Shuru
Apke Nagar Ki App…
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন মেখলিগঞ্জ বিধানসভায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন হলদিবাড়ি যুবক হিরন্ময় দেবসিংহ তার সিম্বল চিহ্ন অটোরিক্সা তিনি কি বার্তা দিলেন শুনুন
Kinkar roy Journalist
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন মেখলিগঞ্জ বিধানসভায় নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন হলদিবাড়ি যুবক হিরন্ময় দেবসিংহ তার সিম্বল চিহ্ন অটোরিক্সা তিনি কি বার্তা দিলেন শুনুন
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের নিজতরফ অঞ্চলের ৯১ নম্বর বুথে শুক্রবার রাজনৈতিক পালাবদলের ছবি দেখা গেল। ওই বুথের ৭টি পরিবার সিপিআইএম ও বামফ্রন্ট ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। দলীয় প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারী-র হাত ধরে তাঁরা শাসক দলে সামিল হন। নবাগতদের দলীয় পতাকা তুলে স্বাগত জানান তৃণমূল নেতৃত্ব। উপস্থিত নেতারা জানান, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ও এলাকার অগ্রগতিতে অনুপ্রাণিত হয়েই ওই পরিবারগুলি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এই যোগদানে এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলে দাবি নেতৃত্বের।1
- দুই নির্দল প্রার্থীর সৌহার্দ্য সম্পর্কে বললেন কে এসডিসির প্রার্থী। নমঃশূদ্র সমর্থিত খাট চিহ্নের প্রতীকে প্রার্থী হয়েছেন মলয় সিদ্ধা। সেন্ট্রাল ডুয়ার্স প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠান চলাকালীন দুজনের মধ্যে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়।1
- বিজেপির একটি সভায় ধুপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি তথা গাদং এক নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান চিন্তা মোহন রায়ের উপস্থিতিকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আর যা নিয়ে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক। সাম্প্রতিক কিছু ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায় তিনি বিজেপির প্রার্থী নরেশ চন্দ্র রায়ের একটি সভায় বসে আছেন এবং নরেশ চন্দ্র রায়ের সঙ্গে কথাবার্তা বলছেন। এমন ভিডিও ছবি সোশ্যাল মিডিয়া ছড়িয়ে পড়তেই বিরূপ মন্তব্য দেখা যায়। আর যা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক ধুপগুড়ি রাজনীতিতে। পরে অবশ্য তিনি সাংবাদিকদের ডেকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানান তাকে ভুল বুঝিয়ে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকারের জন্য সেখানে গেলে এই ধরনের ঘটনা ঘটবে তিনি বুঝতে পারেননি তাই তিনি অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করেছেন। #Breaking #Dhupguri #CPIM1
- হাতেগোনা আর কদিন বাদে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ঠিক তার আগে আধা সেনাবাহিনীর সাজোয়া গাড়ি ঢুকেছে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায়। আর সেই গাড়িকে নিয়েই কটাক্ষ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূমের নেতা অনুব্রত মণ্ডল। তিনি বললেন সাজুয়া গাড়ি বাংলার রয়েল বেঙ্গল টাইগার খেয়ে নেবে। তিনি বিদ গ্রুপের সুরে আরো বলেন, বাপ জন্মে এরকম গাড়ি কখনো দেখি নাই।1
- বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে ব্যাপক রদ বদল। মনোনয়নপত্র জমা দিলেও বিজেপিকে সমর্থন করার দাবি জানালেন কামতাপুর স্টেট বিমান কাউন্সিল। সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানালেন সংগঠনের সভাপতি তপতি রায় মল্লিক।1
- শুক্রবার পুরনো নেতাদের ছাড়া এই লড়াই অসম্পূর্ণ—এই বিশ্বাস বুকে নিয়েই শীতলকুচি বিধানসভা জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী সুকমল বর্মন বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরনো নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আসন্ন নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেও যেন এক অন্যরকম আবেগের ছবি ধরা পড়ল শীতলকুচিতে। রাজনীতির কঠিন লড়াইয়ের ভিড়েও পুরনো সম্পর্ক, বিশ্বাস আর আশীর্বাদের টানেই পথে নামলেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মন।1
- আসামের কামাক্ষা মন্দিরে বলি প্রথা বন্ধ হয়নি। আসামে মাছ মাংস বিক্রি বন্ধ হয়নি। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গেও মাছ মাংস বিক্রি বন্ধ হবে না। বললেন আসামের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা। এদিন তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে আরো বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মাছ মাংসের বদলে গোমাংস বিক্রি বন্ধ হবে।1
- ভোটারদের অভয় দিলেন প্রশাসন, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট করাতে ময়দানে প্রশাসন ময়নাগুড়ি: আগামী ২৩ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট। আর সেই নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে তৎপর প্রশাসন ও পুলিশ। সেই লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি সাপটি বাড়ি ২ নম্বর অঞ্চলের একাধিক বুথে পৌঁছে সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললেন জেলার শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক সহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ। এদিন উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ি জেলা শাসক সন্দীপ ঘোষ ,পুলিশ সুপার অমরনাথ কে, ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। এদিন তারা সাপটি বাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের সুস্থির হাট বাজার , কাশীর ডাঙ্গা বুথ এলাকা, ছোট দোমোহনি বাজার সহ বিভিন্ন এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন, শোনেন তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা এবং ভোটকে ঘিরে কোনো আশঙ্কা বা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন কি না, তা খতিয়ে দেখেন। ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আধিকারিকরা আশ্বস্ত করেন যে, নির্ভয়ে ভোটদান নিশ্চিত করতে প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।1
- সিতাই বিধানসভায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত থেকে সক্রিয় রাজনীতি করেছেন শ্যামল গাঙ্গুলী। তিনি ব্লক সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। একসময় তৃনমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া-র ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি! যদিও মাঝখানে প্রায় দেড় বছর রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন শ্যামল গাঙ্গুলী, তবে ভোটের মুখে তার বিজেপিতে যোগদান ঘিরে সিতাইয়ের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিষয়টি।1