logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল বা মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্পের দায়িত্ব ইসকন (International Society for Krishna Consciousness)-কে দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত ঘিরে একটি নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে সরকার খাবারের গুণমান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষাবিদ, অভিভাবক এবং পুষ্টিবিদদের একটি বড় অংশ শিশুদের পুষ্টি ও খাদ্যের অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছেন। এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তিনটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান: ডিম, পিঁয়াজ এবং রসুন। রাজ্য সরকারের ২০২৬ সালের বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে যে, কলকাতা পুরনিগম এলাকার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল ব্যবস্থার মানোন্নয়নে ইসকনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য মধ্যাহ্নভোজ খাতে মাথাপিছু বরাদ্দ ৬ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হলেও, উচ্চ প্রাথমিক স্তরে বরাদ্দে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই পদক্ষেপ আপাতদৃষ্টিতে শিশুদের পুষ্টির প্রতি সরকারের যত্নশীলতা প্রকাশ করলেও, ইসকনের ধর্মীয় খাদ্যাভ্যাস ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইস্কন একটি ধর্মীয় সংস্থা, যা কঠোরভাবে 'সাত্ত্বিক' বা শুদ্ধ নিরামিষ আহারের নীতি মেনে চলে। এই নীতি অনুযায়ী, মাংস, মাছ এবং ডিম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, পিঁয়াজ এবং রসুনকেও রাজসিক ও তামসিক খাদ্য হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এগুলি রান্নায় ব্যবহার করা হয় না। ইসকনের পরিচালিত 'অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন' ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শিশুদের জন্য নিরামিষ মিড ডে মিল সরবরাহ করে থাকে। তাদের দাবি, তাদের আধুনিক সেন্ট্রাল কিচেনগুলিতে অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বৈচিত্র্যময় নিরামিষ খাবার তৈরি করা হয়, যা শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে সক্ষম। মিড ডে মিল প্রকল্পে ডিমের গুরুত্ব নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। ডিমকে 'সম্পূর্ণ প্রোটিন' বা একটি আদর্শ প্রোটিনের উৎস হিসেবে দেখা হয়, কারণ এতে প্রয়োজনীয় সবকটি অ্যামিনো অ্যাসিড সঠিক অনুপাতে থাকে। এছাড়া ডিম সস্তা, সহজে পাওয়া যায় এবং শিশুরা সাধারণত এটি খেতে পছন্দ করে। অপুষ্টির শিকার দরিদ্র শিশুদের জন্য ডিম প্রোটিন, ফ্যাট, আয়রন এবং বিভিন্ন ভিটামিনের একটি সহজলভ্য উৎস। পুষ্টিবিদদের মতে, ডিমের বিকল্প হিসেবে ডাল, পনির, দুধ, সয়াবিন, বাদাম বা বিভিন্ন সবজি ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ডিমের মতো একক খাদ্যে এত গুণমান নিশ্চিত করা কঠিন এবং ব্যয়সাধ্য। ইসকনের নিরামিষ খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন বা ক্যালোরি দেওয়া গেলেও, ডিম থেকে প্রাপ্ত প্রোটিনের মানের বিকল্প হিসেবে অন্য কিছু কতটা বৈজ্ঞানিক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই বিতর্কের গভীরতর রাজনৈতিক ও সামাজিক দিকও রয়েছে। বহু মানুষ মনে করছেন যে, একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে সরকার যখন কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সংস্থার খাদ্য নীতি শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেয়, তখন তা ধর্মনিরপেক্ষতার মূল নীতির পরিপন্থী হয়। শিশুদের খাদ্যের অধিকার এবং সাংস্কৃতিক স্বায়ত্তশাসনকে খর্ব করার অভিযোগ উঠছে। পশ্চিমবঙ্গে যেখানে একটি বড় অংশের মানুষের খাদ্যাভ্যাসে মাছ, ডিম এবং অন্যান্য আমিষ খাবার অবিচ্ছেদ্য অংশ, সেখানে জোরপূর্বক নিরামিষ খাদ্য চাপানো কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেক অভিভাবক আশঙ্কা করছেন যে, ডিম-পিঁয়াজ ছাড়া রান্না শিশুদের স্বাদে ধরবে না এবং তারা খাবার খেতে চাইবে না। কর্ণাটক রাজ্যে এর আগে ইসকনের মিড ডে মিল সরবরাহের সময় শিশুদের খাবার ফেলে দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। সমালোচকদের মতে, খাদ্য বা পছন্দের অধিকার কোনো ধর্মীয় বিশ্বাস বা রাজনৈতিক এজেন্ডার দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত নয়, বরং শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, অভিভাবক ফোরাম এবং রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, অনেক অভিভাবক হাইজিন বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে ইসকনের সুনাম বিবেচনা করে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিছু রাজনৈতিক নেতা মনে করছেন, সরকার খাবারের মান নিয়ে সমঝোতা না করে শুধু পদ্ধতিগত উন্নতির জন্য ইসকনের সাহায্য নিচ্ছে। এই বিতর্কের শেষ কোথায় তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে, মিড ডে মিল প্রকল্পে শিশুদের পুষ্টির সুব্যবস্থা একটি সুষম ও বৈজ্ঞানিক খাদ্য তালিকার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব, যা কোনো একক ধর্মীয় আদর্শ বা রাজনৈতিক সুবিধার ওপর নির্ভর না করে শিশুদের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। এই বিতর্কের শেষে শিশুদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

6 hrs ago
user_Sumit kumar basu
Sumit kumar basu
Lawyer আরামবাগ, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
6 hrs ago
b7e79925-05b3-4449-aeb5-8b1cf58fb3fb

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ও সরকার-পোষিত স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল বা মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্পের দায়িত্ব ইসকন (International Society for Krishna Consciousness)-কে দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত ঘিরে একটি নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে সরকার খাবারের গুণমান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষাবিদ, অভিভাবক এবং পুষ্টিবিদদের একটি বড় অংশ শিশুদের পুষ্টি ও খাদ্যের অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছেন। এই বিতর্কের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তিনটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান: ডিম, পিঁয়াজ এবং রসুন। রাজ্য সরকারের ২০২৬ সালের বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে যে, কলকাতা পুরনিগম এলাকার স্কুলগুলিতে মিড ডে মিল ব্যবস্থার মানোন্নয়নে ইসকনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের জন্য মধ্যাহ্নভোজ খাতে মাথাপিছু বরাদ্দ ৬ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হলেও, উচ্চ প্রাথমিক স্তরে বরাদ্দে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই পদক্ষেপ আপাতদৃষ্টিতে শিশুদের পুষ্টির প্রতি সরকারের যত্নশীলতা প্রকাশ করলেও, ইসকনের ধর্মীয় খাদ্যাভ্যাস ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইস্কন একটি ধর্মীয় সংস্থা, যা কঠোরভাবে 'সাত্ত্বিক' বা শুদ্ধ নিরামিষ আহারের নীতি মেনে চলে। এই নীতি অনুযায়ী, মাংস, মাছ এবং ডিম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। শুধু তাই নয়, পিঁয়াজ এবং রসুনকেও রাজসিক ও তামসিক খাদ্য হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এগুলি রান্নায় ব্যবহার করা হয় না। ইসকনের পরিচালিত 'অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন' ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে শিশুদের জন্য নিরামিষ মিড ডে মিল সরবরাহ করে থাকে। তাদের দাবি, তাদের আধুনিক সেন্ট্রাল কিচেনগুলিতে অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বৈচিত্র্যময় নিরামিষ খাবার তৈরি করা হয়, যা শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে সক্ষম। মিড ডে মিল প্রকল্পে ডিমের গুরুত্ব নিয়ে বিতর্ক দীর্ঘদিনের। ডিমকে 'সম্পূর্ণ প্রোটিন' বা একটি আদর্শ প্রোটিনের উৎস হিসেবে দেখা হয়, কারণ এতে প্রয়োজনীয় সবকটি অ্যামিনো অ্যাসিড সঠিক অনুপাতে থাকে। এছাড়া ডিম সস্তা, সহজে পাওয়া যায় এবং শিশুরা সাধারণত এটি খেতে পছন্দ করে। অপুষ্টির শিকার দরিদ্র শিশুদের জন্য ডিম প্রোটিন, ফ্যাট, আয়রন এবং বিভিন্ন ভিটামিনের একটি সহজলভ্য উৎস। পুষ্টিবিদদের মতে, ডিমের বিকল্প হিসেবে ডাল, পনির, দুধ, সয়াবিন, বাদাম বা বিভিন্ন সবজি ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু ডিমের মতো একক খাদ্যে এত গুণমান নিশ্চিত করা কঠিন এবং ব্যয়সাধ্য। ইসকনের নিরামিষ খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন বা ক্যালোরি দেওয়া গেলেও, ডিম থেকে প্রাপ্ত প্রোটিনের মানের বিকল্প হিসেবে অন্য কিছু কতটা বৈজ্ঞানিক, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই বিতর্কের গভীরতর রাজনৈতিক ও সামাজিক দিকও রয়েছে। বহু মানুষ মনে করছেন যে, একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে সরকার যখন কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সংস্থার খাদ্য নীতি শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেয়, তখন তা ধর্মনিরপেক্ষতার মূল নীতির পরিপন্থী হয়। শিশুদের খাদ্যের অধিকার এবং সাংস্কৃতিক স্বায়ত্তশাসনকে খর্ব করার অভিযোগ উঠছে। পশ্চিমবঙ্গে যেখানে একটি বড় অংশের মানুষের খাদ্যাভ্যাসে মাছ, ডিম এবং অন্যান্য আমিষ খাবার অবিচ্ছেদ্য অংশ, সেখানে জোরপূর্বক নিরামিষ খাদ্য চাপানো কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। অনেক অভিভাবক আশঙ্কা করছেন যে, ডিম-পিঁয়াজ ছাড়া রান্না শিশুদের স্বাদে ধরবে না এবং তারা খাবার খেতে চাইবে না। কর্ণাটক রাজ্যে এর আগে ইসকনের মিড ডে মিল সরবরাহের সময় শিশুদের খাবার ফেলে দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। সমালোচকদের মতে, খাদ্য বা পছন্দের অধিকার কোনো ধর্মীয় বিশ্বাস বা রাজনৈতিক এজেন্ডার দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত নয়, বরং শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের ওপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন, অভিভাবক ফোরাম এবং রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, অনেক অভিভাবক হাইজিন বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে ইসকনের সুনাম বিবেচনা করে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিছু রাজনৈতিক নেতা মনে করছেন, সরকার খাবারের মান নিয়ে সমঝোতা না করে শুধু পদ্ধতিগত উন্নতির জন্য ইসকনের সাহায্য নিচ্ছে। এই বিতর্কের শেষ কোথায় তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত যে, মিড ডে মিল প্রকল্পে শিশুদের পুষ্টির সুব্যবস্থা একটি সুষম ও বৈজ্ঞানিক খাদ্য তালিকার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব, যা কোনো একক ধর্মীয় আদর্শ বা রাজনৈতিক সুবিধার ওপর নির্ভর না করে শিশুদের স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হবে। এই বিতর্কের শেষে শিশুদের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, তা দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান। মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।" বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
    1
    কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর পরিচিত স্পষ্টবক্তা ও আক্রমণাত্মক শৈলীতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই বক্তব্য আগামী দিনে বিরোধী শিবিরের রণকৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সাংসদ মৈত্র বরাবরের মতোই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, বাস্তব সমস্যাগুলি থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে এবং বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে এই সংস্থাগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও, তিনি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং নির্দিষ্ট কিছু বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর প্রতি সরকারের অতিরিক্ত পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তীব্র আক্রমণ শানান।

মহুয়া মৈত্র সংসদের গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এবং বিরোধী সাংসদদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টার বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কোনো রকম চাপের মুখে মাথা নত না করে তিনি সাধারণ মানুষের পক্ষে সওয়াল করে যাবেন। তিনি বলেন, "ভয় দেখিয়ে বা কণ্ঠরোধ করে সত্যকে চেপে রাখা যাবে না। জনগণের অধিকারের জন্য এই লড়াই সংসদের ভেতরে এবং বাইরে জারি থাকবে।"

বিশেষজ্ঞরা মহুয়া মৈত্রের এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কেবল সরকারের সমালোচনা নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার এক জোরালো বার্তা হিসেবে দেখছেন, যা রাজ্য তথা দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
    user_Sumit kumar basu
    Sumit kumar basu
    Lawyer আরামবাগ, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • রাজ্য বাজেটে আরামবাগকে অবশেষে জেলার স্বীকৃতি দেওয়ায় দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে, যা সমস্ত জল্পনা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র এলাকায় খুশির ঢেউ লেগেছে। আনন্দের এই আবহে বিজেপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সাথে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। আজ, সোমবার, বাজেট পেশের মাধ্যমে আরামবাগকে নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণার পরপরই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব উৎসবে মেতে ওঠেন। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে, আরামবাগ হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায় বিজেপি কর্মীরা পথচলতি সাধারণ মানুষ এবং টোটো চালকদের সহ শত শত মানুষের হাতে লাড্ডু তুলে দেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আরামবাগকে জেলা করার এই দাবি বহুদিনের ছিল এবং আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, আরামবাগ জেলা হওয়ায় এবার প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন গতি পাবে। এই খুশির খবর সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই লাড্ডু বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আরামবাগ জেলা ঘোষিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে, যেখানে বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে সকলের মুখ মিষ্টি করেছেন।
    1
    রাজ্য বাজেটে আরামবাগকে অবশেষে জেলার স্বীকৃতি দেওয়ায় দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে, যা সমস্ত জল্পনা ও প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়েছে। এই ঐতিহাসিক ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র এলাকায় খুশির ঢেউ লেগেছে। আনন্দের এই আবহে বিজেপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে সাধারণ মানুষের সাথে মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন।

আজ, সোমবার, বাজেট পেশের মাধ্যমে আরামবাগকে নতুন জেলা হিসেবে ঘোষণার পরপরই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব উৎসবে মেতে ওঠেন। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে, আরামবাগ হাসপাতাল মোড় সংলগ্ন এলাকায় বিজেপি কর্মীরা পথচলতি সাধারণ মানুষ এবং টোটো চালকদের সহ শত শত মানুষের হাতে লাড্ডু তুলে দেন। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, আরামবাগকে জেলা করার এই দাবি বহুদিনের ছিল এবং আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, আরামবাগ জেলা হওয়ায় এবার প্রশাসনিক কাজকর্ম আরও সহজ হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন গতি পাবে। এই খুশির খবর সাধারণ মানুষের সাথে ভাগ করে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই লাড্ডু বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। আরামবাগ জেলা ঘোষিত হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে, যেখানে বিজেপি কর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করে সকলের মুখ মিষ্টি করেছেন।
    user_News Arambagh Town
    News Arambagh Town
    সাংবাদিক আরামবাগ, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বাজেট পেশ হওয়ার পর কামারপুকুরকে পৌরসভা করার অনুমোদন পাওয়ায় গোঘাটের স্থানীয় বিধায়ক প্রশান্ত দিগার এক বিশাল র‍্যালির আয়োজন করেন। এই উদযাপনের অংশ হিসেবে, বিধায়ক গোঘাট বিধানসভার সমস্ত রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক এবং আপামর বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে কামারপুকুর মেলাতলা মাঠ থেকে কামারপুকুর চটির বিবেকানন্দ মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত একটি সুবিশাল র‍্যালি করেন।
    1
    আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বাজেট পেশ হওয়ার পর কামারপুকুরকে পৌরসভা করার অনুমোদন পাওয়ায় গোঘাটের স্থানীয় বিধায়ক প্রশান্ত দিগার এক বিশাল র‍্যালির আয়োজন করেন। এই উদযাপনের অংশ হিসেবে, বিধায়ক গোঘাট বিধানসভার সমস্ত রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থক এবং আপামর বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে কামারপুকুর মেলাতলা মাঠ থেকে কামারপুকুর চটির বিবেকানন্দ মূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত একটি সুবিশাল র‍্যালি করেন।
    user_Chinmoy Pal
    Chinmoy Pal
    Local News Reporter গোগাট ২, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
  • পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিজেপি ডেপুটেশন দিয়েছে এবং এর পাশাপাশি সাধারণ জনতাও পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা গেছে, উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, এবং একইসাথে উপপ্রধান বিষ্টু পোরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। প্রশ্ন উঠেছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত দাসপুর থানার এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পুলিশ কী করছে।
    1
    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে বিজেপি ডেপুটেশন দিয়েছে এবং এর পাশাপাশি সাধারণ জনতাও পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ উপস্থিত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জানা গেছে, উক্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, এবং একইসাথে উপপ্রধান বিষ্টু পোরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। প্রশ্ন উঠেছে, সন্ধ্যা পর্যন্ত দাসপুর থানার এই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে পুলিশ কী করছে।
    user_ARNAB
    ARNAB
    ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • আজ ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। একইসাথে সাধারণ জনতা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পাশাপাশি, উপপ্রধান বিষ্টু পোরের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। বিডিও অফিসে সন্ধ্যেবেলায় যে 'কাণ্ড' দেখা যাবে, তা সবাইকে অবাক করে দেবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
    1
    আজ ঘনশ্যাম গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয়েছে। একইসাথে সাধারণ জনতা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। এই পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে দাসপুর পুলিশ মোতায়েন ছিল।

জানা গেছে, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী মান্না দাসপুর ২ ব্লকের বিডিওর কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেবেন। পাশাপাশি, উপপ্রধান বিষ্টু পোরের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানানো হবে। বিডিও অফিসে সন্ধ্যেবেলায় যে 'কাণ্ড' দেখা যাবে, তা সবাইকে অবাক করে দেবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
    user_সংবাদ
    সংবাদ
    ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
  • নবনির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। এই বহু প্রতীক্ষিত ঘোষণাকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি। কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়েক এবং দেবাশীষ মাইতি এই পদক্ষেপকে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সংগ্রাম কমিটির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করে মাস্টার প্ল্যানের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা প্রয়োজন। এই ঘোষণার ফলে এলাকার মানুষও গভীরভাবে আশাবাদী যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঘাটাল এবং তার সংলগ্ন অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে, এবং এর মাধ্যমে সামগ্রিক এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
    2
    নবনির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেটে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সহযোগিতায় ১,২০০ কোটি টাকা ব্যয়ের ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী। এই বহু প্রতীক্ষিত ঘোষণাকে তাৎক্ষণিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটি।

কমিটির যুগ্ম সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র নায়েক এবং দেবাশীষ মাইতি এই পদক্ষেপকে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সংগ্রাম কমিটির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করে মাস্টার প্ল্যানের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা প্রয়োজন।

এই ঘোষণার ফলে এলাকার মানুষও গভীরভাবে আশাবাদী যে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঘাটাল এবং তার সংলগ্ন অঞ্চলের ভয়াবহ বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে, এবং এর মাধ্যমে সামগ্রিক এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
    user_PBN বাংলা
    PBN বাংলা
    Local News Reporter Ghatal, Medinipur West•
    8 hrs ago
  • পথের বৃষ্টি এবং পাংচার হওয়া টায়ারের মতো কঠিন বাধাগুলি অতিক্রম করতে সক্ষম হলেও, রাশ্রিণী শেষ পর্যন্ত নিয়মের যান্ত্রিক দেওয়ালের সামনে আটকে গেলেন। মাত্র দুই মিনিটের এই স্বল্প সময়ের কারণে একটি মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নির্মমভাবে শেষ হয়ে গেল। এই ঘটনা সমাজের সামনে মানবিকতার অভাব এবং সিস্টেমের ত্রুটি নিয়ে গভীর প্রশ্ন তৈরি করেছে, যা এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তুলেছে।
    1
    পথের বৃষ্টি এবং পাংচার হওয়া টায়ারের মতো কঠিন বাধাগুলি অতিক্রম করতে সক্ষম হলেও, রাশ্রিণী শেষ পর্যন্ত নিয়মের যান্ত্রিক দেওয়ালের সামনে আটকে গেলেন। মাত্র দুই মিনিটের এই স্বল্প সময়ের কারণে একটি মেয়ের ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন নির্মমভাবে শেষ হয়ে গেল। এই ঘটনা সমাজের সামনে মানবিকতার অভাব এবং সিস্টেমের ত্রুটি নিয়ে গভীর প্রশ্ন তৈরি করেছে, যা এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তুলেছে।
    user_মুখার্জী নিউজ
    মুখার্জী নিউজ
    Credit reporting agency কোতুলপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    8 hrs ago
  • দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেল আরামবাগ। রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশনে সোমবার এই ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে খুশির হাওয়া বইছে এবং সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা মিষ্টি মুখ করিয়ে আনন্দ উল্লাস করেছেন। দীর্ঘ বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা আরামবাগকে একটি পৃথক জেলা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, আরামবাগ মহকুমার অন্তর্গত গোঘাট, পুরশুড়া, খানাকুল ও আরামবাগ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে যেকোনো বড় প্রশাসনিক বা ভূমি সংক্রান্ত কাজের জন্য চুঁচুড়ায় অবস্থিত জেলা সদরে যেতে হতো। আরামবাগ পৃথক জেলা হওয়ায় এখন সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং প্রশাসনিক পরিষেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ঘোষণার ফলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের পথ আরও সুগম হলো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে এবার বাড়তি গতি আসবে এবং আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল ও পুরশুড়ার হাজার হাজার মানুষ সরাসরি এই সিদ্ধান্তের সুফল পাবেন।
    1
    দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেল আরামবাগ। রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশনে সোমবার এই ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই আরামবাগ মহকুমা জুড়ে খুশির হাওয়া বইছে এবং সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা মিষ্টি মুখ করিয়ে আনন্দ উল্লাস করেছেন।

দীর্ঘ বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা আরামবাগকে একটি পৃথক জেলা করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, আরামবাগ মহকুমার অন্তর্গত গোঘাট, পুরশুড়া, খানাকুল ও আরামবাগ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে যেকোনো বড় প্রশাসনিক বা ভূমি সংক্রান্ত কাজের জন্য চুঁচুড়ায় অবস্থিত জেলা সদরে যেতে হতো।

আরামবাগ পৃথক জেলা হওয়ায় এখন সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং প্রশাসনিক পরিষেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে চলে আসবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই ঘোষণার ফলে এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের পথ আরও সুগম হলো। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নে এবার বাড়তি গতি আসবে এবং আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল ও পুরশুড়ার হাজার হাজার মানুষ সরাসরি এই সিদ্ধান্তের সুফল পাবেন।
    user_News Arambagh Town
    News Arambagh Town
    সাংবাদিক আরামবাগ, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    7 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.