শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ধূপগুড়ি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ডুয়ার্স! বিঘার পর বিঘা আলু নষ্ট, দিশেহারা কৃষিকুল আবির ভট্টাচার্য, ধুপগুড়ি: লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে ডুয়ার্সের জনজীবন। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি ও বানারহাট ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় গতরাত থেকে শুরু হয় অবিরাম বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি। এর জেরে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি এখন জলের তলায়। খেতেই নষ্ট হচ্ছে আলু, শিম, মটরশুঁটির মতো শীতকালীন সবজি। একদিকে আলুর বাজারদর নিয়ে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ছিলই, তার ওপর এই অকাল দুর্যোগ তাঁদের কার্যত দিশেহারা করে তুলেছে। ঝড়ের দাপটে শুধুমাত্র ফসলের ক্ষতিই হয়নি, ভেঙে পড়েছে বহু ঘরবাড়িও। শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় অসংখ্য বাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গিয়েছে, কোথাও আবার চাল উড়ে গিয়ে পড়েছে পাশের জমিতে। মাথার গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে। আজ সকাল থেকেও এলাকায় বিরামহীন বৃষ্টি চলছে। সব মিলিয়ে গতরাতের এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডুয়ার্সের সাধারণ মানুষের জীবনে এক গভীর শোকের ছায়া নিয়ে এসেছে। সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা। বাইট, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাইট, গ্রামবাসী
শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ধূপগুড়ি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ডুয়ার্স! বিঘার পর বিঘা আলু নষ্ট, দিশেহারা কৃষিকুল আবির ভট্টাচার্য, ধুপগুড়ি: লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে ডুয়ার্সের জনজীবন। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি ও বানারহাট ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় গতরাত থেকে শুরু হয় অবিরাম বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি। এর জেরে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি এখন জলের তলায়। খেতেই নষ্ট হচ্ছে আলু, শিম, মটরশুঁটির মতো শীতকালীন সবজি। একদিকে আলুর বাজারদর নিয়ে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ছিলই, তার ওপর এই অকাল দুর্যোগ তাঁদের কার্যত দিশেহারা করে তুলেছে। ঝড়ের দাপটে শুধুমাত্র ফসলের ক্ষতিই হয়নি, ভেঙে পড়েছে বহু ঘরবাড়িও। শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় অসংখ্য বাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গিয়েছে, কোথাও আবার চাল উড়ে গিয়ে পড়েছে পাশের জমিতে। মাথার গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে। আজ সকাল থেকেও এলাকায় বিরামহীন বৃষ্টি চলছে। সব মিলিয়ে গতরাতের এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডুয়ার্সের সাধারণ মানুষের জীবনে এক গভীর শোকের ছায়া নিয়ে এসেছে। সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা। বাইট, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাইট, গ্রামবাসী
- শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ডুয়ার্স! বিঘার পর বিঘা আলু নষ্ট, দিশেহারা কৃষিকুল আবির ভট্টাচার্য, ধুপগুড়ি: লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে ডুয়ার্সের জনজীবন। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি ও বানারহাট ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় গতরাত থেকে শুরু হয় অবিরাম বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি। এর জেরে বিঘার পর বিঘা কৃষিজমি এখন জলের তলায়। খেতেই নষ্ট হচ্ছে আলু, শিম, মটরশুঁটির মতো শীতকালীন সবজি। একদিকে আলুর বাজারদর নিয়ে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ছিলই, তার ওপর এই অকাল দুর্যোগ তাঁদের কার্যত দিশেহারা করে তুলেছে। ঝড়ের দাপটে শুধুমাত্র ফসলের ক্ষতিই হয়নি, ভেঙে পড়েছে বহু ঘরবাড়িও। শিলাবৃষ্টির তীব্রতায় অসংখ্য বাড়ির টিনের চাল ফুটো হয়ে গিয়েছে, কোথাও আবার চাল উড়ে গিয়ে পড়েছে পাশের জমিতে। মাথার গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে অনেক পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে। আজ সকাল থেকেও এলাকায় বিরামহীন বৃষ্টি চলছে। সব মিলিয়ে গতরাতের এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডুয়ার্সের সাধারণ মানুষের জীবনে এক গভীর শোকের ছায়া নিয়ে এসেছে। সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীরা। বাইট, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাইট, গ্রামবাসী1
- আচমকা এই ধুপগুড়িতে শুরু হয় শিলা বৃষ্টি, ধুপগুড়ি দুরামারি এলাকায় ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়। গাছ উপড়ে রাস্তায় পড়ে থাকে। বিভিন্ন এলাকায় বাড়ির টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে যায়।1
- Post by বাংলা খবর1
- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের জেরে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি।বিগত কয়েকদিন ধরেই সিলিন্ডার না মেলায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ জেলাবাসী।জলপাইগুড়িতেও পৌঁছে গেল জ্বালানি সংকটের আঁচ। বিগত কয়েক দিন ধরে রান্নার গ্যাসের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে কার্যত হাহাকার পড়ে গিয়েছে শহরজুড়ে । বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ময়নাগুড়ি র গ্যাস গোডাউন ও জলপাইগুড়ি ইন্দিরা গান্ধী কলোনি এলাকার গ্যাস গোডাউনে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়, তবে চাহিদার তুলনায় জোগান না থাকায় নিরাশ হয়ে ফিরতে হয় অধিকাংশ গ্রাহককে।1
- ফাল্গুনের শেষেই কালবৈশাখীর তাণ্ডব , লণ্ডভণ্ড ডুয়ার্স। চৈত্র আসার আগেই কালবৈশাখীর রুদ্ররূপ দেখল ডুয়ার্সবাসী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রবল ঝড়ে কার্যত তছনছ হয়ে গেল ডুয়ার্সের বানারহাট ও সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকা। ঝড়ের দাপটে বহু মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন, ভেঙে পড়েছে জনজীবন। বিপর্যস্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা। এমনকি কর্তব্যরত অবস্থায় ঝড়ের কবলে পড়ে আটকে পড়েন বানারহাট থানার আইসি-ও। এমনটাই খবর জানা গেছে এই মুহূর্তে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নামতেই আকাশ কালো করে শুরু হয় প্রবল বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া। মুহূর্তের মধ্যে লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় ডুয়ার্সের একাধিক জনপদ। সবথেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বানারহাটে। জাতীয় সড়কের ওপর একাধিক জায়গায় বিশালাকায় গাছ উপড়ে পড়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বহু কাঁচা বাড়ির চাল উড়ে গেছে। ভেঙে পড়া গাছের তলায় চাপা পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কিছু পাকা বাড়িও। প্রবল ঝড়ে ছিঁড়ে পড়েছে বিদ্যুতের তার, উপড়ে গেছে খুঁটি। ফলে সন্ধ্যা থেকেই গোটা এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন। ঝড়ের সময় কর্তব্য পালন করতে গিয়ে রাস্তায় গাছ পড়ে যাওয়ায় আইসি বানারহাটের গাড়িও দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকে। বিপর্যয়ের খবর পেয়েই আসরে নেমেছে প্রশাসন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী রাস্তা থেকে গাছ সরানোর কাজ শুরু করেছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। বিদ্যুৎ দফতরও পরিষেবা ফেরাতে কাজ শুরু করেছে, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।5
- Post by Tapas Roy1
- Post by Raj roy1
- বকেয়া ডিএ'র দাবিতে কাল রাজ্যজুড়ে ধর্মঘট, ধূপগুড়িতেও মিছিল যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া মহার্ঘভাতা না মেটানো এবং নতুন করে সময় চাওয়ার প্রতিবাদে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এই আবহে আগামীকাল, শুক্রবার রাজ্যজুড়ে সরকারি দফতর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ ও সরকারি কর্মচারী পরিষদসহ একাধিক সংগঠন। আন্দোলনকারীদের প্রধান ক্ষোভ রাজ্যের গড়িমসি নিয়ে। তাদের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিত বকেয়া মহার্ঘভাতার ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মেটাতে হবে।রাজ্যে পড়ে থাকা প্রায় ৬ লক্ষ সরকারি শূন্যপদে দ্রুত স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।ধূপগুড়িতে ধর্মঘটের সমর্থনে বৃহস্পতিবার বিকেলে ধূপগুড়িতে জোরদার প্রচার চালানো হয়। ধূপগুড়ি ডাকবাংলো থেকে শুরু করে বাস টার্মিনাস পর্যন্ত একটি বিশাল মিছিল বের করেন যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের সদস্যরা। স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তারা সাধারণ কর্মচারী ও শিক্ষকদের আগামীকালের কর্মবিরতিতে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি এই বন্ধের সমর্থন করে বিজেপি। অন্যদিকে, এই ধর্মঘট রুখতে মরিয়া তৃণমূল সমর্থিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন। অফিস-কাছারি সচল রাখতে তারা পাল্টা প্রচার শুরু করেছে। ধর্মঘটকে ‘জনবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে কর্মীদের কাজে যোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। সব মিলিয়ে শুক্রবার সরকারি দফতরগুলোতে এক চরম সংঘাতের আবহাওয়া তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুনে নেবো বিষয়টি নিয়ে কি বলছেন বিজেপি নেতা ঈশ্বর চন্দ্র রায় সহ বন্ধের সমর্থনকারীরা।1