গিরিধারী ব্রিজে সাঁকো ভেসে গেল বৃষ্টিতে, কলা গাছের ভেলায় পারাপার—ভোগান্তিতে মানুষ শীতলকুচির গিরিধারী ব্রিজের উপর বাসের সাঁকো ভারী বৃষ্টি ও জলের স্রোতে ভেসে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। এই পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে কলা গাছের ভেলা। সেই ভেলা দিয়েই সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা পারাপার করছেন। গাড়ি ও মানুষ পারাপারের জন্য প্রতি জন থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত লালবাজারের দেবনাথ পাড়ায় একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হোক। কারণ এই রাস্তা একদিকে শীতলকুচি ব্লক ও অন্যদিকে সিতাই ব্লকের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই বালি বোঝাই ডাম্পারের চাপে এবং টানা বৃষ্টিতে সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপর ব্রিজের পাশে একটি অস্থায়ী বাঁশের সেতু তৈরি করা হলেও সেটিও ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে। তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। অন্যদিকে, সাঁকো ভেঙে যাওয়ার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোনও হস্তক্ষেপ চোখে পড়েনি বলেও অভিযোগ উঠেছে।
গিরিধারী ব্রিজে সাঁকো ভেসে গেল বৃষ্টিতে, কলা গাছের ভেলায় পারাপার—ভোগান্তিতে মানুষ শীতলকুচির গিরিধারী ব্রিজের উপর বাসের সাঁকো ভারী বৃষ্টি ও জলের স্রোতে ভেসে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। এই পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে কলা গাছের ভেলা। সেই ভেলা দিয়েই সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা পারাপার করছেন। গাড়ি ও মানুষ পারাপারের জন্য প্রতি জন থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত লালবাজারের দেবনাথ পাড়ায় একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হোক। কারণ এই রাস্তা একদিকে শীতলকুচি ব্লক ও অন্যদিকে সিতাই ব্লকের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই বালি বোঝাই ডাম্পারের চাপে এবং টানা বৃষ্টিতে সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপর ব্রিজের পাশে একটি অস্থায়ী বাঁশের সেতু তৈরি করা হলেও সেটিও ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে। তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। অন্যদিকে, সাঁকো ভেঙে যাওয়ার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোনও হস্তক্ষেপ চোখে পড়েনি বলেও অভিযোগ উঠেছে।
- শীতলকুচির গিরিধারী ব্রিজের উপর বাসের সাঁকো ভারী বৃষ্টি ও জলের স্রোতে ভেসে যাওয়ায় চরম সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করেন। এই পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে কলা গাছের ভেলা। সেই ভেলা দিয়েই সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা পারাপার করছেন। গাড়ি ও মানুষ পারাপারের জন্য প্রতি জন থেকে ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত লালবাজারের দেবনাথ পাড়ায় একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা হোক। কারণ এই রাস্তা একদিকে শীতলকুচি ব্লক ও অন্যদিকে সিতাই ব্লকের সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম প্রধান পথ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই বালি বোঝাই ডাম্পারের চাপে এবং টানা বৃষ্টিতে সাঁকোটি ভেঙে যায়। এরপর ব্রিজের পাশে একটি অস্থায়ী বাঁশের সেতু তৈরি করা হলেও সেটিও ভেঙে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে। তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতে এলাকার যুবকদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। অন্যদিকে, সাঁকো ভেঙে যাওয়ার পর থেকে স্থানীয় প্রশাসনের তেমন কোনও হস্তক্ষেপ চোখে পড়েনি বলেও অভিযোগ উঠেছে।1
- টিউশন থেকে ফেরার পথে নাবালিকা এক ছাত্রীর হাত ধরে টানার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে।তুমুল উত্তেজনা হরিপালে।1
- মধুচক্রের অভিযোগে কোচবিহার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ। এলাকায় উত্তেজনা1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- রাতের অন্ধকারে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল একটি যাত্রীবাহী বাস। ঘটনাটি ঘটেছে গোবরা ছাড়া পুলের পার ব্রিজ সংলগ্ন মুন্সিরহাট যাওয়ার রাস্তায়, আনুমানিক রাত তিনটা নাগাদ। জানা গিয়েছে, বাসটি একটি বিয়ের বাড়ির ভাড়া খাটিয়ে যাত্রী নামিয়ে ফেরার পথে ছিল। সেই সময় মূল সড়ক এড়িয়ে একটি অত্যন্ত সরু সিসি (ঢালাই) রাস্তায় ঢুকে পড়ে বাসটি। স্থানীয়দের দাবি, ওই রাস্তায় সাধারণত টোটো ছাড়া বড় গাড়ি চলাচল করে না। ফলে কীভাবে ওই পথে বাস প্রবেশ করল, তা নিয়েই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। অভিযোগ, বাস চালক মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতিরিক্ত মদ্যপানের জেরেই চালক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সরু রাস্তায় ঢুকে পড়েন এবং পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তা ছেড়ে ধানক্ষেতে কাত হয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত, সেই সময় বাসে কোনও যাত্রী বা বরযাত্রী উপস্থিত না থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের প্রশ্ন—বিকল্প ও প্রশস্ত রাস্তা থাকা সত্ত্বেও কেন চালক এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিলেন? ঘটনার পর এলাকাবাসীরা এগিয়ে এসে জেসিবি (JCB) মেশিনের সাহায্যে বাসটিকে উদ্ধার করে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। ঘটনায় কেউ আহত না হলেও, এমন অবহেলায় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।1
- মেখলিগঞ্জ ব্লকের জালিয়াতর মোড় এলাকা থেকে বাংলাদেশে পাচারের আগেই বিপুল পরিমাণ মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করল বিএসএফ । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। আনুমানিক ৬০০ পিস মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজার আনুমানিক মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। সূত্র মারফত জানা গেছে, একটি যাত্রীবাহী বাসে করে দুটি কার্টুন জালিয়াটারী মোড়ে নামানো হয়। এরপর এক অভিযুক্ত টোটো নিয়ে কার্টুনগুলো সংগ্রহ করতে এলে বিএসএফের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলো বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।1
- নিশিগঞ্জ: ভোটের ফল প্রকাশের দিন শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ ও প্রশাসন। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই শনিবার মাথাভাঙ্গা মহকুমার বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় রুটমার্চ করা হয়। নেতৃত্ব দেন কোচবিহার জেলার পুলিশ সুপার যশপ্রিত সিংহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, জেলা পুলিশ ও মহকুমা পুলিশের আধিকারিকরা। মাথাভাঙ্গা শহর, , নিশিগঞ্জসহ একাধিক এলাকায় রুটমার্চ করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এলাকায় এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার। ভোটের ফল ঘোষণার দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন যে কড়া অবস্থানে রয়েছে, রুটমার্চের মাধ্যমে সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোথাও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রুটমার্চ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।1
- পশ্চিম শীতলকুচি কাটোয়ার পাড় এলাকায় মাশান বাবার পূজোতে ভক্তদের ঢল প্রতি বছরের মতো এবারও পশ্চিম শীতলকুচি কাটোয়ার পাড় এলাকায় মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হলো মাশান বাবার পূজো। শনিবার বারোটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভক্তদের ঢল ছিল চোখে পড়ার মতো। দূরদূরান্ত থেকে আসা হাজার হাজার পুণ্যার্থীর ভিড়ে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মাশান বাবার থানে ধূপ-ধুনো, ফুল-ফল, মিষ্টি ও পাঁঠাবলি দিয়ে মানত পূরণ করেন ভক্তরা। কথিত আছে, মাশান বাবা অত্যন্ত জাগ্রত যে ভক্ত ভক্তিভরে মাসান বাবার আরাধনা করেন সেই ভক্তের মনের বাসনা পূরণ করেনা বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়। তাই সন্তান কামনা, রোগমুক্তি ও বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য বহু মানুষ প্রতি বছর এখানে ছুটে আসেন পুজো দিতে1