ধোনিরটাড়িতে ভক্তির অনন্য দৃশ্য—গড়িয়ে গড়িয়ে নামসংকীর্তনে যোগ সাধুর শীতলকুচি: ভক্তির টানে মানুষ কতটা নিবেদিত হতে পারেন, তারই এক বিরল ও আবেগঘন দৃশ্য দেখা গেল পূর্ব শীতলকুচির ধোনিরটাড়ি এলাকায়। শনিবার দুপুর প্রায় দুইটা নাগাদ স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন, এক সাধু গড়িয়ে গড়িয়ে নামসংকীর্তনের আসরের দিকে এগিয়ে চলেছেন। শরীর মাটিতে, কিন্তু মন সম্পূর্ণভাবে ভগবানের নামে নিমগ্ন—এমন দৃশ্য মুহূর্তেই সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। জানা যায়, ওই সাধু নামসংকীর্তনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই কঠোর ভক্তির পথ বেছে নেন। তাঁকে এভাবে এগিয়ে আসতে দেখে আশেপাশের অন্যান্য সাধু-সন্তরা ছুটে আসেন। তারা হরিনাম সংকীর্তন শুরু করে তাঁকে উৎসাহিত করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সেই নামসংকীর্তনের আসরে পৌঁছে যান এবং সকলের সঙ্গে মিলেমিশে ভগবানের নামে সুর তোলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ভক্তি ও আবেগের এক অন্যরকম পরিবেশ তৈরি হয়। উপস্থিত অনেকেই বলেন, এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়—যেখানে ভক্তি এতটা গভীর, এতটাই আন্তরিক।
ধোনিরটাড়িতে ভক্তির অনন্য দৃশ্য—গড়িয়ে গড়িয়ে নামসংকীর্তনে যোগ সাধুর শীতলকুচি: ভক্তির টানে মানুষ কতটা নিবেদিত হতে পারেন, তারই এক বিরল ও আবেগঘন দৃশ্য দেখা গেল পূর্ব শীতলকুচির ধোনিরটাড়ি এলাকায়। শনিবার দুপুর প্রায় দুইটা নাগাদ স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন, এক সাধু গড়িয়ে গড়িয়ে নামসংকীর্তনের আসরের দিকে এগিয়ে চলেছেন। শরীর মাটিতে, কিন্তু মন সম্পূর্ণভাবে ভগবানের নামে নিমগ্ন—এমন দৃশ্য মুহূর্তেই সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। জানা যায়, ওই সাধু নামসংকীর্তনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই কঠোর ভক্তির পথ বেছে নেন। তাঁকে এভাবে এগিয়ে আসতে দেখে আশেপাশের অন্যান্য সাধু-সন্তরা ছুটে আসেন। তারা হরিনাম সংকীর্তন শুরু করে তাঁকে উৎসাহিত করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সেই নামসংকীর্তনের আসরে পৌঁছে যান এবং সকলের সঙ্গে মিলেমিশে ভগবানের নামে সুর তোলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ভক্তি ও আবেগের এক অন্যরকম পরিবেশ তৈরি হয়। উপস্থিত অনেকেই বলেন, এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়—যেখানে ভক্তি এতটা গভীর, এতটাই আন্তরিক।
- আপনার আদরের কন্যা সন্তানের শিক্ষা দীক্ষা এবং নিরাপত্তায় বেড়ে ওঠার নির্ভরযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বড় গদাইখোড়া (আখড়ার হাট) দারুল উলুম বানাত মাদ্রাসা। পরিযায়ী শ্রমিক ও ইটভাটা শ্রমিকদের মেয়েদের থাকা খাওয়া সমেত অল্প খরচে স্কুল শিক্ষা ও মাদ্রাসা শিক্ষায় পড়ানোর সুযোগ । বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন - 87440 46329 এই ফোন নম্বরে।1
- শীতলকুচি: ভক্তির টানে মানুষ কতটা নিবেদিত হতে পারেন, তারই এক বিরল ও আবেগঘন দৃশ্য দেখা গেল পূর্ব শীতলকুচির ধোনিরটাড়ি এলাকায়। শনিবার দুপুর প্রায় দুইটা নাগাদ স্থানীয়রা লক্ষ্য করেন, এক সাধু গড়িয়ে গড়িয়ে নামসংকীর্তনের আসরের দিকে এগিয়ে চলেছেন। শরীর মাটিতে, কিন্তু মন সম্পূর্ণভাবে ভগবানের নামে নিমগ্ন—এমন দৃশ্য মুহূর্তেই সকলকে আবেগাপ্লুত করে তোলে। জানা যায়, ওই সাধু নামসংকীর্তনে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই কঠোর ভক্তির পথ বেছে নেন। তাঁকে এভাবে এগিয়ে আসতে দেখে আশেপাশের অন্যান্য সাধু-সন্তরা ছুটে আসেন। তারা হরিনাম সংকীর্তন শুরু করে তাঁকে উৎসাহিত করতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সেই নামসংকীর্তনের আসরে পৌঁছে যান এবং সকলের সঙ্গে মিলেমিশে ভগবানের নামে সুর তোলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ভক্তি ও আবেগের এক অন্যরকম পরিবেশ তৈরি হয়। উপস্থিত অনেকেই বলেন, এমন দৃশ্য খুব কমই দেখা যায়—যেখানে ভক্তি এতটা গভীর, এতটাই আন্তরিক।1
- ভুট্টাক্ষেত থেকে হঠাৎ বেরিয়ে আসা গন্ডারের হামলায় গুরুতর জখম হলেন এক ব্যক্তি। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ব্যক্তি সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন । সেই সময় আচমকাই ভুট্টাক্ষেতের ভিতর থেকে একটি গন্ডার বেরিয়ে এসে তাকে আক্রমণ করে। হঠাৎ আক্রমণে তিনি মাটিতে পড়ে যান এবং গুরুতরভাবে জখম হন। চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে কোনওক্রমে গন্ডারটিকে তাড়িয়ে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বনদফতরকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং গন্ডারটিকে নজরে রাখার জন্য অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।1
- মাথাভাঙ্গা এক ব্লকের জোড়পাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের কোদাল ধোঁয়া এলাকায় মদন কামের বাঁশ খেলায় মেতে উঠেছে1
- প্রকৃতির নিয়ম যেন মুহূর্তের জন্য উল্টে গেল! শনিবার রাতের ঝড়-বৃষ্টি কাটতেই কোচবিহারের ১ নম্বর ব্লকের বাঘরোয়া গ্রামে সামনে এল এক অবিশ্বাস্য ও বিরল দৃশ্য, যা দেখে স্তম্ভিত হয়ে পড়েন গ্রামবাসীরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রবল ঝড় ও মুষলধারে বৃষ্টির পর গ্রামের এক এলাকায় হঠাৎই চোখে পড়ে এক অদ্ভুত ঘটনা। স্থানীয়ভাবে পরিচিত একটি বড় আকারের সোনা ব্যাঙ ধীরে ধীরে গিলে ফেলছে আরেকটি কুনো ব্যাঙকে। ঘটনাটি এতটাই অস্বাভাবিক যে উপস্থিত মানুষজন প্রথমে নিজেদের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারেননি। সাধারণত প্রকৃতির খাদ্য-শৃঙ্খলে ব্যাঙ শিকার হয় সাপ, পাখি বা বড় প্রাণীর। কিন্তু এখানে সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র—একটি ব্যাঙই আরেকটি ব্যাঙের শিকারি! এই দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। অনেকেই মোবাইলে সেই দৃশ্য বন্দি করেন, যা পরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। গ্রামবাসীদের দাবি, এমন ঘটনা তারা আগে কখনও দেখেননি। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, “ঝড়-বৃষ্টির পর অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখা যায় ঠিকই, কিন্তু এভাবে একটা ব্যাঙ আরেকটা ব্যাঙকে গিলে খাচ্ছে—এটা সত্যিই অবাক করার মতো।” বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃতিতে খাদ্যাভাব, পরিবেশগত পরিবর্তন বা বেঁচে থাকার তাগিদে অনেক সময় প্রাণীরা অস্বাভাবিক আচরণ করে। বড় আকারের কিছু ব্যাঙ প্রজাতি সুযোগ পেলে ছোট ব্যাঙ বা অন্য ছোট প্রাণীকেও শিকার করতে পারে। তবে এমন দৃশ্য খুবই বিরল এবং সাধারণ মানুষের চোখে পড়া আরও বিরল। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় এখনো কৌতূহল তুঙ্গে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—প্রকৃতি কি সত্যিই নতুন কোনও সংকেত দিচ্ছে? নাকি এটি শুধুই বিরল কিন্তু স্বাভাবিক এক প্রাকৃতিক ঘটনা? যাই হোক, কোচবিহারের বাঘরোয়া গ্রামের এই ঘটনায় স্পষ্ট—প্রকৃতি এখনো রহস্যে ভরা, আর তার অজানা দিকগুলি মাঝে মধ্যেই আমাদের সামনে চমকে দিয়ে যায়।1
- দিনের আলোয় ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক। উদ্ধার হল চুরি যাওয়া সেই ছাগলটি। দিনের আলোয় বাড়ির গেট থেকে ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল দুই যুবক। এরপর ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা তাদের পরিচয় নিয়ে তাঁদের বাড়িতে জানিয়ে।পুলিশের হাতে তুলে দেন। শনিবার দুপুর প্রায় দু’টো নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে, কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২০ নম্বর জামালদহ–বালাপুকুরি এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাইকেলে করে এসে ওই দুই যুবক বাড়ির সামনে রাখা একটি পাঁঠা ছাগল তুলে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। বিষয়টি টের পেয়ে বাড়ির লোকজন চিৎকার শুরু করলে এলাকাবাসীরা ছুটে এসে তাদের ধরে ফেলেন। ধরা পড়ার পর যুবকরা নিজেদের প্রথমবার চুরি করতে এসেছেন বলে দাবি করে ক্ষমা চাইতে থাকেন। তবে তাতে পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। বরং খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরও লোক জড়ো হয় পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। গুরুতর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করে অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ছাগলের মালিক অনিতা রায় জানান, “ওরা ছাগল নিয়ে পালাচ্ছিল। আমরা চিৎকার করতেই লোকজন এসে ধরে ফেলে।” ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- ছোটপিঞ্জারির ঝাড় (নলগ্রাম) যৌথ কমিটির পরিচালনায়, রাধাগোবিন্দ মহানাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান দীর্ঘ চল্লিশ বছর যাবত এলাকার ভক্তদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে রাধাগোবিন্দ মহানাম যজ্ঞ। নলগ্রাম ছোট পিঞ্জারিরঝাড় গোপাল গোবিন্দ আনন্দ মন্দির কমিটির পরিচালনায় প্রতি বছর অষ্টপ্রহরের আয়োজন করা হয়। এবছর চারটি দল কীর্তনের আসরে নাম সংকীর্তন পরিবেশন করেন। এদিন গড়িয়ে গড়িয়ে কীর্তনের আসরে আসা এক ভক্তের আগমনে মুখরিত হয়ে ওঠে মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান। গড়িয়ে আসা ভক্ত সন্তোষ বর্মন জানান সকল ভক্তবৃন্দের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করেন। এদিন হরি মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে তারা সেখানকার মন্দির নির্মাণের জন্য সকল ভক্তবৃন্দের কাছে আবেদন জানান।1