*শীতলখুঁচিতে শর্ট সার্কিট থেকে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি* শর্ট সার্কিটের জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত হলেন শীতলখুঁচি ব্লকের এক পরিবার। ভাঐরথানা অঞ্চলের ছোট ব্যাংডাকি এলাকার ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা জাকাশু বর্মনের বাড়িতে শনিবার সন্ধ্যা ৭, ৩০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা ৭, ৩০ নাগাদ আচমকাই জাকাশু বর্মনের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। নিমেষের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে। বাড়ির সদস্যরা কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচলেও ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র পুড়ে যায়। আগুনে বাড়ির আসবাবপত্রের সঙ্গে নগদ প্রায় ১ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং জমি-বাড়ির দলিল সহ সমস্ত জরুরি কাগজপত্র সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। কয়েক মুহূর্তেই চোখের সামনে সর্বস্ব পুড়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েন জাকাশু বর্মন ও তাঁর পরিবার। আগুন দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং দমকলে খবর দেন। স্থানীয়রাই প্রথমে বালতি করে জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাড়ির প্রায় সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। সর্বস্ব খুইয়ে খোলা আকাশের নিচে এসে দাঁড়িয়েছেন জাকাশু বর্মনের পরিবার। সব শেষ। জমির কাগজ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে বাঁচব জানি না।" খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভাঐরথানা অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। *শীতলখুঁচিতে শর্ট সার্কিট থেকে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি* শর্ট সার্কিটের জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত হলেন শীতলখুঁচি ব্লকের এক পরিবার। ভাঐরথানা অঞ্চলের ছোট ব্যাংডাকি এলাকার ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা জাকাশু বর্মনের বাড়িতে শনিবার সন্ধ্যা ৭, ৩০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা ৭, ৩০ নাগাদ আচমকাই জাকাশু বর্মনের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। নিমেষের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে। বাড়ির সদস্যরা কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচলেও ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র পুড়ে যায়। আগুনে বাড়ির আসবাবপত্রের সঙ্গে নগদ প্রায় ১ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং জমি-বাড়ির দলিল সহ সমস্ত জরুরি কাগজপত্র সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। কয়েক মুহূর্তেই চোখের সামনে সর্বস্ব পুড়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েন জাকাশু বর্মন ও তাঁর পরিবার। আগুন দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং দমকলে খবর দেন। স্থানীয়রাই প্রথমে বালতি করে জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাড়ির প্রায় সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। সর্বস্ব খুইয়ে খোলা আকাশের নিচে এসে দাঁড়িয়েছেন জাকাশু বর্মনের পরিবার। সব শেষ। জমির কাগজ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে বাঁচব জানি না।" খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভাঐরথানা অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
*শীতলখুঁচিতে শর্ট সার্কিট থেকে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি* শর্ট সার্কিটের জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত হলেন শীতলখুঁচি ব্লকের এক পরিবার। ভাঐরথানা অঞ্চলের ছোট ব্যাংডাকি এলাকার ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা জাকাশু বর্মনের বাড়িতে শনিবার সন্ধ্যা ৭, ৩০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা ৭, ৩০ নাগাদ আচমকাই জাকাশু বর্মনের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। নিমেষের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে। বাড়ির সদস্যরা কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচলেও ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র পুড়ে যায়। আগুনে বাড়ির আসবাবপত্রের সঙ্গে নগদ প্রায় ১ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং জমি-বাড়ির দলিল সহ সমস্ত জরুরি কাগজপত্র সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। কয়েক মুহূর্তেই চোখের সামনে সর্বস্ব পুড়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েন জাকাশু বর্মন ও তাঁর পরিবার। আগুন দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং দমকলে খবর দেন। স্থানীয়রাই প্রথমে বালতি করে জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাড়ির প্রায় সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। সর্বস্ব খুইয়ে খোলা আকাশের নিচে এসে দাঁড়িয়েছেন জাকাশু বর্মনের পরিবার। সব শেষ। জমির কাগজ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে বাঁচব জানি না।" খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভাঐরথানা অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। *শীতলখুঁচিতে শর্ট সার্কিট থেকে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি* শর্ট সার্কিটের জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত হলেন শীতলখুঁচি ব্লকের এক পরিবার। ভাঐরথানা অঞ্চলের ছোট ব্যাংডাকি এলাকার ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা জাকাশু বর্মনের বাড়িতে শনিবার সন্ধ্যা ৭, ৩০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা ৭, ৩০ নাগাদ আচমকাই জাকাশু বর্মনের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। নিমেষের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে। বাড়ির সদস্যরা কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচলেও ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র পুড়ে যায়। আগুনে বাড়ির আসবাবপত্রের সঙ্গে নগদ প্রায় ১ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং জমি-বাড়ির দলিল সহ সমস্ত জরুরি কাগজপত্র সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। কয়েক মুহূর্তেই চোখের সামনে সর্বস্ব পুড়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েন জাকাশু বর্মন ও তাঁর পরিবার। আগুন দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং দমকলে খবর দেন। স্থানীয়রাই প্রথমে বালতি করে জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাড়ির প্রায় সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। সর্বস্ব খুইয়ে খোলা আকাশের নিচে এসে দাঁড়িয়েছেন জাকাশু বর্মনের পরিবার। সব শেষ। জমির কাগজ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে বাঁচব জানি না।" খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভাঐরথানা অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
- টিউশন থেকে ফেরার পথে নাবালিকা এক ছাত্রীর হাত ধরে টানার অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে।তুমুল উত্তেজনা হরিপালে।1
- দাদুর বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের জলে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যু হলো দুই ভাইয়ের। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলখুঁচি ব্লকের পূর্ব শীতলখুঁচির রথের ডাঙ্গা বোনচুকি পাড়া এলাকায়। মৃত দুই ভাই হলেন আসাদুল মিঞা (১৩) ও হাসানুর মিঞা (১)। তাঁদের বাড়ি দিল্লির গাজিয়াবাদে। বাবা ঐদুল মিঞা দিল্লিতে গাড়ি চালায় ও মা হাসিনা বিবির সঙ্গে তারা কয়েকদিন আগেই দাদু মজিবর মিঞার বাড়ি পূর্ব শীতলখুঁচি বোনচুকি পাড়া রথের ডাঙ্গায় বেড়াতে এসেছিল। শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশের পুকুরের ধারে খেলছিল দুই ভাই। পরিবারের দাবি, খেলতে খেলতে স্নান করতে নামে দুই ভাই অসাবধানতাবশত পুকুরের জলে তলিয়ে যায় তারা। অনেকক্ষণ দু’জনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে পুকুর থেকে দু’জনকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে শীতলখুঁচি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন এই ঘটনায় গোটা বোনচুকি পাড়া এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দাদুর বাড়িতে কালকেই ছুটিতে আসা দুই নাতির এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা হাসিনা বিবি ও দাদু মজিবর মিঞা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুকুরটির চারপাশে কোনও বাঁধ বা রেলিং নেই। বর্ষার আগে থেকেই এলাকার শিশুদের জন্য এটি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শীতলখুঁচি থানার পুলিশ। মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাথাভাঙ্গা মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে পুকুরের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরির দাবি তোলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে।1
- রাতের অন্ধকারে বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল একটি যাত্রীবাহী বাস। ঘটনাটি ঘটেছে গোবরা ছাড়া পুলের পার ব্রিজ সংলগ্ন মুন্সিরহাট যাওয়ার রাস্তায়, আনুমানিক রাত তিনটা নাগাদ। জানা গিয়েছে, বাসটি একটি বিয়ের বাড়ির ভাড়া খাটিয়ে যাত্রী নামিয়ে ফেরার পথে ছিল। সেই সময় মূল সড়ক এড়িয়ে একটি অত্যন্ত সরু সিসি (ঢালাই) রাস্তায় ঢুকে পড়ে বাসটি। স্থানীয়দের দাবি, ওই রাস্তায় সাধারণত টোটো ছাড়া বড় গাড়ি চলাচল করে না। ফলে কীভাবে ওই পথে বাস প্রবেশ করল, তা নিয়েই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। অভিযোগ, বাস চালক মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতিরিক্ত মদ্যপানের জেরেই চালক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সরু রাস্তায় ঢুকে পড়েন এবং পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তা ছেড়ে ধানক্ষেতে কাত হয়ে যায়। সৌভাগ্যবশত, সেই সময় বাসে কোনও যাত্রী বা বরযাত্রী উপস্থিত না থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয়দের প্রশ্ন—বিকল্প ও প্রশস্ত রাস্তা থাকা সত্ত্বেও কেন চালক এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিলেন? ঘটনার পর এলাকাবাসীরা এগিয়ে এসে জেসিবি (JCB) মেশিনের সাহায্যে বাসটিকে উদ্ধার করে রাস্তা থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। ঘটনায় কেউ আহত না হলেও, এমন অবহেলায় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা।1
- মেখলিগঞ্জ ব্লকের জালিয়াতর মোড় এলাকা থেকে বাংলাদেশে পাচারের আগেই বিপুল পরিমাণ মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করল বিএসএফ । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। আনুমানিক ৬০০ পিস মোবাইল ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়েছে, যার বাজার আনুমানিক মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। সূত্র মারফত জানা গেছে, একটি যাত্রীবাহী বাসে করে দুটি কার্টুন জালিয়াটারী মোড়ে নামানো হয়। এরপর এক অভিযুক্ত টোটো নিয়ে কার্টুনগুলো সংগ্রহ করতে এলে বিএসএফের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলো বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।1
- নিশিগঞ্জ: ভোটের ফল প্রকাশের দিন শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে পুলিশ ও প্রশাসন। সেই প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই শনিবার মাথাভাঙ্গা মহকুমার বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় রুটমার্চ করা হয়। নেতৃত্ব দেন কোচবিহার জেলার পুলিশ সুপার যশপ্রিত সিংহ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, জেলা পুলিশ ও মহকুমা পুলিশের আধিকারিকরা। মাথাভাঙ্গা শহর, , নিশিগঞ্জসহ একাধিক এলাকায় রুটমার্চ করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এলাকায় এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার। ভোটের ফল ঘোষণার দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন যে কড়া অবস্থানে রয়েছে, রুটমার্চের মাধ্যমে সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোথাও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রুটমার্চ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।1
- Post by Raj roy1
- 📍ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ছোট ব্যাঙডাকিতে। ভস্মীভূত একমাত্র বসতঘর #FireIncident #HouseFire #ShortCircuit #BreakingNews #WestBengal #CoochBehar #Sitalkuchi #FireAccident #Emergency #LocalNews #Disaster #FireDamage #NewsUpdate #IncidentReport #StaySafe1
- *শীতলখুঁচিতে শর্ট সার্কিট থেকে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি* শর্ট সার্কিটের জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্বান্ত হলেন শীতলখুঁচি ব্লকের এক পরিবার। ভাঐরথানা অঞ্চলের ছোট ব্যাংডাকি এলাকার ১৯৩ নম্বর বুথের বাসিন্দা জাকাশু বর্মনের বাড়িতে শনিবার সন্ধ্যা ৭, ৩০ মিনিট নাগাদ আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা ৭, ৩০ নাগাদ আচমকাই জাকাশু বর্মনের বাড়িতে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত। নিমেষের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে। বাড়ির সদস্যরা কোনওক্রমে প্রাণে বাঁচলেও ঘরের ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র পুড়ে যায়। আগুনে বাড়ির আসবাবপত্রের সঙ্গে নগদ প্রায় ১ লক্ষ টাকা, সোনার গয়না এবং জমি-বাড়ির দলিল সহ সমস্ত জরুরি কাগজপত্র সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। কয়েক মুহূর্তেই চোখের সামনে সর্বস্ব পুড়ে যেতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েন জাকাশু বর্মন ও তাঁর পরিবার। আগুন দেখে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন এবং দমকলে খবর দেন। স্থানীয়রাই প্রথমে বালতি করে জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে বাড়ির প্রায় সবকিছুই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। সর্বস্ব খুইয়ে খোলা আকাশের নিচে এসে দাঁড়িয়েছেন জাকাশু বর্মনের পরিবার। সব শেষ। জমির কাগজ পর্যন্ত পুড়ে গেছে। এখন কীভাবে বাঁচব জানি না।" খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভাঐরথানা অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।1