পুরুলিয়া জেলার ঝালদা ২ নম্বর ব্লকের উকমা গ্রামে রেশন কার্ড বন্ধক রেখে বছরের পর বছর সরকারি খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ফাঁস হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, চরম আর্থিক সংকটে পড়ে গ্রামের একাধিক তফসিলি জাতিভুক্ত কালিন্দী পরিবার কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিল এবং সেই সময় ধারদাতারা তাদের রেশন কার্ড নিজেদের কাছে রেখে দেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পরিবারগুলির নামে বরাদ্দ চাল, চিনি-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে রেশন ডিলারের কাছ থেকে তোলা হলেও প্রকৃত উপভোক্তারা তা পাননি। এর ফলে, পাঁচ থেকে সাত বছর ধরে বহু পরিবার সরকারি খাদ্যসুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ভুক্তভোগী ভাদু কালিন্দী, সন্ধ্যা কালিন্দী এবং চঞ্চলা গোঁড়াত অভিযোগ করেছেন যে, সামান্য টাকার বিনিময়ে তাদের সরকারি অধিকার কার্যত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনা জানাজানি হতেই পুলিশ গ্রামে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং কয়েকটি রেশন কার্ড উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেয়। তবে এখনও একাধিক কার্ড উদ্ধার না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। অভিযুক্তদের মধ্যে সুশেন মাহাত যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঝালদা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীপক কুমার সিংহ এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। সরকারি রেশন কার্ড কীভাবে বছরের পর বছর অন্যের দখলে ছিল, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। তারা এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
পুরুলিয়া জেলার ঝালদা ২ নম্বর ব্লকের উকমা গ্রামে রেশন কার্ড বন্ধক রেখে বছরের পর বছর সরকারি খাদ্যসামগ্রী আত্মসাতের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ফাঁস হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, চরম আর্থিক সংকটে পড়ে গ্রামের একাধিক তফসিলি জাতিভুক্ত কালিন্দী পরিবার কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিল এবং সেই সময় ধারদাতারা তাদের রেশন কার্ড নিজেদের কাছে রেখে দেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পরিবারগুলির নামে বরাদ্দ চাল, চিনি-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে রেশন ডিলারের কাছ থেকে তোলা হলেও প্রকৃত উপভোক্তারা তা পাননি। এর ফলে, পাঁচ থেকে সাত বছর ধরে বহু পরিবার সরকারি খাদ্যসুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ভুক্তভোগী ভাদু কালিন্দী, সন্ধ্যা কালিন্দী এবং চঞ্চলা গোঁড়াত অভিযোগ করেছেন যে, সামান্য টাকার বিনিময়ে তাদের সরকারি অধিকার কার্যত কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনা জানাজানি হতেই পুলিশ গ্রামে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে এবং কয়েকটি রেশন কার্ড উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেয়। তবে এখনও একাধিক কার্ড উদ্ধার না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। অভিযুক্তদের মধ্যে সুশেন মাহাত যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঝালদা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দীপক কুমার সিংহ এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। সরকারি রেশন কার্ড কীভাবে বছরের পর বছর অন্যের দখলে ছিল, তা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। তারা এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
- রাজনীতিবিদদের অহংকার হলে তাদের পতন নিশ্চিত, এই মর্মে তীব্র মন্তব্য করে সৌমিত্র সরাসরি অভিষেককে নিশানা করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, অভিষেকের পতন আসলে অহংকারেরই ফল।1
- শুক্রবার সকাল ১১টায় দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের প্রধান ফটকের সামনে ন্যাশনাল ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (এনএফআই) ট্রেড ইউনিয়নের উদ্যোগে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই পথসভা থেকে সংগঠনের জেলা সভাপতি বোমশঙ্কর রুইদাসের নেতৃত্বে দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের অভ্যন্তরে সমস্ত ধর্মীয় কার্যকলাপ বন্ধ রাখার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। এনএফআই ট্রেড ইউনিয়ন যুক্তি দিয়েছে যে, কারখানা উৎপাদনের স্থান হওয়ায় কাজের সময় কোনো ধরনের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বা নামাজের জন্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়া উচিত নয়। বোমশঙ্কর রুইদাস বলেন, যদি কারও ধর্মীয় অনুশীলনের প্রয়োজন হয়, তবে তা প্ল্যান্টের বাইরে করা উচিত। তিনি আরও সতর্ক করেন যে, কারখানার ভেতরে কোনো একটি ধর্মের উপাসনাস্থল বা ধর্মীয় কার্যক্রমের অনুমতি দিলে অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রেও একই ধরনের দাবি উঠতে পারে। এনএফআই ট্রেড ইউনিয়নের মতে, কর্মস্থলকে সম্পূর্ণ ধর্ম নিরপেক্ষ ও উৎপাদনমুখী রাখা আবশ্যক। এছাড়াও, বোমশঙ্কর রুইদাস অভিযোগ করেছেন যে, অতীতে প্ল্যান্টে তৃণমূল-সমর্থিত ট্রেড ইউনিয়নের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, শ্রমিকদের কাছ থেকে 'কাটমানি' আদায়, ঠিকাদারদের কাছ থেকে তোলা নেওয়া এবং চুক্তিভিত্তিক শ্রমিকদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করার মতো গুরুতর অনিয়ম হয়েছে। এনএফআই ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এসব বিষয়ে স্টিল প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে এবং দাবি করা হয়েছে যে, প্ল্যান্টে আর কোনো ধরনের অনিয়ম চলতে দেওয়া হবে না।1
- নয়াগ্রাম বিধানসভার নিচুপাতিনা গ্রামে আয়োজিত হরিরাম সংকীর্তনকে ঘিরে এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। এই অনুষ্ঠানে একদিকে যেমন ভক্তদের বিশাল সমাগম ঘটেছে, তেমনি দূর দূরান্ত থেকেও ভক্তরা হরিনাম সংকীর্তনে যোগ দিতে এসেছেন। এই হরিরাম সংকীর্তনে যোগ দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী আমিয় কিস্কু, বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ, জেলা বিজেপি সভাপতি তুফান মাহাতো এবং জেলা যুব মোর্চা সভাপতি রনজিৎ সেন। ঝাড়গ্রাম বিধানসভার বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ সংকীর্তনে গিয়ে নিজের হাতে অন্ন ভোগ বিতরণ করেন।1
- ঝাড়গ্রামের বিধায়ক লক্ষীকান্ত সাউ স্বচ্ছ ভারত সাফাই অভিযানে ঝাড়গ্রাম বাণীতীর্থ হাই স্কুলে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন। এই কর্মসূচিতে তিনি নিজের হাতে ঝাড়ু তুলে নিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যোগ দেন। বিধায়ক জানান, আমরা মাঝে মাঝে ছোট ছোট দায়িত্বগুলো পালন করতে ভুলে যাই; তাই এই বিষয়টি মনে করিয়ে দিতে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এই সাফাই অভিযানে নেমেছেন। তার মতে, এই দিকটিও সকলের মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।1
- ভরসন্ধ্যেয় গৃহস্থের বাড়িতে হামলা রামলালের! লোধাশুলি বাজারে দরজা ভেঙে খাবারের খোঁজ ঝাড়গ্রাম: ভরসন্ধ্যেয় হাতির হানায় তুমুল আতঙ্ক ছড়াল ঝাড়গ্রাম ব্লকের লোধাশুলি এলাকায়। শুক্রবার সন্ধে নাগাদ লোধাশুলি বাজারের কাছে হানা দেয় ‘রামলাল’ নামে পরিচিত একটি দলছুট দাঁতাল হাতি। খাবারের খোঁজে একটি গৃহস্থ বাড়ির দরজা ভেঙে সটান ভেতরে ঢুকে পড়ে সে। আচমকা ঘরের সামনে হাতিটিকে দেখে আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই লোধাশুলি ও তার পার্শ্ববর্তী জঙ্গল এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই দাঁতালটি। এদিন সন্ধ্যে নামতেই জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সোজা লোকালয়ে চলে আসে রামলাল। লোধাশুলি বাজারের পাশে অবস্থিত একটি বাড়িতে খাবারের গন্ধ পেয়ে চড়াও হয় সেটি। শুঁড় দিয়ে ধাক্কা মেরে এবং পা দিয়ে লাথি মেরে মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে ফেলে বাড়ির সদর দরজা। এরপর ঘরের ভেতরে ঢুকে চাল, ডাল ও অন্যান্য মজুত খাদ্যসামগ্রী সাবাড় করতে শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বন দফতরের কর্মীরা। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় হাতিটিকে লোধাশুলির জঙ্গল এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়। তবে হাতিটি চলে গেলেও এলাকায় এখনও তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে ফের রামলাল লোকালয়ে ফিরবে কিনা, সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে বাজার এলাকার বাসিন্দাদের। বন দফতরের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।1
- পুরুলিয়া জেলা পুলিশের উদ্যোগে জেলার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে একটি নতুন প্রচেষ্টা শুরু করা হয়েছে।1
- পুরুলিয়া জেলায় নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে কুমার সানি রাজ যোগ দিয়েছেন। জেলায় পৌঁছানোর পরেই তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে।1
- শুক্রবার দুপুরে সৃজনী প্রেক্ষা গৃহে কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই চাষপদ্ধতির প্রসারের লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত কৃষকদের নিয়ে আয়োজিত এই কর্মশালায় জৈব চাষের সম্ভাবনা, কৃষি উন্নয়ন এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কৃষি বিশেষজ্ঞ ও দপ্তরের আধিকারিকরা প্রাকৃতিক কৃষির বহুমুখী উপকারিতা তুলে ধরেন। কৃষকদের রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কেঁচো সার ও অন্যান্য জৈব উপাদান ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব, সে বিষয়ে অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, সৌরশক্তিচালিত পাম্পের মাধ্যমে কম খরচে ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে সেচ ব্যবস্থার সুবিধাগুলিও ব্যাখ্যা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্ব পশ্চিমের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, পান্ডবেশ্বর ও বারাবনির বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি, লক্ষণ ঘড়ুই এবং অরিজিৎ রায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলাশাসক পুন্নামবলম এস, দুর্গাপুর পুরসভার কমিশনার আবুল কালাম আজাদ সহ কৃষি দপ্তরের একাধিক আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মশালার মাধ্যমে কৃষি দপ্তর প্রাকৃতিক কৃষির প্রসারে বিশেষ জোর দিয়েছে।1
- ঝাড়গ্রামে ফের হাতির আক্রমণে একজন বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে, সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে হাতির হানার শিকার হন তিনি এবং ঘটনাস্থলেই তার প্রাণ যায়।1