Shuru
Apke Nagar Ki App…
দোকান থেকে চুরি তেলের কার্টুন, একদিনের মাথায় গ্রেফতার দুই দোকান থেকে তেলের কার্টুন চুরিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় সীমান্তবর্তী শহর জয়গাঁর ভুলোন টার্নিং এলাকায়। এরপরই তদন্তে নেমে একদিনের মাথায় ১৩ কার্টুন রিফাইন তেল সহ দুজন যুবককে গ্রেফতার করে রবিবার আলিপুরদুয়ার আদালতে পাঠায় জয়গাঁ থানার পুলিশ।
Dainik Barta
দোকান থেকে চুরি তেলের কার্টুন, একদিনের মাথায় গ্রেফতার দুই দোকান থেকে তেলের কার্টুন চুরিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় সীমান্তবর্তী শহর জয়গাঁর ভুলোন টার্নিং এলাকায়। এরপরই তদন্তে নেমে একদিনের মাথায় ১৩ কার্টুন রিফাইন তেল সহ দুজন যুবককে গ্রেফতার করে রবিবার আলিপুরদুয়ার আদালতে পাঠায় জয়গাঁ থানার পুলিশ।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- দোকান থেকে তেলের কার্টুন চুরিকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় সীমান্তবর্তী শহর জয়গাঁর ভুলোন টার্নিং এলাকায়। এরপরই তদন্তে নেমে একদিনের মাথায় ১৩ কার্টুন রিফাইন তেল সহ দুজন যুবককে গ্রেফতার করে রবিবার আলিপুরদুয়ার আদালতে পাঠায় জয়গাঁ থানার পুলিশ।1
- Rasta chi1
- নাগুর হাটের শালবাড়ী এলাকায় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুতের খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা মারায় ঘটল ভয়াবহ দুর্ঘটনা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক যুবকের, গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন আরেকজন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন দুপুরের দিকে দুই যুবক একটি মোটরসাইকেলে করে দ্রুতগতিতে শালবাড়ী রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটি রাস্তার ধারে থাকা একটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে একজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। অন্যজন গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকেন। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহত যুবককে উদ্ধার করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠান। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। মৃত যুবকের পরিচয় এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানা যায়নি বলে খবর। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও নিয়ন্ত্রণ হারানোই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মূল কারণ। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় বেপরোয়া গতিতে যান চলাচলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং প্রশাসনের কাছে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।1
- 📍শীতলখুচি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হরিহর দাসের সমর্থনে শাকাতির হাটে কর্মীসভা তৃণমূল কংগ্রেসের1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- বর্তমান মানুষের কাঁথাপটন1
- রবিবারের ভোট প্রচারে গান ও প্রধানমন্ত্রী মোদির গলা অনুকরণে জমিয়ে দিলেন যুব তৃণমন্ত্রী তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মাঘপালায় তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিকের সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।সাংসদ ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে দেখতে মাঘপালা এপি বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়ে ভিড়। বক্তৃতায় সায়নী বলেন, দিল্লিতে লড়াই শুরু হয়েছে এবং বাংলাতেও এবার চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। পাশাপাশি ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে দেশের প্রধানমন্ত্রী করার লক্ষ্যের কথাও জানান। এদিন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “এই নির্বাচনে জিততে হলে কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”1
- বারোকোদালি ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩২ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, তাদের নির্বাচনী ফ্লেক্স ও দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, এবং এই ঘটনার জন্য সরাসরি বিজেপি কর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এবং দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচারের সামগ্রী নষ্ট করা হয়েছে যাতে ভোটের আগে সংগঠনের শক্তি দুর্বল করা যায়। তাদের অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীরাই এই কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে। বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, তারা এই ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই জড়িত নয়। বরং তাদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঢাকতে বিজেপির উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের অভিযোগ রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তারের একটি কৌশল মাত্র। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রাক্কালে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়, তবে বারোকোদালি এলাকার এই ঘটনায় রাজনৈতিক পারদ আরও চড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের তদন্তে ঠিক কী উঠে আসে এবং এই ঘটনায় কারা দোষী প্রমাণিত হয়।1