কাঁসাই নদীতে রহস্যমৃত্যু! বালির নিচে মিলল নিখোঁজ যুবকের দেহ! কয়েকদিনের উৎকণ্ঠার অবসান ঘটলেও প্রশ্নের সংখ্যা বেড়ে গেল বহুগুণ। পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা–কেশপুর সীমান্তবর্তী কাঁসাই নদী থেকে বালির নিচে চাপা অবস্থায় উদ্ধার হলো এক নিখোঁজ যুবকের দেহ। মৃত যুবকের নাম শিশির মল্লিক (২৯)। তিনি কেশপুর ব্লকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এনায়েতপুরের বিশ্বনাথপুর এলাকায় আয়োজিত একটি মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতা দেখতে গিয়েছিলেন শিশির। সেই দিনের পর থেকেই তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের তরফে কেশপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় তাঁর সন্ধানে পোস্টারও দেওয়া হয়। নিখোঁজের মধ্যেই রহস্য আরও ঘনীভূত হয়, যখন কয়েকদিন আগে কাঁসাই নদীতে জাল ফেলতে গিয়ে জেলেদের জালে একটি সাইকেল উঠে আসে। পরে জানা যায়, সেটি শিশিরের ব্যবহৃত সাইকেল। এরপর থেকেই আশঙ্কা বাড়তে থাকে পরিবারের মধ্যে। সোমবার দুপুরে ডেবরা–কেশপুর সীমান্তবর্তী নদীর একটি অংশে দুটি কুকুরকে অস্বাভাবিকভাবে বালির উপর আঁচড় কাটতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হলে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কেশপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বালি খুঁড়ে একটি দেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা দেহ শনাক্ত করলে নিশ্চিত হয়, সেটি নিখোঁজ শিশির মল্লিকেরই দেহ। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, যুবককে খুন করে দেহ বালির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। যদিও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কেশপুর থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকেই এখন তাকিয়ে তদন্তকারীরা। হঠাৎ এই রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া। পরিবারের একটাই দাবি—ঘটনার সত্য প্রকাশ্যে আসুক এবং দোষীরা কঠোরতম শাস্তি পাক।
কাঁসাই নদীতে রহস্যমৃত্যু! বালির নিচে মিলল নিখোঁজ যুবকের দেহ! কয়েকদিনের উৎকণ্ঠার অবসান ঘটলেও প্রশ্নের সংখ্যা বেড়ে গেল বহুগুণ। পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা–কেশপুর সীমান্তবর্তী কাঁসাই নদী থেকে বালির নিচে চাপা অবস্থায় উদ্ধার হলো এক নিখোঁজ যুবকের দেহ। মৃত যুবকের নাম শিশির মল্লিক (২৯)। তিনি কেশপুর ব্লকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এনায়েতপুরের বিশ্বনাথপুর এলাকায় আয়োজিত একটি মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতা দেখতে গিয়েছিলেন শিশির। সেই দিনের পর থেকেই তাঁর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের তরফে কেশপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় তাঁর সন্ধানে পোস্টারও দেওয়া হয়। নিখোঁজের মধ্যেই রহস্য আরও ঘনীভূত হয়, যখন কয়েকদিন আগে কাঁসাই নদীতে জাল ফেলতে গিয়ে জেলেদের জালে একটি সাইকেল উঠে আসে। পরে জানা যায়, সেটি শিশিরের ব্যবহৃত সাইকেল। এরপর থেকেই আশঙ্কা বাড়তে থাকে পরিবারের মধ্যে। সোমবার দুপুরে ডেবরা–কেশপুর সীমান্তবর্তী নদীর একটি অংশে দুটি কুকুরকে অস্বাভাবিকভাবে বালির উপর আঁচড় কাটতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হলে সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কেশপুর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বালি খুঁড়ে একটি দেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা দেহ শনাক্ত করলে নিশ্চিত হয়, সেটি নিখোঁজ শিশির মল্লিকেরই দেহ। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, যুবককে খুন করে দেহ বালির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। যদিও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার নেপথ্যে কারা জড়িত, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে কেশপুর থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের দিকেই এখন তাকিয়ে তদন্তকারীরা। হঠাৎ এই রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে আতঙ্ক ও শোকের ছায়া। পরিবারের একটাই দাবি—ঘটনার সত্য প্রকাশ্যে আসুক এবং দোষীরা কঠোরতম শাস্তি পাক।
- Post by Mijanur2
- কলেজের প্রাপ্য ফিস নিয়ম মেনে পরিশোধ করার পরও সেমিস্টারের মার্কশিট না পাওয়া, প্রিন্সিপাল অফিস দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ অবস্থায় থাকা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হলেও বছরের পর বছর কোনো অনুষ্ঠান না হওয়ার অভিযোগে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কেশপুর সুকুমার সেনগুপ্ত মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। এরই প্রতিবাদে আজ কলেজ চত্বরে শুরু হয়েছে ধারাবাহিক বিক্ষোভ ও অবস্থান আন্দোলন। অভিযোগ, কলেজে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজ দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায়। ছাত্রছাত্রীদের দাবি, সেমিস্টার শেষ হয়ে গেলেও অনেকেই এখনো মার্কশিট পাচ্ছেন না। ছাত্র বিক্ষোভ প্রসঙ্গে কলেজের টিচার-ইন-চার্জ বামদেব সেনাপতি বলেন, "প্রিন্সিপালের ঘর বন্ধ থাকায় প্রশাসনিক কাজে সমস্যা হচ্ছে, আমরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। তবে ইতিমধ্যেই মার্কশিট বিতরণ শুরু হয়েছে এবং সেটি পেলেই স্কলারশিপের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। পানীয় জলের অভিযোগ আগে লিখিতভাবে জানানো হয়নি। আমি নিজেও নিজের ঘরে ঢুকতে না পেরে বাইরে বসে কাজ করছি; দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।" শিক্ষার্থীদের একাংশ জানিয়েছেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের জন্য অর্থ নিলেও বহু বছর ধরে সেই অনুষ্ঠান হচ্ছে না। এদিন সকাল থেকেই কলেজের প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রছাত্রীরা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভে সামিল হন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসনও নজর রাখছে। বিক্ষোভরত ছাত্রছাত্রীদের দাবি, অবিলম্বে মার্কশিট বিতরণ, প্রশাসনিক কাজ স্বাভাবিক করা এবং অর্থের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন আরও তীব্র করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।1
- প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন শীতলা মায়ের মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার অন্তর্গত ভূঁইয়ারা গ্রামের পন্ডিত পরিবারের শীতলা মায়ের মন্দিরে বিগ্রহের সোনার উপর মিলিয়ে প্রায় ৮ লক্ষ টাকায় গহনা চুরির অভিযোগ। বুধবার সকালে মন্দির খুলতে এসে এক সেবায়েত দেখেন মন্দিরের তালাটি নেই। মন্দির খুলতে দেখা যায় মায়ের গায়ে একটু গয়নাও নেই। রুপোর মুকুট, পৈতে, দুল, টিকলি সহ প্রায় সমস্ত কিছু নিয়ে চম্পট দিয়েছে কেউ বা কারা। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিবারের লোকেরা1
- বিজেপি ও তৃণমূল সরকারের পার্থক্য ও বুঝিয়ে দিলেন গোঘাট ২ নং ব্লকের শিক্ষা কর্মাধ্যক্য দেবাশীষ দত্ত মহাশয়ের1
- নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের শহীদ স্মরণ সভায় ঋজু দত্ত1
- #উলুবেড়িয়া #রেনবো হসপিটাল #1
- মহেশতলার ২২ নং ওয়ার্ডে রাস্তা মেরামতির দাবিতে তৃনমূল কংগ্রেসের পৌরপিতার বাড়ি ঘেরাও,দেখুন ভিডিও👇👇👇1
- গোঘাট রেল স্টেশনের গ্যারেজে ভাড়ার দৌরাত্ম্য! প্রশাসনের কড়া হুঁশিয়ারি গোঘাট রেলওয়ে স্টেশনে সাইকেল ও মোটরসাইকেল গ্যারেজের ভাড়া বেআইনিভাবে বাড়িয়ে সাধারণ যাত্রীদের উপর জুলুম চালানোর অভিযোগে গতকালের গোলমালের পর আজ প্রশাসনের কড়া হস্তক্ষেপ। গোঘাট এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ-সভাপতি, গোঘাট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ অন্যান্য কর্মাধ্যক্ষরা সরাসরি গ্যারেজগুলিতে হানা দিয়ে গ্যারেজ মালিকদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন—খেয়ালখুশিমতো ভাড়া নেওয়া চলবে না। সাব-ডিভিশন জুড়ে যে নির্ধারিত সরকারি রেট রয়েছে, সেই রেটেই গ্যারেজ ভাড়া নিতে হবে এবং অবিলম্বে প্রতিটি গ্যারেজে রেট চার্ট টাঙাতে হবে। নির্দেশ অমান্য করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সাফ জানিয়ে দেন জনপ্রতিনিধিরা। তিনদিন পর পুনরায় পরিদর্শনে এসে নির্দেশ মানা হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানানো হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আজ গ্যারেজ মালিকরা ক্যামেরার সামনে কোনও বক্তব্য দিতে সাহস পাননি।1