খড়িবাড়ির বেলবাড়িতে প্রায় ১ কোটি ৬ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা ব্যয়ে তৈরি হওয়া ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক দুর্নীতি এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দারা আবারও তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর আগেও গ্রামবাসীরা এই রাস্তার কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদে নেমেছিলেন। সেই সময় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এলাকা পরিদর্শনে এসে অনিয়ম স্বীকার করেছিলেন এবং সমস্যা সমাধানের জন্য ১৪ দিনের সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এর ফলস্বরূপ, সোমবার স্থানীয়রা ফের বিক্ষোভে সরব হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আবার এলাকায় আসেন এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা পরিদর্শনের পর তিনিও কাজের মান খারাপ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। যদিও ক্যামেরার সামনে তিনি মুখ খুলতে রাজি হননি, তবে অফ-ক্যামেরায় জানান যে পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং তাঁদের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের এই দীর্ঘসূত্রিতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, বারবার শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাঁরা এখন এমন একজন আধিকারিককে চান যিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। গ্রামবাসীরা আরও জানিয়েছেন যে, দ্রুত রাস্তা সংস্কার না হলে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।
খড়িবাড়ির বেলবাড়িতে প্রায় ১ কোটি ৬ লক্ষ ১৬ হাজার টাকা ব্যয়ে তৈরি হওয়া ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে ব্যাপক দুর্নীতি এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দারা আবারও তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর আগেও গ্রামবাসীরা এই রাস্তার কাজ বন্ধ করে প্রতিবাদে নেমেছিলেন। সেই সময় শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এলাকা পরিদর্শনে এসে অনিয়ম স্বীকার করেছিলেন এবং সমস্যা সমাধানের জন্য ১৪ দিনের সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও বাস্তবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এর ফলস্বরূপ, সোমবার স্থানীয়রা ফের বিক্ষোভে সরব হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সংশ্লিষ্ট জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার আবার এলাকায় আসেন এবং গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তা পরিদর্শনের পর তিনিও কাজের মান খারাপ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। যদিও ক্যামেরার সামনে তিনি মুখ খুলতে রাজি হননি, তবে অফ-ক্যামেরায় জানান যে পুরো বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং তাঁদের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের এই দীর্ঘসূত্রিতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, বারবার শুধু আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। তাঁরা এখন এমন একজন আধিকারিককে চান যিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। গ্রামবাসীরা আরও জানিয়েছেন যে, দ্রুত রাস্তা সংস্কার না হলে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।
- উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)-এর উদ্যোগে বন্দেমাতরম গানের আয়োজন করা হয়েছে।1
- এক বর্বরতার মামলায় আদালত মাত্র ২৯ দিনের মধ্যে একটি বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে, যেখানে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পর ভুক্তভোগী পরিবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে এবং তাদের আদালত চত্বরে কাঁদতে দেখা যায়। এই মামলাটি গোটা দেশকে নাড়া দিয়েছিল। দ্রুত শুনানি এবং অল্প সময়ের মধ্যে রায় আসায় মানুষ বিচার ব্যবস্থার প্রশংসা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও অনেকে একে 'দ্রুত ন্যায়বিচারের' উদাহরণ বলছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর মানুষজনের বক্তব্য, এমন অপরাধে কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি, যাতে সমাজে অপরাধের ভয় বজায় থাকে এবং মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।1
- ময়নাগুড়ি ব্লকের চূড়াভান্ডার গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাঙ্গারহাট পোস্ট অফিসে আধার কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করাতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সোমবার, ২৫ মে, পোস্টমাস্টার নির্ধারিত সময়ে না আসায় সকাল থেকে তীব্র রোদ উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হন। জানা গেছে, এদিন সকাল আটটা থেকেই বিভিন্ন এলাকার মানুষজন আধার-মোবাইল লিঙ্ক করানোর জন্য পোস্ট অফিসের সামনে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু বেলা গড়িয়ে দুপুর হয়ে গেলেও পোস্ট অফিস বন্ধ ছিল। দুপুর ১টা নাগাদ পোস্টমাস্টার সম্রাট সরকার পৌঁছালে ক্ষোভে ফেটে পড়েন অপেক্ষারত মানুষজন এবং তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বিক্ষোভের পর আলোচনার মাধ্যমে পোস্টমাস্টার অবশেষে পোস্ট অফিস খুলে পরিষেবা দেওয়া শুরু করেন। দীর্ঘক্ষণ রোদে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সুনীতি রায় নামে এক মহিলা অভিযোগ করেন যে তিনি সকাল আটটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও পোস্ট অফিস বন্ধ ছিল এবং পোস্টমাস্টার আসেননি। অন্য কয়েকজন মহিলা দাবি করেন যে সেখানকার পোস্টমাস্টার প্রায় প্রতিদিনই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে আসেন এবং তাড়াতাড়ি অফিস বন্ধ করে চলে যান। অবশ্য পোস্টমাস্টার সম্রাট সরকার তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি এদিন দেরিতে আসার কারণ হিসেবে জানান যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ডাকে তিনি ময়নাগুড়ি পোস্ট অফিসের মেইন ব্রাঞ্চে গিয়েছিলেন।1
- একটি গভীর আধ্যাত্মিক বার্তায়, সকল মানুষকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে নিজেদের পূর্বের সকল গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইতে আহ্বান জানানো হয়েছে। বার্তাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহ দয়ার সাগর এবং তিনিই আমাদের সৃষ্টিকর্তা। জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, আমরা যতই গুনাহ করি না কেন, যদি হৃদয় থেকে গুনাহকে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়, তাহলে ইনশাআল্লাহ তিনি আমাদের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন, যা 'সুবহানাল্লাহ' বলে প্রকাশ করা হয়েছে। এই বার্তাটি রুখিয়া বেগম, কচাকালি, চোপড়া, উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকাশিত হয়েছে।1
- কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে সম্প্রতি এক ফুল বিনিময়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনা ঘিরে স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠছে যে, এর উদ্দেশ্য কি নিছকই সৌজন্য বিনিময় ছিল, নাকি এটি কোনো সুরক্ষার খোঁজে সংগঠিত হয়েছে।1
- দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা সীমান্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এই এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণের আগে জমি জরিপ কাজ শুরু করা হয়েছে। এই কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।1
- রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।1
- ভজনপুর পোস্ট অফিসে আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করার পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে পোস্ট অফিসে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এবং সেখানে বিক্ষোভ দেখানো হয়।1
- দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে আসা একটি মন্তব্য সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে ভারতের প্রধান বিচারপতির নামে যে মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে যে “কিছু তরুণ সাংবাদিক সিস্টেমকে আক্রমণকারী আরশোলার মতো”। এই বিবৃতি সামনে আসার পর সাংবাদিক মহলে গভীর ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ যদি প্রশ্ন না করে, তাহলে জনগণের কণ্ঠস্বর কে হবে? অন্যদিকে, কিছু লোক এটিকে “শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীলতা”-র সাথে যুক্ত করে দেখছেন। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই উঠছে যে, এখন কি সত্য তুলে ধরেন এমন ব্যক্তিদের অপমানিত করা হবে? ক্ষমতা ও সিস্টেমের উপর প্রশ্ন তোলাকে কি ‘আক্রমণ’ হিসেবে গণ্য করা হবে? একদিকে যেখানে দেশজুড়ে সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ, মামলা এবং চাপের খবর ক্রমাগত সামনে আসছে, অন্যদিকে এই ধরনের শব্দ হাজার হাজার সৎ সাংবাদিকের ক্ষত আরও গভীর করে তোলে, যারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে জনগণের কাছে সত্য পৌঁছে দেন। যদি কলম ভয় পায়, তবে গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরও নীরব হয়ে যাবে। কলমকে আরশোলা বলার এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, সত্য লেখা কি এখন অপরাধে পরিণত হয়েছে?1