সুনামধন্য পার্লারকে বদনাম করার অভিযোগ ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় পার্লার এর ন্যায় বিচার এর দাবি। নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসা একটি পার্লারকে পরিকল্পিতভাবে বদনাম করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্লারের মালিকপক্ষের দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন ব্যক্তি পার্লারের সামনে এসে এক যুবককে মারধর করেন এবং পার্লারে ভাঙচুর চালান। পার্লারের সামনে থাকা বাইক সরানোকে কেন্দ্র করেও ওই যুবকের সঙ্গে কয়েকজনের বচসা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। মালিকপক্ষের আরও দাবি, ওই যুবককে পরিকল্পিতভাবে একটি ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং পরে তাকে মারধর করা হয়। তবে যুবককে সত্যিই মিথ্যা মামলায় বা ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছিল কি না, কিংবা ঘটনার পেছনে কারও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল কি না—তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। ঘটনার পর পার্লারের মালিকপক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে। এখন মূল প্রশ্ন—যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটা, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত এবং সত্যিই কি পরিকল্পিতভাবে ওই যুবক ও পার্লার কর্তৃপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল? তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করাও আইনসঙ্গত নয়। তাই পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা ও ঘটনার নেপথ্যের সত্য সামনে আসবে।
সুনামধন্য পার্লারকে বদনাম করার অভিযোগ ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় পার্লার এর ন্যায় বিচার এর দাবি। নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসা একটি পার্লারকে পরিকল্পিতভাবে বদনাম করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্লারের মালিকপক্ষের দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাকে কেন্দ্র
করে কয়েকজন ব্যক্তি পার্লারের সামনে এসে এক যুবককে মারধর করেন এবং পার্লারে ভাঙচুর চালান। পার্লারের সামনে থাকা বাইক সরানোকে কেন্দ্র করেও ওই যুবকের সঙ্গে কয়েকজনের বচসা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। মালিকপক্ষের আরও দাবি, ওই যুবককে পরিকল্পিতভাবে একটি ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং পরে তাকে মারধর করা হয়। তবে যুবককে সত্যিই মিথ্যা মামলায়
বা ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছিল কি না, কিংবা ঘটনার পেছনে কারও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল কি না—তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। ঘটনার পর পার্লারের মালিকপক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে। এখন মূল প্রশ্ন—যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটা, মারধর ও
ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত এবং সত্যিই কি পরিকল্পিতভাবে ওই যুবক ও পার্লার কর্তৃপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল? তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করাও আইনসঙ্গত নয়। তাই পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা ও ঘটনার নেপথ্যের সত্য সামনে আসবে।
- সুনামধন্য পার্লারকে বদনাম করার অভিযোগ ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনায় পার্লার এর ন্যায় বিচার এর দাবি। নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসা একটি পার্লারকে পরিকল্পিতভাবে বদনাম করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পার্লারের মালিকপক্ষের দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন ব্যক্তি পার্লারের সামনে এসে এক যুবককে মারধর করেন এবং পার্লারে ভাঙচুর চালান। পার্লারের সামনে থাকা বাইক সরানোকে কেন্দ্র করেও ওই যুবকের সঙ্গে কয়েকজনের বচসা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। মালিকপক্ষের আরও দাবি, ওই যুবককে পরিকল্পিতভাবে একটি ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং পরে তাকে মারধর করা হয়। তবে যুবককে সত্যিই মিথ্যা মামলায় বা ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছিল কি না, কিংবা ঘটনার পেছনে কারও পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল কি না—তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। ঘটনার পর পার্লারের মালিকপক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখার পরই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে। এখন মূল প্রশ্ন—যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কতটা, মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় কারা জড়িত এবং সত্যিই কি পরিকল্পিতভাবে ওই যুবক ও পার্লার কর্তৃপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল? তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষের অভিযোগকেই চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করাও আইনসঙ্গত নয়। তাই পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা ও ঘটনার নেপথ্যের সত্য সামনে আসবে।4
- ধর্মনগরে আট দফা দাবিতে রাজপথ কাঁপাল ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন! জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি। উত্তর ত্রিপুরা জেলার খেটে খাওয়া মানুষের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও জ্বলন্ত সমস্যা নিরসনের দাবিতে সরব হলো ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার জেলা জুড়ে সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে ধর্মনগরে মিছিল ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করে সংগঠন। এদিন বেলা একটা নাগাদ সিপিআইএম ধর্মনগর মহকুমা দপ্তরের সামনে থেকে এক সুসজ্জিত মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক পরিক্রমা করে পুনরায় মহকুমা দপ্তরের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল উত্তর ত্রিপুরা জেলা শাসক ও সমাহর্তার দ্বারস্থ হন এবং আট দফা দাবি সম্বলিত এক স্মারকলিপি তুলে দেন।প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের জেলা সম্পাদক দুর্গেশ রায়, রাজ্য কমিটির সদস্য প্রীতি বালা নাথ, জেলা কমিটির সদস্য নিরঞ্জন চক্রবর্তী, পানিসাগর মহকুমা সম্পাদক অবনী দে এবং ধর্মনগর মহকুমা সম্পাদক অনুকূল দাস।স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গরিব মানুষের জন্য আবাসন প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিতদের জন্য অবিলম্বে অসম্পূর্ণ জিও ট্যাগিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। গ্রামীণ শ্রমজীবীদের সুরক্ষায় এমজিএনরেগার আওতায় বছরে ২০০ দিনের কাজ ও দৈনিক ৭০০ টাকা মজুরি নিশ্চিত করা এবং শহরের টুয়েপ শ্রমিকদের কাজের দিন ও মজুরি বৃদ্ধির জন্য প্রশাসনকে কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে। মাসের পর মাস বকেয়া মজুরি আটকে থাকা এবং সরকারি নির্ধারিত হারের চেয়ে কম মজুরি প্রদানের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।পাশাপাশি বিদ্যুতের অতিরিক্ত মাশুল ও স্মার্ট মিটার অবিলম্বে প্রত্যাহার, গ্রাম পঞ্চায়েত, এডিসি ভিলেজ ও শহরের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়া রাস্তাঘাটের জরুরি সংস্কার এবং ভূমিহীন গ্রামীণ গরিবদের জমির বন্দোবস্ত দেওয়ার দাবিও স্মারকলিপিতে জোরালোভাবে তোলা হয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি রোধে রেশন ও ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে মাথাপিছু ১২ কেজি চাল সহ ডাল, চিনি, সরষের তেল, লবণ ও সাবান ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহের আর্জি জানানো হয়। এছাড়া জেলার গ্রাম ও শহরে তীব্র পানীয় জলের সংকট মেটাতে বিকল হয়ে পড়ে থাকা আয়রন রিমুভাল প্ল্যান্টগুলির দ্রুত সংস্কার এবং প্রতি মাসে নিয়মিত সামাজিক ভাতা প্রদানের পাশাপাশি ভাতার পরিমাণ বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা করার দাবি জানিয়েছে ইউনিয়ন।প্রতিনিধি দল জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপির প্রতিটি বিষয় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানের জন্য অনুরোধ জানান।4
- মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা। নিজস্ব প্রতিনিধি, ত্রিপুরা:উন্নয়নের ঢাকঢোল পেটানো ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের আমলে শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগ, গত প্রায় ছয় মাস ধরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে শিশু ও মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবার সরবরাহের অর্থ না পাওয়ায় কার্যত সংকটে পড়েছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা।3
- বক্সনগরের এমএলএ কাপ ঘিরে বিতর্ক, চার দলের সঙ্গে অপুর যোগসূত্রের অভিযোগ ঐতিহ্যবাহী বক্সনগর ফুটবল মাঠে আসন্ন এমএলএ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মাদক সংক্রান্ত মামলায় অভিযুক্ত ও পুলিশের কাছে ফেরারি হিসেবে পরিচিত অপু রঞ্জন দাসের ঘনিষ্ঠদের নেতৃত্বে এবারের টুর্নামেন্টে চারটি দল অংশ নিচ্ছে। বিষয়টি ঘিরে পুলিশ-প্রশাসনের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় সূত্রের। স্থানীয়দের দাবি, বক্সনগর মাঠে ১৯৬৭ সাল থেকে ফুটবল টুর্নামেন্টের ঐতিহ্য রয়েছে। কখনও বক্সনগরের নামে, আবার কখনও এলাকার প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এখানে ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ২০২৩ সালের উপনির্বাচনের পর বিধায়ক তোফাজ্জল হোসেনের উদ্যোগে এই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় শুরু হয় এমএলএ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। তবে গত কয়েক বছর ধরে টুর্নামেন্টকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। গত বছরের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহার উপস্থিতির মধ্যেই অপু রঞ্জন দাস মাঠে এসেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, পরে পুলিশ তার সঙ্গে আসা একটি গাড়ি থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়েও নানা অভিযোগ ও রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এরপর টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচেও অপু রঞ্জন দাসের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, তাকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং তিনি অতিথিদের সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়। এবার নতুন করে বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে চারটি দল। অভিযোগ অনুযায়ী, কলমচৌড়া ব্রাদার্স ইউনিয়ন, বাগবের একাদশ, খুমলং একাদশ এবং বিশ্রামগঞ্জ একাদশ—এই চার দলের সঙ্গে অপু রঞ্জন দাসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগসূত্র রয়েছে। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগে আরও বলা হচ্ছে, কলমচৌড়া ব্রাদার্স ইউনিয়নের নেতৃত্বে রয়েছেন অপুর আত্মীয় দ্বিগবিজয় দাস এবং বাগবের একাদশের সঙ্গে অপুর ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির যোগাযোগ রয়েছে। একইভাবে বিশ্রামগঞ্জ ও খুমলং একাদশের নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও অপুর সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগেরও সরকারি বা আদালত-নির্ভর নিশ্চিত প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি। এদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, অপু রঞ্জন দাস বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। টুর্নামেন্ট চলাকালীন তিনি সীমান্ত পেরিয়ে বক্সনগর এলাকায় প্রবেশ করতে পারেন—এমন আশঙ্কার কথাও স্থানীয় মহলে ছড়িয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এমন কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর এমএলএ কাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রচার করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. মানিক সাহার উপস্থিতির কথাও বলা হচ্ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর বা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর উপস্থিতি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে—মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে আলোচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগসূত্রের অভিযোগ থাকা দলগুলো যদি টুর্নামেন্টে অংশ নেয়, তাহলে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেবে? আর মুখ্যমন্ত্রী সত্যিই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কি না, সেটিও এখন বক্সনগরের রাজনৈতিক ও ক্রীড়ামহলে আলোচনার বিষয়। তবে অপু রঞ্জন দাস কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনের জন্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।4
- ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ! ভগবাননগরে গরু আটককে ঘিরে উত্তেজনা, রণক্ষেত্র পরিস্থিতি! আহত বিএসএফের দুই জওয়ান, অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ!1
- 🔥 “Who are You?” — “আমি ভারতীয়!” 🇮🇳 “বিধানসভার অধিবেশনে CPIM বিধায়কদের থাকার কোনও অধিকার নেই”—কৃষিমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ঘিরেই উত্তপ্ত বিধানসভা। পাল্টা বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর নিশানায় রতন লাল নাথ—“Who are You?” জবাবে রতন লাল নাথ—“আমি ভারতীয়।” 🇮🇳 এরপরই তীব্র বাদানুবাদে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা।1
- দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ, সিপিএমের বিরুদ্ধে বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল খোয়াইয়ে। দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ, সিপিএমের বিরুদ্ধে বিজেপির বিক্ষোভ মিছিল খোয়াইয়ে।1
- ছয় মাস ধরে পুষ্টিকর খাবারের বরাদ্দ বন্ধের অভিযোগ, সংকটে শিশু ও প্রসূতি মায়েরা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট খাতে অর্থ না আসায় নিজেদের সামান্য ভাতা থেকে অথবা স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে বাকিতে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করতে হয়েছে। কিন্তু মাসের পর মাস বকেয়া জমে যাওয়ায় এখন অনেক দোকানদারও আর বাকিতে খাদ্যসামগ্রী দিতে চাইছেন না। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য, অতীতে কয়েক মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হলেও এবার পরিস্থিতি আরও জটিল। কারও দাবি, চার মাস, কারও পাঁচ মাস, আবার কারও ক্ষেত্রে প্রায় ছয় মাস ধরে বকেয়া রয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের পাশাপাশি গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে—যে শিশুদের ভবিষ্যৎ পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যের উপর নির্ভরশীল, তাদের খাবারের অর্থ যদি মাসের পর মাস আটকে থাকে, তাহলে এর দায়ভার কার? অভিযোগের তীর উঠছে সংশ্লিষ্ট CDPO অফিস, সমাজকল্যাণ ও সমাজশিক্ষা দপ্তর এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থের বরাদ্দ ও তার রাজ্যে পৌঁছনোর প্রক্রিয়া নিয়েও স্বচ্ছতার দাবি উঠেছে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি ব্যবস্থার আর্থিক জটিলতার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়ছে শিশু ও মায়েদের উপর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া না মেটায় কর্মীদের একাংশ আন্দোলনের পথেও নামতে বাধ্য হচ্ছেন। এখন বড় প্রশ্ন—শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিষেবা যদি অর্থের অভাবে ব্যাহত হয়, তাহলে প্রশাসন কবে এই সমস্যার সমাধান করবে? বকেয়া অর্থ কবে মেটানো হবে এবং শিশু ও গর্ভবতী-প্রসূতি মায়েদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাবারের সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে—তারই উত্তর চাইছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অভিভাবকরা। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও স্পষ্টভাবে সামনে আসেনি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি, অর্থ বরাদ্দের অবস্থান এবং কেন দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে রয়েছে—তা নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক তদন্ত ও স্বচ্ছ ব্যাখ্যার দাবি উঠছে।3