পাড়া থানার পড়াশিড়ি গ্রামে শিব মন্দিরে মহারুদ্র যজ্ঞ শুরু, ৫০০ মহিলার কলশ যাত্রা পাড়া থানার অন্তর্গত বহড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পড়াশিড়ি শ্রী শ্রী ১০৮ মহারুদ্র যজ্ঞের আয়োজন। সোমবার সকাল দশটা নাগাদ স্থানীয় গোয়াই নদী থেকে প্রায় ৫০০ জন মহিলা ও কুমারী মেয়েদের মাধ্যমে কলশ যাত্রা করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। সমস্ত গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় পড়াশিড়ি শিব মন্দির প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে হোম যজ্ঞ পূজা অর্চনা প্রসাদ বিতরণ আরতী সহ সন্ধেবেলায় থাকছে কীর্তন ভজন প্রবচন ইত্যাদি অনুষ্ঠান। এদিন দুপুর বারোটা নাগাদ কলশ যাত্রা শেষ হলে কমিটির তরফে জানানো হয় যে দুই বছর আগে এই শিব মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠা দিবসের পরে তিন বছর মহারুদ্র যজ্ঞ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তারা বলেন সমস্ত গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে এই সুন্দর অনুষ্ঠানটিকে পরিচালনা করছেন। শেষ দিনে নরনারায়ণ সেবার আয়োজন রাখা হয়েছে। এই অনুষ্ঠান দেখতে স্থানীয় এলাকা ছাড়াও আশেপাশের বহু গ্রামের মানুষের ঢল নেমেছিল পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের থেকেও ভক্তদের সমাগম হয়।
পাড়া থানার পড়াশিড়ি গ্রামে শিব মন্দিরে মহারুদ্র যজ্ঞ শুরু, ৫০০ মহিলার কলশ যাত্রা পাড়া থানার অন্তর্গত বহড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পড়াশিড়ি শ্রী শ্রী ১০৮ মহারুদ্র যজ্ঞের আয়োজন। সোমবার সকাল দশটা নাগাদ স্থানীয় গোয়াই নদী থেকে প্রায় ৫০০ জন মহিলা ও কুমারী মেয়েদের মাধ্যমে কলশ যাত্রা করে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। সমস্ত গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় পড়াশিড়ি শিব মন্দির প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল থেকে হোম যজ্ঞ পূজা অর্চনা প্রসাদ বিতরণ আরতী সহ সন্ধেবেলায় থাকছে কীর্তন ভজন প্রবচন ইত্যাদি অনুষ্ঠান। এদিন দুপুর বারোটা নাগাদ কলশ যাত্রা শেষ হলে কমিটির তরফে জানানো হয় যে দুই বছর আগে এই শিব মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠা দিবসের পরে তিন বছর মহারুদ্র যজ্ঞ করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তারা বলেন সমস্ত গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে এই সুন্দর অনুষ্ঠানটিকে পরিচালনা করছেন। শেষ দিনে নরনারায়ণ সেবার আয়োজন রাখা হয়েছে। এই অনুষ্ঠান দেখতে স্থানীয় এলাকা ছাড়াও আশেপাশের বহু গ্রামের মানুষের ঢল নেমেছিল পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের থেকেও ভক্তদের সমাগম হয়।
- রাস্তার উপর গরুকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ল দুটো ছোট গাড়ি! ঘটনা পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে পলিটেকনিক সংলগ্ন এলাকায়।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বলরামপুর ব্লক জুড়ে অভিনব কায়দায় প্রচারে নেমেছে এসইউসিআই। দলের মনোনীত প্রার্থী ভোলানাথ মুর্মু একেবারে সাধারণ মানুষের মতো সাদামাটা বেশে প্রচার চালিয়ে ইতিমধ্যেই এলাকায় নজর কেড়েছেন। পরনে ধুতি, কাঁধে গামছা এবং হাতে থলি নিয়ে নিজেই দেয়াল লিখনে অংশ নিচ্ছেন তিনি। চকচকে পোশাক বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারের বদলে মাটির মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রার্থী ও তাঁর কর্মী-সমর্থকেরা। মনোনীত প্রার্থী নিজেই জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলাই এই প্রচারের মূল লক্ষ্য। তাই কোনও বাড়তি আড়ম্বর ছাড়াই নিজেদের হাতে দেয়াল লিখে ভোটের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সরল, মাটির টানে ভরপুর প্রচার ইতিমধ্যেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। অনেকেই এই ভিন্নধর্মী প্রচারকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বলে জানা গিয়েছে।1
- pusti1
- इस बार पांडेश्वर की जनता क्या जितेंद्र तिवारी के समर्थन में ? क्या है मूड पांडेश्वर का देखे ASANSOL POST में आसनसोल का खारीलाल के साथ ग्राउंड रिपोर्ट।*1
- রাজ্যে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক দলগুলির মনোনয়ন পর্ব জোরকদমে চলছে। আজ, ৬ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রেও দেখা গেল সেই ব্যস্ততার চিত্র। সোমবার দুপুর দুটোয় নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে উপস্থিত হন দুর্গাপুর ভূমি রক্ষা কমিটির সভাপতি ধ্রুবজ্যোতি মুখার্জি। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই সীমিত সংখ্যক সমর্থক নিয়ে তিনি মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বা বড় মাপের প্রচার তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ নয়। তার মতে, এই ধরনের প্রচারের সংস্কৃতি মূলত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যেই বেশি দেখা যায়। তাদের লড়াই মূলত পিছিয়ে পড়া মানুষদের অধিকার, শ্রমিক আন্দোলন এবং ভূমি রক্ষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।1
- Election 2026 : মোদী মুখ্যমন্ত্রী ও মমতা প্রধানমন্ত্রী, আপনি কোন স্কুলে পড়াশোনা করেছেন?... #callrecording #viral1
- Post by MOUSUMI KOLEY1
- पश्चिम बंगाल विधानसभा चुनाव 2026 क्या कहते है पांडेश्वर विधानसभा के लोग देखे ASANSOL POST में आसनसोल का खबरीलाल में1
- দুর্গাপুরে ভোটের আবহে আবারও রাজনৈতিক উত্তেজনা। এক নম্বর ওয়ার্ডের রঘুনাথপুর এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়াল লিখনে কাদা লাগানো ও পোস্টারে রং লাগানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুর একটায় তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবেই তাদের প্রচার নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। অভিযোগ, রাতে অন্ধকারে বেছে বেছে দলীয় দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়া হচ্ছে, কাদা লেপে দেওয়া হচ্ছে, এমনকি পতাকা ও ব্যানারও ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এক নম্বর ব্লক তৃণমূলের সভাপতি রাজিব ঘোষ বলেন, দিনের বেলায় এই ধরনের কাজ করার সাহস বিরোধীদের নেই, তাই রাতের অন্ধকারে “কাপুরুষের মতো” এসব করা হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেন, এতে কোনও লাভ হবে না, কারণ মানুষ এখনও তৃণমূলের পাশেই রয়েছে। অন্যদিকে, অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে বিজেপি। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলই নিজেদের সহানুভূতি আদায়ের জন্য এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। তার কথায়, বিজেপি এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না এবং সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করছে বলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।1