মানবাজার ১নং ব্লকের আশা কর্মীরা শুক্রবার ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) ও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন। আশা কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মা, শিশু এবং গ্রামীণ জনসাধারণের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি তাঁদের ওপর অতিরিক্ত কাজের পাহাড় জমেছে। বর্তমানে কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে, কারণ একসাথে একাধিক প্রকল্পের কাজ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপের কাজ শেষ না হতেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ফর্ম বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া এবং তা সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ই-কেওয়াইসি (e-KYC) ভেরিফিকেশনের দায়িত্বও তাঁদের ওপর বর্তেছে। আশা কর্মীদের অভিযোগ, এই বিপুল কাজের চাপে মাঠেঘাটে কাজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এর ফলে বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের হয়রানি এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্থানীয় মানুষের ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনাও ঘটছে, যা আশা কর্মীদের মধ্যে প্রবল মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধানের দাবিতেই মানবাজার ১ ব্লকের আশা কর্মী ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে এই ডেপুটেশন প্রদান করেছে।
মানবাজার ১নং ব্লকের আশা কর্মীরা শুক্রবার ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) ও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন। আশা কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মা, শিশু এবং গ্রামীণ জনসাধারণের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি তাঁদের ওপর অতিরিক্ত কাজের পাহাড় জমেছে। বর্তমানে কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে, কারণ একসাথে একাধিক প্রকল্পের কাজ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপের কাজ শেষ না হতেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ফর্ম বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া এবং তা সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ই-কেওয়াইসি (e-KYC) ভেরিফিকেশনের দায়িত্বও তাঁদের ওপর বর্তেছে। আশা কর্মীদের অভিযোগ, এই বিপুল কাজের চাপে মাঠেঘাটে কাজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এর ফলে বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের হয়রানি এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্থানীয় মানুষের ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনাও ঘটছে, যা আশা কর্মীদের মধ্যে প্রবল মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধানের দাবিতেই মানবাজার ১ ব্লকের আশা কর্মী ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে এই ডেপুটেশন প্রদান করেছে।
- পুরুলিয়ার বান্দোয়ানে শুক্রবার আইসিডিএস কর্মীরা মিছিল করে সিডিপিও-র কাছে তাদের বিভিন্ন দাবিদাবা সম্বলিত একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন। আইসিডিএস কর্মীদের এই দাবিনামার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আইসিডিএস প্রকল্পের স্থায়ীকরণ এবং শূন্য পদগুলিতে দ্রুত কর্মী ও সহায়িকা নিয়োগ। পাশাপাশি, আগের সরকারের অর্ডার অনুযায়ী সান্মানিক ভাতা এক হাজার টাকা প্রদান, বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী সবজি ও ডিমের দাম নির্ধারণ এবং মোবাইল রিচার্জের টাকা বৃদ্ধির মতো একাধিক দাবি তুলে ধরা হয়েছে।1
- জঙ্গলমহল এলাকার প্রায় সমস্ত জমিই এক ফসলি চাষের। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই এই অঞ্চলের মানুষজন বৃষ্টি নির্ভর এক ফসলি ধান চাষের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন এবং বছরে মাত্র একবার এই চাষের ওপর ভরসা করেই বেশিরভাগ কৃষকের দিনপাত হয়। তবে বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আওতায় আসার কারণে সাধারণ চাষী পরিবারগুলি অনেকটাই স্বচ্ছলতার মুখ দেখছে। কিন্তু এ হেন জমিতে আষাঢ় মাসের শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় এখনও ধান রোপণের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে পুরুলিয়ার ট্যাড় জমিতে এখনও চাষের কাজ থমকে রয়েছে, যার কারণে জঙ্গলমহলের চাষিরা চাষবাসের কাজে পিছিয়ে পড়ছেন। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় এ বছর যে ভালো চাষ হবে না, তা এখন থেকেই সহজে অনুমান করতে পারছে এলাকার কৃষক কুল।1
- বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির দেসুরিয়া গ্রামে ইলেকট্রিক শক খেয়ে একটি গবাদি পশুর আকস্মিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত গবাদি পশুর মালিক এই ঘটনার জন্য সরাসরি ইলেকট্রিক ডাক্তারের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।1
- পুরুলিয়ার জে কে কলেজে এবিভিপি এবং এস এফ আই-এর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এই দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।1
- পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি থানার পুলিশ ওড়িশা থেকে এক নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মধুসূদন কুমার, যিনি পুরুলিয়া জেলার লালদিহ এলাকার বাসিন্দা। গত ২১ মে ২০২৬ তারিখে ঝাড়খণ্ডের চান্ডিল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। দীর্ঘ দিনের ধারাবাহিক অনুসন্ধান, আন্তঃরাজ্য সমন্বয় এবং নিরলস প্রচেষ্টার পর ওড়িশার ঢেঙ্কানাল জেলার কাকনাহাড় এলাকায় তাঁকে শনাক্ত করা হয়। এরপর প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাঁকে নিরাপদে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই সাফল্য প্রসঙ্গে পুরুলিয়া জেলা পুলিশ নিখোঁজদের দ্রুত খুঁজে বের করতে এবং বিপর্যস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, "আপনার নিরাপত্তাই আমাদের অঙ্গীকার। পুরুলিয়া জেলা পুলিশ – সর্বদা আপনার পাশে।"1
- মানবাজার ১নং ব্লকের আশা কর্মীরা শুক্রবার ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) ও ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন। আশা কর্মীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মা, শিশু এবং গ্রামীণ জনসাধারণের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের পাশাপাশি তাঁদের ওপর অতিরিক্ত কাজের পাহাড় জমেছে। বর্তমানে কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে, কারণ একসাথে একাধিক প্রকল্পের কাজ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলাপের কাজ শেষ না হতেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ফর্ম বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া এবং তা সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি ই-কেওয়াইসি (e-KYC) ভেরিফিকেশনের দায়িত্বও তাঁদের ওপর বর্তেছে। আশা কর্মীদের অভিযোগ, এই বিপুল কাজের চাপে মাঠেঘাটে কাজ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে সন্তুষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এর ফলে বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের হয়রানি এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। স্থানীয় মানুষের ভুল বোঝাবুঝির কারণে তাঁদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনাও ঘটছে, যা আশা কর্মীদের মধ্যে প্রবল মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। এই সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধানের দাবিতেই মানবাজার ১ ব্লকের আশা কর্মী ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে এই ডেপুটেশন প্রদান করেছে।1
- শুক্রবার বিকেল নাগাদ পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে সিধো কানহু বীরষা বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরে পুরুলিয়া-কোটশিলা রেললাইনে ট্রেনে কাটা পড়ে এক যুবতীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় মানুষেরা পুরুলিয়া জিআরপি থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মৃত ওই যুবতীর পরিচয় এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি।1