Shuru
Apke Nagar Ki App…
জলপাইগুড়ির একটি পোস্টে ভারতকে বিজেপির মতো সরকারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। এই পোস্টে ব্যবহারকারীদের সমর্থন চেয়ে 'ভারত মাতা কি জয়' স্লোগান দেওয়া হয়েছে।
Ganesh
জলপাইগুড়ির একটি পোস্টে ভারতকে বিজেপির মতো সরকারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। এই পোস্টে ব্যবহারকারীদের সমর্থন চেয়ে 'ভারত মাতা কি জয়' স্লোগান দেওয়া হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জলপাইগুড়ির একটি পোস্টে ভারতকে বিজেপির মতো সরকারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। এই পোস্টে ব্যবহারকারীদের সমর্থন চেয়ে 'ভারত মাতা কি জয়' স্লোগান দেওয়া হয়েছে।1
- বাংলায় বিজেপির ক্ষমতা দখল। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। অসামান্য এই জয়ের ফলে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় জয়ের উচ্ছ্বাস চোখে পড়েছে। রবিবার ময়নাগুড়ি বিধানসভার বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৬/ ১১৪ নং বুথে বিজয় মিছিল করলেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বুথের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে গেরুয়া আবির খেলায় মাতলেন সমর্থকেরা।1
- মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির বাইরে জনজোয়ার, শান্তিকুঞ্জের বাইরের ছবি। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির বাইরে জনজোয়ার, শান্তিকুঞ্জের বাইরের ছবি।1
- 'টিকিটের বিনিময়ে আমার কাছে ৫০ লক্ষ টাকা চেয়েছিল' মন্তব্য সদ্য বহিষ্কৃত তৃণমূল মুখপাত্রের।1
- ৩০ সেকেন্ডে ৬৬ বইয়ের নাম! India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতার নজির *৫৩-তেই রেকর্ড! ৩০.৫০ সেকেন্ডে ৬৬টি বাইবেলের বইয়ের নাম বলে India Book of Records-এ শিলিগুড়ির অনিন্দিতা* শিলিগুড়ির হাকিমপাড়ার বাসিন্দা অনিন্দিতা চ্যাটার্জী আবারও প্রমাণ করলেন, বয়স শুধুই সংখ্যা। ৫৩ বছর বয়সে মাত্র ৩০.৫০ সেকেন্ডে Holy Bible-এর ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলে India Book of Records-এর ‘IBR Achiever’ খেতাব অর্জন করেছেন তিনি। এই অসাধারণ কৃতিত্বে শহরজুড়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ এর আগে যে রেকর্ড ছিল, তা হয়েছিল ৩৬ সেকেন্ডে এবং সেই প্রতিযোগীর বয়সও ছিল অনেক কম। ফলে অনিন্দিতার এই সাফল্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীত ও নৃত্যের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর। বর্তমানে তিনি শিলিগুড়ির একজন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী, বিশেষ করে রবীন্দ্রসঙ্গীতের জন্য শহরে তাঁর আলাদা পরিচিতি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে শিল্পীসত্তার চর্চার পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজেও যুক্ত তিনি। রবীন্দ্রসঙ্গীত, নৃত্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য ইতিমধ্যেই একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন। বহু গুণী মানুষের কাছে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এই শিল্পী। তবে শুধু সংগীতেই নয়, ধর্মীয় ও সাহিত্যচর্চাতেও সমান আগ্রহ রয়েছে তাঁর। বাইবেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন অনিন্দিতা। পাশাপাশি আগামী দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে বই লেখার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। নিজের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে নতুন কিছু করার ইচ্ছেই তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে বলে মনে করছেন পরিচিত মহল। অনিন্দিতা চ্যাটার্জী বলেন, “এই স্বীকৃতি আমার কাছে খুবই আবেগের। দীর্ঘদিনের অনুশীলন, ধৈর্য আর একাগ্রতার ফল এই সাফল্য। আমি কখনও ভাবিনি বয়স একটা বাধা হতে পারে। বরং প্রতিদিন নিজেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনে আবার এই রেকর্ড ভাঙতে চাই। ইতিমধ্যেই World Book of Records-এ নাম তোলার প্রস্তুতি শুরু করেছি। এখন লক্ষ্য ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ৬৬টি বইয়ের নাম সম্পূর্ণ বলা।” শিলিগুড়ির সাংস্কৃতিক জগতের পরিচিত মুখ অনিন্দিতা চ্যাটার্জীর এই সাফল্য এখন শহরের গর্ব। শিল্প, সাধনা ও আত্মবিশ্বাসের মিশেলে তিনি দেখিয়ে দিলেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে অসম্ভবও সম্ভব হয়ে ওঠে। আগামী দিনে বিশ্বমঞ্চে আরও বড় সাফল্য নিয়ে তিনি ফিরবেন, সেই আশাতেই এখন অপেক্ষায় তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।1
- জলপাইগুড়িতে একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। নির্মাতা দর্শকদের ভিডিওটি পছন্দ, শেয়ার এবং মন্তব্য করার অনুরোধ জানিয়েছেন, পাশাপাশি পেজটি ফলো করতেও বলেছেন।1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কালীঘাটে পুজো দিতে গিয়ে দাবি করেন, কালীমায়ের পা থেকে পদ্মফুল তাঁর কাছে পড়েছে। তিনি এটিকে বঙ্গ বিজেপির জয়ের জন্য কালীমায়ের আশীর্বাদ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।1
- জেলা কাউন্সিলের পুনর্গঠন এবং যোগদান কর্মসূচি কেএসডিসির ময়নাগুড়ি, ১০ মে : কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিলের আগামী দিনের ঐক্যবদ্ধ ভাবে সংগ্রাম করার লক্ষ্যে জলপাইগুড়ি জেলা কাউন্সিলের পুনর্গঠন করা হল রবিবার। এদিন ময়নাগুড়ির এক বেসরকারি ভবনে একটি সভা করা হয়। যেখানে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সহ জেলার প্রতিটি ব্লকের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিনের এই কমিটিতে পুনরায় সভাপতি হিসাবে বহাল রাখা হয় প্রেমানন্দ রায়কে। এছাড়াও ২২ জনকে নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই জেলা কাউন্সিলের মধ্যে অনেক নতুন উদ্যমী ছেলেদের রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও, এদিনের এই সভায় প্রায় শতাধিক মানুষ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছেড়ে কামতাপুর স্টেট ডিমান্ড কাউন্সিলে যোগদান করেন। পাশাপাশি, কেন্দ্র সরকার দ্রুত শান্তি আলোচনা সমাপ্ত করে শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত করেন এবং সংগঠনের দাবি গুলি পূরণ করেন সেই দাবিও তোলেন এই মঞ্চ থেকে।1