বিস্ফোরক অভিষেক!সীমান্তে টার্গেট গেরুয়া , বিজেপি জিতলে পরিণতি নিয়ে হুঁশিয়ারি, তুমুল সোরগোল রাজনৈতিক মহলে। বিস্ফোরক অভিষেক!সীমান্তে টার্গেট গেরুয়া , বিজেপি জিতলে পরিণতি নিয়ে হুঁশিয়ারি, তুমুল সোরগোল রাজনৈতিক মহলে। শনিবার মুর্শিদাবাদে ঝটিকা সফরে একাধিক স্থানে এসে কলকাতা ফেরার পথে নবাব নগরী লালবাগের বুকে হাজির হয়ে তৃণমূলের তরফে অভিষেক ব্যানার্জি টার্গেট করলো গেরুয়াকে। সেইমত মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করলে ভয়ানক পরিণতির হুঁশিয়ারিও শোনালেন তিনি সাংবাদিকদের সামনেই। অভিষেক বলেন, আপনারা সকলেই জানেন গত বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ এই আসন দুটিতে বিজেপি জয়লাভ করেছিল। এবারও যদি তারা কোনভাবে যেতে তাহলে পরিণতি মোটেও ভালো হবে না। তাহলে পর্যটকরা এই জেলাতে আসবেনা। কোনভাবেই বিজেপিকে এখানে জেতানো যাবে না এটা সকলে মাথায় রাখবেন। স্বাভাবিকভাবে অভিষেকের এমন আক্রমণাত্মক হুঁশিয়ারি রীতিমতো রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা সৃষ্টি করেছে।
বিস্ফোরক অভিষেক!সীমান্তে টার্গেট গেরুয়া , বিজেপি জিতলে পরিণতি নিয়ে হুঁশিয়ারি, তুমুল সোরগোল রাজনৈতিক মহলে। বিস্ফোরক অভিষেক!সীমান্তে টার্গেট গেরুয়া , বিজেপি জিতলে পরিণতি নিয়ে হুঁশিয়ারি, তুমুল সোরগোল রাজনৈতিক মহলে। শনিবার মুর্শিদাবাদে ঝটিকা সফরে একাধিক স্থানে এসে কলকাতা ফেরার পথে নবাব নগরী লালবাগের বুকে হাজির হয়ে তৃণমূলের তরফে অভিষেক ব্যানার্জি টার্গেট করলো গেরুয়াকে। সেইমত মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করলে ভয়ানক পরিণতির হুঁশিয়ারিও শোনালেন তিনি সাংবাদিকদের সামনেই। অভিষেক বলেন, আপনারা সকলেই জানেন গত বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ এই আসন দুটিতে বিজেপি জয়লাভ করেছিল। এবারও যদি তারা কোনভাবে যেতে তাহলে পরিণতি মোটেও ভালো হবে না। তাহলে পর্যটকরা এই জেলাতে আসবেনা। কোনভাবেই বিজেপিকে এখানে জেতানো যাবে না এটা সকলে মাথায় রাখবেন। স্বাভাবিকভাবে অভিষেকের এমন আক্রমণাত্মক হুঁশিয়ারি রীতিমতো রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা সৃষ্টি করেছে।
- বিস্ফোরক অভিষেক!সীমান্তে টার্গেট গেরুয়া , বিজেপি জিতলে পরিণতি নিয়ে হুঁশিয়ারি, তুমুল সোরগোল রাজনৈতিক মহলে। শনিবার মুর্শিদাবাদে ঝটিকা সফরে একাধিক স্থানে এসে কলকাতা ফেরার পথে নবাব নগরী লালবাগের বুকে হাজির হয়ে তৃণমূলের তরফে অভিষেক ব্যানার্জি টার্গেট করলো গেরুয়াকে। সেইমত মুর্শিদাবাদের বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করলে ভয়ানক পরিণতির হুঁশিয়ারিও শোনালেন তিনি সাংবাদিকদের সামনেই। অভিষেক বলেন, আপনারা সকলেই জানেন গত বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ এই আসন দুটিতে বিজেপি জয়লাভ করেছিল। এবারও যদি তারা কোনভাবে যেতে তাহলে পরিণতি মোটেও ভালো হবে না। তাহলে পর্যটকরা এই জেলাতে আসবেনা। কোনভাবেই বিজেপিকে এখানে জেতানো যাবে না এটা সকলে মাথায় রাখবেন। স্বাভাবিকভাবে অভিষেকের এমন আক্রমণাত্মক হুঁশিয়ারি রীতিমতো রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা সৃষ্টি করেছে।1
- বহরমপুরে ভোট প্রচারে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক, কংগ্রেস নেতা মহম্মদ আজাহারউদ্দিন। কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে সভা করবেন তিনি। শনিবার সকালে বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে আজাহারের হেলিকপ্টার। প্রাক্তন সাংসদ তথা প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে উচ্ছবাস কংগ্রেস নেতা কর্মীদের মধ্যে।1
- নির্বাচনী প্রচারে বহরমপুরে এসে পৌঁছলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার আজাহারউদ্দিন। শনিবার সকাল ১০ টা নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে হেলিকোপ্টারে করে এসে পৌঁছান আজাহারউদ্দিন। তারপর বহরমপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে আসেন তিনি। সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে বহরমপুর বিধানসভার দৌলতাবাদে, রাণীনগর বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় এবং মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে রোড শো করবেন তিনি বলে জানা গিয়েছে।3
- বহরমপুরে অধীর চৌধুরীর প্রচারে রোড শো আজাহারউদ্দিনের। শনিবার বহরমপুর স্টেডিয়ামে নামে প্রাক্তন ক্রিকেটার প্রাপ্তন সাংসদ মহম্মদ আজাহারউদ্দিনের হেলিকপ্টার। সেখান থেকে তিনি জান দৌলতাবাদে। দৌলতাবাদ বালির ঘাট থেকে অধীর চৌধুরীকে সাথে নিয়ে শুরু করেন রোড শো। হুডখোলা গাড়িতে চলে প্রচার।1
- বৈশাখে ধর্মরাজ, শিবের গাজন ও পুজোয় ঢাক বাজিয়ে কিছু টাকা আয় করেন মুর্শিদাবাদ জেলার ঢাকিরা। এই সময় বাদ দিয়ে বছরের অন্য সময় অন্যের জমিতে চাষ করে তাঁরা দিন গুজরান করেন। তবে এবার নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন দলের প্রচারে ঢাকিদের ডাক পড়ছে। ফলে কিছুটা বাড়তি আয়ের মুখ দেখছেন তাঁরা। ঢাকিরা জানান, একসময় শুধু বিজয় মিছিলেই ডাক আসত। তবে, গত কয়েক বছরে নির্বাচনি প্রচারে ও গণনার দিনেও ডাক আসে। সব দলই তাঁদের প্রচারে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করে যাচ্ছে।গাজন ও অন্য ধর্মীয় উৎসবে বছরভর তাঁদের ডাক আসে। চৈত্র থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত আমাদের বরাত মেলে। সারা বছরের রোজগারের অনেকটাই এই সময় হয়। দুর্গাপুজোর সময়ও এত রোজগার হয় না। গাজনে গেলে থাকা ও খাওয়া বাদে একজনের প্রায় হাজার চারেক টাকা আয় হয়। এবছর নির্বাচন থাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলই ঢাকিদের প্রচারে নিয়ে যাচ্ছে। কীরকম পারিশ্রমিক মেলে? এক জন ঢাকি বলেন, গত বিধানসভা ভোটেও আমাদের প্রচারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেবার যাতায়াত ও খাওয়ার খরচ বাদ দিয়ে ৮০০-১০০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল।সোমনাথ দাস বলেন, আমাদের ছোটোবেলায় ভোটের সময় কোনো রাজনৈতিক দলের এত বর্ণাঢ্য প্রচার দেখা যেত না। তবে, এখন ঢাক সহ তাসাপার্টি থাকছে। ফলে, দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলির কয়েকদিন ভালো রোজগার হচ্ছে। বিভিন্ন দলের প্রার্থীর প্রচারে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা ঢাকিদেরও ডাকা হচ্ছে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাক বাজানোয় অনেক বদল আসছে। নিত্যানন্দ পাল বলেন,গাজনের বাজনা, আরতির বাজনা আর নির্বাচনি প্রচারের বাজনা এক নয়। প্রতিটির পৃথক ধারা বা তাল আছে। গাজন,ভোট উৎসবের কারণে আমাদের রোজগার বাড়বে। তবে, ভোট তো আর প্রতি বছর থাকে না।1
- জেলা মুর্শিদাবাদ,ব্লক কান্দি,গ্রাম গোকর্ণ, বাজার পাড়া, আগামী ১৬/০৪/২০২৬থেকে এখন পর্যন্ত বাজার পাড়া রাস্তার উপর দিয়ে ড্রেইন উপচে নোংরা জল বয়ছে1
- হরিহরপাড়ায় আসলেন সুপারস্টার দেব1
- লালবাগে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শাওনের সিংহ রায়ের সমর্থনে জনসভা করল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক অভিষেক ব্যানার্জি। সভা মঞ্চ থেকে অধীর চৌধুরীকে কটাক্ষ। এবং সিপিআইএমকে প্রশ্ন ছুড়লো, এবার ভোটটা কাকে দেবে?1