যেখানে তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে কেন্দ্র করে একটি চিত্র অঙ্কন করেন। এটি উপস্থিত দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এছাড়াও, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ভারতের সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঠ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি, পলাশীর যুদ্ধ ও তৎকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যা ঘুরে দেখে বহু দর্শক ইতিহাসের নানা অজানা দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। আয়োজকদের মতে, ইতিহাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং তার শিক্ষা বর্তমান সমাজে প্রয়োগ করাই এই ধরনের অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। দিনভর আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এই বিশেষ 'কালো পলাশী দিবস' অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।
    1
    পলাশীর যুদ্ধের ২৬৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার লালবাগের একটি সেমিনার হলে ‘কালো পলাশী দিবস’ পালন করা হয়েছে। ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণ করতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সংস্কৃতিকর্মী এবং ছাত্রছাত্রীরা।

আলোচনায় বক্তারা পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন যে, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত এই যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তনের ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। বক্তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ঐক্য, সচেতনতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল শিল্পী অমিতাভ লাহিড়ীর সরাসরি চিত্রাঙ্কন, যেখানে তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে কেন্দ্র করে একটি চিত্র অঙ্কন করেন। এটি উপস্থিত দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এছাড়াও, স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা ভারতের সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঠ করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জাতীয় ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি, পলাশীর যুদ্ধ ও তৎকালীন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ চিত্রপ্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যা ঘুরে দেখে বহু দর্শক ইতিহাসের নানা অজানা দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ পান।

আয়োজকদের মতে, ইতিহাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং তার শিক্ষা বর্তমান সমাজে প্রয়োগ করাই এই ধরনের অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য। দিনভর আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এই বিশেষ 'কালো পলাশী দিবস' অনুষ্ঠানটি পালিত হয়।
    user_সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
    সময়ের কথা বাংলা নিউজ চ্যানেল
    Bhagawangola - I, Murshidabad•
    22 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.