রাজ্যে তৃণমূলের ভোটের ভরাডুবির পর একের পর এক নেতা-কর্মীর দলত্যাগ ও ক্ষুব্ধ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদানের হিড়িক শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রবিবার পানাগড় বাজারে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে এক মেগা যোগদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। এদিন কাঁকসার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জাটগড়িয়া গ্রামের প্রায় ১৫০ জন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মী জাতীয় কংগ্রেস দলে যোগদান করেছেন। এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী, কাঁকসা ব্লকের কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি পুরব ব্যানার্জি, জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বিশ্বাস, ব্লকের কার্যকরী সভাপতি মোজাম্মেল হক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। যোগাদানকারীদের হাতে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ এখন কংগ্রেসকেই পছন্দ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে বিজেপি হোক বা তৃণমূল, উভয় দলই এখন ধর্মের বিভাজন শুরু করেছে। তাই রাজ্য ও দেশকে বাঁচাতে কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা। তিনি আরও দাবি করেন যে, বহু মানুষ কংগ্রেসে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দিনে বিবেচনা করে তাদেরও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যোগদান করানো হবে। এই যোগদান কর্মসূচির ফলে আগামী দিনে কংগ্রেস দল আরও শক্তিশালী হবে এবং যেকোনো নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির সঙ্গেই কংগ্রেসের মূল লড়াই হবে, যেখানে কংগ্রেস ভালো ফল করবে বলে তিনি আশাবাদী।
রাজ্যে তৃণমূলের ভোটের ভরাডুবির পর একের পর এক নেতা-কর্মীর দলত্যাগ ও ক্ষুব্ধ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদানের হিড়িক শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রবিবার পানাগড় বাজারে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে এক মেগা যোগদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। এদিন কাঁকসার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জাটগড়িয়া গ্রামের প্রায় ১৫০ জন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মী জাতীয় কংগ্রেস দলে যোগদান করেছেন। এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী, কাঁকসা ব্লকের কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি পুরব ব্যানার্জি, জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বিশ্বাস, ব্লকের কার্যকরী সভাপতি মোজাম্মেল হক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। যোগাদানকারীদের হাতে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ এখন কংগ্রেসকেই পছন্দ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে বিজেপি হোক বা তৃণমূল, উভয় দলই এখন ধর্মের বিভাজন শুরু করেছে। তাই রাজ্য ও দেশকে বাঁচাতে কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা। তিনি আরও দাবি করেন যে, বহু মানুষ কংগ্রেসে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দিনে বিবেচনা করে তাদেরও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যোগদান করানো হবে। এই যোগদান কর্মসূচির ফলে আগামী দিনে কংগ্রেস দল আরও শক্তিশালী হবে এবং যেকোনো নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির সঙ্গেই কংগ্রেসের মূল লড়াই হবে, যেখানে কংগ্রেস ভালো ফল করবে বলে তিনি আশাবাদী।
- কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বহরমপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন কিনা, এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।1
- মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে সুতি থানার পুলিশ। গত শনিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৮৮৭ পিস ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় আনারুল হক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদের মোড় সংলগ্ন সুচনি পাড়া এলাকার একটি ইঁটভাটার সামনে সন্দেহজনকভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি তিন চাকার যান (টোটো) পুলিশের নজরে আসে। পরে গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালালে তার ভেতর থেকে নিষিদ্ধ ফেনসিডিল ও কাফ সিরাপ উদ্ধার হয়। ধৃত আনারুল হকের বাড়ি মালদা জেলার চাঁচল থানার শামসি এলাকায়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধৃত ব্যক্তি একটি সক্রিয় মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত। ধারণা করা হচ্ছে, মালদা থেকে মাদকদ্রব্য এনে সুতি ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল তার। পুলিশ বর্তমানে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচার চক্রের অন্যান্য সদস্য, মজুতের স্থান এবং পাচারের রুট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাকে রবিবার আদালতে তোলা হবে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, এবং মাদক পাচার রুখতে ভবিষ্যতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।1
- কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী সম্প্রতি এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যেখানে তিনি বিজেপি এবং হুমায়ুন কবিরকে একে অপরের সমার্থক বলে উল্লেখ করেছেন। অধীরের অভিযোগ অনুযায়ী, "বিজেপি মানেই হুমায়ুন কবির, হুমায়ুন কবির মানেই বিজেপি।" তিনি আরও দাবি করেন যে উভয়ই ধর্মের সুড়সুড়ি ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে।1
- রবিবার বিশ্বজুড়ে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস মহাসমারোহে পালিত হয়েছে, যেখানে দেশজুড়েও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। এই উদযাপনে পশ্চিমবঙ্গও সামিল ছিল। এবছর যোগ দিবসের মূল আকর্ষণ ছিল কলকাতার রেড রোড, যেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে বিশাল আকারে যোগাভ্যাসের আয়োজন করা হয়। শুধুমাত্র কলকাতাতেই নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। বীরভূম জেলার নলহাটি থানাতেও আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে থানার আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা সকলে মিলিতভাবে যোগাসনে অংশগ্রহণ করেন। শরীর ও মন সুস্থ রাখতে যোগাভ্যাসের গুরুত্ব তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবং উপস্থিত সমস্ত থানার আধিকারিকগণ প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন।1
- রবিবার ২১শে জুন, সারা দেশের পাশাপাশি মালদাতেও দ্বাদশ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়েছে যোগচর্চার বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে। এদিন সকালে মালদা জেলাপ্রশাসনের উদ্যোগে মালদা শহরের সত্য চৌধুরী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে জেলাশাসক রাজেনবীর সিং কাপুর, জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং এবং অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী সহ বহু সাধারণ মানুষকে নিয়ে সত্য চৌধুরী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত যোগ শিবিরে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। সেখানে সকলে নানান ধরনের যোগাভ্যাস ও প্রাণায়াম অনুশীলন করেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির জন্য নিয়মিত যোগাভ্যাসের বার্তা জনসাধারণের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হয়।1
- মুর্শিদাবাদ জেলার কাপাসডাঙ্গা অঞ্চলের মানিকনগর গ্রামে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্মস্থলে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী স্থানীয় যুবক ইসমাইল শেখ। তিনি কামাল শেখের পুত্র এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী সদস্য ছিলেন। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার নবগ্রাম থানার নারকেলবাগান গ্রামে একটি বাড়ির নির্মাণকাজে রাজমিস্ত্রি হিসেবে কর্মরত ছিলেন ইসমাইল। ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চলার সময় হঠাৎ মাথার ওপর দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে চলে আসেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন ইসমাইল। দুর্ঘটনার পর সহকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করলেও, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। পরে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবার ও এলাকাজুড়ে গভীর শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ইসমাইলের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা ভেঙে পড়েছেন। স্থানীয়রা আরও দাবি করেছেন যে, তিনি ছিলেন হতদরিদ্র পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য, যার ফলে তার মৃত্যুর পর পরিবারটি চরম আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা তাই প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবিও জোরালোভাবে উঠেছে। এই ঘটনা কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে গাজোলে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সংখ্যালঘু মোর্চার উদ্যোগে একটি মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। পান্ডুয়া এ. কে. হাইস্কুলে এই মানবিক কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসে একটি মানবিক বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- রাজ্যে তৃণমূলের ভোটের ভরাডুবির পর একের পর এক নেতা-কর্মীর দলত্যাগ ও ক্ষুব্ধ হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদানের হিড়িক শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রবিবার পানাগড় বাজারে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে এক মেগা যোগদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। এদিন কাঁকসার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জাটগড়িয়া গ্রামের প্রায় ১৫০ জন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মী জাতীয় কংগ্রেস দলে যোগদান করেছেন। এই যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী, কাঁকসা ব্লকের কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি পুরব ব্যানার্জি, জেলার সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ বিশ্বাস, ব্লকের কার্যকরী সভাপতি মোজাম্মেল হক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। যোগাদানকারীদের হাতে কংগ্রেসের দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী। জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী জানিয়েছেন যে, রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ এখন কংগ্রেসকেই পছন্দ করছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে বিজেপি হোক বা তৃণমূল, উভয় দলই এখন ধর্মের বিভাজন শুরু করেছে। তাই রাজ্য ও দেশকে বাঁচাতে কংগ্রেসই একমাত্র ভরসা। তিনি আরও দাবি করেন যে, বহু মানুষ কংগ্রেসে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং আগামী দিনে বিবেচনা করে তাদেরও অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যোগদান করানো হবে। এই যোগদান কর্মসূচির ফলে আগামী দিনে কংগ্রেস দল আরও শক্তিশালী হবে এবং যেকোনো নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির সঙ্গেই কংগ্রেসের মূল লড়াই হবে, যেখানে কংগ্রেস ভালো ফল করবে বলে তিনি আশাবাদী।1