বিদ্যুৎ সমস্যায় হামিদপুরবাসীর পাশে গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর উদ্যোগ কৈলাশহর প্রতিনিধি: বিগত কয়েক দিন ধরে কৈলাশহরের ধলিয়ার কান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ৫ নং ওয়ার্ডের হামিদপুর এলাকায় বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার। ফলে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকার বহু পরিবার। এই সমস্যার কথা জানতে পেরেই এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ান ত্রিপুরা সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সম্পাদক তথা সমাজসেবী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু। এলাকাবাসী তাঁর কাছে বিষয়টি তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ দপ্তর ও টিএসইসিএল-এর আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলুর তৎপরতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হামিদপুর এলাকায় নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধানের উদ্যোগে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর বক্তব্য, সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি দ্রুত সমাধানের জন্য গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু যেভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। তাঁর এই মানবিক ও জনসেবামূলক ভূমিকায় খুশি হয়ে হামিদপুর এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া দিয়ে পাশে দাঁড়ানো—গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলুর এই উদ্যোগ এখন হামিদপুরবাসীর মুখে মুখে।
বিদ্যুৎ সমস্যায় হামিদপুরবাসীর পাশে গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর উদ্যোগ কৈলাশহর প্রতিনিধি: বিগত কয়েক দিন ধরে কৈলাশহরের ধলিয়ার কান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ৫ নং ওয়ার্ডের হামিদপুর এলাকায় বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার। ফলে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকার বহু পরিবার। এই সমস্যার কথা জানতে পেরেই এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ান ত্রিপুরা
সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সম্পাদক তথা সমাজসেবী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু। এলাকাবাসী তাঁর কাছে বিষয়টি তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ দপ্তর ও টিএসইসিএল-এর আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলুর তৎপরতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হামিদপুর এলাকায় নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধানের উদ্যোগে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন
স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর বক্তব্য, সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি দ্রুত সমাধানের জন্য গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু যেভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। তাঁর এই মানবিক ও জনসেবামূলক ভূমিকায় খুশি হয়ে হামিদপুর এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া দিয়ে পাশে দাঁড়ানো—গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলুর এই উদ্যোগ এখন হামিদপুরবাসীর মুখে মুখে।
- রেলস্টেশন এলাকায় নেশাবিরোধী অভিযানে তিন যুবক আটক, অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ঘিরে উত্তেজনা শুক্রবার সন্ধ্যায় ধর্মনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় নেশাবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ‘এগিয়ে চলো ক্লাব’-এর সদস্যরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তিন যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, আটক যুবকদের মধ্যে জয়গুশ পদ্মপুর এলাকার বাসিন্দা সঞ্জিত নাথ এবং নোয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা কিষানজিৎ ঘোষ-সহ আরও একজন রয়েছেন। ক্লাব সদস্যদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই যুবকরা ধর্মনগর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা নুরুল হকের কাছ থেকে নেশাজাতীয় দ্রব্য সংগ্রহ করার কথা জানায়। এরপর ক্লাবের সদস্যরা নুরুল হকের বাড়িতে গেলে সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতার একাংশ ওই বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ঘটনার খবর পেয়ে ধর্মনগর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের হস্তক্ষেপের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই বাড়িতে থাকা এক বৃদ্ধ মহিলার কাছ থেকে কয়েকটি কৌটায় থাকা সন্দেহজনক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলি আসলে কী এবং সেগুলির সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্যের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, স্থানীয়দের একাংশের দাবি, রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় নেশার কারবার রুখতে প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি, নেশাবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকেও নজর দেওয়ার দাবি উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আটক তিন যুবক, সন্দেহজনক সামগ্রী উদ্ধার এবং ভাঙচুরের অভিযোগ—সবকটি বিষয় খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে ধর্মনগর থানার পুলিশ। তদন্তের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং নেশাজাতীয় দ্রব্যের সম্ভাব্য উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।4
- বিদ্যুৎ সমস্যায় হামিদপুরবাসীর পাশে গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর উদ্যোগ কৈলাশহর প্রতিনিধি: বিগত কয়েক দিন ধরে কৈলাশহরের ধলিয়ার কান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ৫ নং ওয়ার্ডের হামিদপুর এলাকায় বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার। ফলে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎহীন অবস্থায় চরম দুর্ভোগে পড়েন এলাকার বহু পরিবার। এই সমস্যার কথা জানতে পেরেই এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ান ত্রিপুরা সংখ্যালঘু মোর্চার রাজ্য সম্পাদক তথা সমাজসেবী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু। এলাকাবাসী তাঁর কাছে বিষয়টি তুলে ধরার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ দপ্তর ও টিএসইসিএল-এর আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলুর তৎপরতায় মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই হামিদপুর এলাকায় নতুন ট্রান্সফরমার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সমস্যার দ্রুত সমাধানের উদ্যোগে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর বক্তব্য, সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি দ্রুত সমাধানের জন্য গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলু যেভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। তাঁর এই মানবিক ও জনসেবামূলক ভূমিকায় খুশি হয়ে হামিদপুর এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মানুষের সমস্যায় দ্রুত সাড়া দিয়ে পাশে দাঁড়ানো—গিয়াস উদ্দিন আহমেদ লাভলুর এই উদ্যোগ এখন হামিদপুরবাসীর মুখে মুখে।3
- মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস না মিললে অবরোধ চলবে! ৭ দফা দাবিতে চম্পকনগরে জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধে আত্মসমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা2
- সাই কম্পিউটারকে কৈলাশহর থেকে বিতাড়নের দাবিতে ঊনকোটি জেলা কংগ্রেসের স্লোগান, উঠল ‘আজাদি’ চাওয়ার আওয়াজ! সাই কম্পিউটারকে কৈলাশহর থেকে বিতাড়নের দাবিতে ঊনকোটি জেলা কংগ্রেসের স্লোগান, উঠল ‘আজাদি’ চাওয়ার আওয়াজ!1
- মুখ্যমন্ত্রী এলেই অবরোধ মুক্ত হবে জাতীয় সড়ক ও রেলপথ! ৭ দফা দাবিতে শুক্রবার ফের চম্পকনগরে আসাম–আগরতলা জাতীয় সড়ক ও ব্রিগুদাস এলাকায় রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান আত্মসমর্পণকারী এটিটিএফ ও এনএলএফটি সদস্যরা। দাবি পূরণের আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।1
- খোয়াইয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে রাখি বন্ধন উৎসব, বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতির বার্তা খোয়াই প্রতিনিধি: ভাই-বোনের পবিত্র সম্পর্ক, পারস্পরিক ভালোবাসা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে খোয়াইয়ে পালিত হলো রাখি বন্ধন উৎসব। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, খোয়াই জেলা কমিটির উদ্যোগে শুক্রবার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উৎসবটি উদযাপন করা হয়। রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের খোয়াই জেলা কমিটির সদস্যরা খোয়াই শহর ও সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং নিরাপত্তা সংস্থার কার্যালয়ে যান। সেখানে কর্মরত আধিকারিক ও কর্মীদের হাতে রাখি পরিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সংগঠনের সদস্যরা। একই সঙ্গে রাখি বন্ধনের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও সামাজিক ঐক্যের বার্তাও তুলে ধরা হয়। এদিন খোয়াই জেলাশাসক কার্যালয়, বিএসএফ ক্যাম্প, খোয়াই পুলিশ স্টেশন, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, এসডিপিও কার্যালয় এবং মহিলা থানায় গিয়ে রাখি বন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। বিভিন্ন দপ্তরের কর্মী ও আধিকারিকরাও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের খোয়াই জেলা কমিটির জেলা সহ-সম্পাদক সৌমেন ঘোষ, বিশেষ সম্পর্ক প্রমুখ অরিজিত দেব, খোয়াই জেলার সংগঠন মন্ত্রী রবীন্দ্র মুড়া সিং, পূর্ণকালীন কার্যকর্তা মৃদুল দাস, জেলা সেবা প্রমুখ অমৃত দত্ত সহ দুর্গা বাহিনীর সদস্য এবং সংগঠনের অন্যান্য কার্যকর্তারা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাখি বন্ধন শুধুমাত্র ভাই-বোনের সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পারস্পরিক বিশ্বাস, নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও সামাজিক বন্ধনের ভাবনা। তাই সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ঐক্যের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গিয়ে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। খোয়াইয়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে রাখি বন্ধনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করায় কর্মসূচিটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। সংগঠনের সদস্যদের এই উদ্যোগে উৎসবের আবহ তৈরি হয় বিভিন্ন দপ্তরেও। খোয়াইয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে রাখি বন্ধন উৎসব, বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতির বার্তা1
- llllllllolllllllllollllllllollllllllolllllllllollllllll1
- সুনামধন্য পার্লারকে বদনাম করার অভিযোগ ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় পার্লার এর ন্যায় বিচার এর দাবি। নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসা একটি পার্লারকে পরিকল্পিতভাবে বদনাম করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্লারের মালিকপক্ষের দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন ব্যক্তি পার্লারের সামনে এসে এক যুবককে মারধর করেন এবং পার্লারে ভাঙচুর চালান। পার্লারের সামনে থাকা বাইক সরানোকে কেন্দ্র করেও ওই যুবকের সঙ্গে কয়েকজনের বচসা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। মালিকপক্ষের আরও দাবি, ওই যুবককে পরিকল্পিতভাবে একটি ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং পরে তাকে মারধর করা হয়। তবে যুবককে সত্যিই মিথ্যা মামলায় বা ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছিল কি না, কিংবা ঘটনার পেছনে কারও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল কি না—তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। ঘটনার পর পার্লারের মালিকপক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে। এখন মূল প্রশ্ন—যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটা, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত এবং সত্যিই কি পরিকল্পিতভাবে ওই যুবক ও পার্লার কর্তৃপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল? তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করাও আইনসঙ্গত নয়। তাই পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা ও ঘটনার নেপথ্যের সত্য সামনে আসবে।4