BJP Urges Election Commission for 1–2 Phase Bengal Polls, No State Police at Booths The West Bengal unit of the Bharatiya Janata Party (BJP) has submitted a memorandum to the Election Commission of India (ECI) demanding major changes in polling arrangements for the upcoming West Bengal Legislative Assembly Election. The representation was submitted on March 9 before the full bench of the poll body, led by Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar, along with Election Commissioners Sukhbir Singh Sandhu and Vivek Joshi, during their visit to Kolkata to review election preparations. The BJP requested that the Assembly elections be conducted in a single phase or at most two phases, arguing that long election schedules increase the chances of violence and intimidation. The party also demanded the transfer of officers who were previously shifted by the ECI during the 2019 Lok Sabha, 2021 Assembly, and 2024 Lok Sabha elections, saying officials found unsuitable earlier should not be posted in sensitive roles. The party also urged the Commission to ensure independent movement of central forces without relying on state police and suggested that polling personnel should include a 50:50 mix of state and central government officers. #WestBengalElection #BJP #ElectionCommission #BengalPolitics #AssemblyPolls #CentralForces #IndianPolitics
BJP Urges Election Commission for 1–2 Phase Bengal Polls, No State Police at Booths The West Bengal unit of the Bharatiya Janata Party (BJP) has submitted a memorandum to the Election Commission of India (ECI) demanding major changes in polling arrangements for the upcoming West Bengal Legislative Assembly Election. The representation was submitted on March 9 before the full bench of the poll body, led by Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar, along with Election Commissioners Sukhbir Singh Sandhu and Vivek Joshi, during their visit to Kolkata to review election preparations. The BJP requested that the Assembly elections be conducted in a single phase or at most two phases, arguing that long election schedules increase the chances of violence and intimidation. The party also demanded the transfer of officers who were previously shifted by the ECI during the 2019 Lok Sabha, 2021 Assembly, and 2024 Lok Sabha elections, saying officials found unsuitable earlier should not be posted in sensitive roles. The party also urged the Commission to ensure independent movement of central forces without relying on state police and suggested that polling personnel should include a 50:50 mix of state and central government officers. #WestBengalElection #BJP #ElectionCommission #BengalPolitics #AssemblyPolls #CentralForces #IndianPolitics
- selimsk selimsk1
- তাল গাছ থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু শ্রমিকের : অথৈ জলে ভরতপুরের খড়িন্দা গ্রামের দুঃস্থ পরিবার। সাতসকালে পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার লড়াইয়ে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু সেই যাত্রাই যে শেষ যাত্রা হবে তা কল্পনাও করতে পারেনি পরিবার। বুধবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ ভরতপুর ব্লকের খড়িন্দা গ্রামের বাসিন্দা বছর ৩৬ এর প্রশান্ত বিত্তেল নামের এক ব্যক্তি তাল গাছে কাজ করতে উঠে অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান। স্থানীয়দের তৎপরতায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা অবস্থার অবনতি দেখে তাকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে, হাসপাতালের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কয়েক মিটার আগেই মাঝরাস্তায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মৃত প্রশান্তবাবু অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সদস্য ছিলেন। বাড়িতে তার বিধবা মা বিপদ বিত্তেল, স্ত্রী শ্রাবণী বিত্তেল এবং দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। জানা গেছে, অভাবের সংসারে তার স্ত্রী অন্যের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে কোনোমতে দিন গুজরান করেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তির এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো গ্রাম শোকস্তব্ধ। খবর পেয়ে ভরতপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এক নিমেষে সহায় সম্বলহীন হয়ে পড়া এই দুস্থ পরিবারটির ভবিষ্যৎ এখন ঘোর অনিশ্চয়তার মুখ।1
- মুরারইয়ে AIMIM-এর জনজোয়ার, ওয়াইসির সভায় জমল রাজনৈতিক মঞ্চ আজ বীরভূমের মুরারই ১ নম্বর ব্লকের পলসা কারবালা মাঠে All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen (AIMIM)-এর উদ্যোগে এক বৃহৎ জনসভার আয়োজন করা হয়। সভাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় উৎসাহ ও উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়, ভিড় জমাতে শুরু করেন দলীয় কর্মী ও সমর্থকেরা। এই জনসভার মূল আকর্ষণ ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি Asaduddin Owaisi। তাঁর আগমনকে ঘিরে মাঠে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেন এবং সংখ্যালঘু সহ সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে সরব হন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সভা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল।1
- আজ রঘুনাথগঞ্জের অন্তর্গত কাঁসাইডাঙ্গা অঞ্চলে Asaduddin Owaisi সাহেবের আগমনে জনসমুদ্রের সৃষ্টি হয়। চারিদিকে মানুষের উচ্ছ্বাস আর উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিয়েছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে তার প্রতি কতটা সমর্থন ও ভালোবাসা রয়েছে। কাঁসাইডাঙ্গার মাটিতে আজকের এই ভিড় যেন নতুন এক রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।1
- নববর্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বহরমপুরে পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে জনসংযোগে তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল মুখার্জী। বুধবার বহরমপুরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মোড় থেকে শুরু হয় পদযাত্রা। কাউন্সিলরকে সাথে নিয়ে শহরবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু হয় প্রচার। এদিন এই পদযাত্রা মোহন মোড়, কলেজ ঘাট মোর সহ বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে। পদযাত্রায় নববর্ষে কী বললেন বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ।1
- Post by সত্য দর্পণ1
- হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন। আর সেই বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে এখন অন্যতম আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মুর্শিদাবাদের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির।এদিন নিজের ফর্মে ফিরে হুমায়ুন দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রচারের মধ্যে দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক হয়ে উঠলেন একাধিক ইস্যুতে। সরাসরি দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত সাহুর নাম নিয়ে তাকে যেমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন একই সঙ্গে রাজ্যে এই মুহূর্তে হুমায়ুনের অন্যতম প্রধান শত্রু বলে পরিচিত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউ হুঁশিয়ারি দিলেন বাবরি মসজিদ ইস্যুতে1
- ভরতপুরের আলুগ্রাম অঞ্চলের একাধিক গ্রামে : জনসংযোগ সারলেন তৃণমূল প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান (সুমন)। ৬৯ ভরতপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভরতপুর-১ নম্বর ব্লকে মঙ্গলবার দিনভর বর্ণাঢ্য নির্বাচনী প্রচার চালালেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমন। এ দিন আলুগ্রাম অঞ্চলের করাইল গ্রাম থেকে মুস্তাফিজুর রহমানের বর্ণাঢ্য এই প্রচার অভিযান শুরু হয়, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে পুষ্পবৃষ্টি, মিষ্টিমুখ ও ফুলের মালায় উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। বাজনার তালে কর্মীদের উল্লাস আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে এদিন আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে। প্রার্থী কেবল রাজপথেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং রাজারামপুর, মন্ডলপুর, চুঁয়াতোর, আঙ্গারপুর, আলুগ্রাম, সুনিয়া, মদনপুর ও মাসলা সহ একাধিক গ্রামের অলিতে-গলিতে ঢুকে ৮ থেকে ৮০ তথা সর্বস্তরের মানুষের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেন। এই নিবিড় জনসংযোগ অভিযানে প্রার্থীর পাশে থেকে পা মিলিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি নিছার উদ্দিন সেখ, জেলা পরিষদ সদস্য বাবর আলী সেখ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সালমা সুলতানা ও তাঁর স্বামী সেলিম সেখ, এবং পঞ্চায়েত প্রধান জাহিরুল সেখ সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃত্ব। গ্রামবাসীর উপচে পড়া ভিড় আর কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।1