Shuru
Apke Nagar Ki App…
* সিতাই বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল নেতা শ্যামল গাঙ্গুলীর বিজেপিতে যোগ দান করলেন। * সিতাই বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল নেতা শ্যামল গাঙ্গুলীর বিজেপিতে যোগ দান করলেন তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন।
Eccn news 24×7
* সিতাই বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল নেতা শ্যামল গাঙ্গুলীর বিজেপিতে যোগ দান করলেন। * সিতাই বিধানসভা কেন্দ্র তৃণমূল নেতা শ্যামল গাঙ্গুলীর বিজেপিতে যোগ দান করলেন তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মন।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- হেমন্ত বিশ্ব শর্মার সভার আগে সংহতি ময়দান ঘিরে কড়া প্রস্তুতি, পরিদর্শনে বিজেপি নেতৃত্ব।1
- আলিপুরদুয়ার জেলায় বামপন্থী আন্দোলনের ঐতিহ্যকে সামনে রেখে প্রচারে এসে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আলিপুরদুয়ার দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী রাজনীতির একটি শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত, আর সেই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করতেই এবার জোর দিচ্ছে বাম শিবির। প্রচারে এসে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেন এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য, রাজ্যের বর্তমান শাসক দল ও বিরোধী শক্তির মধ্যে সংঘাতের রাজনীতি সাধারণ মানুষের স্বার্থকে উপেক্ষা করছে। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প শক্তি হিসেবে বামপন্থীদের এগিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন তিনি। আলিপুরদুয়ার-এর বিভিন্ন এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি সংগঠন মজবুত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, যুব সমাজ ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বামপন্থী আদর্শকে ছড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলেন। সুজন চক্রবর্তীর দাবি, মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা—চাকরি, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষি সংকট—এই সব ইস্যুতেই বামপন্থীরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে আসছে। তিনি আশাবাদী, আসন্ন নির্বাচনে মানুষ আবারও বামপন্থীদের উপর আস্থা রাখবে এবং আলিপুরদুয়ারে সেই পুরনো সংগঠনিক শক্তি ফিরে আসবে। সবমিলিয়ে, আলিপুরদুয়ারের মাটিতে দাঁড়িয়ে বামপন্থী ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে সংগঠনকে চাঙা করার বার্তাই দিলেন সুজন চক্রবর্তী।1
- মাথাভাঙ্গা বিধানসভায় সিপিএম প্রার্থী খগেন চন্দ্র বর্মনের সমর্থনে নিশিগঞ্জে রোডশো করলেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। নেতাজি সুভাষ সদন থেকে বাজার পর্যন্ত মিছিলের পর পথসভায় তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল ও বিজেপি ধর্মীয় বিভাজনের রাজনীতি করছে। তাঁর দাবি, রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাবে যুবরা ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন এবং সেখানে হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি স্কুল বন্ধ ও মদের দোকান বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের কোচবিহার জেলা সম্পাদক অনন্ত রায়। প্রার্থী খগেন বর্মন বলেন, জয়ী হলে এলাকার সমস্যার সমাধান ও মানুষের কথা বিধানসভায় তুলে ধরবেন।1
- সিতাই বিধানসভায় দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত থেকে সক্রিয় রাজনীতি করেছেন শ্যামল গাঙ্গুলী। তিনি ব্লক সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। একসময় তৃনমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বসুনিয়া-র ঘনিষ্ঠ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন তিনি! যদিও মাঝখানে প্রায় দেড় বছর রাজনীতি থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন শ্যামল গাঙ্গুলী, তবে ভোটের মুখে তার বিজেপিতে যোগদান ঘিরে সিতাইয়ের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিষয়টি।1
- শুক্রবার পুরনো নেতাদের ছাড়া এই লড়াই অসম্পূর্ণ—এই বিশ্বাস বুকে নিয়েই শীতলকুচি বিধানসভা জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী সুকমল বর্মন বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুরনো নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আসন্ন নির্বাচনের উত্তাপের মাঝেও যেন এক অন্যরকম আবেগের ছবি ধরা পড়ল শীতলকুচিতে। রাজনীতির কঠিন লড়াইয়ের ভিড়েও পুরনো সম্পর্ক, বিশ্বাস আর আশীর্বাদের টানেই পথে নামলেন জাতীয় কংগ্রেস প্রার্থী সুকমল বর্মন।1
- "আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ, দু রাজ্যের চা বাগানের মালিকদের সাথে কথা বলে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়তে দিচ্ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়," কালচিনি ব্লকের মালঙ্গিতে সভা করতে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার। তিনি অভিযোগ করেন, দু রাজ্যের চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বাড়ানোর জন্য আমি অনেক সময় ধরে আবেদন করছিলাম।তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই রাজ্যের চা মালিকদের সাথে কথা বলে তা বাড়তে দিচ্ছিলেন।কিন্তু আমি এবারের আসামের নির্বাচনের আগে চা শ্রমিকদের মজুরি ২৮০ টাকা করেছি।নির্বাচনে জয়ী হলে তা ৪৫০ থেকে ৫০০ হবে।"1
- *বিয়ের প্রতিশ্রুতি, ১৩ দিনের মাথায় অস্বীকার! চৌধুরীহাটে প্রেমঘটিত ঘটনায় চা*ঞ্চ-ল্য*1
- উদয়ন গুহর সমর্থনে পথে আইনজীবীরা, দিনহাটায় বার অ্যাসোসিয়েশনের মিছিল1
- নির্বাচনের প্রাক্কালে নিরাপত্তা জোরদার করতে তৎপর প্রশাসন। সেই প্রেক্ষিতেই বলরামপুরের কালজানি ব্রিজ নাকা SST পয়েন্টে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হল নগদ ৯৫হাজার ৫২৫টাকা। জানা গিয়েছে, নিয়মিত নাকা চেকিংয়ের সময় সন্দেহজনক একটি গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালান কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। গাড়ির ভেতর থেকেই উদ্ধার হয় এই বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ। সঙ্গে থাকা ব্যক্তির কাছে ওই টাকার কোনও বৈধ নথি বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না মেলায় টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্বাচনী বিধি কার্যকর থাকায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে যথাযথ কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক। তা না থাকলে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়। উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। এদিকে, ভোটকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম অনিয়ম বা বেআইনি কার্যকলাপ না ঘটে, তার জন্য জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নাকা চেকিং আরও জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।1