Shuru
Apke Nagar Ki App…
ফালাকাটার খগেনার এলাকার বেহাল রাস্তার কারণে ভোগান্তি সাধারণ মানুষের।
জনতার খবর - Janatar Khabar
ফালাকাটার খগেনার এলাকার বেহাল রাস্তার কারণে ভোগান্তি সাধারণ মানুষের।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by জনতার খবর - Janatar Khabar1
- খগেনহাট থেকে সাধুর মোড়ের বেহাল রাস্তার জন্য নাজেহাল মানুষ।। হুশ নেই কারো ⁉️ #viral #khagenhat #jalpaiguri #alipurduar1
- ময়নাগুড়ি ব্লকের মাধবডাঙ্গার বটতলা পুরানবাড়ি এলাকায় প্রতি বছরের মতো এবছরও অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী চড়ক পূজা ও মেলা। বৈশাখ মাসের এই প্রাচীন লোকউৎসবকে ঘিরে সকাল থেকেই এলাকায় ভিড় জমায় বহু মানুষ। দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা হাজির হন উৎসবের এই বিশেষ মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করতে। পূজার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল চড়ক গাছ ঘোরানো। এ বছর সেই রীতিতে প্রথমবার অংশ নেন মালা রায় নামে এক মহিলা ভক্ত। জানা গিয়েছে, মালা রায় পুরানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বিয়ের পর মেহেরি পাড়ায় থাকেন। ভক্তি ও আস্থার নিদর্শন হিসেবে তিনি নিজের পিঠে কাঁটা প্রবেশ করিয়ে চড়ক গাছে ঝুলে ঘোরেন। এই দৃশ্য দেখে উপস্থিত দর্শনার্থীরা বিস্মিত হয়ে পড়েন। স্থানীয় ভক্তদের বিশ্বাস, এই ধরনের কঠোর সাধনা ও তপস্যার মাধ্যমে দেবতার আশীর্বাদ লাভ করা যায় এবং জীবনের নানা বাধা-বিপত্তি দূর হয়। এছাড়াও মেলাকে কেন্দ্র করে বসে নানা ধরনের দোকানপাট, খেলনা, মিষ্টি ও খাবারের স্টল, যা উৎসবের আমেজকে আরও বাড়িয়ে তোলে। প্রতি বছরের মতো এবছরও মাধবডাঙ্গার চড়ক পূজা ও মেলা এলাকাবাসীর কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।1
- মেখলিগঞ্জ, ১ মে: আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে মেখলিগঞ্জ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে মে দিবস পালিত হয়। এদিন শ্রমিক আন্দোলনের শহিদদের শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার নেওয়া হয়। ১৮৮৬ সালে শিকাগোতে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে আন্দোলন থেকেই এই দিবসের সূচনা। বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের পরিশ্রমেই সমাজের অগ্রগতি সম্ভব, তাই তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি। অনুষ্ঠানে বৈষম্য দূর করে শ্রমিক ঐক্য বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয় এবং সকল শ্রমজীবী মানুষকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।1
- Post by Hamidul Haque1
- সাত সকালে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো মালবাজার শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পুরানো আদালত এলাকায়। বাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার হলো ৪৫ বছর বয়সী গোপাল বণিকের নিথর দেহ1
- দাদুর বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের জলে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যু হলো দুই ভাইয়ের। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলখুঁচি ব্লকের পূর্ব শীতলখুঁচির রথের ডাঙ্গা বোনচুকি পাড়া এলাকায়। মৃত দুই ভাই হলেন আসাদুল মিঞা (১৩) ও হাসানুর মিঞা (১)। তাঁদের বাড়ি দিল্লির গাজিয়াবাদে। বাবা ঐদুল মিঞা দিল্লিতে গাড়ি চালায় ও মা হাসিনা বিবির সঙ্গে তারা কয়েকদিন আগেই দাদু মজিবর মিঞার বাড়ি পূর্ব শীতলখুঁচি বোনচুকি পাড়া রথের ডাঙ্গায় বেড়াতে এসেছিল। শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশের পুকুরের ধারে খেলছিল দুই ভাই। পরিবারের দাবি, খেলতে খেলতে স্নান করতে নামে দুই ভাই অসাবধানতাবশত পুকুরের জলে তলিয়ে যায় তারা। অনেকক্ষণ দু’জনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে পুকুর থেকে দু’জনকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে শীতলখুঁচি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন এই ঘটনায় গোটা বোনচুকি পাড়া এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দাদুর বাড়িতে কালকেই ছুটিতে আসা দুই নাতির এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা হাসিনা বিবি ও দাদু মজিবর মিঞা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুকুরটির চারপাশে কোনও বাঁধ বা রেলিং নেই। বর্ষার আগে থেকেই এলাকার শিশুদের জন্য এটি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শীতলখুঁচি থানার পুলিশ। মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাথাভাঙ্গা মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে পুকুরের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরির দাবি তোলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে।1
- গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আবহে ময়নাগুড়ির বৌদ্ধ শান্তি বিহারে পালিত হল ২৫৭০তম বুদ্ধ জয়ন্তী। পহেলা মে, শুক্রবার পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দিনভর নানা ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ভগবান বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণের স্মরণে এদিন ভোরে প্রভাত ফেরির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় বুদ্ধের স্নানযাত্রা ও বিশ্ব বৌদ্ধ পতাকা উত্তোলন। সকালবেলায় ভক্তদের জন্য প্রাতরাশের ব্যবস্থা করা হয়। সকাল ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ স্থানীয় হাসপাতালে রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ফল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এরপর সকাল ১০টায় বুদ্ধ পূজার আয়োজন করা হয় এবং দুপুরে সমবেতভাবে আহারের ব্যবস্থা করা হয়। উৎসবের অঙ্গ হিসেবে আগের দিন, ৩০ এপ্রিল, আয়োজন করা হয় বসে আঁকো প্রতিযোগিতা। সন্ধ্যায় খিচুড়ি বিতরণের পাশাপাশি ছোটদের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও ব্যবস্থা করা হয়, যা রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই বিশেষ দিনে এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এখন আসুন, এই বিষয়ে কে কী বলছেন।1