Shuru
Apke Nagar Ki App…
Gouranga Majumder
More news from ত্রিপুরা and nearby areas
- আই পি এফ টি দলের প্রতিষ্ঠাতা পদ্মশ্রী স্বর্গীয় এন সি দেববর্মার তৃতীয় প্রয়াণ দিবস পালন** আই পি এফ টি দলের প্রতিষ্ঠাতা, দলের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী পদ্মশ্রী স্বর্গীয় এন সি দেববর্মার তৃতীয় প্রয়াণ দিবস আজ ০১-০১-২০২৬ ইং তারিখে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়। এই উপলক্ষে আই পি এফ টি দলের **বিশ্রামগঞ্জ ডিভিশনাল কমিটি**র উদ্যোগে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন ডিভিশন প্রেসিডেন্ট **উত্তম দেববর্মা**। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন **কানাই দেববর্মা, বেণুলাল দেববর্মা, দয়াল হরি দেববর্মা, চিতা হরণ দেববর্মা** সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। সভায় স্বর্গীয় এন সি দেববর্মার জীবন, সংগ্রাম ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং তাঁর আত্মার শান্তি কামনায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বক্তারা বলেন, জনজাতি সমাজ ও ত্রিপুরার রাজনৈতিক ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।1
- পথশ্রী রাস্তাশ্রী প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ে নাকাশিপাড়া ব্লকে রূপায়িত হতে চলেছে 63 টি রাস্তা যার মোট দৈর্ঘ্য101.173 km. এই বিষয়ে একটি প্রেস কনফারেন্স করলেন নাকাশিপাড়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ণ অধিকারিক শ্রী স্নেহাশিস দত্ত। সেই সাথে উন্নয়ন মূলক কাজগুলি যেগুলি রুপায়ন হবে, হতে চলেছে এবং হচ্ছে সেগুলি মানুষের কাছে দ্রুত পৌছায় সেগুলি সমাজ মাধ্যমে তুলে ধরতে একটি গ্রুপ তৈরি করা হল BDO Nakashipara নামে ফেসবুক, ইউটুব, ও x. Com এ।1
- বছরের প্রথমদিনে হালিশহর রামপ্রসাদ মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং...2
- বছরের প্রথম দিনে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে রসিক বিল মিনিজু পর্যটন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় পর্যটকদের। সারা বছরের ক্লান্তি শেষে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে একেবারে হাতের লাগালে এই পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে আসে পর্যটকরা। কিন্তু অন্যান্য দিনের তুলনায় বছরের প্রথম দিনটিকেই পর্যটকরা বেছে নেন। কোচবিহার জেলার পর্যটন কেন্দ্র গুলির মধ্য অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হলো অসম বাংলা সীমান্তের তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের এই রসিকবিল মিনি জু পর্যটন কেন্দ্র। শুধু কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয় পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার এমনকি পার্শ্ববর্তী রাজ্য অসমের বহু মানুষ এই পর্যটন কেন্দ্রে আসেন । গত দু বছরের তুলনায় এবছর নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এই রসিকবিদ মিনি- জু পর্যটন কেন্দ্রটি। এখানে রয়েছে বাঘ, ময়ূর , ঘড়িয়াল , মেছো বিড়াল, হরিণ, অজগর সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এছাড়াও রয়েছে , সেলফি জোন , ঝুলন্ত ব্রিজ এবং সর্বোপরি সবুজ বনাঞ্চল। তাই বছরের শুরুতেই সবুজের আবহাওয়া গায়ে মাখতে হাজির হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য টিকিট কেটে ভেতরে যাওয়ার ছাড়পত্র মিলছে পর্যটকদের তবে বনভোজনের কোন অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি বন দপ্তরের পক্ষ থেকে। গত বছরের বছরের নববর্ষের প্রথমদিন ১৭ হাজারের বেশি পর্যটক ভ্রমণের জন্য বেছে নিয়েছিলেন তুফানগঞ্জের রসিকবিল মিনি জু-কে। রাজ্যের মধ্যে এটাই ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর চেয়ে বেশি শুধুমাত্র কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায় গিয়েছিলেন পর্যটকরা। তাই পর্যটকদের টানতে কোনও খামতি রাখেনি জু-কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে গোটা রসিকবিলকে এছাড়াও শিশুদের মন কাড়তে স্টোন পেন্টিংয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ছবি ও মূর্তি। তৈরি করা হয়েছে সেলফি জোন। ঝুলন্ত সেতুতে যাতে একসঙ্গে বেশি ভিড় না হয়, তার জন্য বিকল্প উপায় সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। বেশি ভিড় হলে সেটা যে 'ওয়ান ওয়ে' করে দেওয়া হবে, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যদিও পর্যটকদের দাবি আরও বেশি পরিমাণ যদি পশুপাখি আনা যায় যেমন গন্ডার হাতি এগুলো আনলে পরে আরো বেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে।1
- ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে উপচে পড়া ভিড় রসিকবিল মিনি-জু পর্যটন কেন্দ্রে।4
- যুব সমাজকে মাঠ মুখী করতে : করন্দী যুবকবৃন্দের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা1
- Post by Gouranga Majumder1
- বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের জেরে সুকুমার দেববর্মা তিপ্রা মথা দল থেকে বহিষ্কৃত দলের শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিল তিপ্রা মোথা চাকমা সম্প্রদায়ের প্রতি অবমাননাকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার অভিযোগে সুকুমার দেববর্মাকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সমস্ত পদ থেকে অবিলম্বে সাময়িক বরখাস্ত (Suspend) করা হয়েছে। সম্প্রতি ডুম্বুর ও গণ্ডাতুইসা এলাকায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে সুকুমার দেববর্মাকে চাকমা সম্প্রদায়ের লোকেদের উদ্দেশ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেন যে, চাকমা সম্প্রদায়ের লোকেরা 'ককবরক' ভাষা জানে না, তাই তারা 'বাংলাদেশী'। তিপ্রা মোথা নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে, এই ধরণের জাতিগত বিদ্বেষমূলক এবং বিভাজনকারী বক্তব্য দলের আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ত্রিপুরার প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে এবং কাউকে ভাষা দিয়ে বিচার করে 'বাংলাদেশী' আখ্যা দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়। এই অদায়িত্বশীল আচরণের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মধ্যেও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।1
- হরিপাল গ্রামীণ হাসপাতালে হরিপাল ব্লক তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর পক্ষ থেকে রোগীদের ফলমূল ও মিষ্টান্ন বিতরণ করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক ডাঃ করবী মান্না, ব্লক সভাপতি দেবাশীষ পাঠক, জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি স্বরূপ মিত্র সহ নেতৃত্ববৃন্দ।1