কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি এলাকায় দিনের আলোয় ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক উদ্ধার হল চুরি যাওয়া সেই ছাগলটি। দিনের আলোয় ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক। উদ্ধার হল চুরি যাওয়া সেই ছাগলটি। দিনের আলোয় বাড়ির গেট থেকে ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক। এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা তাদের পরিচয় নিয়ে তাঁদের বাড়িতে জানিয়ে।পুলিশের হাতে তুলে দেন। শনিবার দুপুর প্রায় দু’টো নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে, কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২০ নম্বর জামালদহ–বালাপুকুরি এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইকেলে করে এসে ওই দুই যুবক বাড়ির সামনে রাখা একটি পাঁঠা ছাগল তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসীরা ছুটে এসে তাদের ধরে ফেলেন। ধরা পড়ার পর যুবকরা নিজেদের প্রথমবার চুরি করতে এসেছেন বলে দাবি করে ক্ষমা চাইতে থাকেন। তবে তাতে পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বরং খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরও লোক জড়ো হয় পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। গুরুতর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করে অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ছাগলের মালিক অনিতা রায় জানান, “ওরা ছাগল নিয়ে পালাচ্ছিল। আমরা চিৎকার করতেই লোকজন এসে ধরে ফেলে।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি এলাকায় দিনের আলোয় ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক উদ্ধার হল চুরি যাওয়া সেই ছাগলটি। দিনের আলোয় ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক। উদ্ধার হল চুরি যাওয়া সেই ছাগলটি। দিনের আলোয় বাড়ির গেট থেকে ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক। এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা তাদের পরিচয় নিয়ে তাঁদের বাড়িতে জানিয়ে।পুলিশের হাতে তুলে দেন। শনিবার দুপুর প্রায় দু’টো নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে, কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২০ নম্বর জামালদহ–বালাপুকুরি এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইকেলে করে এসে ওই দুই যুবক বাড়ির সামনে রাখা একটি পাঁঠা ছাগল তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসীরা ছুটে এসে তাদের ধরে ফেলেন। ধরা পড়ার পর যুবকরা নিজেদের প্রথমবার চুরি করতে এসেছেন বলে দাবি করে ক্ষমা চাইতে থাকেন। তবে তাতে পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বরং খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরও লোক জড়ো হয় পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। গুরুতর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করে অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ছাগলের মালিক অনিতা রায় জানান, “ওরা ছাগল নিয়ে পালাচ্ছিল। আমরা চিৎকার করতেই লোকজন এসে ধরে ফেলে।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
- Post by Bidhan Biswas1
- Post by Sakil Ahamed1
- আপনার আদরের কন্যা সন্তানের শিক্ষা দীক্ষা এবং নিরাপত্তায় বেড়ে ওঠার নির্ভরযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বড় গদাইখোড়া (আখড়ার হাট) দারুল উলুম বানাত মাদ্রাসা। পরিযায়ী শ্রমিক ও ইটভাটা শ্রমিকদের মেয়েদের থাকা খাওয়া সমেত অল্প খরচে স্কুল শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষায় পড়ানোর সুযোগ । বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন - 87440 46329 এই ফোন নম্বরে।1
- শীতলকুচি: ভক্তির টানে মানুষ কতটা নিবেদিত হতে পারেন, তারই এক বিরল ও আবেগঘন দৃশ্য দেখা গেল পূর্ব শীতলকুচির ধোনিরটাড়ি এলাকায়। শনিবার দুপুর প্রায় দুইটা নাগাদ স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন, এক সাধু গড়িয়ে গড়িয়ে নামসংকীর্তনের আসরের দিকে এগিয়ে চলেছেন। শরীর মাটিতে, কিন্তু মন সম্পূর্ণভাবে ভগবানের নামে নিমগ্ন—এমন দৃশ্য মুহূর্তেই সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। জানা যায়, ওই সাধু নামসংকীর্তনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই কঠোর ভক্তির পথ বেছে নেন। তাঁকে এভাবে এগিয়ে আসতে দেখে আশেপাশের অন্যান্য সাধু-সন্তরা ছুটে আসেন। তারা হরিনাম সংকীর্তন শুরু করে তাঁকে উৎসাহিত করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সেই নামসংকীর্তনের আসরে পৌঁছে যান এবং সকলের সঙ্গে মিলেমিশে ভগবানের নামে সুর তোলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ভক্তি ও আবেগের এক অন্যরকম পরিবেশ তৈরি হয়। উপস্থিত অনেকেই বলেন, এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়—যেখানে ভক্তি এতটা গভীর, এতটাই আন্তরিক।1
- Narendra Modi-র “মন কি বাত” অনুষ্ঠানে জলপাইগুড়ির সাধারণ মানুষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানায়। কেউ এটিকে তথ্যবহুল ও অনুপ্রেরণামূলক বলে মনে করেন, যা দেশের উন্নয়ন ও সচেতনতা বাড়ায়। আবার অনেকে বলেন, এতে বাস্তব সমস্যার সমাধান কম উঠে আসে। সামগ্রিকভাবে, এটি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ালেও প্রত্যাশা পূরণে আরও কার্যকর উদ্যোগ চায়।3
- ভুট্টাক্ষেত থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসা গন্ডারের হামলায় গুরুতর জখম হলেন এক ব্যক্তি। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ব্যক্তি সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন । সেই সময় আচমকাই ভুট্টাক্ষেতের ভিতর থেকে একটি গন্ডার বেরিয়ে এসে তাকে আক্রমণ করে। হঠাৎ আক্রমণে তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং গুরুতরভাবে জখম হন। চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে কোনওক্রমে গন্ডারটিকে তাড়িয়ে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বনদফতরকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং গন্ডারটিকে নজরে রাখার জন্য অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।1
- মনিপুর তিন বছর ধরে জ্বলছে প্রধানমন্ত্রীর সময় নেই।। অথচ সময় আছে নৌকা বিহার করার। মণিপুরের চলমান সংকট এবং সেই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়ে একটি নিউজ প্রতিবেদন নিচে দেওয়া হলো: ## জ্বলছে মণিপুর, প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার নিয়ে ক্ষোভ: তিন বছরের অস্থিরতা বনাম ‘নৌকা বিহার’ **নিজস্ব প্রতিনিধি | ২৫ এপ্রিল, ২০২৬** **ইম্ফল/নয়াদিল্লি:** উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্ত রাজ্য মণিপুর বিগত তিন বছর ধরে জাতিগত দাঙ্গার আগুনে পুড়ছে। ঘরছাড়া হাজার হাজার মানুষ, লাশের স্তূপ আর স্বজন হারানোর আর্তনাদে ভারী হয়ে আছে রাজ্যের বাতাস। কিন্তু দীর্ঘ এই সময়ের মধ্যে একবারও বিধ্বস্ত মণিপুরে পা রাখেননি প্রধানমন্ত্রী। অথচ সম্প্রতি তার ‘নৌকা বিহার’ বা প্রমোদ ভ্রমণের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে। ### অবিনাশী অশান্তি ও প্রশাসনিক শূন্যতা ২০২৩ সালের মে মাস থেকে শুরু হওয়া মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যকার সংঘর্ষ আজ তিন বছরে পা দিল। সরকারি হিসেবেই মৃতের সংখ্যা কয়েক শ ছাড়িয়েছে, আর বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ত্রাণ শিবিরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন নারী ও শিশুরা। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকলেও শান্তি ফেরাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে ডবল ইঞ্জিন সরকার—এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। ### মোদীর ‘নৌকা বিহার’ বনাম মণিপুরের আর্তনাদ মণিপুর যখন জ্বলছে, ঠিক সেই সময়েই প্রধানমন্ত্রীর অবকাশ যাপনের বা বিশেষ কোনো উৎসব উপলক্ষে নৌকা ভ্রমণের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এই বৈপরীত্যকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ বলছেন, **"রাজ্যের মানুষ যখন প্রাণের দায়ে পালাচ্ছে, তখন দেশের অভিভাবকের হাতে জলবিহার করার সময় আছে, কিন্তু মণিপুরে যাওয়ার সময় নেই।"** ### রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে। কংগ্রেসের দাবি, প্রধানমন্ত্রী রাজধর্ম পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তাদের বক্তব্য: > "মণিপুর ভারতের অংশ কি না, তা নিয়ে এখন সংশয় জাগছে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচারে বা প্রমোদ ভ্রমণে যতটা সময় ব্যয় করেন, তার এক শতাংশও যদি এই জ্বলন্ত রাজ্যটির জন্য দিতেন, তবে হয়তো আজ পরিস্থিতি অন্যরকম হতো।" > ### পরিস্থিতি এখন কেমন? বর্তমানে মণিপুরের পরিস্থিতি থমথমে। মাঝে মাঝে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেলেও জনজীবন বিপর্যস্ত। ইন্টারনেট পরিষেবা এবং সাধারণ চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ জারি থাকায় স্থবির হয়ে আছে শিক্ষা ও অর্থনীতি। সাধারণ মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন— **আর কতদিন জ্বললে প্রধানমন্ত্রীর সময় হবে মণিপুরবাসীর চোখের জল মোছানোর?** **প্রতিবেদকের মন্তব্য:** গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান কাজ। মণিপুরের দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা আর প্রধানমন্ত্রীর আপাত ‘উদাসীনতা’ জাতীয় সংহতির ক্ষেত্রে এক বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। #westbengalassemblyelection2026 #মোদী #modi #TMC #BJP #modi #WestBengal1
- ছোটপিঞ্জারির ঝাড় (নলগ্রাম) যৌথ কমিটির পরিচালনায়, রাধাগোবিন্দ মহানাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান দীর্ঘ চল্লিশ বছর যাবত এলাকার ভক্তদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে রাধাগোবিন্দ মহানাম যজ্ঞ। নলগ্রাম ছোট পিঞ্জারিরঝাড় গোপাল গোবিন্দ আনন্দ মন্দির কমিটির পরিচালনায় প্রতি বছর অষ্টপ্রহরের আয়োজন করা হয়। এবছর চারটি দল কীর্তনের আসরে নাম সংকীর্তন পরিবেশন করেন। এদিন গড়িয়ে গড়িয়ে কীর্তনের আসরে আসা এক ভক্তের আগমনে মুখরিত হয়ে ওঠে মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান। গড়িয়ে আসা ভক্ত সন্তোষ বর্মন জানান সকল ভক্তবৃন্দের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন। এদিন হরি মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে তারা সেখানকার মন্দির নির্মাণের জন্য সকল ভক্তবৃন্দের কাছে আবেদন জানান।1
- কোচবিহারে নির্বাচনী উত্তেজনার আবহে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। জেলাশাসকের উপস্থিতিতেই স্ট্রংরুমের কর্মীদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়লেন কোচবিহার উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ প্রতিম রায় । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিয়ে কিছু প্রশ্ন তোলেন প্রার্থী। সেই সময় স্ট্রংরুমে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরিস্থিতি কিছু সময়ের জন্য উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রার্থী নিরাপত্তা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। অন্যদিকে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে বলেই জানান। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ঘটনার সময় জেলাশাসক উপস্থিত থাকায় বিষয়টি দ্রুত গুরুত্ব পায় এবং প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্ট্রংরুম ঘিরে এ ধরনের উত্তেজনা নতুন নয়, তবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে এমন ঘটনা ঘটা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।1