Shuru
Apke Nagar Ki App…
ময়নাগুড়ির উল্লাডাবরী এলাকায় গত রবিবার সকালে ঘটে যাওয়া সরকারি বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত চালক সোমবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানোর সময় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আচমকা বাসের স্টিয়ারিং লক হয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আনুমানিক সাড়ে দশটা নাগাদ দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেলার গাড়িতে ধাক্কা মারার ফলে ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ বাস চালককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া সরকারি বাসের চালকের নাম সাহাজনাল, যার বাড়ি মালদার হরিশচন্দ্রপুর এলাকায়। সোমবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা দায়রা আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ময়নাগুড়ি নিউজ
ময়নাগুড়ির উল্লাডাবরী এলাকায় গত রবিবার সকালে ঘটে যাওয়া সরকারি বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত চালক সোমবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানোর সময় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আচমকা বাসের স্টিয়ারিং লক হয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আনুমানিক সাড়ে দশটা নাগাদ দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেলার গাড়িতে ধাক্কা মারার ফলে ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ বাস চালককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া সরকারি বাসের চালকের নাম সাহাজনাল, যার বাড়ি মালদার হরিশচন্দ্রপুর এলাকায়। সোমবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা দায়রা আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পাহাড়ে লাগাতার বৃষ্টির কারণে জলঢাকা নদীর জলস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করায় ময়নাগুড়ি ব্লকের বন্যা কবলিত এলাকার বাসিন্দারা গভীর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। নদী থেকে জল বিভিন্ন নিচু এলাকায় ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সোমবার, অর্থাৎ ২২শে জুন, আমগুড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের খাটোরবাড়ি এলাকার নতুন বাঁধে একটি গর্ত তৈরি হয়, যেখান দিয়ে দ্রুত জল বের হতে শুরু করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাবাসীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে, গ্রামবাসীরাই দ্রুত মাটি এবং প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহার করে অস্থায়ীভাবে গর্তটি মেরামত করেন। উল্লেখ্য, গত বছরের ভয়াবহ বন্যায় এই এলাকার বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই মর্মান্তিক স্মৃতি এখনও মানুষের মনে টাটকা থাকায় নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্ক বহুগুণ বেড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বহু পরিবার এখনও তাদের ঘর সম্পূর্ণভাবে তৈরি করতে পারেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এরপর ময়নাগুড়ি ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং সিভিল ডিফেন্স কর্মীরাও এলাকায় পৌঁছান। স্থানীয় বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, জলস্তর আরও বাড়লে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। তাই, তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত বাঁধ মজবুত করা এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।1
- রাহুল গান্ধী রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন।1
- জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়ি এলাকায় ধারাবাহিকভাবে চুরির ঘটনা ঘটে চলেছে। সর্বশেষ এমন একটি ঘটনা স্থানীয় মাছ বাজারে ঘটেছে।1
- জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়িতে একটি বাস দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। এই দুর্ঘটনার জন্য কে বা কারা দায়ী, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।1
- এই পোস্টে দর্শকদের একটি ভিডিও দেখার জন্য এবং তাতে লাইক, শেয়ার ও কমেন্ট করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, পোস্টটিতে বলা হয়েছে যে সবাই যেন পেজটি ফলো করেন।1
- ময়নাগুড়ির উল্লাডাবরী এলাকায় গত রবিবার সকালে ঘটে যাওয়া সরকারি বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত চালক সোমবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানোর সময় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, আচমকা বাসের স্টিয়ারিং লক হয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। আনুমানিক সাড়ে দশটা নাগাদ দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেলার গাড়িতে ধাক্কা মারার ফলে ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ বাস চালককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়া সরকারি বাসের চালকের নাম সাহাজনাল, যার বাড়ি মালদার হরিশচন্দ্রপুর এলাকায়। সোমবার তাকে জলপাইগুড়ি জেলা দায়রা আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।1
- ধুপগুড়ি পৌর বাস টার্মিনাস আবারও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছে, যেখানে সোমবার টাকা তোলাকে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর আগেও এই টার্মিনাস বাস থেকে অযৌক্তিকভাবে টাকা তোলা এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের খুঁটিতে দলীয় পতাকা টাঙানোর অভিযোগকে ঘিরে বিতর্কের কেন্দ্র ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধুপগুড়ি পৌর বাস টার্মিনাসে বাস মালিকদের দুটি সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ ওঠে যে, ইন্টার ডিস্ট্রিক্ট বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর কয়েকজন সদস্য ধুপগুড়ি বাস ও মিনিবাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর কার্যালয়ে ঢুকে টাকা তোলার হিসাব দাবি করেন। অপর সংগঠনের পক্ষ থেকে সেই হিসাব দিতে অস্বীকার করা হলে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা দ্রুত উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে পরিণত হয় এবং মারধরের ঘটনাও ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে ধুপগুড়ি থানার একটি বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ এক পক্ষের সদস্যদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাস টার্মিনাস এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি।1