ডোমকলের বিলাসপুর মাঠে গম কাটার পর জমিতে আগুন, ভয়াবহ ঐ আগুনে মোক্তারপুর মাঠে পুড়ে গেল প্রায় ৫ বিঘা জমির গম এই মহুর্তে ডোমকলের যে খবরে নজর রাখবো।ডোমকলের বিলাসপুর মাঠে গম কাটার পর জমিতে আগুন। ভয়াবহ ঐ আগুনে মোক্তারপুর মাঠে পুড়ে গেল প্রায় ৫ বিঘা জমির গম। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাঠের কলাচাষীরাও। আর ঐ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের ডোমকলের বিলাসপুর ও মোক্তারপুর এলাকার মাঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গম কাটার পর গমের জমিতে আগুন দেয় কে বা কারা। জমির খড় পোড়ানোর সময় হাওয়ার কারনে বিলাসপুর মাঠের আগুন এসে পৌছায় মোক্তারপুর মাঠে। ভাগ্যিস ঐ মাঠে প্রায় সকলের গম কাটা হয়ে গেছিলো। কিন্তু কিছু জাইগায় জাইগায় গম থেকে যায়। এই আগুনে ইসব আলী মন্ডল। বাপি মন্ডল। সাবানুদ্দিন মন্ডল। সপিকুল মন্ডলের প্রায় পাঁচ বিঘা গম পুড়ে ছাই হয়ে যায়। যার ফলে চিন্তায় পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ চাষীরা। ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের মধ্যে ইসব আলী মন্ডল বলেন, দুই বছর আগে দুই বিঘা জমির গম পুড়ে ক্ষতি হয়। এবারোও ১০ কাঠা গম শেষ। ঘটনার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় দমলের একটি ইঞ্জিন। যদিও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
ডোমকলের বিলাসপুর মাঠে গম কাটার পর জমিতে আগুন, ভয়াবহ ঐ আগুনে মোক্তারপুর মাঠে পুড়ে গেল প্রায় ৫ বিঘা জমির গম এই মহুর্তে ডোমকলের যে খবরে নজর রাখবো।ডোমকলের বিলাসপুর মাঠে গম কাটার পর জমিতে আগুন। ভয়াবহ ঐ আগুনে মোক্তারপুর মাঠে পুড়ে গেল প্রায় ৫ বিঘা জমির গম। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাঠের কলাচাষীরাও। আর ঐ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের ডোমকলের বিলাসপুর ও মোক্তারপুর এলাকার মাঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গম কাটার পর গমের জমিতে আগুন দেয় কে বা কারা। জমির খড় পোড়ানোর সময় হাওয়ার কারনে বিলাসপুর মাঠের আগুন এসে পৌছায় মোক্তারপুর মাঠে। ভাগ্যিস ঐ মাঠে প্রায় সকলের গম কাটা হয়ে গেছিলো। কিন্তু কিছু জাইগায় জাইগায় গম থেকে যায়। এই আগুনে ইসব আলী মন্ডল। বাপি মন্ডল। সাবানুদ্দিন মন্ডল। সপিকুল মন্ডলের প্রায় পাঁচ বিঘা গম পুড়ে ছাই হয়ে যায়। যার ফলে চিন্তায় পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ চাষীরা। ক্ষতিগ্রস্ত চাষীদের মধ্যে ইসব আলী মন্ডল বলেন, দুই বছর আগে দুই বিঘা জমির গম পুড়ে ক্ষতি হয়। এবারোও ১০ কাঠা গম শেষ। ঘটনার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় দমলের একটি ইঞ্জিন। যদিও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
- আবারও ভোটের আগে হরিহরপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার এক ব্যক্তি, চাঞ্চল্য এলাকায় ভোটের প্রাক্কালে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ সদানন্দপুর এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযানের সময় এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাকে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে একটি ওয়ান শাটার পিস্তল ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। ধৃত ব্যক্তির নাম জিল্লার রহমান ,তার বাড়ি হরিহরপাড়া থানা আব্দুলপুরে । তাকে গ্রেফতার করে শুক্রবার ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বহরমপুর জেলা আদালতে পেশ করা হয়েছে। কী কারণে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাঘুরি করছিল এবং অস্ত্রটি কোথা থেকে এল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ।1
- নির্বাচনী যুদ্ধে ঘাসফুলের শক্তি প্রদর্শন : সালারে তৃণমূল প্রার্থীর কর্মী সভায় উপচে পড়া ভিড়। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে কোমর বেঁধে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার বিকেলে সালারের 'উৎসব লজ' প্রাঙ্গণ হয়ে উঠেছিল কার্যত জনসমুদ্রের কেন্দ্রবিন্দু। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান সুমনের নেতৃত্বে আয়োজিত এই বিশাল কর্মিসভায় উপচে পড়া ভিড় যেন ঘাসফুল শিবিরের সাংগঠনিক শক্তির এক জোরালো ইঙ্গিত দিল। সভায় উপস্থিত ভরতপুর ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল সভাপতি নজরুল ইসলাম টারজেন-সহ প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে কর্মীদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। মঞ্চ থেকে আগামীর নির্বাচনী লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার ডাক দেওয়ার পাশাপাশি উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান সুমন। সাধারণ মানুষের বিপুল উপস্থিতি আর কর্মীদের গগনভেদী স্লোগানে এ দিন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, নির্বাচনের আগে ভরতপুরের রাজনৈতিক ময়দান ঘাসফুল শিবির নিজেদের দখলেই রাখতে মরিয়া।1
- ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার ফলে আতঙ্কে মৃত্যু হলো চাপড়ার হাঁটরার এক বৃদ্ধার। মৃতের নাম খোদেজা বিবি মণ্ডল(৭১)। পরিবারের দাবি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার পর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন ওই বৃদ্ধা। তাঁর ভয় ছিল তাঁকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হবে। এই আতঙ্কেই আজ ভোর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাপড়া বিধানসভার অন্তর্গত হাঁটরা বাঙ্গাল পাড়ার বাসিন্দা খোদেজা বিবি মণ্ডল। SIR শুরুর আগে ৫৩ পার্টের ১১৬ ক্রমিক সংখ্যায় তার নাম ছিল। SIR এর ফর্ম ফিলাপের পর তাকে শুনানিতেও ডাকা হয়। কিন্তু খসড়া তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা যায় সেই তালিকায় তাকে স্থানান্তরিত দেখানো হয়েছে। অভিযোগ এরপর একাধিকবার ফর্ম ফিলাপ করলেও ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি। পরিবারের অভিযোগ এরপর থেকেই আতঙ্কে ছিলেন ওই বৃদ্ধা। আজ ভোরে বাড়িতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।1
- হুড খোলা গাড়িতে রোড শো করলেন কাটোয়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। কাটোয়া স্টেশন বাজার থেকে থানা রোড পর্যন্ত প্রচারে ভিড় জমায় মানুষ। শঙ্খ বাজিয়ে, ফুল দিয়ে প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয়রা। দলীয় নেতা-কর্মী ও মহিলা কর্মীদের উপস্থিতিতে উৎসবের আবহ তৈরি হয় এলাকায়।1
- আপনার লাইফ1
- কৃষ্ণনগর পৌরসভার অধীন ২০ নং ওয়ার্ডের জলঙ্গী নদীর তীরে অবস্থিত হনুমান মন্দির। সেই মন্দিরের বার্ষিক উৎসব উপলক্ষে অসংখ্য মানুষের অন্ন ভোজনের ব্যবস্থা করা হয়।1
- মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে নমিনেশন কে ঘিরে বিজেপি তৃণমূলে মিছিলে অশান্তির পরিবেশ। বিরাট বিশৃঙ্খলা দেখা গেল রাজ্য পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী সামনে, যদিও বেশ কিছুক্ষণ হওয়ার পর পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর তাৎপরতায় সামাল দেওয়া হয়।1
- শুক্রবার পাথরঘাটা ২ পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচারে পলাশীপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী হামিদুল হক । এদিন সকালে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তরনীপুর বাজার সহ এই পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক গ্রামে গিয়ে প্রচার করেন তিনি। কথা বলেন সাধারণ মানুষদের সঙ্গে শোনেন অভাব অভিযোগের কথা। তরণীপুর বাজারে বিভিন্ন দোকানে গিয়ে জনসংযোগ সারেন।1
- “ভোটের আগেই শক্তি প্রদর্শন! কানাইনগর বটতলায় তৃণমূলের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন, জনসমাগমে জমজমাট পথসভা” বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সংগঠনকে আরও মজবুত করতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তারই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নবদ্বীপের কানাইনগর বটতলা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হলো। পাশাপাশি অনুষ্ঠিত হয় একটি বড়সড় পথসভা, যা কার্যত নির্বাচনী প্রচারের সূচনা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নবদ্বীপ বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা এবং নবদ্বীপ পৌরসভার প্রধান বিমান কৃষ্ণ সাহা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার একাধিক তৃণমূল নেতা, কর্মী এবং বিপুল সংখ্যক সমর্থক। নতুন কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে এলাকার সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার বার্তা দেন নেতৃত্ব। পথসভা থেকে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ তুলে ধরে সাধারণ মানুষের কাছে সমর্থন চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ শানাতেও পিছপা হননি নেতৃত্বরা। স্থানীয়দের উপস্থিতি এবং কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে কার্যত জনসভা পরিণত হয় শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চে। ভোটের আগে এই ধরনের কর্মসূচি যে তৃণমূলের সংগঠনকে আরও চাঙ্গা করবে, তা বলাই বাহুল্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের মুখে এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে তৃণমূলের সংগঠনগত প্রস্তুতির স্পষ্ট ইঙ্গিত।1