রাতের অন্ধকারে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল একটি যাত্রীবাহী বাস রাতের অন্ধকারে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল একটি যাত্রীবাহী বাস। ঘটনাটি ঘটেছে গোবরা ছাড়া পুলের পার ব্রিজ সংলগ্ন মুন্সিরহাট যাওয়ার রাস্তায়, আনুমানিক রাত তিনটা নাগাদ। জানা গিয়েছে, বাসটি একটি বিয়ের বাড়ির ভাড়া খাটিয়ে যাত্রী নামিয়ে ফেরার পথে ছিল। সেই সময় মূল সড়ক এড়িয়ে একটি অত্যন্ত সরু সিসি (ঢালাই) রাস্তায় ঢুকে পড়ে বাসটি। স্থানীয়দের দাবি, ওই রাস্তায় সাধারণত টোটো ছাড়া বড় গাড়ি চলাচল করে না। ফলে কীভাবে ওই পথে বাস প্রবেশ করল, তা নিয়েই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। অভিযোগ, বাস চালক মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতিরিক্ত মদ্যপানের জেরেই চালক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সরু রাস্তায় ঢুকে পড়েন এবং পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তা ছেড়ে ধানক্ষেতে কাত হয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত, সেই সময় বাসে কোনও যাত্রী বা বরযাত্রী উপস্থিত না থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের প্রশ্ন—বিকল্প ও প্রশস্ত রাস্তা থাকা সত্ত্বেও কেন চালক এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিলেন? ঘটনার পর এলাকাবাসীরা এগিয়ে এসে জেসিবি (JCB) মেশিনের সাহায্যে বাসটিকে উদ্ধার করে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। ঘটনায় কেউ আহত না হলেও, এমন অবহেলায় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।
রাতের অন্ধকারে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল একটি যাত্রীবাহী বাস রাতের অন্ধকারে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল একটি যাত্রীবাহী বাস। ঘটনাটি ঘটেছে গোবরা ছাড়া পুলের পার ব্রিজ সংলগ্ন মুন্সিরহাট যাওয়ার রাস্তায়, আনুমানিক রাত তিনটা নাগাদ। জানা গিয়েছে, বাসটি একটি বিয়ের বাড়ির ভাড়া খাটিয়ে যাত্রী নামিয়ে ফেরার পথে ছিল। সেই সময় মূল সড়ক এড়িয়ে একটি অত্যন্ত সরু সিসি (ঢালাই) রাস্তায় ঢুকে পড়ে বাসটি। স্থানীয়দের দাবি, ওই রাস্তায় সাধারণত টোটো ছাড়া বড় গাড়ি চলাচল করে না। ফলে কীভাবে ওই পথে বাস প্রবেশ করল, তা নিয়েই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। অভিযোগ, বাস চালক মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতিরিক্ত মদ্যপানের জেরেই চালক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সরু রাস্তায় ঢুকে পড়েন এবং পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তা ছেড়ে ধানক্ষেতে কাত হয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত, সেই সময় বাসে কোনও যাত্রী বা বরযাত্রী উপস্থিত না থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের প্রশ্ন—বিকল্প ও প্রশস্ত রাস্তা থাকা সত্ত্বেও কেন চালক এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিলেন? ঘটনার পর এলাকাবাসীরা এগিয়ে এসে জেসিবি (JCB) মেশিনের সাহায্যে বাসটিকে উদ্ধার করে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। ঘটনায় কেউ আহত না হলেও, এমন অবহেলায় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।
- ভবানীগঞ্জ বাজারে ফের চাঙর ভেঙে পড়ল, অল্পের জন্য রক্ষা।1
- মাথাভাঙ্গা শীতলকুচি সড়কের এলংমারী এলাকায় নির্মীয়মান কালভার্ট থেকে পড়ে গিয়ে জখম তিনজন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে নির্মীয়মান কালভার্টের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় কালভার্ট থেকে বাইক নিয়ে বাইক আরোহী সহ মোট তিনজন নিচে পড়ে যায়।স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করান।স্থানীয়দের অভিযোগ নির্মীয়মান কালভার্ট তবে ব্যারিকেট ও আলোর ব্যবস্থা না থাকায় এই দুর্ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে মাথাভাঙ্গা থানার পুলিশ।1
- ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যদিও এই দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর মেলেনি, তবে অল্পের জন্য বড়সড় বিপদ এড়ানো গেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, ভবানীগঞ্জ মাছ বাজারের ওই বিল্ডিংটি দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল অবস্থায় ছিল। বাজারের ব্যবসায়ীরা বারবার প্রশাসনের কাছে ভবনটির সংস্কারের দাবি জানিয়েছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, একাধিকবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ব্যবসায়ীদের একাংশ জানান, ভবনের বিভিন্ন অংশে আগেই ফাটল দেখা গিয়েছিল এবং ছাদের প্লাস্টার খসে পড়ছিল। সেই কারণে বহুবার সতর্ক করা সত্ত্বেও প্রশাসনের তরফে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এদিন সকালে হঠাৎ করেই ভবনের একটি বড় অংশ ধসে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাজার এলাকায়। ঘটনার পর ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ উগরে দিয়ে অবিলম্বে পুরো বিল্ডিংটির সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকারও দাবি তুলেছেন তাঁরা।1
- শীতলকুচির গিরিধারী ব্রিজের উপর বাসের সাঁকো ভারী বৃষ্টি ও জলের স্রোতে ভেসে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। এই পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে কলা গাছের ভেলা। সেই ভেলা দিয়েই সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা পারাপার করছেন। গাড়ি ও মানুষ পারাপারের জন্য প্রতি জন থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত লালবাজারের দেবনাথ পাড়ায় একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হোক। কারণ এই রাস্তা একদিকে শীতলকুচি ব্লক ও অন্যদিকে সিতাই ব্লকের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই বালি বোঝাই ডাম্পারের চাপে এবং টানা বৃষ্টিতে সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপর ব্রিজের পাশে একটি অস্থায়ী বাঁশের সেতু তৈরি করা হলেও সেটিও ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে। তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। অন্যদিকে, সাঁকো ভেঙে যাওয়ার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোনও হস্তক্ষেপ চোখে পড়েনি বলেও অভিযোগ উঠেছে।1
- টিউশন থেকে ফেরার পথে নাবালিকা এক ছাত্রীর হাত ধরে টানার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে।তুমুল উত্তেজনা হরিপালে।1
- মেখলিগঞ্জ ব্লকের জালিয়াতর মোড় এলাকা থেকে বাংলাদেশে পাচারের আগেই বিপুল পরিমাণ মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করল বিএসএফ । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। আনুমানিক ৬০০ পিস মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজার আনুমানিক মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। সূত্র মারফত জানা গেছে, একটি যাত্রীবাহী বাসে করে দুটি কার্টুন জালিয়াটারী মোড়ে নামানো হয়। এরপর এক অভিযুক্ত টোটো নিয়ে কার্টুনগুলো সংগ্রহ করতে এলে বিএসএফের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলো বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- বিধাননগরে ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে উঠল। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থীকে না জানিয়ে স্ট্রং রুম খোলা হয়েছে, যা নির্বাচন বিধি লঙ্ঘনের শামিল। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ভোটের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে স্ট্রং রুম খোলার আগে প্রার্থী বা তার প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকার কথা। কিন্তু সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই তাঁদের অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কর্মীরা এবং সরাসরি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের ঘরে ঢুকে প্রতিবাদ জানান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বিজেপি প্রার্থীও বিষয়টি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, “নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আমাদের অন্ধকারে রেখে এভাবে স্ট্রং রুম খোলা হলে প্রশ্ন উঠবেই।” অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সমস্ত প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী। এখনও পর্যন্ত বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর না মিললেও, গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- পশ্চিম শীতলকুচি কাটোয়ার পাড় এলাকায় মাশান বাবার পূজোতে ভক্তদের ঢল প্রতি বছরের মতো এবারও পশ্চিম শীতলকুচি কাটোয়ার পাড় এলাকায় মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হলো মাশান বাবার পূজো। শনিবার বারোটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভক্তদের ঢল ছিল চোখে পড়ার মতো। দূরদূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ভিড়ে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মাশান বাবার থানে ধূপ-ধুনো, ফুল-ফল, মিষ্টি ও পাঁঠাবলি দিয়ে মানত পূরণ করেন ভক্তরা। কথিত আছে, মাশান বাবা অত্যন্ত জাগ্রত যে ভক্ত ভক্তিভরে মাসান বাবার আরাধনা করেন সেই ভক্তের মনের বাসনা পূরণ করেনা বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়। তাই সন্তান কামনা, রোগমুক্তি ও বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য বহু মানুষ প্রতি বছর এখানে ছুটে আসেন পুজো দিতে1